ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আড়াই বছর পর চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের বিলুপ্ত কমিটি বহাল


আড়াই বছর পর চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের বিলুপ্ত কমিটি বহাল

প্রায় আড়াই বছর পর বিলুপ্ত করা চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্বহাল করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে নগর কমিটির পাশাপাশি মহানগরের অধীন সব থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের কমিটিও পুনর্বহাল করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন এমপির নির্দেশে ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় অনুমোদনহীন নির্মাণের অভিযোগে ইস্তানবুল হোটেলের কাজ বন্ধ

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কমিটি না থাকার পরও আমরা দলীয় ও জাতীয় দিবসগুলো পালন করেছি। এতদিন কমিটি না থাকার কারণে নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা হতাশা ছিল, কমিটি পুনর্বহাল করায় প্রমাণিত হয়েছে মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড কমিটির নেতাকর্মীরা দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ও পরীক্ষিত। পুনর্বহালের কারণে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা কাজ করছে। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দলের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তাঁরা অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন আশা করি।

এর আগে ২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণ দেখিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর ও আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ড কমিটিগুলোও বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় যুবদল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এসব কমিটি পুনরায় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পেল। ২০১৮ সালের ১ জুন মোশাররফ হোসেন দিপ্তীকে সভাপতি ও মোহাম্মদ শাহেদকে সাধারণ সম্পাদক করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের পাঁচ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই বছরের ৪ অক্টোবর কমিটির আকার বাড়িয়ে ২৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের পারমাণবিক কেন্দ্রে ড্রোন হামলা, ঘটনাটি ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ এম


পাকিস্তানের পারমাণবিক কেন্দ্রে ড্রোন হামলা, ঘটনাটি ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলল ভারত

পাকিস্তানের পারমাণবিক কেন্দ্রে ড্রোনের আঘাত, ‘অনিচ্ছাকৃত’ জানাল ভারত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০১:০৩

ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় কিরাণা হিলসে একটি ভারতীয় ড্রোন পাকিস্তানের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে আঘাত হেনেছিল। তবে, ভারতীয় সাবেক চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান জানিয়েছেন যে, হামলাটি ওই স্থাপনাকে লক্ষ্য করে করা হয়নি।

 

জেনারেল চৌহান বলেন, ইসরায়েলি প্রযুক্তির হারোপ ড্রোনটি সারগোদা ও তার আশপাশের এলাকায় পাকিস্তানের রাডার শনাক্তের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো লক্ষ্য না পাওয়ার ফলে কিরাণা হিলসের কাছে ড্রোনটির জ্বালানি শেষ হয়ে যায় এবং সেটি ওই এলাকায় আছড়ে পড়ে।

এক বছর পর এই ঘটনার বিষয়ে মুখ খুলেছে ভারতের সেনাবাহিনী।

 

নয়াদিল্লির বিবেকানন্দ সেন্টারে দেওয়া এক বক্তব্যে জেনারেল চৌহান উল্লেখ করেন, ‘ভারতী (এ কে ভারতী) সঠিকভাবে বলেছেন, আমরা কিরাণা হিলসকে লক্ষ্যবস্তু করিনি।’

অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল এ কে ভারতী অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল অব এয়ার অপারেশনস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জেনারেল চৌহান বলেন, ‘হামলার পূর্বে আমরা সারগোদা ও তার ১০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত কিরাণা হিলসে প্রচুর লোইটারিং মিউনিশন (আত্মঘাতী ড্রোন) পাঠিয়েছিলাম। এগুলো সারগোদা ও তার আশপাশের রাডার খুঁজছিল।

 

এগুলোর একটি নির্দিষ্ট ফ্লাইং টাইম থাকে। সাধারণত, এগুলো দুই ঘণ্টা মতো আকাশে উড়তে পারে। এই সময়ের মধ্যে টার্গেট না পেলে এটি শেষ পর্যন্ত কোথাও না কোথাও গিয়ে আঘাত হানবে। সম্ভবত এটি তেমনই কোনো একটি পাহাড়ে গিয়ে আছড়ে পড়েছিল।’

সাবেক এ কর্মকর্তা আরও জানান, পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের স্কার্দুতেও বিমান হামলার অনুমোদন দিয়েছিল ভারতীয় বিমানবাহিনী।

 

কিন্তু, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তে সেই মিশন বাতিল করা হয়।

জেনারেল চৌহান বলেন, ‘বিমানবাহিনী প্রধান আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তিনি সারগোদায় হামলা চালাবেন কি না। আমি বলেছিলাম, এগিয়ে যান এবং আরও দুটি লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করুন। তিনি যে স্থানগুলো বেছে নিয়েছিলেন, তার একটি ছিল স্কার্দু। আমরা অনুমতি দিয়েছিলাম, কিন্তু কিছু সময় পর স্কার্দুর আবহাওয়া খারাপ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের পরিকল্পনা বদলে ভোলারিতে হামলা চালাতে হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের ৭০০ পণ্যে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক বসাল কানাডা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ এম


যুক্তরাষ্ট্রের ৭০০ পণ্যে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক বসাল কানাডা

