ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিবালয়ে অজ্ঞান করে লুটের চেষ্টা, আটক ২ চোরকে জনতার হাতে উত্তম-মাধ্যম


শিবালয়ে অজ্ঞান করে লুটের চেষ্টা, আটক ২ চোরকে জনতার হাতে উত্তম-মাধ্যম

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে খাবার স্যালাইন ও ট্যাঙ সরবতের সাথে চেতনা নাশক দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ানোর মাধ্যমে বাড়ির সকল সদস্যকে অচেতন করে সর্বস্ব লুট করার চেষ্টা করতে গিয়ে দুইজন চোর চক্রের সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনা ঘটে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, যখন স্থানীয় জনতা আটককৃত দুজনকে উত্তম-মাধ্যম দিয়ে শিবালয় থানায় পুলিশের কাছে সোর্পদ করে। পরে, পুলিশ তাদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

গুরুতর অবস্থায় গৃহকর্তী আলেক জান (৬০) এবং তার ছেলে লালন ফকির (৪০) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

গৃহকর্ত্রীর মেয়ের জামাতা শামীম জানান, মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার বৈষ্টমিরচর এলাকায় মনো ফকিরের বাড়িতে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পূর্ব পরিচিত দুইজন চোর সর্বস্ব লুট করার উদ্দেশ্যে বাড়ির ৫ সদস্যের মধ্যে কেবল দুইজনকে খাবার স্যালাইন ও ট্যাঙ সরবতের সাথে চেতনা নাশক দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ানোর পর অসুস্থ হয়ে পড়লে চোর চক্রের সদস্যরা ওই বাড়ি থেকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যায়। পরের দিন বুধবার সকালে স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়ে চোর চক্রের ওই দুই সদস্য।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার শোবুদ্দিন উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত-সিরাজ মিয়ার পুত্র মো. শফি ওরফে মিলন (৪০), এবং একই জেলা ও উপজেলার হাটভাঙ্গা গ্রামের মৃত-সিদ্দিক মিয়ার পুত্র মো. শুকুর আলী (৪০)।

শামীম আরও জানান, টমেটো বিক্রি করতে গিয়ে তিন বছর আগে তাদের সাথে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে ওই চোর চক্রের সদস্যরা তাদের বাড়িতে এর আগেও একবার এসেছিল। রতনকে ফোন দিয়ে গত মঙ্গলবার চোর চক্রের ওই দুই সদস্য আবার আসে। এসময় রতনের দাদা, দাদি, বাবা-মাসহ ৫জন বাড়িতে ছিলেন। এর মধ্যে রতনের বাবা ও দাদীকে সরবতের সাথে চেতনা নাশক দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ালে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই চোর চক্রের সদস্যরা সুকৌশলে পালিয়ে যায়। পরের দিন বুধবার সকালে নৌকায় নদী পার হওয়ার সময় স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়ে। এরপর স্থানীয় জনতা ওই চোর চক্রের সদস্যদের পুলিশে দেয়।

শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে এখনও কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে উক্ত বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: জামিনে মুক্ত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে পুলিশকন্যা তাসনিয়া রানা তামান্না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সার্কুলারে বহির্মুখী রেমিট্যান্সের বিধিবিধান সমন্বিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সার্কুলারে বহির্মুখী রেমিট্যান্সের বিধিবিধান সমন্বিত

বাংলাদেশ ব্যাংক আমদানি ও পরিবহন সেবা ছাড়া চলতি হিসাবের লেনদেনের আওতায় বহির্মুখী রেমিট্যান্স সংক্রান্ত বিধিবিধান একত্র করে একটি সমন্বিত সার্কুলার জারি করেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এই সার্কুলারটি প্রকাশ করেছে।

নতুন সার্কুলারে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা সার্কুলারের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত বিভিন্ন নির্দেশনা ও সার্কুলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত প্রযোজ্য বিধিবিধানগুলো একটি ডকুমেন্টে একত্র করার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন সার্কুলার জারির ফলে সমন্বিত কাঠামোর আওতাভুক্ত পূর্বের সব নির্দেশনা বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে রিপোর্টিং সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো বহাল থাকবে।

