শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৬ পি.এম
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উয়েফা নেশনস লিগের শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে পর্তুগাল তাদের অভিযান শুরু করেছে জয় দিয়ে। গত রাতে গ্রুপ-এ৪-এর প্রথম ম্যাচে ওয়েলসকে ১-০ গোলে পরাজিত করে পর্তুগাল।
একই গ্রুপের আরেকটি ম্যাচে আর্লিং হালান্ডের দুই গোলের সুবাদে নরওয়ে ৩-২ ব্যবধানে ডেনমার্ককে পরাজিত করেছে।
অন্যদিকে, গ্রুপ-এ২-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে জার্মানি নেদারল্যান্ডসের সাথে ১-১ গোলে ড্র করেছে।
লিসবনে ম্যাচের শুরুতে পর্তুগালের সেরা খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দু’বার গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন। গোল না পেয়ে হতাশ হলেও, ২২ মিনিটে ওয়েলসের জালে প্রথম বল পাঠান পর্তুগাল।
নুনো মেন্ডেসের পাসে বল পেয়ে আল নাসরের স্ট্রাইকার ফেলিক্স নিচু শটে গোল করে পর্তুগালকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। এই ব্যবধান নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে পর্তুগাল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রোনালদো ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পান। রুবেন নেভেসের ক্রসে বল পেয়ে তিনি ক্রসবারের ওপর দিয়ে শট মারেন।
৫৯ মিনিটে রোনালদো গোল করার পর পর্তুগালকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন, কিন্তু রেফারি অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন।
৬৬ মিনিটে ওয়েলস গোলরক্ষক রোনালদোর শট প্রতিহত করেন। পরের মিনিটে পর্তুগাল কোচ জর্জ জেসুস রোনালদোকে তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত পর্তুগাল ১-০ গোলে ম্যাচটি জিতে নেয়।
পর্তুগাল-ওয়েলস ম্যাচে যেখানে একটি মাত্র গোল হয়েছে, সেখানে একই গ্রুপের নরওয়ে-ডেনমার্ক ম্যাচে ৫টি গোল হয়েছে।
অসলোতে ১৪ মিনিটে নরওয়ে প্রথম গোলটি করে। মার্টিন ওডেগার্ডের পাস থেকে গোল করেন অস্কার বব।
এই গোলের পরপরই ১৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় নরওয়ে। আন্তোনিও নুসার সহায়তায় ম্যানচেস্টার সিটির হালান্ড জোরালো শটে গোল করেন।
২৫ মিনিটে ডেনমার্ক ব্যবধান কমায়। ফ্রি কিক থেকে নরওয়ের গোলরক্ষক অরিয়ন নাইল্যান্ডকে পরাস্ত করে গোল করেন মিকেল ডামসগার্ড।
৬০ মিনিটে ডেনমার্ক ২-২ সমতা ফেরায়। কর্নার থেকে নরওয়ের গোলরক্ষক ওরজান নাইল্যান্ডের প্রতিহত করা হেডের ফিরতি বলে গোল করেন রাসমাস হোলান্ড।
ম্যাচে ২-২ সমতা ফেরানোর পর নরওয়ে আবারও এগিয়ে যেতে মরিয়া হয়ে উঠে। ৭৪ মিনিটে হালান্ড ওডেগার্ডের কাটব্যাক থেকে গোল আদায় করে নেন। ফলে নরওয়ে ৩-২ গোলে এগিয়ে যায়। এই ব্যবধান ধরে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।
এদিকে, আমস্টারডামের ইয়োহান ক্রুইফ স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ৩২ মিনিটে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে জার্মানি জয় পেতে পারেনি।
৩২ মিনিটে জার্মানির হয়ে গোল করেন ফেলিক্স নেমচা। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে ম্যাচ শেষ করার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল জার্মানি।
কিন্তু ৯২ মিনিটে রুবেন ফন বোমেলের ক্রস থেকে ভলিতে বল জালে পাঠান কডি গাকপো। ফলে ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমস ২০২৬ উইমেন্স শর্টবোর্ড সার্ফিংয়ে বাংলাদেশের ফাতেমা আক্তার তৃতীয় স্থান অধিকার করে হিটটি শেষ করেছেন।
