রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৯ পি.এম
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুর কারণে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৫৮ জন। চলতি বছরের শুরু থেকে ডেঙ্গুর কারণে মোট ১১৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৫৯০ জনে।
রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু সংক্রান্ত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৯৩ জন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৮ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকা বিভাগের বাইরে ৩১৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে ১৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৯ জন, খুলনায় ৩৩৪ জন, ময়মনসিংহে ৮৪ জন, রাজশাহীতে ১১২ জন, রংপুরে ৫৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য সংগ্রহ করে আসছে। ২০২৩ সালে ডেঙ্গুর কারণে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বাধিক ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ছিল। একই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৭০৫।
গত বছর ডেঙ্গুর কারণে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটে এবং সে বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজারের কাছাকাছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জার্মান বুন্ডেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের দীর্ঘদিনের আধিপত্যে এক ম্যাচে দুটি বড় ধাক্কা এসেছে। শনিবার রাতে, সদ্য প্রমোশন পাওয়া শালকের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করেছে ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। এই ড্রয়ের মাধ্যমে ৫৯টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ পর প্রথমবার গোলহীন অবস্থায় রইল বায়ার্ন। একই সঙ্গে, ৬৭ ম্যাচডে পর বুন্ডেসলিগার শীর্ষস্থানও হারিয়েছে তারা।
শালকের মাঠে পুরো ম্যাচজুড়ে একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েও জালের দেখা পায়নি বায়ার্ন। স্বাগতিকদের গোলরক্ষক লোরিস কারিয়ুস ছিলেন দুর্দান্ত। তাঁর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ বায়ার্নের আক্রমণকে আটকে দেয়।
বায়ার্নের হয়ে সবচেয়ে বড় দুটি সুযোগ পেয়েছিলেন লুইস দিয়াজ। প্রথমার্ধে গোলরক্ষককে একা পেয়েও তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দ্বিতীয়ার্ধে কারিয়ুসকে টপকে চিপ করে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা করেন দিয়াজ। তবে গোললাইন অতিক্রমের আগেই শালকের এক ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করে দেন।
শালকের বিপক্ষে একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছিলেন কোচ কোম্পানি। শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন দলের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন ও মাইকেল অলিসে। দ্বিতীয়ার্ধে দুজনের সঙ্গে মাঠে নামেন জামাল মুসিয়ালাও।
চলতি মৌসুমে এটিই মুসিয়ালার প্রথম বুন্ডেসলিগা ম্যাচ। প্রাক-মৌসুমের দুটি ম্যাচে খেলার সময় খিঁচুনির সমস্যায় পড়ার পর এবারই প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে দলে ছিলেন তিনি। তবে তাঁর উপস্থিতিও বায়ার্নকে শালকের জমাট রক্ষণ ভাঙতে সাহায্য করতে পারেনি।
এই ড্রয়ের ফলে বুন্ডেসলিগায় বায়ার্নের টানা ৪৭ ম্যাচে গোল করার ধারাও শেষ হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি লিগে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিল দলটি। সেদিন বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছিল।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বায়ার্নের গোল করার ধারাটি ছিল আরও দীর্ঘ—টানা ৫৯ ম্যাচ। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনের কাছে ২-০ গোলে হারের পর থেকে প্রতিটি ম্যাচেই গোল পেয়েছিল জার্মান জায়ান্টরা। শালকের বিপক্ষে এসে সেই ধারারও ইতি হলো।
ম্যাচ শেষে বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি নিজেদের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, জয় পাওয়ার মতো যথেষ্ট সুযোগ তৈরি করেছিল দল। তবে শালকের গোলরক্ষকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে কাঙ্ক্ষিত গোলটি পাওয়া যায়নি।
বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারও কারিয়ুসের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, ম্যাচসেরার পুরস্কারের জন্য শালকের গোলরক্ষকই সবচেয়ে যোগ্য ছিলেন। বড় তিনটি সুযোগ আটকে দিয়ে কারিয়ুসই বায়ার্নকে জয় থেকে বঞ্চিত করেছেন বলে মনে করেন নয়্যার।
তবে বায়ার্নের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে পয়েন্ট তালিকায়। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের পর এই প্রথম বুন্ডেসলিগার শীর্ষস্থান থেকে ছিটকে গেল দলটি। টানা ৬৭ ম্যাচডে শীর্ষে থাকার পর এবার সেই ধারারও অবসান হলো।
এই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে ফ্রাইবুর্গ। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে বায়ার্নের অবস্থান চতুর্থ।
সামনে অবশ্য দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে বায়ার্ন। বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচে বডো/গ্লিম্টের মুখোমুখি হবে তারা। এরপর ১৩ সেপ্টেম্বর বুন্ডেসলিগায় নতুন উঠে আসা এলভার্সবার্গের মাঠে খেলবে কোম্পানির দল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেছেন, দেশের বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে পারলে অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।
