ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঈশ্বরদীর মহাসড়কে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশ সতর্ক


ঈশ্বরদীর মহাসড়কে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশ সতর্ক

পাবনার ঈশ্বরদীর মহাসড়কে নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেছে।

এই মিছিলটি বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে দাশুড়িয়া-কুষ্টিয়া মহাসড়কের মিরকামারী এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরে, ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মল্লিক মিলন মাহমুদ তন্ময়ের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা হয়।

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহ অঞ্চলে পাঁচ সাংবাদিক হত্যা, বিচার না পেয়ে উৎকণ্ঠায় পরিবার

ভিডিওটিতে দেখা যায়, মিছিল থেকে ‘শেখ হাসিনা আসবে; বাংলাদেশ হাসবে’, ‘চলছে লড়াই চলবে; বাংলাদেশ ছাত্রলীগ লড়বে,’ ইত্যাদি নানা স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিছিলের ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। পুলিশ নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো ধরনের কার্যক্রম প্রতিহত করতে তৎপর রয়েছে। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪৬ লাখের বেশি মামলার জট, বিচার বিভাগের সক্ষমতা বাড়াতে হবে : আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


৪৬ লাখের বেশি মামলার জট, বিচার বিভাগের সক্ষমতা বাড়াতে হবে : আইনমন্ত্রী

বর্তমানে দেশে ৪৬ লাখেরও বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিচার বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন, যাতে মামলাজট নিরসন এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তরের (ইউএনওডিসি) আয়োজিত জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের ৪৬ লাখের বেশি মামলার জট রয়েছে। এই মামলার জট নিরসন এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য বিচার বিভাগের সক্ষমতা আরো বাড়ানো প্রয়োজন।’

সভায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনে নতুন আইনের কার্যকর প্রয়োগের জন্য বিচারক, প্রসিকিউটর এবং সংশ্লিষ্ট বিচারিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় ২০২৬ সালে প্রণীত ‘মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিচারক, প্রসিকিউটর এবং বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আলোচনা করেন।

এ বছরের এপ্রিলে প্রণীত নতুন আইনটি ২০১২ সালের মানব পাচারবিরোধী আইনকে প্রতিস্থাপন করেছে। নতুন আইনে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান—দুই অপরাধকে একটি সমন্বিত আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে অপরাধের সংজ্ঞা ও বিধান, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলোকে আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।

পরামর্শ সভায় নতুন আইনে যুক্ত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং সেগুলোর সঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তা, প্রসিকিউটর ও বিচারকদের কাজের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। মানব পাচার, অভিবাসী চোরাচালান এবং অনিয়মিত অভিবাসনের মধ্যে পার্থক্য নিয়েও অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা করেন।

এছাড়া, প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের নতুন ধরন, প্রমাণ সংগ্রহ ও উপস্থাপনের ক্ষেত্রে আইনি ও প্রক্রিয়াগত বিষয় এবং তদন্ত, মামলা পরিচালনা, ভুক্তভোগীকে সংশ্লিষ্ট সেবায় পাঠানো ও বিচারিক কার্যক্রমের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও মতবিনিময় হয়।

পরামর্শ সভায় চারটি প্রধান ক্ষেত্রে সুপারিশ তৈরি করা হয়। এগুলো হলো—নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, বিচারক ও প্রসিকিউটরদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃদেশীয় মামলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সুরক্ষা, সহায়তা ও ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার।

আলোচনায় বলা হয়, নতুন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহারিক নির্দেশনা, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং আইনের বিভিন্ন বিধানের ধারাবাহিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং পুরো বিচারিক প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগীর সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল, আর্থিক ও আন্তঃসীমান্ত প্রমাণসংবলিত মামলাগুলো মোকাবিলায় যথাযথ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জাতীয় পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েস। ইউএনওডিসির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান হোলগে এবং ইউএনওডিসি দক্ষিণ এশিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা মাহদি হাসান স্বাগত ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত ‘দক্ষিণ এশিয়ায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও মোকাবিলা (২০২৪-২০২৭)’ আঞ্চলিক উদ্যোগের আওতায় এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান মোকাবিলায় আইনি, প্রাতিষ্ঠানিক ও ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে ইউএনওডিসি নীতিগত সহায়তা, সক্ষমতা উন্নয়ন, প্রমাণভিত্তিক কার্যক্রম এবং আঞ্চলিক সহযোগিতায় সহায়তা করছে।

