বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১০ পি.এম
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৭ উপলক্ষে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক-২০২৭’-এর প্রস্তাব ও আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আজ বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের (আমাই) এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।
এর আগে এ আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক নীতিমালা-২০২৪ (সংশোধিত) অনুযায়ী জাতীয় পর্যায়ে দু’টি পদকের জন্য বাংলাদেশি নাগরিক অথবা বাংলাদেশে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান, সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দু’টি পদকের জন্য বিদেশি নাগরিক অথবা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কাছ থেকে নির্ধারণ ছকে প্রস্তাব ও আবেদন চাওয়া হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশ, গবেষণায় বিশেষ অবদান, ডিজিটাল প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বহির্বিশ্বে প্রচার ও অনুবাদে বিশেষ অবদানের জন্য এই পদক দেওয়া হবে।
প্রতিটি পদক বিজয়ী পাবেন ১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং ৪ লাখ টাকা বা সমমূল্যের মার্কিন ডলার।
আগ্রহীদের তিন কপি আবেদনপত্র বা প্রস্তাব সরাসরি, ডাকযোগে বা কুরিয়ারে ‘অতিরিক্ত পরিচালক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, ১/ক সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০’ বরাবরে পাঠাতে বলা হয়েছে। একই সাথে সফটকপি [email protected] Ges [email protected] ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
পদক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও ফরম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের জনপ্রিয় ও আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বিএফআইইউ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কয়েকটি ব্যাংক।
বিএফআইইউ’র পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী আধা ঘণ্টার মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য, হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি নথি ও লেনদেন বিবরণীসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠাতে হবে।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউন ফিস’ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় সালমান মুক্তাদির বলেন, তাকে কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতির ফলে লাতিন আমেরিকার লাখ লাখ শিশু ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যা তীব্র খরা ও বন্যার সৃষ্টি করেছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত পরিবর্তন, যেখানে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বাতাস এবং বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন ঘটে।
এ বছর এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইউনিসেফ জানাচ্ছে, লাতিন আমেরিকার প্রায় ২ কোটি ৫৮ লাখ শিশু, অর্থাৎ প্রতি সাত শিশুর একজন খরা ও বন্যার কারণে ‘ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির’ মুখে রয়েছে। দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইতোমধ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সৃষ্টি করেছে।
ইউনিসেফের লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক রবার্তো বেনেস এক বিবৃতিতে বলেন, "এসব পরিস্থিতি আরও বেশি শিশুকে গভীর সংকটের মধ্যে ঠেলে দিতে পারে এবং বিদ্যমান বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।"
অঞ্চলভেদে এর প্রভাব ভিন্ন
এল নিনোর প্রভাব লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্নভাবে পড়ছে। মধ্য আমেরিকার গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় খরার কারণে ফসলের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে শিশুদের অপুষ্টির ঝুঁকি বাড়ছে। ইউনিসেফ জানাচ্ছে, এসব দেশের অনেক শিশু ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত খাবার ও নিরাপদ পানির সংকটে রয়েছে।
বলিভিয়া, কলম্বিয়া, চিলি ও ভেনেজুয়েলার কিছু এলাকায় দাবানলের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, অ্যামাজন অববাহিকায় নদীর পানির স্তর কমে যাওয়ায় নদীতীরবর্তী অনেক জনপদ বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।
আরও দক্ষিণে, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে বন্যার ঝুঁকি বাড়বে। এতে স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ইউনিসেফ জানাচ্ছে, এল নিনোর প্রভাবে কিউবা ও হাইতিতেও মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে। এ বছরের অস্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড় মৌসুমেও এল নিনোর প্রভাব দেখা যাচ্ছে।
