বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৮ পি.এম
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস আবারও ক্ষমতায় আসবে এবং ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) পরাজিত করবে, এমনটাই দাবি করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিষয়টি ভালোভাবে জানেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটির বৈঠকে দলের নেতাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দাবি করেন। রাহুল গান্ধী জানান, এক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেই তার কাছে স্বীকার করেছিলেন যে, বিজেপি ক্ষমতা হারালে কংগ্রেসই দেশের শাসনভার গ্রহণ করবে। তিনি মন্তব্য করেন, যদি মোদি কংগ্রেসের ক্ষমতায় ফেরার এই রাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে পারেন, তবে দলের নেতাদেরও সেই আত্মবিশ্বাস রাখা উচিত।
বৈঠকে, রাহুল গান্ধী নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে ভোট ব্যবস্থায় কারচুপির অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, বিজেপি ভোটার তালিকা ও ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নানা পরিবর্তন এনে নির্বাচনে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। গত দেড় থেকে দুই বছর ধরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তিনি যে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছিলেন, তা শুরুতে দলের প্রবীণ নেতারা বিশ্বাস না করলেও বর্তমানে কমিশনের অভ্যন্তরীণ নানা ঘটনা সামনে আসায় সবাই তার অভিযোগের গুরুত্ব বুঝতে পারছেন।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে তার তীব্র আপত্তি থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ছিল একটি বড় আঘাত।
কংগ্রেসের এই নীতি নির্ধারণী বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আন্দোলন আরও তীব্র করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করার পাশাপাশি বাদ পড়া প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ নাম পুনরায় তালিকায় যুক্ত করার জোর দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া ভোটার তালিকার যাবতীয় পরিবর্তনের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ, বাদ পড়া ভোটারদের আপিলের সুযোগ প্রদান এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে সঠিক সময়ে তালিকা সরবরাহের পাশাপাশি সব অনিয়মের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে এই আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইকে রাজপথে নামানোর স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি নেতাদের স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন যে, কেবল বিবৃতি বা সংসদীয় প্রতিবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সড়ক, সংসদ এবং আদালত—সবখানেই একযোগে ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই গড়ে তুলতে হবে।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা নিয়ে কংগ্রেসের অভিযোগ এবং আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধীদের বড় সমাবেশ করার প্রস্তাবও দিতে পারে কংগ্রেস।
রাহুল দলের নেতাদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, শুধু প্রতিবাদ করলে হবে না, আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তার কথায়, ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই সংসদ, আদালত এবং রাজপথে চালিয়ে যেতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুরোনো সিনেমা হলগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কিছু স্থানে বন্ধ হওয়ার পর হলের জায়গায় বহুতল ভবন গড়ে উঠছে, আবার কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে একসময়কার জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্রের অস্তিত্ব। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘লাভলী সিনেমা হল’ এবার সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে। আগামী শুক্রবার হলটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে কাঁচপুর কাঁচাবাজার ও লাভলী বাসস্টপের নিকট অবস্থিত এই সিনেমা হল একসময় নিয়মিত বাংলা সিনেমা প্রদর্শনের জন্য পরিচিত ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হলটির কার্যক্রম কমে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এটি অনিয়মিতভাবে চলছিল। লাভলী সিনেমা হল এবার চিরতরে বিদায়ের খবর সামনে এসেছে।
চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক শাহাদাৎ হোসেন লিটন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘ঐতিহ্যবাহী লাভলী সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি। আগামী শুক্রবার হলটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
তবে লাভলী সিনেমা হলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন এই নির্মাতা। হলটি ভেঙে সেখানে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ওই ভবনেই ‘লাভলী’ নামের একটি সিনেপ্লেক্স গড়ে তোলার চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানান তিনি।
লাভলী সিনেমা হলের জায়গায় কী করা হবে, এ বিষয়ে শাহাদাৎ হোসেন লিটন জানান, ‘লাভলী সিনেমা হলের জায়গায় কমার্শিয়াল বিল্ডিং করার ইচ্ছে আছে। সেখানে একটি সিনেপ্লেক্সের পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।’
