প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে। নতুন এই নীতিমালার অধীনে, প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন লটারির মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে করা হবে। প্রতিটি শ্রেণির জন্য শিক্ষার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে এই নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস এর সই করেছেন।
নীতিমালার ২ নম্বর ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছর বা তার বেশি হতে হবে। তবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর হতে পারবে।
নীতিমালায় নির্ধারিত বয়সসীমা অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় থেকে আট বছর হতে হবে। তৃতীয় শ্রেণির জন্য সাত থেকে নয় বছর, চতুর্থ শ্রেণিতে আট থেকে ১০ বছর এবং পঞ্চম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর বয়স হতে হবে নয় থেকে ১১ বছর।
অন্যদিকে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ থেকে ১২ বছর। সপ্তম শ্রেণির জন্য ১১ থেকে ১৩ বছর, অষ্টম শ্রেণিতে ১২ থেকে ১৪ বছর এবং নবম শ্রেণিতে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়স হতে হবে।
ভর্তির আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষার্থীর বয়স যাচাইয়ের জন্য অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া যাবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ ১ জানুয়ারি শুরু হবে এবং ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। প্রতিটি শ্রেণির একটি শাখায় সর্বাধিক ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রবেশ শ্রেণি প্রথম থেকে শুরু করে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত এই নীতিমালার আওতায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন