প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
থলেট ভিলেজের অভাবের কারণে অস্থায়ী কাঠের কক্ষ ও হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং পরিবহন সংকটের মতো বিভিন্ন সমস্যার জন্য ক্রীড়াবিদদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন নাগোয়ার মেয়র ইচিরো হিরোসাওয়া। এশিয়ান গেমসে একের পর এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি এ কথা বলেন।
এশিয়ান গেমসের আয়োজনের সময় মানবিক ভুল এবং জাতীয় দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের ঘাটতি ছিল বলে বুধবার স্বীকার করেন নাগোয়া শহরের মেয়র। তিনি জানান, গেমসের আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ভুল হয়েছে, যা নিয়ে আন্তরিকভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
১৭ হাজারের বেশি ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর, যা অলিম্পিকের চেয়েও বেশি। তবে শুরু থেকেই আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে অংশগ্রহণকারীদের। স্থানীয় আয়োজকদের অব্যবস্থাপনার কারণে কয়েকটি দেশ অভিযোগ করেছে।
মেয়র হিরোসাওয়া বলেন, "এসব ভোগান্তির শিকার ক্রীড়াবিদ ও অন্যদের কাছে আমাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।" তিনি জানান, আয়োজনে যেসব ভুল হয়েছে, সেগুলো নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।
এবারের এশিয়ান গেমসে খরচ কমানোর লক্ষ্যে আগের আসরের মতো আলাদা কোনো অ্যাথলেট ভিলেজ রাখা হয়নি। ক্রীড়াবিদদের জন্য অস্থায়ী কাঠের ইউনিট, একটি ক্রুজ জাহাজ এবং বিভিন্ন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অস্থায়ী কক্ষ নিয়ে কিছু দলের অভিযোগ রয়েছে; এমনকি কোথাও কোথাও বিছানা ক্রীড়াবিদদের জন্য যথেষ্ট লম্বা নয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
পরিবহন ব্যবস্থাতেও নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। ক্রীড়াবিদদের জন্য নির্ধারিত বাস সময়মতো না চলা, একেবারেই না আসা কিংবা ভুল ভেন্যুতে চলে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। গেমস শুরুর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর নাগোয়ায় পৌঁছানো কিছু ক্রীড়াবিদকে বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়েছে।
এর আগে, উত্তর কোরিয়ার জাতীয় সংগীত ভুল করে বাজিয়ে দেওয়ার কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছেও ক্ষমা চেয়েছিল স্থানীয় আয়োজকরা।
নাগোয়া ও আইচি প্রিফেকচারে আয়োজিত এবারের এশিয়ান গেমস রোববার শেষ হওয়ার কথা। শেষ পর্যায়ে এসে আয়োজকদের পক্ষ থেকে এসব সমস্যার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করা হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন