মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০৯ এম
ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ ম্যাচের আগে বাংলাদেশের ফাইনালে যাওয়ার সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারের পর, আফগানিস্তানের বড় জয়ের ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
বাংলাদেশকে শেষ ম্যাচে জিততেই হবে। আফগানিস্তানের কাছে হারলে তারা ০ পয়েন্ট নিয়ে বাদ পড়বে। জয়ী হলে তিনটি দলের পয়েন্ট হবে সমান ২। তখন ফাইনালের দুই দলের নির্বাচন হবে নেট রান রেটের ভিত্তিতে। ফাইনালে যেতে হলে বাংলাদেশকে জিম্বাবুয়ের উপরে উঠতে হবে। প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানের পরাজয় এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ১৫৮ রানের পরাজয়ের কারণে জিম্বাবুয়ের নেট রান রেট বর্তমানে −০.৫৯।
আফগানিস্তান নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১৫৮ রানের বিশাল জয় নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। শেষ ম্যাচে ১০০ রানে পরাজিত হলেও তারা এই গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখবে।
এ কারণে বাংলাদেশের লক্ষ্য এখন দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছানো। এটি অর্জন করতে টাইগারদের জন্য বেশ পরিশ্রম করতে হবে।
জিম্বাবুয়েকে টপকাতে হলে বাংলাদেশের অন্তত ৪১ রানের জয় প্রয়োজন। যদি বাংলাদেশ আফগানিস্তানকেও অতিক্রম করতে চায়, তাহলে জয়ের ব্যবধান অন্তত ১২৯ রানের হতে হবে।
পরে ব্যাটিং শুরু করলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা আফগানিস্তানের স্কোরের ওপর নির্ভর করবে। যদি আফগানিস্তান ২৫০ রান করে, তাহলে দ্বিতীয় স্থানে উঠতে বাংলাদেশকে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে জিততে হবে। শীর্ষে উঠতে হলে এই লক্ষ্য ২৬.০ ওভারের মধ্যে পূরণ করতে হবে। ২৮০ রান হলে লক্ষ্য হবে যথাক্রমে ৪২.০ ও ২৭.১ ওভারে। আফগানিস্তান ৩০০ রান করলে ৪২.২ ও ২৮.০ ওভারে জিততে হবে। যদি বাংলাদেশ ৩২০ রান লক্ষ্য করে, তাহলে সেই ক্ষেত্রে ৪২.৪ বা ২৮.৫ ওভারের মধ্যে জিততে হবে।
সব মিলিয়ে হিসাবটা এমন। আগে ব্যাটিং করলে ৪১ বা তার বেশি রানে জিতলে বাংলাদেশ ফাইনালে যাবে। রান তাড়া করলে আফগানিস্তানের স্কোর অনুযায়ী প্রায় ৪১ থেকে ৪২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে। অর্থাৎ হাতে রাখতে হবে প্রায় আট ওভার।
এমন কঠিন সমীকরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে মূলত প্রথম ম্যাচে হারের কারণে। সেই ম্যাচে ৯৯ রানের পরাজয় বাংলাদেশকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সেই পরিস্থিতি থেকে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যখন মানুষ মহান আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তখন তার মনে একটি আশা থাকে—আল্লাহ তাঁর আকুতি শুনবেন, তাঁর প্রয়োজন পূরণ করবেন এবং তাঁর দোয়া কবুল করবেন। তবে, দোয়ার সৌন্দর্য এবং কবুল হওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো আল্লাহর সুন্দর নাম ও মহান গুণাবলির মাধ্যমে তাঁর কাছে প্রার্থনা করা।
একবার মহানবী (সা.) এক ব্যক্তিকে আল্লাহর কাছে এমন একটি দোয়া করতে শুনলেন, যেখানে তিনি আল্লাহর একত্ব ও অমুখাপেক্ষিতার সাক্ষ্য দিয়ে তাঁর কাছে প্রার্থনা করছিলেন। মহানবী (সা.) তখন জানালেন, ওই ব্যক্তি আল্লাহর এমন মহান নামের মাধ্যমে প্রার্থনা করেছেন, যে নামে তাঁকে ডাকা হলে আল্লাহ সাড়া দেন এবং তাঁর কাছে চাওয়া হলে তিনি দান করেন। দোয়াটি হলো,
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ، لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ، الْأَحَدُ الصَّمَدُ، الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বি-আন্নি আশহাদু আন্নাকা আনতাল্লাহু, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল-আহাদুস সামাদ, আল্লাযি লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এই সাক্ষ্য দেওয়ার মাধ্যমে যে, নিশ্চয়ই আপনিই আল্লাহ। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আপনি একক, অমুখাপেক্ষী। আপনি কাউকে জন্ম দেননি এবং আপনাকেও জন্ম দেওয়া হয়নি। আর আপনার সমতুল্য কেউই নেই। