ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফরিদপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া


ফরিদপুরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ফরিদপুরে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল ১১টায় ফরিদপুর জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মিলনায়তনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফরিদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ফরিদপুরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসিন মোল্লা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আলোচনা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ময়েজ মঞ্জিল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা কবির আহমেদ এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ফরিদপুর জেলা শাখার ফিল্ড অফিসার মো. রাসেল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোহাম্মদ ইউনুস আলী মন্ডল ও মাস্টার ট্রেইনার মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

আলোচনা সভায় বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, কর্ম, আদর্শ ও মানবতার কল্যাণে তাঁর অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়, মানবিকতা, সহমর্মিতা ও শান্তির পথে জীবন পরিচালনার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভা শেষে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভালুকায় মৎস্য প্রকল্প দখলের চেষ্টার অভিযোগ,ভূমি অফিসে লিখিত অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


ভালুকায় মৎস্য প্রকল্প দখলের চেষ্টার অভিযোগ,ভূমি অফিসে লিখিত অভিযোগ

ময়মনসিংহের ভালুকায় চলমান একটি মৎস্য প্রকল্প জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায় করেন
মো:তানভীর হোসাইন নামে এক ব্যক্তি।

লিখিত অভিযোগ তিনি উল্লেখ করেন,ভালুকা উপজেলার ৪ নম্বর ধীতপুর ইউনিয়নের পাঁচগাছিয়া মৌজার দিঘাই বিলের ২২/৩৬ দাগে মোট ৫ দশমিক ৬৫ একর সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে ১৩ কাঠা জমি তার মালিকানাধীন এবং বাকি অংশ সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত বলে দাবি করেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়,জোত মালিকদের কাছ থেকে বিলটি ভাড়া নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে মৎস্য প্রকল্প পরিচালনা করে আসছেন তিনি। বর্তমানে ওই প্রকল্পে আনুমানিক ২০ থেকে ২২ লাখ টাকার মাছ রয়েছে। প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় একটি সমিতির মাধ্যমে সরকারি জমি ইজারা নেওয়ার পর বিবাদী পক্ষ মৎস্য প্রকল্পটি জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ কারী দাবি করেন,গত ২১ আগস্ট শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বিবাদী পক্ষের লোকজন ভাড়া করে দিঘাই বিলের পাড়ে অবস্থান নেয়। এ সময় তারা প্রকল্পে বাধা দিতে গেলে তাদেরকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়।পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান বলেও অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।

মৎস্য প্রকল্পে নিজের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় বিনিয়োগ করা হয়েছে দাবি করে অভিযোগ কারী বলেন,প্রকল্পটি দখল হয়ে গেলে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন। তাই চলমান মৎস্য প্রকল্পের স্বার্থ রক্ষা এবং বিবাদী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অভিযোগ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরের ঘটনায় অল্প সময়ে অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


রংপুরের ঘটনায় অল্প সময়ে অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে সুনাম ক্ষুণ্ন হতো: রিজভী

রংপুরে সাবেক শিক্ষক ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা না হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হতো, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, "রংপুরের ঘটনা সবাইকে কাঁদিয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা না হলে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল।" তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান, এ ঘটনার পেছনের কারণ খুঁজে বের করে তা নির্মূল করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "দেশে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। অপরাধ করলেই তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে আরও উত্তরণ ঘটাতে হবে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে অপরাধীরা আইনের আওতায় আসবে।

মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, "দেশের কোথাও কোনো ধরনের মাদক থাকা উচিত নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে মাদক কারবারীরা যেন কোনোভাবেই ছাড় না পায়—এটাই সবার প্রত্যাশা।"

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তিনি বলেন, "জাতীয় জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করলে মানবজীবনে সফলতা অর্জন সম্ভব। এর মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যাবে।"

রিজভী আরও বলেন, "বর্তমান সরকার সব ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা গণমাধ্যম, জনগণ এবং তৃণমূলের সামনে জবাবদিহি করছেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেই শার্ট নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


সেই শার্ট নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

রংপুরের চার খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে ‘একাধিক প্রমাণ’ মিললেও শার্টের রহস্য নিয়ে মামলাটি ঘিরে বিতর্ক যেন কাটছেই না। 

পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘আসামি সিদ্ধার্থ দাসের শরীরে যে শার্ট দেখা গেছে, সেটি তার নয়। তিনি শার্টটি কিনেছেন আড়ং থেকে, একই শার্ট অন্য কেউ আড়ং থেকে কিনতেই পারেন।’

এই বক্তব্যের পর রংপুর ব্যুরো চিফ আড়ংয়ে যোগাযোগ করে কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আড়ং থেকে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আড়ংয়ে এখন এই শার্ট নেই। এই শার্ট নিয়মিত প্রোডাক্ট নয়। কোনো এক ফেস্টিভ্যালে আনা হয়েছিল। সেটা পূজাও হতে পারে, ঈদও হতে পারে। এখন স্টক আউট। দুই-এক মাসের মধ্যে এই শার্ট আউটলেটে আসেনি।’

এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত- এমন কথা গণমাধ্যমে তাদের আত্মীয়স্বজনও বলেছেন।

মরদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ এবং স্থানীয়দের সঙ্গে সিদ্ধার্থকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে দেখা যায়। সে সময়ও তিনি টি-শার্ট পরা ছিলেন। সিদ্ধার্থের প্রতিবেশী একাধিক বন্ধু কালবেলাকে জানিয়েছেন, এই শার্ট কোনো দিন তারা সিদ্ধার্থকে পরতে দেখেননি। কিন্তু পুলিশ যখন তাকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করে, তখন তার শরীরে দেখা যায় পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তীর মতো ঠিক একই রং ও ডিজাইনের আরেকটি শার্ট।

সনাতন চক্রবর্তী একাধিক গণমাধ্যমে বলেছেন, একই শার্ট আলাদা আলাদা লোক পরতেই পারে। তিনি ভিডিও বার্তায়ও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুজনের মধ্যে একজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুতবাগানে লুকিয়ে পড়েন। পরে তুতবাগানের পাশেই দখীগঞ্জ শ্মশান থেকে তাকে আটক করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের সময় রংপুরভিত্তিক বিভিন্ন স্থানীয় ফেসবুক পেজের লাইভে এক ব্যক্তিকে এই শার্ট পরে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে দেখা যায়। তার মুখে মাস্ক ছিল। তিনিই মূলত পুলিশ কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তী।

রংপুর পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারের পর তাদের শরীরে নখের আঁচড় দেখা যায়। বিশেষ করে ডিবির সোর্স ডিবিকে সিদ্ধার্থের বিষয়ে বলেছিল, তার গায়ে নখের আঁচড় দেখা গেছে। এরপর ডিবিতে আনার পর পোশাক খুলে তার শরীর পরীক্ষা করা হয়।

এর আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবা কিনে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার পাশেই সীমান্ত নামের একজনের বাসায় বসে ইয়াবা সেবন করেন। পরে রাতের শেষ দিকে তারা দেবু নামের এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে গণপতি চক্রবর্তী খালি গায়ে ও গলায় গামছা নিয়ে ছাদে আসেন।

এ সময় পুলিশ কমিশনারকে প্রশ্ন করা হয়, অভিযুক্তরা ইয়াবা সেবনের জন্য দেবু নামের ওই ব্যক্তির নির্মাণাধীন তিনতলার পুরো ফাঁকা ‘স্পেস’ ও ছাদ ব্যবহার না করে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে কেন গেলেন?

এ সময় তিনি বলেন, ‘এত অল্প সময়ে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে মামলার যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, আমি আলহামদুলিল্লাহ বলব। আমি আপনাদের বলব, পুলিশের ভালো কাজগুলোর প্রশংসা করবেন এবং নেগেটিভ কাজের সমালোচনা করবেন। শেষে কথাটা বলব, আমার ওপর আস্থা রাখতে পারেন।’ এই কথা বলে তিনি ব্রিফিং শেষ করেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুই যুবক আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা নিজেদের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।’

এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজার খরচ কমানোর ১০ সহজ কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


বাজার খরচ কমানোর ১০ সহজ কৌশল

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারের দাম বাড়তে থাকায় পরিবারের মাসিক বাজার খরচ কমানো অনেকের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ঘরে রান্নার জন্য কেনা খাবারের দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।

তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে বাজার খরচ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে বাংলাদেশি পরিবারগুলো নিয়মিত কেনে এমন চাল, ডাল, মাংস, সবজি ও মসলার ক্ষেত্রে পরিকল্পিতভাবে কেনাকাটা করলে সাশ্রয় করা যেতে পারে।

১. কম দামের দোকান খুঁজে নিন

একই পণ্যের দাম সব দোকানে সমান নয়। দুধ, ডিম, চাল, সবজি ও মাংসের মতো নিয়মিত কেনা পণ্যের এককপ্রতি দাম বিভিন্ন দোকানে তুলনা করে কেনাকাটা করা ভালো।

২. দেশি দোকানের দামও তুলনা করুন

বাংলাদেশি বা অন্যান্য দেশি খাবারের দোকানে শাক, করলা, কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন সবজির দাম তুলনা করে দেখতে পারেন। কিছু ক্ষেত্রে এসব দোকানে বড় দোকানের চেয়ে দাম কম হতে পারে।

৩. সদস্য কার্ড ও ছাড়ের সুবিধা নিন

অনেক গ্রোসারি দোকানে সদস্য কার্ড বা মোবাইল সুবিধার মাধ্যমে বিশেষ দাম, কুপন ও ছাড় দেওয়া হয়। বাজারে যাওয়ার আগে সপ্তাহের ছাড়গুলো দেখে নিলে অপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার প্রবণতাও কমে।