ইউনিসেফের কর্মকর্তা বেনেস সতর্ক করে বলেন, "একটি বড় ঘূর্ণিঝড়ই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে এবং লাখ লাখ শিশুর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করতে পারে।"
লাতিন আমেরিকায় এল নিনো-সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ। তবে ৩০ জুন পর্যন্ত সংস্থাটি এর মাত্র অর্ধেক অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছর আবারও ক্ষমতায় ফেরার পর জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার মতো ইউনিসেফও বড় ধরনের অর্থসংকটের মুখে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের নলডাঙ্গায় নিরাপদ মাংস উৎপাদনের উদ্দেশ্যে সঠিক পদ্ধতিতে পশু জবাই, চামড়া অপসারণ, মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিধিমালা সম্পর্কে অবহিত করণ শীর্ষক একটি সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভাটি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় নলডাঙ্গা উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী আক্তার।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সাংসদ এডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিনিধি উপজেলা বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম বুলবুল।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, নিরাপদ মাংস উৎপাদন ও সরবরাহের জন্য সকলকে সচেতন হতে হবে। তিনি আরও বলেন, হাট বাজারে কসাইদের সুস্থ গরু বা পশু জবাইয়ের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এর ফলে সাধারণ মানুষ নিরাপদ মাংস সঠিক সময় ও স্থানে পাবে।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রকিবুল হাসান সুজনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নলডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন, নলডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক প্রশাসক বিএনপি নেতা এম এ হাফিজ, পৌরসভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর গোলাম মওলা এবং উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের কসাই বৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ‘ফ্লাইদুবাই’-এর একটি যাত্রীবাহী বিমানে মাঝ আকাশে দুই পাইলটের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির এক পর্যায়ে জরুরি সংকেত পাঠানোর ফলে পুরো অঞ্চলে বিমান ছিনতাইয়ের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিমানটি সউদী আরবের একটি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে দুবাই থেকে তেল আবিবগামী 'ফ্লাইদুবাই'-এর 'FZ1073' ফ্লাইটে এই ঘটনা ঘটে। বিমানটিতে ১০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, উড্ডয়নের সময় প্রথমে বিমানটি '৭৭০-শূন্য' (Squawk 7700) নামক একটি সাধারণ জরুরি সংকেত (Emergency Code) পাঠায়। তবে কিছু সময় পরে সেটি পরিবর্তন করে '৭৫০-শূন্য' (Squawk 7500) সংকেত পাঠায়, যা সাধারণত বিমান বেআইনি দখল বা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলে ব্যবহৃত হয়।
ছিনতাইয়ের সংকেত বার্তা পাওয়ার সাথে সাথেই পুরো ইসরায়েলে তীব্র আতঙ্ক ও সতর্কতা ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলি বিমানবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু সময়ের জন্য ইসরায়েলের আকাশসীমাও বন্ধ করে দেয়া হয়।
তবে প্রাথমিক আতঙ্কের পর অনুসন্ধান চালিয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্র জানতে পারে যে, এটি কোনো সন্ত্রাসী হামলা বা বিমান ছিনতাই ছিল না। মূলত ককপিটে পাইলটদের মধ্যে হঠাৎ একটি বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির কারণে অসাবধানতাবশত বা জরুরি প্রয়োজনে ওই বিশেষ সংকেতটি সক্রিয় হয়ে গিয়েছিল।
পরবর্তীতে ফ্লাইটটিকে নিরাপদ অবতরণের জন্য সউদী আরবের প্রিন্স সুলতান বিন আব্দুলআজিজ বিমানবন্দরে (তবুক বিমানবন্দর) ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে এটি সফলভাবে অবতরণ করে।
ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, "পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ইসরায়েলি যাত্রীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"
সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে 'ফ্লাইদুবাই' নিশ্চিত করেছে যে, তবুক বিমানবন্দরে নামা তাদের সকল যাত্রী ও ক্রু সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। আটকা পড়া যাত্রীদের তেল আবিবে নিয়ে যাওয়ার জন্য দুবাই থেকে বিকল্প একটি বিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার মূল কারণ উদঘাটনে ক্রুদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হচ্ছে। সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