শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৭ পি.এম
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎসের নেতৃত্বাধীন মধ্য-ডানপন্থী ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটস (সিডিইউ) দল আসন্ন আঞ্চলিক নির্বাচনকে সামনে রেখে উগ্র ডান ও বামপন্থীদের চাপের মুখে রয়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত একটি নতুন জনমত জরিপে এই পরিস্থিতি প্রতিফলিত হয়েছে।
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দুটি আঞ্চলিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে পূর্বাঞ্চলীয় স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্যে মের্ৎসের সিডিইউ একটি বড় ধরনের বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। সেখানে উগ্র ডানপন্থী অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে বিশাল জয় লাভ করেছে। ১৯৪৫ সালের পর এটি কোনো জাতীয়তাবাদী দলের জন্য সর্বোচ্চ ভোটের হার। বার্লিন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মেকলেনবুর্গ-ভোরপোমার্ন রাজ্যে সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম জেডডিএফের নতুন জরিপে দেখা গেছে, মের্ৎসের সিডিইউ মাত্র ৭ শতাংশ সমর্থন অর্জন করেছে।
এটি দেশটির কোনো আঞ্চলিক নির্বাচনে সিডিইউর ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ ফলাফল হতে পারে। এমনকি রাজ্য পার্লামেন্টে আসন পেতে প্রয়োজনীয় ৫ শতাংশ ভোটের সীমার নিচে সিডিইউ নেমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
জরিপে ৩৭ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে রয়েছে এএফডি। তাদের খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস (এসপিডি), যাদের সমর্থন ৩৪ শতাংশ। বর্তমানে রাজ্যটিতে এসপিডি সরকার পরিচালনা করছে।
জাতীয় পর্যায়ে এসপিডি মার্জের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের ছোট অংশীদার। গত দুই বছরে দলটি নির্বাচনে একের পর এক বড় ধাক্কা খেয়েছে এবং মেকলেনবুর্গ-ভোরপোমার্নকে নিজেদের ঐতিহাসিক ঘাঁটিগুলোর একটি ধরে রাখতে চাচ্ছে।
জরিপের ফল অনুযায়ী, ১০ শতাংশ সমর্থন নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে উগ্র বামপন্থী ডি লিংকে। বর্তমানে রাজ্য সরকারের এসপিডির ছোট জোটসঙ্গী হিসেবে রয়েছে দলটি।
যদি জরিপের ফল ভোটের দিনেও একই থাকে, তাহলে এসপিডি, ডি লিংকে ও গ্রিনসের মধ্যে তিনদলীয় জোট গঠনের সম্ভাবনা বেশি। কারণ এএফডির সম্ভাব্য কোনো জোটসঙ্গী নেই।
দেশটির প্রায় সব রাজনৈতিক দলই এএফডির সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। বর্ণবাদ এবং নব্য-নাৎসিদের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে উগ্র ডানপন্থী দলটিকে রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ বলেই বিবেচনা করা হয়।
বার্লিনে মেয়র পদে লড়াইও এখনো হাড্ডাহাড্ডি। বর্তমানে সিডিইউ ও এসপিডির জোট সেখানে সরকার পরিচালনা করছে। জাতীয় সরকারের মতোই সেখানে এই দুই দলের জোট রয়েছে। তবে মের্ৎসের সিডিইউর সমর্থন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জেডডিএফের জরিপে ২৩ শতাংশ সমর্থন নিয়ে ডি লিংকে সামান্য ব্যবধানে সিডিইউর চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। সিডিইউ পেয়েছে ২১ শতাংশ সমর্থন।
এরপর রয়েছে এএফডি ১৭ শতাংশ, গ্রিনস ১৬ শতাংশ এবং এসপিডি ১০ শতাংশ।
মের্ৎসের রক্ষণশীলরা সাধারণত ডি লিংকেকে খুব অপছন্দ করে। দলটি আংশিকভাবে সাবেক কমিউনিস্ট পূর্ব জার্মানির শাসক দলের অবশিষ্ট অংশ থেকে গড়ে উঠেছে।
মেকলেনবুর্গ-ভোরপোমার্নের মতো বার্লিনের জরিপের ফলও ডি লিংকে, গ্রিনস ও এসপিডির বামপন্থী জোটকেই সবচেয়ে সম্ভাব্য সরকার গঠনের ব্যবস্থা হিসেবে দেখাচ্ছে।
মের্ৎসের জন্য এটি একটি বড় ধরনের ধাক্কা হতে পারে। ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার অনুমোদন ইতোমধ্যেই রেকর্ড নিম্নস্তরের কাছাকাছি অবস্থান করছে। মেকলেনবুর্গে উগ্র ডানপন্থীদের জয় এবং বার্লিনে উগ্র বামপন্থীদের জয় পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে।