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৯৩; তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৭৫)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বেনামে বীমা পলিসি খোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সঙ্গে, এক দিনের মধ্যে কোনো গ্রাহকের ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেন হলে সেই তথ্য সংস্থাটির কাছে প্রতিবেদন আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিএফআইইউ দেশের সকল বীমা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ এবং বীমা খাতে আর্থিক অপরাধের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তালিকাভুক্ত কোনো সন্ত্রাসী, গোষ্ঠী বা তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যাতে বীমা ব্যবস্থার সুবিধা গ্রহণ করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পাশাপাশি, জটিল, অস্বাভাবিক ও যৌক্তিক আর্থিক উদ্দেশ্যবিহীন বীমা পলিসির ওপর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট, ছবি এবং ঠিকানা নির্ভরযোগ্য স্বাধীন উৎস থেকে যাচাই করতে হবে। এছাড়া গ্রাহকের পক্ষে অন্য কেউ পলিসি পরিচালনা করলে তার যথাযথ ক্ষমতা রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া নগদ লেনদেনের প্রতিবেদন (সিটিআর) জমা দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট তথ্য ও নথিপত্র অন্তত পাঁচ বছর সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নামে বীমা পলিসি খোলার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি অথবা ২০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ারের মালিককে মূল সুবিধাভোগী হিসেবে শনাক্ত করে তথ্য রাখতে হবে। বিদেশি বাণিজ্য-সংক্রান্ত বীমায় ঋণপত্র (এলসি), আমদানি-রপ্তানি চুক্তি ও জাহাজীকরণের নথিও ব্যাংকের রেকর্ডের সঙ্গে যাচাই করতে হবে।
সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিএফআইইউতে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট গঠন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুদানে বিভিন্ন স্থানে কয়েক দিনের ব্যবধানে পরিচালিত ড্রোন হামলায় ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। এই তথ্য চিকিৎসাকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সূত্রে জানা গেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানী খার্তুমে একটি ড্রোন হামলায় তিন শিশু নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে ‘ইমার্জেন্সি লইয়ার্স’ নামের একটি সংগঠন। এই সংগঠনটি সুদানের গৃহযুদ্ধে বেসামরিক মানুষের ওপর সহিংসতার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে। অন্যদিকে, গত শুক্রবার থেকে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে ড্রোন হামলায় ১৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এই হামলাগুলোর জন্য আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এবং সরকারি বাহিনী—দুই পক্ষকেই দায়ী করা হচ্ছে। ২০২৩ সাল থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ড্রোন হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনা বেড়ে গেছে।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘটনাটি ঘটে রোববার সন্ধ্যায়। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় পশ্চিম কর্দোফান রাজ্যের আল-দিবাব শহরের একটি বাজারের কাছে এই হামলা চালানো হয়। এই এলাকা আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসাকর্মীদের মতে, বাজারের দিন শেষে বাড়ি ফেরার জন্য যানবাহনের অপেক্ষায় গ্রামবাসীরা একটি পরিবহণকেন্দ্রে জড়ো হয়েছিলেন। এ সময় সেখানে ড্রোন হামলা চালানো হলে ৮০ জন নিহত হন।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহত ৪৭ জনকে কাছের আল-মুজলাদ শহরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের মধ্যে ৩০ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে জানিয়েছেন এক চিকিৎসাসূত্র।
আরএসএফের স্বঘোষিত প্রশাসন ‘তাসিস’ এবং ইমার্জেন্সি লইয়ার্স এই হামলার জন্য সুদানের সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে।
বাঁধেও ড্রোন হামলার চেষ্টা
সুদানের পূর্বাঞ্চলে গেদারেফ রাজ্যের আতবারা ও সেটিট বাঁধ লক্ষ্য করে আরএসএফের কিছু ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানোর খবর দিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা। রোববার এসব ড্রোন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে আটকানোর দাবি করা হয়েছে। বাঁধ দুটি রাজধানী খার্তুম থেকে প্রায় ৪২০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।
এ বিষয়ে আরএসএফের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
হামলার নিন্দা জাতিসংঘের
