বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:২৬ পি.এম
বিশ্ব এক নতুন রেকর্ড দেখেছে টি-টোয়েন্টি খেলায়। ক্রীড়া ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ ম্যাচে আমেরিকার মেজর ক্রিকেট লিগে এক অতিমানবীয় টি-টোয়েন্টি খেলা হয়েছে। ইতিহাসের প্রথমবারের মতো, একই ম্যাচে তিনজন ব্যাটসম্যান শতক করেছে। সেই সাথে, ম্যাচটিতে ৫১টি ছক্কার রেকর্ড দেখা গেছে।
এলিমিনেটরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে এমআই নিউ ইয়র্কের ব্যাটার নিকোলাস পুরান একটি রেকর্ড দ্রুততম সেঞ্চুরি করে ওয়াশিংটন ফ্রিডমকে পাহাড়সম লক্ষ্য দিয়েছে। তার সেই সেঞ্চুরিটি ছিল ৩১ বলে, যা এমএলসির দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। এ ছাড়া, আন্দ্রিস গাউস এবং স্টিভেন স্মিথের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ফলে ওয়াশিংটন ফ্রিডমটি টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রান তাড়া করে জয় অর্জন করেছে।
ওকল্যান্ডের কোলাইসিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে নিউ ইয়র্ক প্রথমে ব্যাট করে নিকোলাস পুরানের বিধ্বংসী প্রদর্শনের মাধ্যমে ২৬৬ রান তোলে। এরপর, স্টিভ স্মিথ এবং অ্যান্ড্রিজ গাউসের জোড়া সেঞ্চুরির মাধ্যমে ওয়াশিংটন ফ্রিডম ৮ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটে ২৭০ রান সংগ্রহ করে নিজেদের জন্য রেকর্ড জয় নিশ্চিত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একটি বিদ্যালয়ের বাথরুমে অজ্ঞান হয়ে আটকে পড়া এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ এক নারীর ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীর নাম নীরব বিশ্বাস (১৪)। সে উত্তর কুতুবখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে নিগার সুলতানা নামের এক কলার ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানার পোস্তগোলা এলাকা থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। তিনি জানান, উত্তর কুতুবখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের বাথরুমের দরজা দীর্ঘ সময় ধরে ভেতর থেকে বন্ধ রয়েছে।
ভেতরে এক ছাত্র আটকা পড়েছে, কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে ডাকাডাকি করলেও ভেতর থেকে তার কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না।
৯৯৯ কল সেন্টার তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি দ্রুত উদ্ধারের জন্য পোস্তগোলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে জানায়। কলটি গ্রহণ করেছিলেন ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল জান্নাতুল শাবনুর এবং উদ্ধারকাজের সমন্বয় করেন ৯৯৯ ফায়ার ডিসপাচার ফায়ার ফাইটার মো. হানজালাল।
খবর পেয়ে পোস্তগোলা ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ওই বিদ্যালয়ে পৌঁছায়। তারা বাথরুমের দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় ভেতরে পড়ে থাকা শিক্ষার্থী নীরব বিশ্বাসকে উদ্ধার করে। এক পর্যায়ে জানা যায়, সে বাথরুমের ভেতর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল।
এ বিষয়ে উদ্ধারকারী দলের নেতৃত্ব দেওয়া পোস্তগোলা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার সাজেদুল কবির জোয়ার্দার জানান, খবর পাওয়ার পরপরই তাদের টিম ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। দ্রুত দরজা ভেঙে ভেতরে থাকা শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা সম্ভব হওয়ায় একটি বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের কেশবপুরে আয়কর কর্মকর্তা হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ আদায়ের সময় উৎপল কুমার রায় (৩৩) নামের একজন যুবককে আটক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেকসোনা খাতুন নিশ্চিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উৎপল কুমার রায় যশোরের বাঘারপাড়া সদরের মৃত রবীন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার, তিনি কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ও হাসানপুর বাজারে নিজেকে আয়কর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে অর্থ আদায় করছিলেন।
এক পর্যায়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে সন্দেহ উদ্ভূত হলে, তারা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর তার পরিচয় ভুয়া প্রমাণিত হলে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন বলেন, আদালতের রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ভাটারা থানার একটি মামলায় ভিসা না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ৯১ শিক্ষার্থীর আট কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের কারণে প্রধান আসামি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ওরফে মো. মতিউর রহমানসহ মোট চারজনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রিমান্ডকৃত অন্য আসামিরা হলেন- রাবেয়া খাতুন তানিয়া, সাইদুর রহমান এবং মো. তানজির ইসলাম। তাদের মধ্যে তানজিরের জন্য চারদিন এবং অপর তিন আসামির জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার তাদের ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের সাতদিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভিসা গাইড কম্পানি স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে চার মাসের মধ্যে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দেয়। তবে, জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট কম্পানি ৯১ শিক্ষার্থীর কাছে বিভিন্ন সময়ে ৮ কোটি ৩৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা গ্রহণ করে এবং অর্থ গ্রহণের পর উল্লেখিত সময়ের মধ্যে তাদের বিদেশে পাঠায়নি।
বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা হলে তারা স্টুডেন্ট ও ফ্যামিলি ভিসার প্রসেসিংয়ের আশ্বাস দেয় এবং এর পর বিদেশে না পাঠিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে। এ ঘটনায় ৮ জুলাই ভুক্তভোগীদের পক্ষে আল আমিন বাদী হয়ে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করেছেন এবং অজ্ঞাতপরিচয় ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো থেকে বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের দলে দলে চাকরি ছাড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশটির মহাকাশ বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব স্পেস) কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
সম্প্রতি জারি করা এক নির্দেশনায় ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি), বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারসহ (ভিএসএসসি) ইসরোর প্রধান গবেষণা কেন্দ্রগুলোকে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, মহাকাশযান ও মানব মহাকাশ অভিযানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মিশনের সঙ্গে যুক্ত গ্রুপ-এ বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছা অবসর বা পদত্যাগের আবেদন নিয়মিতভাবে গ্রহণ করা যাবে না।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি ইসরোর গ্রুপ-এ বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি কর্মকর্তাদের, বিশেষ করে গগনযান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের স্বেচ্ছা অবসর ও পদত্যাগের আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, এর ফলে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছা অবসর ও পদত্যাগের আবেদন এখন থেকে আর নিয়মিতভাবে গ্রহণ করা হবে না।
বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যদি এ ধরনের আবেদন আসে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের পরিচালকের সুস্পষ্ট সুপারিশসহ তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মহাকাশ বিভাগে পাঠানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ২০২০ সালে গৃহীত প্রশাসনিক পরিবর্তন কার্যত বাতিল করা হয়েছে। ওই পরিবর্তনের ফলে ইসরোর বিভিন্ন কেন্দ্রের পরিচালকরা বিজ্ঞানী/প্রকৌশলী-এসজি পদমর্যাদা পর্যন্ত গ্রুপ-এ বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ও স্বেচ্ছা অবসরের আবেদন অনুমোদনের ক্ষমতা পেয়েছিলেন।
নতুন নির্দেশনাটি সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার, লিকুইড প্রপালশন সিস্টেমস সেন্টার, স্পেস অ্যাপ্লিকেশনস সেন্টার, ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার, ইসরো টেলিমেট্রি, ট্র্যাকিং অ্যান্ড কমান্ড নেটওয়ার্ক এবং মাস্টার কন্ট্রোল ফ্যাসিলিটিসহ একাধিক কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
ইসরো ছেড়ে কোথায় যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ১০০ জনের বেশি কর্মী ইসরো ছেড়েছেন। এর মধ্যে বেঙ্গালুরুর ইউআরএসসি ও তিরুবনন্তপুরমের ভিএসএসসিতে সবচেয়ে বেশি পদত্যাগের ঘটনা দেখা গেছে। তাদের মধ্যে ভিক্টর জোসেফ টি নামে একজন জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী বর্তমান। তিনি ভিএসএসসিতে জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল এমকে-থ্রি প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গগনযান অভিযানে ব্যবহৃত হতে যাওয়া এলভিএম-৩ উৎক্ষেপণযানের প্রকল্পপ্রধান হিসেবে প্রায় ১৩ মাস দায়িত্ব পালনের পর তিনি গত ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করেন।
ধারণা করা হচ্ছে, ইসরো ছেড়ে যাওয়া অনেক বিজ্ঞানী বর্তমানে বেসরকারি মহাকাশ স্টার্টআপে যোগ দিচ্ছেন। পদত্যাগ করা কয়েকজন বিজ্ঞানী ২০২০ সালে বেসরকারি খাতের জন্য মহাকাশ খাত উন্মুক্ত করার পর গড়ে ওঠা বিভিন্ন মহাকাশ স্টার্টআপে যোগ দিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২০২৩ সালে ভারতের মহাকাশ নীতি চালুর পর এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বর্তমানে ভারতে নিবন্ধিত মহাকাশ স্টার্টআপের সংখ্যা ৪০০ এর বেশি। এসব প্রতিষ্ঠান মোট ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে, যার মধ্যে ২০২৫ সালের মধ্যে এসেছে প্রায় ১৫ কোটি ডলার। পিক্সেল, ধ্রুবা স্পেস, স্কাইরুট অ্যারোস্পেস, অগ্নিকুল কসমস এবং বেলাট্রিক্স অ্যারোস্পেসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এই খাতের শীর্ষে রয়েছে।
একাধিক ধাক্কা ও চ্যালেঞ্জ
এদিকে বিজ্ঞানীদের পদত্যাগের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক মহাকাশ অভিযানে ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে ইসরো। সংস্থাটির নির্ভরযোগ্য উৎক্ষেপণযান হিসেবে পরিচিত পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (পিএসএলভি) এক বছরের মধ্যে টানা দুটি উৎক্ষেপণে ব্যর্থ হয়েছে।
তবে এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যে গগনযান, চন্দ্রযান-৪, ভারতীয় মহাকাশ স্টেশন (বিএএস) এবং মঙ্গলযান-২ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে মনোযোগ ধরে রেখেছে ইসরো।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে পিএসএলভি-সি৬২ উৎক্ষেপণের সময় তৃতীয় ধাপের শেষে ত্রুটির কারণে রকেটটি নির্ধারিত পথ থেকে বিচ্যুত হয়। এর আগে গত বছরের মে মাসে পিএসএলভি-সি৬১/ইওএস-০৯ (রিস্যাট-১বি) মিশনও ব্যর্থ হয়। তৃতীয় ধাপে চেম্বারের চাপ হঠাৎ কমে যাওয়ার কারণে রকেটটি নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছাতে পারেনি এবং রাডার স্যাটেলাইটটি হারিয়ে যায়।
এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ইসরো আগামী কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে। এর মধ্যে রয়েছে মহাকাশযান, যার মাধ্যমে ভারত নিজস্ব প্রযুক্তিতে মানুষকে মহাকাশে পাঠানোর জন্য চতুর্থ দেশ হতে চায়।
এছাড়া চন্দ্রযান-৪, যার লক্ষ্য চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা এবং পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা; ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন (বিএএস) নির্মাণ এবং মঙ্গলযান-২ মিশনের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