পরামর্শ সভা থেকে পাওয়া সুপারিশগুলো বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পরবর্তী কার্যক্রম এবং ২০২৬ সালের নতুন আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ভবিষ্যৎ কারিগরি সহায়তার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির নবীনদের র‍্যাগিং ও সিট দখল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


জবির নবীনদের র‍্যাগিং ও সিট দখল বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাসে নবীন শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং ও আসন দখল বন্ধে প্রশাসন কর্তৃক কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এ বিষয়ে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তারিখে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ড. তারিক বিন আতিক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব একতলা, দ্বিতল ও বিআরটিসি থেকে ভাড়াকৃত বাসে শিক্ষার্থীরা আগে থেকেই খাতা, কলম, পানির বোতল, ব্যাগ, মানিব্যাগ কিংবা শিট রেখে সিট দখল করার প্রবণতা দেখাচ্ছে। একই সঙ্গে, বাস কমিটির সদস্যদের দ্বারা প্রভাব খাটানো এবং নবীন শিক্ষার্থীদের আসন পেতে বাধা দেওয়া বা হেনস্তার বিষয়টিও প্রশাসনের নজরে এসেছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের আচরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশৃঙ্খল পরিবেশ, সাধারণ শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের পরিপন্থী। কোনো শিক্ষার্থীর ওপর প্রভাব বিস্তার কিংবা সিট দখলের নামে অসম আচরণকে র‍্যাগিং হিসেবে গণ্য করা হবে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড শৃঙ্খলাভঙ্গ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবেও বিবেচিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাসের সিটে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র রেখে আগে থেকে সিট দখল করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জুনিয়র বা নবীন শিক্ষার্থীদের সিটে বসতে বাধা দেওয়া, বাস কমিটির প্রভাব খাটানো কিংবা কোনো ধরনের মানসিক বা শারীরিক হেনস্তা করা যাবে না। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সেবায় চলাচলকারী যেকোনো যানবাহনের ভেতরে ধূমপান এবং যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য বহন বা সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাস ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ঠিক ১৫ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদের জন্য বাসের দরজা খুলে দেওয়া হবে। চালক ও হেলপারদের নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগে দরজা খুলে দেওয়ার পাশাপাশি বাসে অবৈধ সিট দখল বা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হলে তা প্রশাসনকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন র‌্যাপার ম্যাকলমোর ফিলিস্তিনের পক্ষে ১০ লাখ ডলার দান করবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


মার্কিন র‌্যাপার ম্যাকলমোর ফিলিস্তিনের পক্ষে ১০ লাখ ডলার দান করবেন

মার্কিন র‌্যাপার ম্যাকলমোর সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, তিনি এড শিরানের ‘লুপ ট্যুর’ থেকে প্রাপ্ত ১০ লাখ ডলারের পুরো অর্থ ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় কাজ করা ছয়টি সংগঠনে দান করবেন।

এই ঘোষণা তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দেন, যখন তিনি মঞ্চে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলার পর সফর থেকে বাদ দেওয়ার বিতর্কের মধ্যে ছিলেন।

ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে, ম্যাকলমোর, যার আসল নাম বেন হ্যাগার্টি, বলেন, "এড শিরানের লুপ ট্যুর থেকে পাওয়া আমার পুরো ১০ লাখ ডলার নিট আয় ফিলিস্তিনি জনগণকে সরাসরি সহায়তা করা ছয়টি সংগঠনে দান করব।"

তিনি নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টসের মালিক রবার্ট ক্র্যাফটকেও একই পরিমাণ অর্থ দানের আহ্বান জানান।

ম্যাকলমোর মন্তব্য করেন, "আমাদের মতপার্থক্য যাই হোক না কেন, অন্তত এ বিষয়ে আমরা একমত হতে পারি যে ফিলিস্তিনিদের জীবন রক্ষা করা মূল্যবান।"

ক্র্যাফট নিশ্চিত করেছেন যে, ম্যাকলমোরকে সফর থেকে বাদ দিতে তিনি শিরানের ওপর চাপ দিয়েছিলেন। তার অভিযোগ ছিল, ম্যাকলমোরের ‘ইহুদিবিদ্বেষী বক্তব্য ও প্রতীকের দীর্ঘ ইতিহাস’ রয়েছে। এ কারণে নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টসের মালিকানাধীন গিলেট স্টেডিয়ামে তাকে অনুষ্ঠান করার সুযোগ না দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