সুদানে ধারাবাহিক প্রাণঘাতী ড্রোন হামলার ঘটনায় সোমবার নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘দেশজুড়ে ধারাবাহিক প্রাণঘাতী ড্রোন হামলা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এসব হামলায় শিশুসহ বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সেবাব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।’
সুদানে ২০২৩ সাল থেকে সরকারি বাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। সাম্প্রতিক ড্রোন হামলাগুলো দেশটির বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই বিপ্লবে গণহত্যার দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) দণ্ডিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে কারাগারে ডিভিশন-১ (বিশেষ অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত রোববার এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠিয়েছে। এই নির্দেশনার একটি অনুলিপি কারা মহাপরিদর্শক এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপারের কাছে পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী থাকাকালে কথিত ‘আগুন সন্ত্রাস’ বয়ানের উদ্যোক্তা ইনু বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ আছেন। সেখানে তিনি ১০ বছরের দণ্ড ভোগ করছেন। ইনুর ডিভিশনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইনুর অনুকূলে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন-১ প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হলো।
কারাগার সূত্র জানিয়েছে, গত রোববার দেওয়া এ চিঠির আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ১৪ সেপ্টেম্বর কারা কর্তৃপক্ষকে আরেকটি চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে ইনুকে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে এ চিঠির জবাবে গাজীপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে প্রতিবেদন পেশ করেন।
গত ৪ অক্টোবর দেওয়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনু কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ অন্তরীণ আছেন। কারাগারে ডিভিশন দিতে তার স্ত্রী আফরোজা হকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারাবিধি মোতাবেক ডিভিশন দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা পাওয়া যায়।
ইনুর অপরাধ ও দণ্ডের কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, কেরানীগঞ্জের বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকাকালীন গত ৩০ জুন আইসিটি-২ তাকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই লাখ জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেছে। এরপর ৫ জুলাই ইনুকে কেরানীগঞ্জের বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ স্থানান্তর করা হয়।
ইনু কেরানীগঞ্জ কারাগারে বন্দি থাকাকালীন ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে কারাগারে ডিভিশন-১ এর সুবিধাদি ভোগ করে আসছিলেন। বর্তমানে তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে অন্তরীণ আছেন। তিনি আইসিটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে অন্তরীণ থাকায় কারাবিধি ৬১৭(১) অনুযায়ী তাকে ডিভিশন দেওয়া সমীচীন হবে না।
গাজীপুর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এ প্রতিবেদনের পর রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরেকটি চিঠি দিয়ে ইনুকে ডিভিশন দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়।
কারাগারে যেসব সুবিধা পাবেন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে কারাগারে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন ইনুÑএমন প্রশ্ন ছিল এক কারা কর্মকর্তার কাছে। জবাবে আমার দেশকে তিনি বলেন, ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দিদের কারাগারে তিন ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়। ডিভিশন-১, ডিভিশন-২ ও ডিভিশন-৩। ইনুর বিষয়ে ডিভিশন-১ দেওয়ার নির্দেশনা এসেছে বলে জানান তিনি। নির্দেশনা অনুযায়ী ইনু কারাগারে খাটসহ সিঙ্গেল রুম এবং টেবিল, চেয়ার, তোশক, বালিশসহ অন্যান্য বিছানাপত্র পাবেন। সাধারণ বন্দিদের চেয়ে উন্নত ও ভিন্ন খাদ্য থাকবে তার জন্য। ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারের জন্য তেল, চিরুনি, আয়না ছাড়াও পড়ালেখা ও বিনোদনের সুযোগ পাবেন। সেইসঙ্গে বই ও পত্রিকা পড়ার সুবিধা পাবেন তিনি। সাহায্যকারী হিসেবে একজন পুরুষ বন্দিও থাকবে তার জন্য। তার স্বজনদের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে জেল কর্তৃপক্ষের অফিস রুমে সাক্ষাতের সুযোগ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