বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৭ এম
সরকার সরকারি কর্মচারীদের বেতন গ্রেড এবং বিভিন্ন ভাতা নির্ধারণ, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের বিষয় পর্যালোচনার জন্য ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী। কমিটিতে সদস্য হিসেবে আরও চার জন মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
১ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে কমিটি গঠন সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।
কমিটিকে বেতনস্কেলের বিভিন্ন অসঙ্গতি সম্পর্কে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে সেগুলোর নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে বেতন গ্রেড উন্নীতকরণ, অবনমন ও সামঞ্জস্য বিধানের বিষয়েও সুপারিশ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, ভবিষ্যতে ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা নতুন করে চালু করা, ভাতার হার হ্রাস বা বৃদ্ধি এবং এ-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও কমিটিকে দেওয়া হয়েছে।
কমিটিকে সহায়তা প্রদান করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও রাখে। কমিটির সভা প্রয়োজন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অর্থ বিভাগ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে একদিনের সরকারি সফরে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মোংলায় পৌঁছান।
এর আগে, সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর গুলশান এভিনিউয়ের নিজ বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে মোংলার দিকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
এছাড়া, মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন– সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, বিএনপি’র বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুস সামাদ চৌধুরী, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম আরিকুল আলম, প্রটোকল অফিসার কামরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর এডিসি স্কোয়াড্রন লিডার সৈয়দ নাজমুল হোসেন।
মোংলায় নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে, প্রধানমন্ত্রী হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।
এরপর, বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে, সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন, অভিবাসন শুধুমাত্র বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থের বিষয় নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আমাদের মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং নিরাপত্তা। এই রেমিট্যান্সের পেছনে রয়েছে সাধারণ নাগরিকদের কষ্ট ও সীমাহীন দুঃখ-দুর্দশা।
আজ রাজধানীর ওয়েস্টিন, ঢাকা হোটেলে ওয়ারবি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত ‘অভিবাসন, অধিকার ও উন্নয়ন বিষয়ক ককাসের উদ্বোধন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।
অনুষ্ঠানে সংসদীয় ককাসের সভাপতি এবিএম মোশাররফ হোসেন এবং ককাস সচিবালয়ের সভাপতি সৈয়দ সাইফুল হক স্বাগত বক্তব্য দেন। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সংসদীয় ককাসের মহাসচিব এমপি মাহমুদা হাবিবা।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের জন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। নারী শ্রমিকরা অভিবাসন গন্তব্যে অবর্ণনীয় কষ্টের শিকার হন। আমাদের প্রচলিত আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়ন করতে হবে এবং অভিবাসন গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণে আলোচনা করতে হবে।
স্পিকার আরও বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের শাসনামলে বিদেশে কর্মী প্রেরণে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়েছে।
শ্রমিক প্রেরণে অব্যবস্থাপনা এবং দালালদের দৌরাত্ম্যের কারণে বিগত বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রবাসী কর্মী প্রেরণ বন্ধ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই সর্বদলীয় ককাসের মাধ্যমে সংসদ সদস্যগণ বিদেশে কর্মী প্রেরণে সহায়তা এবং মাঠপর্যায়ে অভিবাসন আইনের সঠিক বাস্তবায়ন তদারকি করবেন।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। তিনি জানান, প্রবাসী শ্রমিকরা অভিবাসন গন্তব্যে দীর্ঘমেয়াদে নিপীড়ন ও শোষণের শিকার হয়ে আসছেন। তিনি বলেন, কূটনৈতিক মিশনগুলোর মাধ্যমে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণে পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. তৌফিকুর রহমান, উইটনেস ফাউন্ডেশনের সভাপতি শিপা হাফিজা, আইএলও’র জাতীয় কর্মসূচি ব্যবস্থাপক রাহনুমা সালাম খান, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার শাহরিন মুনির এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ দিপ্তা রক্ষিত প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
প্যানেল আলোচকগণ প্রবাসীদের নিরাপদ অভিবাসন, মনোসামাজিক ও আর্থসামাজিক সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া, মানবপাচার বন্ধে সরকারের অভিবাসন নীতির প্রয়োগের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ককাসের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, অভিবাসন বিশ্লেষক ও আলোচকবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ টসের ভাগ্যকে পাশে না পাওয়ার কারণে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর চেষ্টা করছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে জয়লাভ করে শান্ত-মিরাজদের ফিল্ডিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হচ্ছে।
বাংলাদেশের একাদশে দুটি পরিবর্তন দেখা গেছে। মাথায় আঘাত পেয়ে ছিটকে যাওয়া মুমিনুল হকের পরিবর্তে একাদশে ফিরেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম।
এছাড়া বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামকে বাদ দিয়ে দলে নেওয়া হয়েছে তাসকিন আহমেদকে।
বাংলাদেশ এবারও দুই পেসারের সঙ্গে তিন স্পিনারের সমন্বয়ে একাদশ সাজিয়েছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের একাদশে দুটি পরিবর্তন হয়েছে। টপ-অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান জন ক্যাম্পবেল ও তেজনারাইন চান্দারপল এই ম্যাচে নেই।
ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের ফোয়ারা ছুটিয়ে কেভিন উইকহ্যামের অভিষেক হচ্ছে। একাদশে ফিরেছেন জশুয়া ডা সিলভা।
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: ব্র্যান্ডন কিং, জশুয়া ডা সিলভা, কেভিন উইকহ্যাম, কাভেম হজ, জাস্টিন গ্রিভস, আমির জাঙ্গু, রস্টন চেইস, শামার জোসেফ, জেডেন সিলস, জশুয়া বিশপ, জোমেল ওয়ারিক্যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচ বছরের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) বিকেলে উপজেলার ৫ নম্বর ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মোলংবাজার হাইস্কুল মাঠে এই কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে অনুষ্ঠানটি জনবহুল হয়ে ওঠে।
কর্মসূচির সূচনা পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. সৈয়দ ময়নুল হাসান সাদিক, যাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে তিনি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে নারকেলের চারা রোপণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের পর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহিদুল ইসলাম মিঠুর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন রাখুর সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. সৈয়দ ময়নুল হাসান সাদিক। এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ছামছুল হাসান ছামছুম, সদস্য সচিব আব্দুস সালাম মিয়া, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজোয়ান হোসেন সুজন, ৫ নম্বর ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাহার আলী এবং ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী আমিনুর রহমান প্রধানসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তারা সরকারের ঘোষিত এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করার জন্য সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