শুক্রবার জাপানের লং বিচে অনুষ্ঠিত রাউন্ড ১-এর ২ নম্বর হিটে ফাতেমা মোট ২.৯২ পয়েন্ট অর্জন করে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করেন।
হিটের মধ্যে ফাতেমা তার একটি ওয়েভ থেকে সর্বোচ্চ ২.৫০ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন। তার দ্বিতীয় স্কোরিং ওয়েভটিতে তিনি ০.৮৩ পয়েন্ট পেলেও, নিয়ম অনুযায়ী 'ইন্টারফেয়ারেন্স পেনাল্টি'-র (পেনাল্টি ১) কারণে সেই স্কোরটি ০.৪২-তে নেমে আসে। ফলে, তিনি পিছিয়ে পড়েন। সেরা দুটি ওয়েভের সম্মিলিত পয়েন্ট ২.৯২ হয়।
এই হিটে ৭.৭৩ পয়েন্ট (৪.০০ এবং ৩.৭৩) নিয়ে শীর্ষস্থানে ছিলেন চীনের প্রতিযোগী জিন শুহান। অন্যদিকে, ৫.০৩ পয়েন্ট (২.৭৩ এবং ২.৩০) নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ইন্দোনেশিয়ার হেয়ার কিয়া জো।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেমের টানে চীন থেকে দিনাজপুরের হিলিতে এসেছেন পংফং (৩৭) নামে এক চীনা নাগরিক, যিনি বাংলাদেশি তরুণী রাইসা আক্তারের (২১) প্রেমে পড়েন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তিনি মোহাম্মদ আলী নাম ধারণ করেন। এরপর রাইসাকে বিয়ে করে হিলিতে শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছেছেন এই নবদম্পতি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভার মাঠপাড়া এলাকায় রাইসার বাড়িতে নবদম্পতি আসার পর বিষয়টি জানাজানি হয়। চীনা নাগরিককে একনজর দেখার জন্য রাইসার বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয় উৎসুক মানুষ।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, পংফং ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন। পরে গাজীপুর আদালতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মোহাম্মদ আলী নাম ধারণ করেন। বিয়ের পর বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে হিলিতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন তিনি।
নবদম্পতিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। দূরদেশ থেকে এসে বাংলাদেশি তরুণীকে বিয়ে করায় তাদের দেখতে রাইসার বাড়িতে ভিড় করছেন অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০০৪ সালে মুক্তি পায় ফারাহ খান পরিচালিত ‘ম্যায় হুঁ না’। শাহরুখ খান, সুস্মিতা সেন, জায়েদ খান ও অমৃতা রাও অভিনীত এই সিনেমাটি দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিল, এবং দুই দশক পরেও এর জনপ্রিয়তা কমেনি। বরং, সিনেমাটি যখনই টেলিভিশনে প্রচারিত হয়, তখনই দর্শকদের আগ্রহ সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি, সেই পুরোনো উন্মাদনাকে নতুন করে উসকে দিয়েছেন পরিচালক ফারাহ খান নিজেই।
ফারাহ কি সত্যিই ‘ম্যায় হুঁ না’র সিক্যুয়াল তৈরির পরিকল্পনা করছেন? এই প্রশ্ন বর্তমানে বলিউডে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এই জল্পনার সূত্রপাত ঘটে অভিনেতা অর্জুন কাপুরের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে।
সম্প্রতি, একটি হোটেলের ঘরে বসে ‘ম্যায় হুঁ না’ দেখছিলেন অর্জুন। সিনেমাটির একটি অংশের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘অলটাইম ফেভারিট।’ অর্থাৎ, এটি তার সবসময় পছন্দের সিনেমা। অর্জুন শুধু প্রশংসা করেই থামেননি, ফারাহ খানকে ট্যাগ করে সিক্যুয়ালের আবদারও জানিয়েছেন।
অর্জুন লেখেন, ‘উই নিড আ সিক্যুয়াল অ্যাসাপ।’ অর্জুনের পোস্টের জবাব দিতে গিয়ে ফারাহ খান যেন রহস্য আরও বাড়িয়ে দেন। তিনি লেখেন, ‘যদি কোনও কিছু অন্তর থেকে চাও... অর্জুন কাপুর, অনেক ভালোবাসি।’