তবে ম্যাকলমোর বলেন, তিনি এই অর্থ দান নিজের বা চলমান বিতর্ককে কেন্দ্র করে করছেন না। তিনি উল্লেখ করেন, "আমি তাদের কথা সামনে আনতে চাই, যারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ছাড়াই সন্তানদের কোলে নিয়ে হাসপাতালে ছুটছেন।" তিনি চিকিৎসক, প্যারামেডিক, সাংবাদিক ও ত্রাণকর্মীদের কথাও উল্লেখ করেন, যারা বারবার ঝুঁকি নিয়ে সেখানে ফিরে যাচ্ছেন।

এক দিন আগে ইসরাইলি হামলায় আহত এক ব্যক্তিকে সহায়তা করতে গিয়ে নিহত ফিলিস্তিনি কিশোর মুহাম্মদ আল-জিনাতির কথাও উল্লেখ করেন ম্যাকলমোর। তিনি বলেন, "সে একজন শিশু ছিল। দুজনকেই হত্যা করা হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "শুধু ত্রাণ দিয়ে এমন পরিস্থিতির সমাধান সম্ভব নয়। এটি মানুষের তৈরি অবিচার এবং এর জন্য দ্রুত রাজনৈতিক পরিবর্তন প্রয়োজন। ফিলিস্তিনিদের আর এক দিনও স্বাধীনতার জন্য অপেক্ষা করতে হওয়া উচিত নয়।"

চলতি মাসের শুরুতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরানের সঙ্গে কনসার্টে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দেন ম্যাকলমোর। পাশাপাশি তিনি তার প্রতিবাদী গান ‘হিন্দস হল’ পরিবেশন করেন। এরপর শিরানের যুক্তরাষ্ট্র সফর থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়।

ম্যাকলমোর দাবি করেন, ১৩ বছরের বন্ধু শিরান তাকে জানিয়েছিলেন, তাকে সফর থেকে বাদ না দিলে অন্য স্টেডিয়াম মালিকদের বয়কট সংগঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন ক্র্যাফট। তবে শিরান বলেন, তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত সফরের আয়োজক ও ভেন্যুগুলো নিয়েছে, তিনি নন।

শিরান ইনস্টাগ্রামে বলেন, "আমি এর সঙ্গে জড়িত নই। এই ভয়াবহ সংঘাত নিয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত রয়েছে। আমি প্রকাশ্যে কথা না বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি বলেই যে আমার মতামত নেই, তা নয়।"

তিনি আরও বলেন, "নিজের মঞ্চকে তিনি রাজনৈতিক ফোরাম নয়, বরং নিরাপদ ও আশ্রয়ের জায়গা হিসেবে রাখতে চান।"

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ইসরাইলে নির্বাচন

ফের মসনদে আসতে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ছক আঁকছেন নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫০ পি.এম


ফের মসনদে আসতে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ছক আঁকছেন নেতানিয়াহু

ইসরাইলে ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিদেশে অবস্থানরত ইসরাইলি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে এনে ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের উদ্যোগগুলো বন্ধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল ‘লিকুদ পার্টি’। আল আরাবিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরাইলের আইন অনুযায়ী, বিদেশে থাকা নাগরিকরা ভোট দিতে পারেন না; শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা এই সুযোগ লাভ করেন। ফলে, ভোট দিতে হলে প্রবাসীদের দেশে ফিরতে হবে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বিদেশে প্রায় ৬ লাখ ইসরাইলি বসবাস করছেন।

এদিকে, আগামী নির্বাচনে সরকারবিরোধী শিবিরকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিরোধী দলগুলো প্রবাসীদের দেশে ফিরে ভোট দিতে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে ছিল কম দামে বিমান টিকিট প্রদান, ভোট দেওয়ার কাগজপত্রে সহায়তা এবং বিমানবন্দর থেকে তাদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা।

নেতানিয়াহুর দলের আইনজীবী ইলান বোম্বাচ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের প্রধানের কাছে একটি আবেদন পেশ করে এসব কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা ‘এআইডি কোয়ালিশন’-এর ‘ফ্লাই অ্যান্ড ভোট’ কর্মসূচি এবং বিরোধী ‘ডেমোক্রেটস’ পার্টিকে এই আবেদনে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

লিকুদ পার্টির দাবি, প্রবাসীদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে দেশে এনে ভোট দেওয়ানো একটি ‘নির্বাচনী ঘুষ’ এবং এটি দলীয় অর্থায়নের আইনবিরোধী। অন্যদিকে, ‘এআইডি কোয়ালিশন’ এই অভিযোগের জবাবে জানিয়েছেন যে তারা লিকুদ পার্টির আবেদনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকটের দলের মধ্যে একটি কঠিন লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%