৪. মাংস বড় প্যাকেটে কিনে ভাগ করে রাখুন

পরিবারে নিয়মিত মাংস খাওয়া হলে তুলনামূলক বড় প্যাকেট কিনে প্রয়োজন অনুযায়ী ভাগ করে সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে কেনার আগে প্রতি পাউন্ডের দাম, পরিবারের চাহিদা এবং ফ্রিজে জায়গা আছে কি না—এসব হিসাব করা জরুরি।

৫. সরকারি খাদ্য সহায়তার যোগ্যতা যাচাই করুন

আয় ও পারিবারিক পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূরক পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি এবং নারী, শিশু ও নবজাতকের পুষ্টি সহায়তা কর্মসূচি। এসব সুবিধা পেতে আয়, পরিবারের সদস্যসংখ্যা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়।

৬. সপ্তাহের খাবারের পরিকল্পনা করুন

সপ্তাহের শুরুতেই কোন দিন কী রান্না হবে এবং ঘরে কী কী আছে, তা দেখে বাজারের তালিকা তৈরি করুন। একই উপকরণ দিয়ে একাধিক দিনের খাবার তৈরি করলে অপচয় ও অতিরিক্ত কেনাকাটা কমানো সম্ভব।

৭. স্থানীয় খাদ্য সহায়তা কেন্দ্রের সুবিধা নিন

যোগ্য হলে স্থানীয় খাদ্য সহায়তা কেন্দ্র থেকেও বিনা মূল্যে খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা ও বিতরণের নিয়ম আলাদা।

৮. প্যাকেটের দাম নয়, এককপ্রতি দাম দেখুন

চাল, ডাল, লবণ, মসলা, টিস্যু ও অন্যান্য শুকনা পণ্য কেনার সময় শুধু প্যাকেটের দাম দেখলে হবে না। প্রতি আউন্স, পাউন্ড বা এককপ্রতি দাম তুলনা করলে কোন পণ্যটি প্রকৃতপক্ষে সস্তা, তা সহজেই বোঝা যায়।

৯. ছাড়ের খাবার কেনার আগে তারিখ ও মান দেখুন

খাবারের গায়ে থাকা তারিখ দেখেই সেটিকে নষ্ট মনে করা ঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রে অনেক খাবারের তারিখ মূলত খাবারের মান বা গুণগত অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তবে খাবার কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং পচন বা নষ্ট হওয়ার কোনো লক্ষণ আছে কি না, তা অবশ্যই দেখতে হবে।

মাংস ও মুরগির ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। কাঁচা কিমা করা মাংস ও মুরগি সাধারণত ফ্রিজে এক থেকে দুই দিন রাখা যায়। কিছু ধরনের গোশত তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত রাখা যায়। দীর্ঘ সময় রাখতে হলে ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা নিরাপদ পদ্ধতি।

১০. অর্থ ফেরত বা পুরস্কারের সুবিধা বুঝে ব্যবহার করুন

বৈধ অর্থ ফেরত বা পুরস্কারভিত্তিক কর্মসূচি ব্যবহার করে কিছুটা সাশ্রয় করা সম্ভব। তবে শুধু ছাড় বা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য প্রয়োজনের বাইরে পণ্য কেনা উচিত নয়। এতে বরং মোট খরচ বেড়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশি পরিবারের জন্য চাল, ডাল ও অন্যান্য শুকনা পণ্য বড় প্যাকেটে কেনার সময়ও সতর্ক থাকা জরুরি। বড় প্যাকেট সবসময় সস্তা হয় না। তাই ছোট ও বড় প্যাকেটের এককপ্রতি দাম তুলনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

স্কুলগামী শিশু থাকলে স্থানীয় স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে বিনা মূল্যে বা কম দামে স্কুলের খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে কি না, সেটিও যাচাই করা যেতে পারে। তবে এ সুবিধার নিয়ম ও যোগ্যতা এলাকাভেদে ভিন্ন হতে পারে।

তবে বাজার খরচ কমিয়ে মাসে নির্দিষ্ট ১৫০ থেকে ২৫০ ডলার বা বছরে ২ হাজার ৭৬০ ডলার সাশ্রয় হবেই—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। পরিবারের সদস্যসংখ্যা, বসবাসের শহর, খাবারের ধরন, কোন দোকান থেকে কেনাকাটা করা হচ্ছে এবং মোট কেনাকাটার পরিমাণের ওপর সাশ্রয়ের অঙ্ক নির্ভর করে।

তাই সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো গত কয়েক মাসের বাজার খরচের হিসাব রেখে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী খরচের সঙ্গে তা তুলনা করা। এতে নিজের পরিবারের জন্য কোন কৌশল সবচেয়ে বেশি কাজে দিচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%