অর্থাৎ, পুরোনো সিনেমা হলটির অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হলেও ‘লাভলী’ নামটি নতুনভাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে সিনেপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে তার বক্তব্য থেকে ধারণা পাওয়া যায়।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরের সোনাপুর এলাকায় অবস্থিত লাভলী সিনেমা হলের প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট সাল সম্পর্কে গণমাধ্যমের নথিপত্রে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের কাছে পরিচিত একটি বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। হলটির আশপাশের এলাকা ‘লাভলী সিনেমা হল মোড়’ নামে পরিচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৭ উপলক্ষে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক-২০২৭’-এর প্রস্তাব ও আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আজ বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের (আমাই) এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।
এর আগে এ আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক নীতিমালা-২০২৪ (সংশোধিত) অনুযায়ী জাতীয় পর্যায়ে দু’টি পদকের জন্য বাংলাদেশি নাগরিক অথবা বাংলাদেশে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান, সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দু’টি পদকের জন্য বিদেশি নাগরিক অথবা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কাছ থেকে নির্ধারণ ছকে প্রস্তাব ও আবেদন চাওয়া হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশ, গবেষণায় বিশেষ অবদান, ডিজিটাল প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বহির্বিশ্বে প্রচার ও অনুবাদে বিশেষ অবদানের জন্য এই পদক দেওয়া হবে।
প্রতিটি পদক বিজয়ী পাবেন ১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং ৪ লাখ টাকা বা সমমূল্যের মার্কিন ডলার।
আগ্রহীদের তিন কপি আবেদনপত্র বা প্রস্তাব সরাসরি, ডাকযোগে বা কুরিয়ারে ‘অতিরিক্ত পরিচালক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, ১/ক সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০’ বরাবরে পাঠাতে বলা হয়েছে। একই সাথে সফটকপি [email protected] Ges [email protected] ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
পদক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও ফরম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের জনপ্রিয় ও আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বিএফআইইউ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কয়েকটি ব্যাংক।
বিএফআইইউ’র পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী আধা ঘণ্টার মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য, হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি নথি ও লেনদেন বিবরণীসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠাতে হবে।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউন ফিস’ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় সালমান মুক্তাদির বলেন, তাকে কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির ফলে লাতিন আমেরিকার লাখ লাখ শিশু ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যা তীব্র খরা ও বন্যার সৃষ্টি করেছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত পরিবর্তন, যেখানে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বাতাস এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন ঘটে।
এ বছর এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইউনিসেফ জানাচ্ছে, লাতিন আমেরিকার প্রায় ২ কোটি ৫৮ লাখ শিশু, অর্থাৎ প্রতি সাত শিশুর একজন খরা ও বন্যার কারণে ‘ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির’ মুখে রয়েছে। দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইতোমধ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করেছে।
ইউনিসেফের লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক রবার্তো বেনেস এক বিবৃতিতে বলেন, "এসব পরিস্থিতি আরও বেশি শিশুকে গভীর সংকটের মধ্যে ঠেলে দিতে পারে এবং বিদ্যমান বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।"
অঞ্চলভেদে এর প্রভাব ভিন্ন
এল নিনোর প্রভাব লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নভাবে পড়ছে। মধ্য আমেরিকার গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় খরার কারণে ফসলের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের অপুষ্টির ঝুঁকি বাড়ছে। ইউনিসেফ জানাচ্ছে, এসব দেশের অনেক শিশু ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত খাবার ও নিরাপদ পানির সংকটে রয়েছে।
বলিভিয়া, কলম্বিয়া, চিলি ও ভেনেজুয়েলার কিছু এলাকায় দাবানলের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, অ্যামাজন অববাহিকায় নদীর পানির স্তর কমে যাওয়ায় নদীতীরবর্তী অনেক জনপদ বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।
আরও দক্ষিণে, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যার ঝুঁকি বাড়বে। এতে স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ইউনিসেফ জানাচ্ছে, এল নিনোর প্রভাবে কিউবা ও হাইতিতেও মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে। এ বছরের অস্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড় মৌসুমেও এল নিনোর প্রভাব দেখা যাচ্ছে।
ইউনিসেফের কর্মকর্তা বেনেস সতর্ক করে বলেন, "একটি বড় ঘূর্ণিঝড়ই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে এবং লাখ লাখ শিশুর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করতে পারে।"
লাতিন আমেরিকায় এল নিনো-সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। তবে ৩০ জুন পর্যন্ত সংস্থাটি এর মাত্র অর্ধেক অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর আবারও ক্ষমতায় ফেরার পর জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার মতো ইউনিসেফও বড় ধরনের অর্থসংকটের মুখে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