মের্ৎসের নিজ দলই তাকে সরিয়ে দিতে পারে—বার্লিনে এমন আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে জোটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জর্জরিত এই চ্যান্সেলর নানা ভুল বক্তব্যের কারণে প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতির সংকটের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন, "এই জাতি এখন সবচেয়ে বড় সংকটে আছে।" তিনি উল্লেখ করেন, এই সংকট থেকে জাতিকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদের মধ্যে অনেক প্রতিভা বিদ্যমান। কিন্তু বেশিরভাগই খারাপ প্রতিভা। আল্লাহর প্রদত্ত মেধার এই দানকে মানবতার, সৃষ্টির এবং কল্যাণের জন্য ব্যবহার না করে, সংকীর্ণমনা লোকেরা কেবল নিজের স্বার্থে বৈধ ও অবৈধ সব পথে লাভের সন্ধানে থাকে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রোড টু সিরাহ’ জাতীয় সিরাত পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরষ্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, "আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার রাস্তা একটাই। আর তা হচ্ছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নকশা কদম অনুসরণ।" পায়ে পায়ে, অক্ষরে অক্ষরে তাঁকে অনুসরণ করতে হবে।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনকে অনুসরণীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, "একজন শিশুকে যদি প্রশ্ন করা হয় বা একজন শিশু যদি প্রশ্ন করে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? তার উত্তর হচ্ছে মা আমিনা এবং হালিমাতুস সাদিয়া রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহার শিশুপুত্র মোহাম্মদ হচ্ছে তোমার অনুসরণীয়।"
তিনি আরও বলেন, নবী করীম অবুঝ থাকা অবস্থায়ও দুধ ভাইয়ের হক নষ্ট করেননি। কাউকে কষ্ট দেননি। মুখ দিয়ে একটি অশ্লীল কথা বলেননি। কারো হক নষ্ট করেননি।
কিশোর বয়সের উদাহরণ তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "এরপরে যদি একজন কিশোরকে জিজ্ঞেস করা হয় বা কিশোর যদি জিজ্ঞেস করে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? তাহলে মক্কার সেই শান্ত, সৌম, বুদ্ধিদীপ্ত, দায়িত্বশীল কিশোর মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কথাটা এখানে এসে যাবে।"
তিনি বলেন, "কাবাঘর মেরামতের পর পাথর, কালো পাথর, হাজরে আসওয়াদ এটা প্রতিস্থাপন নিয়ে যে সংকট দেখা দিয়েছিল, সেখানে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আশঙ্কা চারটা কবিলার মধ্যে দেখা দিয়েছিল। তার নিখুঁত সমাধান ইনসাফপূর্ণ সমাধান দিয়েছিলেন সেই কিশোর মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ।"
তিনি বলেন, "আল্লাহ তাআলা এভাবেই তাকে শৈশব, কৈশোর, যৌবন এই সবগুলাতে নিয়ামত পড়া আখলাক দিয়ে তাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছিলেন।"
মহানবী (সা.)-এর জীবনের নানা প্রতিকূলতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "আমরা সবাই জানি জন্মগতভাবেই তিনি এতিম ছিলেন। জন্মের আগেই পিতা তিনি তার মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেছিলেন আর ছয় বছরের মাথায় মাকেও হারিয়েছিলেন। আট বছরের মাথায় দাদাকে হারিয়েছিলেন। এভাবে জীবনে একটার পর একটা ধাক্কা তার জীবনে এসেছিল।"
তিনি আরও বলেন, "একজন ব্যবসায়ী, একজন দার্শনিক, একজন চিন্তাবিদ, একজন সমন্বয়ক, একজন প্রধান বিচারপতি যে ক্ষেত্রেই জীবনের প্রশ্ন আসবে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? নিঃসন্দেহে তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম।"
প্রতিযোগীদের অভিনন্দন জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, "আজকের প্রতিযোগী যারা তারা এই চর্চার মাধ্যমে আমি মনে করি তাদের হৃদয় কাল আলোকিত হয়েছে। তারা জানার সুযোগ পেয়েছে। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কত বড় নেয়ামত মানবজাতির জন্য কত নিখুঁত আদর্শ বিশ্ববাসীর জন্য। আমি বিশ্বাস করি, পুরস্কার লাভের আশায় তারা এটা করেনি। তারা হেদায়েতের পুরস্কার পাওয়ার আশায় এটা করেছে।"
