সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩০ পি.এম
দেশের ২২টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০-এর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপন তৎপরতা’ সম্পর্কিত অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি কেন বিলুপ্ত হবে না, তা জানতে হাইকোর্ট রুল জারি করেছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসীন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আদালতে রিট দায়ের করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস, এম লিটন আহমেদ, রাশেদুল হক খোকন ও বিপ্লব কুমার দাস। রিটকারীরা দাবি করেছেন, এ ধরনের কমিটি এখতিয়ারবর্হিভূত।
তাদের বক্তব্য, গত ৪ আগস্ট একটি গণমাধ্যমে ‘শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
‘যাচাইহীন’ সংবাদের ভিত্তিতে ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০-এর বেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে গঠিত সকল তথ্য-অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটি বিলুপ্ত করার এবং পরবর্তীতে নেওয়া সব ব্যবস্থা প্রত্যাহারের জন্য একটি আবেদন করা হয়। কিন্তু সেটি নিষ্পত্তি না করায় তারা রিট দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথে ২০৩ বোতল ভারতীয় মদসহ মাদক কারবারি স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের নওধার মাঝপাড়া গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন—উপজেলার নওধার মাঝপাড়া গ্রামের মৃত আবদুল মোসাব্বের ছেলে আব্দুল হক (৫০) এবং তার স্ত্রী রুজি বেগম (৩৬)। এ ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেলে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ নওধার মাঝপাড়া গ্রামের আব্দুল হকের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার ঘরের খাটের নিচে এবং বাড়ির পুকুর পাড়ে বাঁশের নিচের গর্ত থেকে একাধিক বস্তাভর্তি ২০৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল হক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলাও রয়েছে। জেল থেকে বের হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তিনি আবারও রমরমা মাদক বাণিজ্য শুরু করেন। নিজ বসতবাড়িতে কৌশলে মদের বড় চালান মজুদ করে বিভিন্ন স্পটে সরবরাহ ও হোম ডেলিভারির মাধ্যমে মাদক বিক্রি করতেন।
বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আব্দুল হক একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করেছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো মাদক কারবারিকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডং প্রদেশের ফোশান শহরের একটি বস্ত্র কারখানায় আগুনের ঘটনায় আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরো একজন আহত হয়েছেন। সোমবার দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, রবিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে একটি শিল্প পার্কের ভেতরে অবস্থিত দুইতলা ভবনে আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতে ডেনিম কাপড় ধোয়া এবং অন্যান্য উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল। আগুন শুধুমাত্র ওই ভবনের নির্দিষ্ট অংশে সীমাবদ্ধ ছিল। আশপাশের অন্য এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়েনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। রয়টার্স যাচাই করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ভিডিওতে ভবনটি থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে।
ভিডিওতে ভবনের পাশে অবস্থিত একটি কিছুটা উঁচু ভবনও দেখা যায়। তবে ওই ভবনটি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান সম্পন্ন হয়েছে। আগুনের সূত্রপাত কিভাবে ঘটেছিল এবং এর পেছনে কোনো কারণ ছিল কি না, তা জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্তের ফলাফলে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আরো তথ্য প্রকাশিত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের মেয়েরা সর্বশেষ এশিয়া কাপে খেলার সুযোগ পেয়েছিল মিয়ানমারকে পরাজিত করে। আজ তারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এশিয়ান গেমসে টিকে থাকার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছিল ঋতুর্পণা চাকমা এবং আফঈদা খন্দকারের নেতৃত্বে।
কিন্তু তাদের আশা ভেঙে গেছে। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে পারেনি বাংলাদেশ। সান্ত্বনার ড্রয়ের মাধ্যমে মাঠ ত্যাগ করতে হয়েছে তাদের। ফলে টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের যাত্রা এখানেই শেষ হয়েছে।
আজ জাপানের ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে গোলশূন্য ড্র করেছে বাংলাদেশ। দুই দলের মধ্যে সমানে-সমান লড়াই হয়েছে। বাংলাদেশের বল পজেশন ছিল ৪৮ শতাংশ, অন্যদিকে মিয়ানমারের ৫২ শতাংশ। যদিও বাংলাদেশ তিনটি শট নিয়েছিল, কোনোটিই গোলবারে পৌঁছায়নি। অপরদিকে, মিয়ানমার ৮টি শটের মধ্যে ২টি গোলের লক্ষ্যে ছিল। বিশেষ করে ৭৭ মিনিটে বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপনা চাকমা নিশ্চিত গোল রক্ষা করেন। অন্যথায়, বাংলাদেশকে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হতো। তিনি আরও একটি সেভও করেছেন।
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের যাত্রার শেষটি মূলত প্রথম দুই ম্যাচের পরাজয়ে লেখা হয়েছে। কেননা উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে শুরুতেই ১০-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল তারা। ফিরতি ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-০ গোলে হেরেছিল। বড় ব্যবধানে হারার পরও কাগজে-কলমে শেষ আটে যাওয়ার সুযোগ ছিল।
সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জয়লাভ করা। নিজেদের কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার পর অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের ম্যাচ ড্র হওয়ার প্রার্থনা করতে হতো। কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের কাজটি সঠিকভাবে করতে পারেনি। ফলস্বরূপ, এশিয়ান গেমস থেকে বাংলাদেশের বিদায় ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে একটি বিরল বাছুর সাত পা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। স্বাভাবিক চারটি পায়ের সঙ্গে, বাছুরটির পিঠ ও পেছনের অংশে তিনটি অতিরিক্ত পা রয়েছে। এই বিরল বাছুরটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী পৌরসভার দুদু মিয়ার পাহাড় এলাকায় খামারি মো. মাসুদ একটি গাভীর মাধ্যমে বাছুরটির জন্ম দেন। মাসুদ স্থানীয় বাসিন্দা আবু তাহেরের পুত্র।
বাছুরটির অস্বাভাবিক শারীরিক গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ সেটি দেখতে ভিড় করছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত বাছুরটি জীবিত ও সুস্থ রয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে হাটহাজারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়। তবে খামারি বাছুরটি তাদের দেখাতে সম্মতি দেননি।
হাটহাজারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাবিল ফারাবী জানিয়েছেন, মালিকপক্ষকে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, বাছুরটির চিকিৎসাসেবা বা প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য তারা সহযোগিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, কী ধরনের জিনগত ত্রুটি বা শারীরিক কারণে বাছুরটির এমন অস্বাভাবিক গঠন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি পরবর্তীতে গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