সমন্বিত সার্কুলারে বহির্মুখী রেমিট্যান্সের বিভিন্ন খাতের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশ ভ্রমণ, বিদেশে চিকিৎসা, সরকারি ও আধা-সরকারি সফর, শিক্ষা, ভিসা ও অভিবাসন ফি, বিদেশে কর্মসংস্থান এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে অংশগ্রহণের খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া মুনাফা ও লভ্যাংশ, পরামর্শক ও প্রশিক্ষণ সেবা, বিদেশি এজেন্ট, বিদেশে শাখা খোলা, উড়োজাহাজ ও জাহাজের লিজ ভাড়া, সফটওয়্যার ও আইটি সেবা, ই-কমার্স এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) বিভিন্ন অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রেও নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক কার্ড, কার্ড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ এবং ব্যাংক-মধ্যস্থ আন্তঃসীমান্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক-সংক্রান্ত বিধানও এই সার্কুলারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ভ্রমণসংক্রান্ত বিধানের আওতায় বিদেশ ভ্রমণ, চিকিৎসা, ব্যবসায়িক সফর, হজ ও ওমরাহসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়ার নির্দেশনা রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন সার্কুলারের নির্দেশনাগুলো সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ থেকে এক বছর কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে নতুন কোনো নির্দেশনা জারি হলে তা এই সমন্বিত সার্কুলারের সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে হবে। কোনো বিষয়ে অস্পষ্টতা বা অসামঞ্জস্য দেখা দিলে মূল সার্কুলারে থাকা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

ব্যবসায়ী ও ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্টরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, সমন্বিত সার্কুলার জারির ফলে বিভিন্ন সময়ে জারি করা আলাদা সার্কুলার খুঁজে দেখার প্রয়োজন পড়বে না এবং ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা সহজেই প্রয়োজনীয় বিধিবিধান খুঁজে পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপি গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের জামিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


এমপি গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের জামিন

আদালত গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামকে জামিন প্রদান করেছেন। এটি ঘটে যখন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী গণমাধ্যমকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত জুলাইয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তার বিরুদ্ধে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

এই ঘটনার পর ২২ জুলাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি অবগত করা হয়।

ভিডিও ভাইরালের পর অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ২১ জুলাই গাড়ি চালক ও মৃত মরিয়ম খাতুনের মামা ওবায়দুর রহমান পল্লবী থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে গত ১০ আগস্ট ৮ সপ্তাহের জামিন পান। সেই মামলার বাদী ওবায়দুরকে এবার মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, গত জুনে গাজী নজরুলের সঙ্গে ভিক্টিমের ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয়। সংসদ সদস্য হওয়ায় ভিকটিম মরিয়ম এবং তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলাম শেরেবাংলা নগর থানাধীন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন। আসামি ওবায়দুর রহমানের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় গাজী নজরুলের সঙ্গে ভিক্টিম মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী ভিকটিম মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে বিভিন্ন সময় মোবাইলের মাধ্যমে তার পরিবারকে জানানো হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টায় গাজী নজরুল ভিক্টিমের বাবাকে মোবাইল ফোনে দ্রুত তাদের বাসায় যেতে বলেন। বাসায় এসে তিনি দেখতে পান অনেক লোকজন সেখানে উপস্থিত।

তখন তিনি জানতে পারেন বাসার ভেতরের রুমে ভিকটিম মরিয়ম ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন। পরে শেরেবাংলা নগর পুলিশের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তার মেয়ের দেহ ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে দেখতে পান। এসময় বিছানার ওপরে তার লেখা একটি সুসাইড নোট পান। মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামিদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এবং আসামিদের প্ররোচনায় তার মেয়ে মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোটকেন্দ্র পুনর্বহালের দাবিতে কুমিল্লার ভুবনঘরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ পি.এম


ভোটকেন্দ্র পুনর্বহালের দাবিতে কুমিল্লার ভুবনঘরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