হেদায়েতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "হেদায়েত মানে হচ্ছে সঠিক পথ প্রদর্শন। নিজের জন্য দোয়া করে না। রাগ করে আরেকজনের জন্য দোয়া করে। এবং এত বড় একটি দোয়াকে মানুষ বদদোয়া মনে করে। কী আশ্চর্য ব্যাপার। হেদায়েত কামনা হচ্ছে সঠিক পথটা পাওয়ার দোয়া আল্লাহ তাালার দরবারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মন্তব্য করেছেন যে, দেশের পরিবর্তন সম্ভব হলে শিক্ষার গুণগত মান উন্নত হতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “শিক্ষার মান বাড়লেই বদলাবে বাংলাদেশ। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ গড়বে। তাই তাদের শুধু ভালো ফলাফলের জন্য নয়, জ্ঞান, দক্ষতা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে হবে।”
শুক্রবার লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সদর উপজেলার মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা ও কলেজ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং ঝরে পড়া রোধে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি জানান, “শিক্ষকরা জাতি গড়ার কারিগর। তাদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার ওপর একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করে।”
মতবিনিময় সভায় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হকসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য প্রদান করেন।
এ সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষকরা শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালুকু দ্বীপের কাছে বান্দা সাগরে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার মাত্রা ৬.২। আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্যটি দেশটির ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা (BMKG) এর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার হঠাৎ করে তীব্র কম্পন অনুভূত হওয়ার ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভূ-কম্পনটির উৎপত্তিস্থল মালুকু দ্বীপসংলগ্ন বান্দা সাগর অঞ্চলে ছিল।
তবে ভূমিকম্পের পর দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, এ ঘটনায় সাগরে বড় ধরনের কোনো সুনামির আশঙ্কা নেই। তাৎক্ষণিকভাবে এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, প্রশান্ত মহাসাগরের তথাকথিত ‘রিং অব ফায়ার’ বা ‘অগ্নিবলয়’-এ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়া প্রতিনিয়ত মৃদু থেকে তীব্র ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সম্মুখীন হয়ে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা আশ্বস্ত করেছেন যে, লোহিত সাগর উপকূলীয় এলাকায় দ্রুত অগ্রগতির মধ্যে থাকা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কোন কারণ নেই।
গোষ্ঠীটির পলিটবুরো সদস্য হাজেম আল-আসাদ জানিয়েছেন, লোহিত সাগর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদে প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল রয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-আরবি আল-জাদিদ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-আসাদ বলেছেন, "লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা সুরক্ষিত এবং সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তাই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।"
হুথি রাজনৈতিক ও সামরিক উপস্থিতি ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক শিপিং রুটের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হুথি কর্মকর্তার এই বক্তব্যটি বৈশ্বিক বাণিজ্য মহল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ দূর করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