 

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে চলমান বাণিজ্য যুদ্ধ আবারো তীব্র আকার ধারণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণার পর কানাডা ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

শনিবার যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পণ্যে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। এরপর দুই দিন পর মঙ্গলবার কানাডা পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সম্পর্ক ছিল বেশ সৎ প্রতিবেশীসুলভ। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর তার বিভিন্ন মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত এই সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলে।

 

ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। মূলত এই প্রস্তাবই দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের সংকট সৃষ্টি করে।

কানাডার রাজনীতিবিদরা জাতীয়তাবাদী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানান। ট্রাম্প বিভিন্ন সময় কানাডার পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে সম্পর্কটিকে আরো জটিল করে তোলেন।

 

তবে গত কয়েকদিন ধরে ওয়াশিংটন ও অটোয়ার মধ্যে শুল্ক সংকট সমাধানের জন্য আলোচনা চলছিল। আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র কিছু নতুন শর্ত জুড়ে দেয়, যা কানাডার গাড়ি, স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের মতো প্রধান শিল্পকে ধ্বংস করে দিতে পারে বলে কানাডা মনে করে। অন্যদিকে, অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডসহ কানাডার প্রাদেশিক নেতারা মার্কিন মদের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে শুক্রবার রাতে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য আলোচনা সম্পূর্ণ ভেস্তে যায়।

আলোচনা থেকে সরে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি শুক্রবার বলেন, একটি খারাপ বাণিজ্য চুক্তির কারণে তিনি আলোচনা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

 

তিনি দাবি করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু নতুন শর্তের প্রস্তাব করেছে যা ছিল অলাভজনক এবং অন্যায় এবং এগুলো কানাডার সুবিধাকে ক্ষুণ্ন করত। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, ‘যখন আপনি আক্রান্ত হন, তখন আপনি যুদ্ধের মধ্যেই থাকেন। আমরা আক্রান্ত হয়েছি।’ কার্নি বলেন, ‘তারা যা প্রস্তাব করেছে আমরা তা গ্রহণ করতে পারি না, এবং তারা যা চেয়েছে তা আমরা দেব না।’

কার্নি আরো বলেন, ‘আলোচনার সময় আমরা জানতে পেরেছি যে, মার্কিনিরা আমাদের অটোমোবাইল, ইস্পাত এবং অ্যালুমিনিয়ামসহ প্রধান শিল্পগুলোকে ধ্বংস করতে চায়। আমাদের না বলার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল এটিই। এটি একটি খারাপ চুক্তি ছিল।’

আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পরপরই ট্রাম্প প্রশাসন গত শনিবার থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি একে দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং ‘ডলারের বদলে ডলার’ নীতির সংকল্প ব্যক্ত করেন। মঙ্গলবার কানাডা পাল্টা আঘাত হিসেবে ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ৭০০টি মার্কিন পণ্যের ওপর ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিশোধমূলক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। এই শুল্ক আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। তবে কানাডার পণ্যে মার্কিন শুল্ক শনিবার থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

কানাডিয়ান কর্মকর্তারা মঙ্গলবার জানিয়েছেন, অটোয়ার এই শুল্ক যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের হারের সঙ্গে মিল রেখে নির্ধারণ করা হবে এবং এটি মূলত ইস্পাত, দুগ্ধজাত পণ্য ও ইলেকট্রনিক্স শিল্পের ওপর প্রভাব ফেলবে। কানাডার অর্থমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন বলেছেন, ‘এটি কানাডার ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ। তবে কানাডা এই পরিস্থিতির উপযুক্ত জবাব দেবে।’ তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমি মনে করি কানাডিয়ানরা আজ সকালে দেখতে পাচ্ছেন যে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমাদের পাল্টা জবাবে আমরা একতাবদ্ধ।’

চলমান বাণিজ্য যুদ্ধটিকে আরো উস্কে দিয়ে ট্রাম্প সোমবার হুমকি দিয়েছেন যে, কানাডা লাইনে না আসলে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কানাডার গাড়ি ও অটো পার্টস শিল্পের ওপরও ৫০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে। পাল্টাপাল্টি জবাবে কানাডীয় নেতারাও প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুৎ ও জরুরি খনিজ সরবরাহ বন্ধ বা কমানোর মতো কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছেন।

নিজেদের অভ্যন্তরীণ শিল্পকে রক্ষা করার জাতীয়তাবাদী জেদ, মার্কিন মদের ওপর কানাডার নিষেধাজ্ঞা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ছাড় আদায়ের অনমনীয় দাবি; এই সব মিলিয়ে উত্তর আমেরিকার এই দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীর বাণিজ্যিক সম্পর্ক এখন এক নজিরবিহীন যুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারবে, জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫০ এম


জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় কারা অংশ নিতে পারবে, জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

 

দেশব্যাপী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে, তবে অষ্টম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।

 

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সপ্তম শ্রেণির সাময়িক বা বার্ষিক মূল্যায়নের ফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত মেধাক্রমে থাকতে হবে।

নতুন নীতিমালার আওতায়, প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বনিম্ন ২০ শতাংশ এবং সর্বাধিক ৪০ শতাংশকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার জন্য মনোনীত করা যাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ‘জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা’ জারি করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত পরিপত্রটি বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক-২ শাখা থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

 

নীতিমালার আলোকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

নীতিমালার নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত বা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক বা সামগ্রিক মূল্যায়নের ফলের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ২০ শতাংশ এবং সর্বাধিক ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার জন্য মনোনীত করা যাবে। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী সময়ে সময়ে এই সংখ্যা পুনর্বিন্যাস করতে পারবে।

যদি কোনো শিক্ষার্থী ছাড়পত্র (টিসি) নিয়ে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, তবে পূর্ববর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেধাক্রম বিবেচনায় নিয়ে তাকে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

 

পাঁচ বিষয়ে পরীক্ষা ৪০০ নম্বরে

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই পাঁচটি বিষয়ে মোট পূর্ণমান ৪০০। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ করে নম্বর থাকবে এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৫০ করে নম্বর থাকবে।

বাংলা বিষয়ের কোড ১০১। এই বিষয়ের পরীক্ষার জন্য তিন ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

ইংরেজি বিষয়ের কোড ১০৭ এবং গণিতের কোড ১০৯। এই দুটি বিষয়ের পরীক্ষার জন্যও তিন ঘণ্টা সময় থাকবে। বিজ্ঞান বিষয়ের কোড ১২৭ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের কোড ১৫০।

বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা সমন্বিতভাবে নেওয়া হবে। দুই বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য তিন ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রতিটি বিষয়ের জন্য দেড় ঘণ্টা করে সময় দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রণীত অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকের ভিত্তিতে প্রশ্নপত্র তৈরি করা হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হবে। তাঁদের শ্রুতিলেখক হিসেবে সর্বোচ্চ সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী থাকতে পারবেন।

দেওয়া হবে দুই ধরনের বৃত্তি

নীতিমালার আওতায়, জুনিয়র বৃত্তি দুই ধরনের (ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তি) দেওয়া হবে। উপজেলা ও থানাভিত্তিক এসব বৃত্তি নির্ধারণ করা হবে।

সব ধরনের বৃত্তির ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীর জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে নির্দিষ্ট কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে অবশিষ্ট বৃত্তি অন্য পক্ষের যোগ্য প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে।

যদি একাধিক শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর সমান হয়, তবে মেধাক্রম নির্ধারণে পর্যায়ক্রমে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে বেশি নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সব বিষয়ে নম্বর সমান হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সবাইকে সমানভাবে বৃত্তি দেওয়া হবে।

পরীক্ষার ফি ৬০০ টাকা

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পরীক্ষার্থীকে বোর্ড ফি হিসেবে ৪০০ টাকা এবং কেন্দ্র ফি হিসেবে ২০০ টাকা দিতে হবে। অর্থাৎ একজন পরীক্ষার্থীর মোট ফি ৬০০ টাকা। তবে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী এই ফি পরিবর্তন করা হতে পারে।

শিক্ষা বোর্ডগুলো অনলাইনে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ ও ফি আদায়ের ব্যবস্থা করবে। প্রতিটি উপজেলা সদরে সুবিধাজনক স্থানে পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পরীক্ষার হলে প্রতিটি বেঞ্চে সর্বোচ্চ দুজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবে।

পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকবে ১৪৪ ধারা

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় ও মাঠপর্যায়ে একাধিক কমিটি কাজ করবে। শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের নেতৃত্বে নির্বাহী কমিটি সার্বিক কার্যক্রম তদারক করবে।

এছাড়া জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে জেলা কমিটি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে উপজেলা কমিটি মাঠপর্যায়ে পরীক্ষা পরিচালনা করবে।

পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। উত্তরপত্রের ওএমআর অংশ মূল্যায়নের মাধ্যমে দ্রুত ফল প্রকাশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

পরীক্ষার দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়েও কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে নীতিমালায়। পরীক্ষাসংক্রান্ত কাজে কোনো কর্মকর্তা বা শিক্ষকের অবহেলা প্রমাণিত হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫২ এম


বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণ,  যুবক গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মো. রবিউল ইসলাম ওরফে রবি (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। 

গ্রেপ্তার রবিউল ইসলাম কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দা।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়ীয়া গ্রামের ইতি খাতুন (১৪)-এর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে রবিউল ইসলামের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, গত ২৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এবং নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে তাকে কালীগঞ্জের একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীকে রবিউলের নিজ বাড়িতে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে কিছুদিন রাখা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী কাবিননামা ও বিয়ের কাগজপত্র দাবি করলে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় এবং ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কালীগঞ্জ থানায় ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি মামলা নং-১১, জিআর-১৭১/২৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০২৬)-এর ৭/৯(১) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর ২৪ আগস্ট রাত ১টা ১৫ মিনিটে বারবাজার পুলিশ ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে লুচিয়া গ্রাম থেকে রবিউল ইসলাম রবিকে গ্রেপ্তার করে।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন বলেন, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ কঠোরভাবে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%