ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফিলিপিন্সে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ৪ পাইলট নিহত


ফিলিপিন্সে দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে ৪ পাইলট নিহত

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফিলিপিন্সে সামরিক বাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমানের মধ্যে একটি মারাত্মক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে প্রশিক্ষণের সময়। এই ঘটনায় চারজন পাইলট নিহত হয়েছেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির বিমানবাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেলে ম্যানিলার দক্ষিণে অবস্থিত ফার্নান্দো বিমানঘাঁটিতে এসএফ-২৬০ মডেলের একক প্রপেলারযুক্ত দুটি বিমান বিধ্বস্ত হয়।

বিমানবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল আলভিন ক্যাপিনগুইয়ান জানিয়েছেন, উভয় বিমানই বিমানঘাঁটির সীমানার ভেতরে বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া, অন্য কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: হুথিদের হামলার মধ্যে তাইফ ও জাজান অঞ্চলে সতর্কতা প্রত্যাহার

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির সামরিক বাহিনীর বিমানে বেশ কিছু প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ অঞ্চলে পাঁচ সাংবাদিক হত্যা, বিচার না পেয়ে উৎকণ্ঠায় পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


ময়মনসিংহ অঞ্চলে পাঁচ সাংবাদিক হত্যা, বিচার না পেয়ে উৎকণ্ঠায় পরিবার

ময়মনসিংহ অঞ্চলে পাঁচ সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে বিভিন্ন সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সংবাদ প্রকাশ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে। তাদের মধ্যে কেউ গুলিতে নিহত হয়েছেন, কেউ ধারালো অস্ত্রের আঘাতে, আবার কেউ সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিনের শারীরিক যন্ত্রণার পর মারা গেছেন। এসব হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যরা বিচার নিয়ে অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

নিহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন নেত্রকোনার দুর্গাপুরের লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার আসাদুজ্জামান তুহিন, জামালপুরের বকশীগঞ্জের গোলাম রব্বানী নাদিম, ময়মনসিংহের স্বপন কুমার ভদ্র এবং জামালপুরের শেলু আকন্দ।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ সক্রিয় হয়েছে। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, এসব হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ দাবিতে রাজপথে আন্দোলনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

আলিফ ফকির

লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রূপসী বাংলার প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা করতেন। তিনি অনুসন্ধানী ফেসবুক পেজ ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ পরিচালনা করতেন। দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীর বালুঘাটসহ স্থানীয় বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতেন আলিফ।

গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের তেলনজিয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তুহিন

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আসাদুজ্জামান তুহিন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট রাতে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

ঘটনার রাতে একটি মারধরের ঘটনা মোবাইল ফোনে ধারণ করেছিলেন তুহিন। স্থানীয় সন্ত্রাসীরা তাকে ভিডিওটি মুছে ফেলতে বলেছিল। কিন্তু সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভিডিও মুছতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এরপর তাকে ধাওয়া করে একটি চায়ের দোকানে অবরুদ্ধ করা হয়। সেখানে চাপাতি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

নাদিম

অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ছিলেন গোলাম রব্বানী নাদিম। জামালপুরের বকশীগঞ্জে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

২০২৩ সালের ১৪ জুন রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে বকশীগঞ্জ উপজেলার পাটহাটি এলাকায় হামলার শিকার হন নাদিম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন ১৫ জুন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।

স্বপন ভদ্র

প্রবীণ সাংবাদিক স্বপন কুমার ভদ্র স্থানীয় একটি পত্রিকায় কাজ করতেন। ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ ও রঘুরামপুর এলাকায় মাদক ব্যবসা ও চোরাচালান নিয়ে নিয়মিত লিখতেন তিনি।

২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ বাজারের মাঝিপাড়া এলাকায় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে তিনি ক্ষুব্ধ ব্যক্তিদের আক্রোশের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

শেলু আকন্দ

জামালপুরের সাংবাদিক শেলু আকন্দ দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এবং জামালপুর পল্লীকণ্ঠ প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। স্থানীয় ভূমিদস্যু ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে জামালপুর শহরের দেওয়ানপাড়া এলাকায় তার ওপর হামলা হয়। হামলাকারীরা লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে তার দুই পা গুরুতরভাবে জখম করে। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর পঙ্গুত্ব ও শারীরিক-মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করেন তিনি। ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির (বাসাস) কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক বাবুল ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রফিক বলেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের গণমাধ্যম বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। সাংবাদিক তুহিন, আলিফ, নাদিম, স্বপন ভদ্র ও শেলু আকন্দের হত্যাকাণ্ড স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর আঘাত।

তারা বলেন, ‘আমরা এই পাঁচ সাংবাদিক হত্যার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি চাই।’

সাংবাদিক নেতারা এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলম্বিয়ায় ৭.৬ টন কোকেন জব্দ, নেদারল্যান্ডসে পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


কলম্বিয়ায় ৭.৬ টন কোকেন জব্দ, নেদারল্যান্ডসে পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার কার্তাগেনা বন্দরে একটি বৃহৎ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মার্কিন মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (ডিইএ) সহযোগিতায় এই অভিযানে নেদারল্যান্ডসে পাচারের উদ্দেশ্যে ৭ দশমিক ৬ টন (৭,৬০০ কেজি) কোকেন জব্দ করা হয়েছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নিশ্চিত করেছেন যে, গত এক দশকের মধ্যে এটি দেশের প্রধান এই বন্দরে সবচেয়ে বড় মাদক আটকের ঘটনা।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) প্রেসিডেন্ট আবেলাদো দে লা এসপ্রিয়েলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ একটি পোস্টে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, কলম্বিয়ার ন্যাশনাল পুলিশ কার্তাগেনা বন্দরে গত ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় কোকেন চালানটি আটক করেছে।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা বিপুল পরিমাণ কোকেন অত্যন্ত সুকৌশলে প্রক্রিয়াজাত আখ থেকে তৈরি এক ধরনের গুঁড়ো মিষ্টি বা 'পানেলা'-র ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের নজর এড়াতে এই অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল।