কুমিল্লা সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নের ভুবনঘর আবুল হাসেম আব্বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্বারা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভুবনঘর গ্রামের সহস্রাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা পূর্বের স্থানে ভোটকেন্দ্র বহাল রাখার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্রতিবাদ সমাবেশের পর বক্তারা বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘকাল ধরে ভুবনঘর আবুল হাসেম আব্বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ভোটগ্রহণ হয়ে আসছে। এই কেন্দ্রে এলাকার প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন। অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে কেন্দ্রটিতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আসন্ন নির্বাচনে পুরোনো ভোটকেন্দ্রটি পরিবর্তন করে ভুবনঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে এলাকার ভোটারদের ভোগান্তি বাড়বে বলে তারা মনে করছেন। বিশেষ করে বয়স্ক নারী-পুরুষ এবং অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী এলাকার ভোটারদের নতুন কেন্দ্রে যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, ভুবনঘর আবুল হাসেম আব্বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনে পর্যাপ্ত কক্ষ রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে বড় মাঠ ও পর্যাপ্ত খোলা জায়গা। ফলে ভোটারদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো, ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ রয়েছে। অন্যদিকে, ভুবনঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা তুলনামূলকভাবে সীমিত।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন আমড়াতলী ইউনিয়নের মোতালেব, ফিরোজ, কামাল হোসেন মেম্বার, মো. আবুল হোসেন, হাজী সফিক মেম্বার, মিনু বেগম, মর্জিনা আক্তার, মো. ইয়াছিন, মো. দুলাল মিয়া, জলিল মিয়া, বাবুল মিয়া, আলম মিয়া, হানিফ হোসেন, আক্তার, মাহবুব মিয়া ও মানিক মিয়াসহ স্থানীয়রা।

কর্মসূচির শেষে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করতে ভুবনঘর আবুল হাসেম আব্বাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়কে পুনরায় ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণের দাবি জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে লড়াই বাংলাদেশের অগ্রগতির বড় প্রমাণ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৮ পি.এম


‘শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে লড়াই বাংলাদেশের অগ্রগতির বড় প্রমাণ’

ফুটবলে প্রতিটি যাত্রার সফলতা শুধুমাত্র ফলাফলের সমীকরণ দিয়ে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীর ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই রকম। জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথম দেড় বছর কাটানো কেবল মাঠের লড়াই নয়, বরং একটি নতুন দলের সাথে মানিয়ে নেওয়ার একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা ছিল।

ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের কাছে পরাজয়ের পর হামজা চৌধুরী নিজের এই অনুভূতি প্রকাশ করেন। এই মিডফিল্ডার অকপটে স্বীকার করেন, জাতীয় দলের সাথে কাটানো সময়ের মধ্যে অনেক উত্থান-পতন ছিল।

এমনকি তিনি বলেন, সফলতার চেয়ে কঠিন মুহূর্তের মুখোমুখি হতে হয়েছে বেশি। তবে তিনি সকল প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে দল ভবিষ্যতে বড় কিছু অর্জনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী।

ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে এটি আমার জন্য একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল, আলহামদুলিল্লাহ। অবশ্যই এই যাত্রায় অনেক ভালো-মন্দ সময় এসেছে। দুর্ভাগ্যবশত, ভালো মুহূর্তের চেয়ে আমাদের হয়তো কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি বেশি হতে হয়েছে। তবে আমরা হাল ছাড়ছি না; একটি সুন্দর ও শক্তিশালী ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে আমরা সবাই একসাথে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।’

শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার মনে করেন, ফলাফল দিয়ে সবসময় দলের উন্নতি বিচার করা যায় না; বরং শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে সমানতালে লড়াই করতে পারাটাই বাংলাদেশের অগ্রগতির বড় প্রমাণ।