ফারাহর এই উত্তরের পর নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ, তার কথার সঙ্গে অনেকেই ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমার একটি বহুল আলোচিত সংলাপের মিল খুঁজে পেয়েছেন, যা হলো ‘কেহতে হ্যায়, আগার কিসি চিজ কো দিল সে চাহো, তো পুরি কায়ানত উসসে তুমসে মিলানে কি কোশিশ মে লাগ যাতে হ্যায়।’
ফলে, ফারাহর এই মন্তব্যকে নিছক মজার ছলে দেওয়া উত্তর হিসেবে দেখছেন না অনেকেই। বরং, অনুরাগীরা এটি ‘ম্যায় হুঁ না’র দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে সম্ভাব্য পরিকল্পনার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন। বিশেষ করে শাহরুখ খানের ভক্তদের মধ্যে নতুন কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
‘ম্যায় হুঁ না’ দিয়েই পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয়েছিল ফারাহ খানের। শাহরুখ খান, সুস্মিতা সেন, জায়েদ খান ও অমৃতা রাওকে নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করার পাশাপাশি দর্শকদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সিনেমাটির গান, সংলাপ ও চরিত্রগুলো এখনো হিন্দি সিনেমাপ্রেমীদের নস্টালজিয়ার অংশ।
অনেক দিন ধরেই ‘ম্যায় হুঁ না’র সিক্যুয়াল নিয়ে বলিউডে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় কিস্তির ঘোষণা দেননি ফারাহ খান বা সিনেমাটির সংশ্লিষ্ট কেউ।
অতএব, অর্জুনের আবদারের জবাবে ফারাহর এই রহস্যময় মন্তব্য সত্যিই নতুন সিনেমার ইঙ্গিত কি না, নাকি শুধুই ভক্তের আবেগে সাড়া—তার উত্তর মিলবে সময়ের সঙ্গে। তবে আপাতত একটি বিষয় নিশ্চিত, ফারাহর ওই এক মন্তব্যেই দুই দশক পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ‘ম্যায় হুঁ না’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়া কৃষি শ্রমিকদের দ্রুত ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আসন্ন ফসল কাটার মৌসুম সামনে রেখে। সরকার জানিয়েছে, কড়াকড়ির মধ্যেও যেসব বিদেশি শ্রমিকের কৃষি কাজের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে, তাদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে শ্রমিক সংকটের যে ভয় তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। এতে খামার মালিক এবং কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
অস্ট্রেলিয়া গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম বড় দেশ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মাঠ থেকে ফসল তোলার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রতি বছর এই সময়ে বিদেশি মৌসুমি শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। তবে সম্প্রতি সরকার সার্বিক অভিবাসী সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে ভিসা প্রসেসিংয়ের গতি ধীর হয়ে যায়। আগে কয়েক দিনে ভিসা পাওয়া সম্ভব হলেও, বর্তমানে কয়েক মাস সময় লাগছে।
কৃষকদের বিপদের কথা বিবেচনা করে সরকার বিশেষ সুযোগ প্রদান করেছে। এখন থেকে কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন সংস্থা জরুরি প্রয়োজন দেখিয়ে শ্রমিকদের ভিসার জন্য দ্রুত আবেদন করতে পারবে।
দেশটির কৃষক সংগঠনের নেতারা সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, নতুন এই ব্যবস্থার ফলে ফসল তোলার সঠিক সময়ে বিদেশি শ্রমিকদের সহজে পাওয়া সম্ভব হবে।
স্বরাষ্ট্র বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব বিদেশি শ্রমিকের কৃষি কাজের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে এবং ইতিমধ্যেই কোনো খামার মালিকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, তাদের ভিসা দেওয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