শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৫ এম
ফরাসি লিগ এক সময় পিএসজির জন্য ছিল একটি সহজ খেলার স্থান। কত রেকর্ড গড়েছে, তার কোনো হিসাব নেই। কিন্তু বর্তমানে পিএসজি যেন জয়ের স্বাদ ভুলে গেছে! চলতি মৌসুমে লিগ ওয়ানে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা এখনো তাদের প্রথম জয় অর্জন করতে পারেনি। এবার তারা এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে পরাজিত হয়েছে। মোনাকো পিএসজিকে হারিয়ে লিগের শীর্ষে উঠে গেছে।
চ্যাম্পিয়নস লিগের বিজয়ী দলটি এখন পর্যন্ত ঘরোয়া লিগের তিনটি ম্যাচের মধ্যে কোনোটিতেই জয়লাভ করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্লাভিও নাজিনিও এবং স্তানিস ইদুম্বোর গোলে সফরকারীরা পার্ক দে প্রাঁস থেকে বিরল একটি জয় নিয়ে ফিরে এসেছে।
পিএসজির কোচ লুইস এনরিকে সম্প্রতি তার চুক্তি নবায়ন করেছেন। তার দল ৩১ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল। অধিনায়ক মার্কিনিয়োসের হেডে গোলটি আসে। তবে বিরতির আগে তারা নিজেদের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি, যদিও মোনাকো তখনো লক্ষ্যে কোনো শট নিতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ১৩ মিনিটের মাথায় সমতায় ফেরে মোনাকো। জর্ডান তেজের ক্রসে নাজিনিও মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন, বলটি ফার পোস্টে যায়।
এর ১৪ মিনিট পর সফরকারীরা এগিয়ে যায়। কাছের পোস্ট দিয়ে মাতভেই সাফোনভকে পরাস্ত করে জোরালো শটে গোল করেন ইদুম্বো।
বিরতির সময় এগিয়ে থেকেও ম্যাচ হারার এমন ঘটনা পিএসজির ক্ষেত্রে ২০২১ সালের মার্চের পর প্রথমবার ঘটল। সেবার তারা নঁতের কাছে পরাজিত হয়েছিল।
এই ফলাফলের ফলে মোনাকো নিজেদের শতভাগ জয়ের ধারাকে ধরে রেখে টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে। অপরদিকে, পিএসজি ১২ নম্বরে নেমে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিন কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও যাই। অনেক সময় ভোগান্তির পর যখন কোথাও পৌঁছানো যায়, তখন দেখা যায়, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে কাজ তো হয়ই না, বরং সময়ও নষ্ট হয়।
তাহলে, বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নেওয়া উচিত শনিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ রয়েছে।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারি বাজার, চানখারপুল।
যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানশন।
যে দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে
শিশু একাডেমি জাদুঘর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি পালন করে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাব্বির রহমান সর্বশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন ২০২২ সালে। এর পর থেকে প্রায় ৪ বছর অতিবাহিত হয়েছে, কিন্তু তিনি জাতীয় দলে ফিরে আসতে পারেননি। বর্তমানে তার বয়স ৩৫ বছর। জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা কম বলে মনে হলেও, বাংলাদেশ দলে ফেরার সুযোগ একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। বিসিবির নির্বাচক হাবিবুল বাশার সাব্বিরকে এমন একটি সুখবর দিয়েছেন।
সাব্বির টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে টপ এন্ডে ৭ ম্যাচে ৬ ইনিংস খেলে ১৮৪ রান সংগ্রহ করেছেন। তার মধ্যে ২টি ফিফটি এবং একটি ৪৭ রানের ইনিংস রয়েছে। এই পারফরম্যান্সের পর তিনি জাতীয় দলের বিবেচনায় আছেন কি না, এমন প্রশ্ন প্রধান নির্বাচকের কাছে উঠেছিল।
হাবিবুল বাশার যে উত্তর দিয়েছেন, তাতে সাব্বিরের জন্য আশার আলো দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেছেন, ‘সাব্বিরকে নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করেছি। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে টপ এন্ডে ভালো ব্যাটিং করেছেন। সাব্বিরের সুযোগটা এখনো আসেনি।’
তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘আমাদের সামনে অনেক খেলা রয়েছে, পরিকল্পনায় সে আছে। দীর্ঘ সময় পর সে দলে কামব্যাক করেছে। ভবিষ্যতে কী হবে দেখা যাক।’
জাতীয় দলে ফিরতে হলে সাব্বিরকে কী করতে হবে, সে বিষয়েও হাবিবুল কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘সাব্বিরকে বসিয়ে না রেখে লম্বা সময়ের পরিকল্পনা করে তাকে ‘এ’ দলের টুর্নামেন্টে সুযোগ দেওয়া। সাব্বিরের সক্ষমতা আছে। সে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবে। কন্ডিশন অনুযায়ী দল সিদ্ধান্ত নেবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ভূরঘাটা-মোল্লারহাট সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ ও গভীর গর্ত। কোথাও কোথাও গর্তের গভীরতা এক হাতেরও বেশি। উঠে গেছে সড়কের পিচ ও সলিং, বেরিয়ে এসেছে নিচের মাটি। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে তৈরি হয় আরও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি। এতে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চালকেরা।
বিশেষ করে কালকিনি বাজার থেকে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড পর্যন্ত সড়কের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। উপজেলার সিডিখান, শিকারমঙ্গল, জুরগাঁও, রমজানপুর, সাহেবরামপুর, মোল্লারহাট ও কয়ারিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম এই সড়ক।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. তামিম হাসান বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে আমাদের নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আমরা চাই দ্রুত সড়কটির স্থায়ী সমাধান করা হোক, যাতে দুর্ঘটনা কমে আসে।’
কালকিনি কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে কলেজে যাতায়াত করি। সড়কের গর্ত ও খানাখন্দের কারণে আমাদের অনেক অসুবিধা হয়। মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটে। আমরা দ্রুত এর সমাধান চাই।’
সড়কটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা জানিয়ে গাড়িচালক মইনুদ্দিন বলেন, ‘আমি একবার মরতে মরতে বেঁচে গেছি। আমার গাড়িটি অল্পের জন্য পালরদী নদীতে পড়ে যায়নি। এভাবে গাড়ি চালানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করে আমাদের সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন অংশে সংস্কারের অভাবে খানাখন্দ তৈরি হলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ।
তবে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ। কালকিনি উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, জনগুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সড়ক হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রাক্কলন পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুতই সড়কটির মেরামতকাজ করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কাগজে-কলমে প্রাক্কলন পাঠানোর মধ্যেই যেন উদ্যোগ সীমাবদ্ধ না থাকে। দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে তোলা হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন হাজারো মানুষ। পাশাপাশি কমবে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের অনেক শহরের মতো রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তবে সবশেষ বায়ুর মান সূচক অনুযায়ী, শহরটির বাতাসের মান জনস্বাস্থ্যের জন্য মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ঢাকার স্কোর ৯২। এই স্কোর অনুযায়ী, বায়ুর মান মাঝারি পর্যায়ে রয়েছে। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৮তম।
একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ২৬৯ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং। এ ছাড়া, ১৬১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, ১৫৪ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের চেংদু, ১৪৪ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটির স্কোর ১১২।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ সহনীয় বা মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।
১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