ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হুথিদের মোকাবিলায় সৌদি আরবের সামরিক চ্যালেঞ্জ বৃদ্ধি পাচ্ছে


হুথিদের মোকাবিলায় সৌদি আরবের সামরিক চ্যালেঞ্জ বৃদ্ধি পাচ্ছে

ইয়েমেনে সউদী আরবের যুদ্ধ এবং দেশটিতে ইরানপন্থী হুথি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে হামলার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংঘাতের ফলে হুথিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে সউদির জ্বালানি স্থাপনা, বিশেষ করে বিমানবন্দরগুলো।

শনিবার ও রবিবার রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এবং সর্বশেষ দাম্মাম বিমানবন্দর ও দুটি তেল স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের ১১ অক্টোবরের প্রতিবেদনে সউদি সামরিক মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকির উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, দেশটি ২০১৫ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইয়েমেনে ১শ’ ৩৬টি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। ইরানপন্থী এই গোষ্ঠী বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং পশ্চিম উপকূলের ক্রমবর্ধমান অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের কার্যক্রমের ফলে লোহিত সাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ব্যাহত হচ্ছে।

সেপ্টেম্বরের শুরুতে ড্রোন হামলায় সউদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে সাময়িকভাবে দেশটির তেল রপ্তানি ব্যাহত হয় এবং জ্বালানিবাজারে ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। রিয়াদ কয়েক সপ্তাহ ধরে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক মিত্র খুঁজছে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্রিটেন সউদি যুদ্ধবিমানে আকাশপথে জ্বালানি সরবরাহের প্রস্তাব দেয়। অন্যদিকে, দেশটির ইয়ানবু তেল স্থাপনা রক্ষায় সেনা, রাডার ব্যবস্থা ও আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহের পরিকল্পনা ঘোষণা করে ফ্রান্স।

আরও পড়ুন: ঢামেকে ভুয়া চিকিৎসক মো. রাকিব আটক, থানায় হস্তান্তর

তবে, সম্প্রতি আমেরিকা হুথিদের বিরুদ্ধে সউদি আরবের সঙ্গে যৌথভাবে যুদ্ধে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এদিকে, ইয়েমেনভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক সানা সেন্টার ফর স্ট্র‍্যাটেজিক স্টাডিজের এক গবেষণায় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ওসামাহ আল-রাওয়ানি উল্লেখ করেছেন, ওয়াশিংটনের অবস্থান পরিবর্তিত হতে পারে, তবে সফল সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনা অনিশ্চিত। তিনি বলেন, "যুদ্ধের ব্যয় ক্রমাগত বাড়তে থাকলে রিয়াদ সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে পারে।"

মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাবিষয়ক ফ্রিদরিখ এবার্ত ফাউন্ডেশনের শান্তি ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ কেন্দ্রের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মার্কাস স্নাইডার ডয়চে ভেলেকে জানান, "হুথিদের নির্মূল করতে স্থলবাহিনী প্রয়োজন হবে। কিন্তু এ ধরনের যুদ্ধে, বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে, সউদি আরবের কোনো অভিজ্ঞতা নেই।"

তিনি আরও বলেন, "ইয়েমেনে হুথিরা শক্তভাবে নিজেদের অবস্থান গড়ে তুলেছে এবং তারা বড় ধরনের আঘাত সামলে ওঠার সক্ষমতা রাখে। সর্বোপরি, সউদি আরবের ভিশন-২০৩০ সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। কিন্তু সেই স্থিতিশীলতা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও দূরে সরে গেছে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন দশম গ্রেডে উন্নীত করার তিন দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাজনূভার দাবি, সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার হোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


তাজনূভার দাবি, সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার হোক

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ধারাবাহিক বৈঠকগুলো বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচারের জন্য দাবি জানিয়েছেন অল্টারনেটিভস’র সংগঠক তাজনূভা জাবীন।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই সম্প্রচার সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন পক্ষের মতামত সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং তুলনামূলকভাবে সেগুলো বিশ্লেষণ করার সুযোগ দেবে।

মঙ্গলবার, তাজনূভা জাবীন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ দাবি জানান।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বিশেষ কমিটি গণ্যমান্য সাংবাদিক ও সম্পাদকদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রেস ব্রিফিং থেকে জানা গেছে যে, আগামী ২৪ তারিখ আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দিনব্যাপী বৈঠক হবে।

তাজনূভা জাবীন আরও দাবি করেন যে, বৈঠকগুলো বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা উচিত। এতে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ এবং গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া সাধারণ মানুষ আলোচনা সরাসরি শুনতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বৈঠকগুলোর পার্থক্য কী, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার সঙ্গে এবং সংবিধান নিয়ে বিভিন্ন মতামত কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, এসব বিষয় জনগণের কাছে আরও স্পষ্ট হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন মতামত তুলনা ও বিশ্লেষণ করাও সহজ হবে।

সবশেষে, তাজনূভা জাবীন লেখেন যে, এই আয়োজন জনগণের স্বার্থেই করা হচ্ছে। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয় এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার বিষয়ও নয়। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা যখন সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছিল, তখন বর্তমান বৈঠকগুলো সরাসরি সম্প্রচারে আপত্তির কারণ কী, সেই প্রশ্নও তিনি তুলেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

সরকার এলপিজি ব্যবসায়ীদের ঘোষিত দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ বার্তা প্রদান করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, "ধর্মঘটের হুমকির পর সরকার একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চায়। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ে কেউ কারসাজি করলে বা জনস্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে সরকার কঠোর হাতে তা দমন করবে। সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে, তবে দেশকে জিম্মি করার চেষ্টা সরকার মেনে নেবে না।"