তিনি রবিবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘পার্লামেন্টস রোল ইন রিয়্যালাইজিং পপুলেশন ডিভিডেন্টস, এসডিজিস অ্যান্ড আইসিপিডিস কমিটমেন্টস’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন। এ কর্মশালার আয়োজন স্ট্রেংদেনিং পার্লামেন্টস ক্যাপাসিটি ইন ইন্টিগ্রেশন অব পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইস্যুস (এসপিসিপিডি) প্রকল্পের আওতায় করা হয়।
চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের সামনে থাকা জনমিতিক লভ্যাংশ (পপুলেশন ডিভিডেন্ট) কাজে লাগাতে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও শিক্ষিত মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। দেশের বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে যথাযথ শিক্ষা, কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশিয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সম্পৃক্ত করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হয় না; দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো দক্ষ ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশকে তার বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। দক্ষ, শিক্ষিত ও উৎপাদনশীল জনগোষ্ঠীই দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান শক্তি।’
চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, আগামী প্রায় এক দশক বাংলাদেশের জন্য জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ও সক্ষমতাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। দক্ষতা, শিক্ষা ও উৎপাদনশীলতাই দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি বলেন, জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সংসদ সদস্যরা জনগণের প্রতিনিধি হওয়ায় জনসংখ্যা ও উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে তাদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু মানুষ পাঠানোই যথেষ্ট নয়, দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করে তাদের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে পাঠাতে হবে। দক্ষ কর্মীরা বিদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাবেন, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
তিনি উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও কার্যকর সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। চিফ হুইপ বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা গেলে একদিকে কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে দেশের উৎপাদনশীলতা ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম নারীর ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায়। তিনি উল্লেখ করেন, "জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করা আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ।" স্পিকার আরও বলেন, "জনমিতিক লভ্যাংশের সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে পারি।" এ ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের সমান ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রবিবার জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে অনুষ্ঠিত এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘জনসংখ্যা বোনাস, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং আইসিপিডি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংসদের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে স্পিকার এসব মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং ইউএনএফপিএ-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্যাথেরিন ব্রিন ক্যামকং।
স্পিকার বলেন, "দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা তিনি অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, "জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে জাতীয় সংসদ কাজ করে যাচ্ছে।" স্পিকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিরসন, কিশোরী শিক্ষা ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে চ্যালেঞ্জগুলোর কথা উল্লেখ করেন। একইসাথে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধির বিষয়েও তিনি সতর্ক করেন।
স্পিকার বলেন, "এসব সমস্যা নিরসনে সংসদ সদস্যদের নিজ এলাকার জনগণের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ কাজে লাগাতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম-এর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং প্রশ্নোত্তর টেবিলে বিষয়টি উত্থাপিত হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ছয়টি ব্যাংক, যার মধ্যে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বেসিক ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি, এর ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের ভিত্তিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বাধিক খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে।
তিনি আরও জানান, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯০২৯.৬৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৮৮.৭৯ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮১৩১.০৯ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫৩৯৬.৬৭ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯২৮১.৭৪ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫০৪৮.৩৯ কোটি টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