ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামায়াত আমিরের বক্তব্যে মানুষ হাসি-তামাশা করছে: রাশেদ খান


জামায়াত আমিরের বক্তব্যে মানুষ হাসি-তামাশা করছে: রাশেদ খান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য শুনে দেশের জনগণ এখন হাসি-তামাশা করছে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বারোয়ারি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

জামায়াতের আমিরের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে রাশেদ খান মন্তব্য করেন, ‘জামায়াতের আমির বলেছেন, তারা এই সরকারকে আর সহযোগিতা করবেন না, বরং দেশের জনগণকে সহযোগিতা করবেন। কিন্তু যে দল বা ব্যক্তি বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা করে না, তারা কিভাবে দেশের ১৬ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করবে, তা জনগণের বোধগম্য নয়।’

বক্তব্যের মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শীর্ষ সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং সারজিস আলমের বিষয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের সময় হাসনাত আবদুল্লাহকে অনেকে ‘হাসিনার আব্দুল্লাহ’ বলে ডাকতেন। সম্প্রতি তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে যেভাবে কটূক্তি করেছেন, তা একমাত্র ‘হাসিনার আব্দুল্লাহ’ বলেই সম্ভব।”

আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী

রাশেদ খান দাবি করেন, গণ-অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার গদি রক্ষার জন্য হাসনাত ও সারজিস শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতন ঘটায় সেই ক্ষোভ ও হতাশা থেকেই তারা এখন বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর চড়াও হচ্ছেন।’

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং মণ্ডপ পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা জেলা প্রশাসক: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাংলাদেশের শক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


ঢাকা জেলা প্রশাসক: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাংলাদেশের শক্তি

ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম মন্তব্য করেছেন, "সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও জাতীয় শক্তি।" তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা এবং সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

সাভার পৌরসভার পঞ্চবটি আশ্রম সার্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে এসব কথা বলেন ফরিদা খানম।

জেলা প্রশাসক জানান, ঢাকা জেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মাঠপর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। স্বেচ্ছাসেবকেরাও পূজামণ্ডপগুলোতে কাজ করছেন।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের লক্ষ্য হল প্রত্যেক ধর্মের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারে।

উৎসবের পরিবেশ বিঘ্নিত করার চেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে ফরিদা খানম জানান, "কেউ নাশকতা, বিশৃঙ্খলা কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে।" এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা বা শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না।

জেলা প্রশাসক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "কোথাও সন্দেহজনক পরিস্থিতি বা অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে।" সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজব, অপপ্রচার ও উসকানিমূলক তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

ফরিদা খানম আরও বলেন, "শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, মানবিকতা ও সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার একটি উপলক্ষ।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, পূজারি, দর্শনার্থী, আয়োজক কমিটি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত সহযোগিতায় উৎসবের আনন্দ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরসহ জেলায় এবারে মোট ১ হাজার ১২৭টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপিত হচ্ছে। এর মধ্যে দোহার উপজেলায় ৪২টি, নবাবগঞ্জে ২০১টি, কেরানীগঞ্জে ১৫৩টি, ধামরাইয়ে ২৩৫টি, সাভারে ২৩৮টি এবং ঢাকা মহানগরে ২৫৮টি পূজামণ্ডপ রয়েছে।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সর্বস্তরের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, "সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো সুদৃঢ় করতে হবে।"

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূজার ছুটিতে মেট্রো রেলের বিশেষ সূচি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


পূজার ছুটিতে মেট্রো রেলের বিশেষ সূচি ঘোষণা

দুর্গাপূজার ছুটির সময়ে মেট্রোরেলের চলাচল বিশেষ সময়সূচিতে পরিচালিত হবে। আগামী ২০, ২১, ২২ ও ২৪ অক্টোবর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সময়সূচির আদলে হবে, তবে ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) মেট্রোরেল বিকেল থেকে চলবে। এই সময়ে যাত্রীদের চাহিদার ভিত্তিতে ট্রেন চলাচলের বিরতি সমন্বয় করা হবে। ছুটির এই সময় ১০ থেকে ২০ মিনিট পরপর ট্রেন চলাচল করবে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকা মাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) অপারেশন বিভাগের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ডিএমটিসিএলের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, নির্ধারিত চার দিনের মধ্যে উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিলগামী প্রথম ট্রেন সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে। অন্যদিকে, মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তরগামী প্রথম ট্রেন সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ছাড়বে। দিনের বেশিরভাগ সময় ১০ থেকে ১২ মিনিট পরপর ট্রেন চলবে। রাতের বেলায় যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী এ বিরতি বেড়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট হবে। এই চার দিনে দুই দিক মিলিয়ে মোট ১৭১টি ট্রিপ পরিচালনা করা হবে।

২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিলগামী ট্রেন চলাচল শুরু হবে বিকেল ৩টায়। আর মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তরগামী ট্রেন চলবে বিকেল ৩টা ২০ মিনিট থেকে। এদিন দুই দিক মিলিয়ে মোট ৮২টি ট্রিপ পরিচালিত হবে।

ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, যাত্রী চাপ সামাল দিতে উত্তরা উত্তর স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম ও ডিপোতে দুটি অতিরিক্ত ট্রেন প্রস্তুত রাখা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এসব ট্রেন চালিয়ে চলাচলের বিরতি সমন্বয় করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার বাইরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের জন্য মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন জেলায় যাচ্ছেন। সকালে প্রথমে যাবেন রংপুর। এরপর রাজশাহী ও চট্টগ্রামে।’

আতিকুর রহমান রুমন আরও জানান, ‘এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো সরকারপ্রধান ঢাকার বাইরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করতে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে পূজারিদের শুভেচ্ছা জানাবেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন।’

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর রাতেই ঢাকায় ফিরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে তিন জেলার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে রোববার রাতে রাজধানীর মহাখালী ও বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার দুর্গাপূজার মহানবমী। পরদিন বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলিমরা এখন নেতা বানাবে না, নিজেরাই নেতৃত্ব দেবে: ওয়াইসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


মুসলিমরা এখন নেতা বানাবে না, নিজেরাই নেতৃত্ব দেবে: ওয়াইসি

অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন (এআইএমআইএম) এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি রবিবার সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং এর নেতা অখিলেশ যাদবের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলগুলি মুসলিমদের কেবল ‘ভোটব্যাঙ্ক’ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে, কিন্তু মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য নিজস্ব নেতৃত্ব গড়ে তোলার যথেষ্ট সুযোগ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রামপুরে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওয়াইসি বলেন, তরুণ মুসলিমদের মধ্যে রাজনৈতিক নেতা হওয়ার মতো মেধা ও সম্ভাবনা রয়েছে, তবে রাজনীতিতে প্রবেশের জন্য তাদের কোনো প্ল্যাটফর্ম বা সুযোগ দেওয়া হয় না।

এএনআই-এর সূত্র অনুযায়ী, ওয়াইসি মন্তব্য করেন, “আমরা আর কোনো নেহেরু, গান্ধী বা যাদবকে আমাদের নেতা বানাব না। এই তরুণ ছেলে-মেয়েরাই আমাদের সামনের সারিতে নেতৃত্ব দেবে।” তিনি জানান, এআইএমআইএম প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের তরুণদের রাজনীতিতে আসার, দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার এবং শোষিতদের জন্য ন্যায়বিচার আদায় করার সুযোগ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনাদের মধ্যেও মেধা রয়েছে, কিন্তু আপনাদের কোনো সুযোগ বা প্ল্যাটফর্ম দেওয়া হচ্ছে না।” ওয়াইসি সমাজবাদী পার্টির অতীত ভূমিকার ওপর প্রশ্ন তুলে যুক্তি দেন যে, মুসলিম সম্প্রদায় কোনো প্রতিদান ছাড়াই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই দলকে সমর্থন দিয়ে এসেছে, কিন্তু বিনিময়ে কোনো পর্যাপ্ত উন্নয়নমূলক সুযোগ পায়নি।

এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আজমগড় জেলার উদাহরণ টেনে প্রশ্ন তোলেন—কেন শিবলি কলেজের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানকে এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়নি? তিনি যাদব পরিবারের নির্বাচনী এলাকা সাফাই-তে গড়ে ওঠা উন্নত শিক্ষা ও ক্রীড়া পরিকাঠামোর তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন।

আজমগড়ে সমাজবাদী পার্টির দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন করেন, “আপনারা আজম গড়কে আসলে কী দিয়েছেন?” ওয়াইসির অভিযোগ, মুসলিম ভোটাররা বারবার সমাজবাদী পার্টিকে সমর্থন করলেও শিক্ষা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে পার্টি তাঁদের কোনো নজর দেয়নি।

এআইএমআইএম প্রধান জোর দিয়ে বলেন, মুসলিমদের এখন পুরনো ও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক নেতাদের সমর্থক হয়ে থাকার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে নিজস্ব ভূমিকা দাবি করা উচিত। তিনি বলেন, “এখন এক নতুন চিন্তাভাবনার জন্ম হয়েছে—মুসলিমরা আর অন্যের জন্য নেতা বানানো বন্ধ করে নিজেরাই নেতা হতে চায়। আমরা আর অন্যের সভার কার্পেট পাততে চাই না; আমরা নিজেদের প্রাপ্য অধিকার ও ভাগ নিয়ে কথা বলতে চাই।”

ওয়াইসি আরও বলেন যে, তরুণ মুসলিমদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ কেবল বড় নেতাদের স্লোগান দেওয়া বা প্রচার চালানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। তাঁর এই বক্তব্য ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে এআইএমআইএম-এর রাজনৈতিক ভিত্তি প্রসারিত করার একটি অংশ।

ওয়াইসি দলের কর্মী-সমর্থকদের তৃণমূল স্তরে এআইএমআইএম-এর সংগঠনকে শক্তিশালী করার এবং প্রতিটি পোলিং বুথে সমর্থন বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি রামপুরের অর্থনৈতিক সংকট ও শিক্ষাগত চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়গুলির জন্য সমান অধিকার ও সঠিক প্রতিনিধিত্বের দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%