জ্বালানিমন্ত্রী জানান, সরকার এলপিজির মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে চায়। তিনি বলেন, "ধর্মঘটের চেষ্টা করে দাম বাড়ানো হলে তা বরদাশত করা হবে না।"

জ্বালানিমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের আগামী দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার এলপিজিতে ভর্তুকি দেয় না এবং প্রতিবেশী ভারতে এ খাতে ভর্তুকি দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ১২ অক্টোবর এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীরা ১৫ ও ১৬ অক্টোবর দেশজুড়ে সব এলপিজি দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সংগঠনের সভাপতি সেলিম খান ওই দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দাবি না মানলে দুই দিনের পর অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডাকা হবে। ব্যবসায়ীদের দাবির মধ্যে পরিবেশকদের কমিশন বাড়ানো, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের জরিমানা ও হয়রানি বন্ধসহ সাতটি দাবি রয়েছে।

গত ৪ অক্টোবর বিইআরসি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে। কিন্তু এ দামে কোথাও তা মিলছে না। বিক্রেতারা ইচ্ছামতো ৪০০-৫০০ টাকা বেশি নিচ্ছেন।

এলপিজি অপারেটররা জানিয়েছেন, তারা সরকার নির্ধারিত দামেই ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে এলপি গ্যাস বিক্রি করছেন এবং বাড়তি কোনো টাকা নেওয়া হচ্ছে না।

সরকারও সংকট নিয়ে তৎপর ছিল। ২৮ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় সভায় অপারেটররা মন্ত্রীকে জানান, দেশে এলপিজির সংকট নেই। ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। ৩ অক্টোবর আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ৮ জানুয়ারি প্রশাসনিক অভিযান ও জরিমানার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা দেশজুড়ে এলপিজি সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রেখেছিলেন। বিইআরসির সঙ্গে বৈঠক ও দাবি পূরণের আশ্বাসে সেদিন বিকেলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদি দেশে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপাচ্ছেন: অভিজিৎ দীপকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


মোদি দেশে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপাচ্ছেন: অভিজিৎ দীপকে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপিয়ে দিচ্ছেন, এমন অভিযোগ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে।

নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অননুমোদিতভাবে প্রবেশের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ ও আশুতোষকে কারাগারে পাঠানোর পর বুধবার দীপকে এই অভিযোগ তোলেন।

নাগপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দীপকে প্রশ্ন করা হয়, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর মাধ্যমে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ঠিক কী অপরাধ করেছেন?

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শান্তিরক্ষার মুচলেকা লঙ্ঘন এবং যন্তর মন্তরে (যে স্থানটিকে এখন আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের এলাকা হিসেবে গণ্য করা হয় না) অননুমোদিতভাবে প্রবেশের অভিযোগে বুধবার সৌরভ ও আশুতোষকে পাঁচ দিনের জন্য দিল্লির তিহার কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে মঙ্গলবার ভোরে তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ব্যারিকেড ভেঙে অনুমতি ছাড়াই যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশ করেছিলেন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিয়েছিলেন।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দীপকে বলেন, ‘আমি নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, আপনি যদি দেশে জরুরি অবস্থা জারি করতে চান, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবেই করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ কেমন কাপুরুষোচিত আচরণ—অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপিয়ে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে মানুষকে পাঁচ দিন ধরে হেফাজতে আটকে রাখা হচ্ছে? এমনকি (১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর আমলে জারি করা) জরুরি অবস্থার সময়ও এমনটা ঘটেনি।’

তিনি যোগ করেন, ‘এই দেশে জাতীয় পতাকা ওড়ানো এখন সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার জন্য মানুষকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হচ্ছে। তাই আমি নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, এত বড় কাপুরুষ হবেন না; কিছুটা সাহস দেখান। যদি জরুরি অবস্থা জারি করতেই হয়, তবে সাহস থাকলে তা আনুষ্ঠানিকভাবেই করুন।’

সিজেপির এই নেতা জোর দিয়ে বলেন, নরেন্দ্র মোদি বা অন্য যে কেউই এই দেশে আরএসএসের মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন না কেন, তা কখনোই সফল হবে না।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার বিক্ষোভ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে দীপকে বলেন, সিজেপি একটি স্বাধীন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এবং ভবিষ্যতেও তা-ই থাকবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে সিজেপি ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী। ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলন এবং সিজেপির আন্দোলন—উভয়ই একই লক্ষ্যের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। সূত্র: পিটিআই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে। নতুন এই নীতিমালার অধীনে, প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন লটারির মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে করা হবে। প্রতিটি শ্রেণির জন্য শিক্ষার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে এই নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস এর সই করেছেন।

নীতিমালার ২ নম্বর ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছর বা তার বেশি হতে হবে। তবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর হতে পারবে।

নীতিমালায় নির্ধারিত বয়সসীমা অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় থেকে আট বছর হতে হবে। তৃতীয় শ্রেণির জন্য সাত থেকে নয় বছর, চতুর্থ শ্রেণিতে আট থেকে ১০ বছর এবং পঞ্চম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর বয়স হতে হবে নয় থেকে ১১ বছর।

অন্যদিকে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ থেকে ১২ বছর। সপ্তম শ্রেণির জন্য ১১ থেকে ১৩ বছর, অষ্টম শ্রেণিতে ১২ থেকে ১৪ বছর এবং নবম শ্রেণিতে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়স হতে হবে।

ভর্তির আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষার্থীর বয়স যাচাইয়ের জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া যাবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ ১ জানুয়ারি শুরু হবে এবং ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। প্রতিটি শ্রেণির একটি শাখায় সর্বাধিক ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশ শ্রেণি প্রথম থেকে শুরু করে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত এই নীতিমালার আওতায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%