বর্তমান সরকারের প্রথম ৭৫ দিনের কার্যকালে মোট ১৩২ টন কোকেন জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রেসিডেন্ট এসপ্রিয়েলা মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "নার্কো-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কোনো শান্তিচুক্তি বা ছাড় দেওয়া হবে না! আমরা প্রতিটি ডোজকে রাস্তায় পৌঁছাতে বাধা দিয়ে জীবন বাঁচাচ্ছি এবং মাদক চক্রগুলোর অপরাধমূলক সাম্রাজ্যকে দুর্বল করে দিচ্ছি।"

এদিকে, নেদারল্যান্ডসের প্রসিকিউশন সার্ভিসের অনুরোধে কলম্বিয়ায় রনি ও উলরিখ নামের দুই ডাচ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে নেদারল্যান্ডসের দৈনিক ‘এডি’ সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। তবে মাদক জব্দের এই বিশাল চালানের সাথে তাদের সরাসরি কোনো সংযোগ রয়েছে কি না, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাদক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে ৩৩০ টন কোকেন জব্দ করা হয়েছিল, যা ২০২৩ সালে ছিল ৪১৯ টন। সূত্র: ইউরোনিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাদপন্থিদের ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার দাবি শীর্ষ আলেমদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


সাদপন্থিদের ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার দাবি শীর্ষ আলেমদের

বিশ্ব ইজতেমা-২০২৭ এর প্রেক্ষাপটে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সাদপন্থিদের ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া ২০১৮ ও ২০২৪ সালের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র দাখিলের দাবি করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমরা।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত এক পরামর্শ সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব দাবি উপস্থাপন করা হয়।

দেশের শীর্ষ মুরুব্বি আলেম ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর আহ্বানে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের টিনশেডের শবগুজারি পয়েন্টে এ পরামর্শ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের ৬৪ জেলা থেকে আগত শীর্ষ আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মহল থেকে আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সাদপন্থীদের এবারের ইজতেমার জন্য তিন দিনের জন্য টঙ্গীর মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে তার মতামত জানতে চাওয়া হয়। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা বলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে এ পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সভায় উপস্থিত আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে সরকারের কাছে দুটি দাবি জানানো হয়। প্রথমত, ২০২৫ সালের পর সাদপন্থীদের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পূর্বের সিদ্ধান্ত বজায় রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গীতে সংঘটিত ঘটনাবলী সম্পর্কিত দুটি হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

আয়োজকদের মতে, মামলাগুলি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তাধীন রয়েছে।

এছাড়া সাদপন্থীদের ইজতেমা আয়োজনের প্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন জেলার মাদরাসা, মারকাজ ও অন্যান্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে দোয়ার আয়োজনের জন্য আলেম-ওলামা ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, যদি এ বিষয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় অথবা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে ঢাকার কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর নিজ নিজ জেলায় কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

সভায় হেফাজত আমিরের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী, হেফাজত মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল হামিদ মধুপুরী, জমিয়ত সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি খিজিরুল্লাহ হাটহাজারী, মাওলানা ইকরাম হোসাইন ওয়াদুদী, মাওলানা সালাহ উদ্দিন, মাওলানা হিফজুর রহমান, মুফতি আরশাদ রহমানী, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন, মাওলানা রশিদুর রহমান ফারুক, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মুফতি মুবারকুল্লাহ, মাওলানা শফিকুর আহমেদ রশীদ, মাওলানা মুশতাক আহমেদ, মুফতি জাফর আহমদ, মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমি, মাওলানা আলাওয়ালুল করীম, মাওলানা ফজলুল্লাহ মাদানীনগরী, মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ আল ফারুকী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা যুবায়ের বিন তৈয়ব, মাওলানা আনাস, মাওলানা মনির হুসাইন কাসেমী, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মুফতি মুহাম্মদ আলী আকাতাবনগরী, মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা নিয়ামুদ্দিন, মুফতি আতাউল্লাহ জিন্নাহ, মাওলানা লোকমান মাযহারী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, মাওলানা মাহফুজুর রহমান মাহমুদ, মুফতি ফিকহিয়ারুল্লাহ আহমদী ও মাওলানা আনিসুর রহমানসহ বিভিন্ন জেলার আলেম ও ধর্মীয় নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিএমএইচে অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে দেখলেন রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০১ পি.এম


সিএমএইচে অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে দেখলেন রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়ার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

গত ২২ অক্টোবর সকালে রাষ্ট্রপতি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সিএমএইচে যান। সেখানে তিনি অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই সময় তিনি অধ্যাপকের চলমান চিকিৎসাপদ্ধতি ও সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য পান। রাষ্ট্রপতি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এর আগে, ১৯ অক্টোবর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানও সিএমএইচে অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে দেখতে যান। তিনি অধ্যাপকের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা তাকে অধ্যাপকের চিকিৎসাসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেন।

এছাড়া, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী, সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে দেখতে গেছেন।

অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে সিএমএইচে ভর্তি হন এবং তখন থেকে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বৌদ্ধতত্ত্ববিদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন এবং পালি ভাষা, বৌদ্ধধর্ম ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যবিষয়ক অধ্যয়ন ও গবেষণায় তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৬ সালে একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়া, ২০২৬ সালে গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক লাভ করেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্য, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তারা আশা করছেন, চিকিৎসা শেষে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%