অভিজ্ঞতার অভাব থাকা সত্ত্বেও বড় দলগুলোর বিপক্ষে লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফুটবল দল প্রতিনিয়ত নিজেদের উন্নত করছে বলে মনে করেন হামজা চৌধুরী। আসিয়ান কাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে খেলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো তুলনামূলক অনভিজ্ঞ হলেও, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের শক্তিমত্তা যাচাই করার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ধীরগতির শুরুর কারণে শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফিরে আসা কঠিন হয়েছিল। তবে আমার মনে হয়েছে, আমরা আগের ম্যাচের সিঙ্গাপুরের সাথে আরো ভালো খেলেছি।’

ফিফা র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ধাপ এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে সেই ব্যবধান সবসময় স্পষ্ট ছিল না বলে মনে করেন হামজা চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য এই পর্যায়ে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারাটা দারুণ। র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা আমাদের ওপরে। কিন্তু মাঠের কিছু কিছু মুহূর্ত দেখলে সেই ব্যবধানটা আসলে বোঝা যায় না। তাই নিশ্চয়ই আমরা কিছু একটা ঠিকভাবেই করছি।’

শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা এখন পাজলের শেষ দুই-তিনটি টুকরো খুঁজছি। আশা করি, সেগুলো নিখুঁতভাবে একসঙ্গে বসাতে পারব।’

বাংলাদেশের উন্নতির জন্য এখনো কয়েকটি জায়গায় কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন হামজা। আর সেই উন্নতির ধারাবাহিকতা ধরে নভেম্বরের ঘরের মাঠের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিতে চান তিনি।

হামজা বলেন, ‘নভেম্বরে ঘরের মাঠে আমাদের বড় একটি টুর্নামেন্ট আছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেটিকে সামনে রেখে তৈরি হচ্ছি এবং আশা করি সেখানে কিছু সাফল্য অর্জন করতে পারব।’

বাংলাদেশের সাথে পথচলায় মাঠের বাইরেও নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে হামজার। ইন্দোনেশিয়ায় এবারই প্রথম গেছেন তিনি। বন্ধু ও পরিবারের কয়েকজন আগে দেশটিতে গিয়ে ভালো অভিজ্ঞতার কথা বলেছিলেন। এবার নিজেও ইন্দোনেশিয়ার আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েছেন তিনি।

হামজা বলেন, ‘আমার খুব ভালো লেগেছে। সত্যিই ভালো! ইন্দোনেশিয়ায় এটাই আমার প্রথমবার। আমার অনেক বন্ধু ও পরিবারের কয়েকজন আগে এখানে এসেছে। তারা শুধু ভালো কথাই বলেছে। তাই নিজে এসে দেখাটাও দারুণ ছিল।’

তবে গরম আবহাওয়াটা কিছুটা কঠিন মনে হয়েছে তাঁর। তিনি বলেন, ‘মানুষগুলো খুব বন্ধুবৎসল। আবহাওয়াটা আমার জন্য একটু বেশি গরম। তবে সব মিলিয়ে খুব উপভোগ করেছি। আশা করি, আবারও আসতে পারব এবং ইন্দোনেশিয়ার অন্য জায়গাগুলোও ঘুরে দেখতে পারব।’

বৃহস্পতিবার ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচে গ্যালারিতে বড় সমাগমের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এটিও দলের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হবে বলে মনে করেন হামজা।

তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই ম্যাচটির অপেক্ষায় আছি। জানি, গ্যালারিতে আরও বেশি দর্শক থাকবে। তাই দল হিসেবে এটি আমাদের জন্য আরেকটি মূল্যবান অভিজ্ঞতা হবে।’

ইন্দোনেশিয়া দলে ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা বেশ কয়েকজন ফুটবলার রয়েছেন। ফলে বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি কঠিন পরীক্ষাই হবে বলে মনে করেন হামজা। তবে এ ধরনের দলের বিপক্ষেই নিজেদের সামর্থ্য যাচাই করতে চান এই তারকা মিডফিল্ডার।

হামজার ভাষায়, ‘ইন্দোনেশিয়া খুব ভালো দল। তাদের অনেক খেলোয়াড় ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলে। তাই আমাদের জন্য এটিও কঠিন পরীক্ষা হবে। তবে আমরা এখানে এসেছিই এই কারণে, এই মুহূর্তে আমাদের চেয়ে ওপরে থাকা দলগুলোর বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%