ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে: হোয়াইট হাউস


ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে: হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে সহিংস অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। দেশটির বিচার বিভাগের জাতীয় অপরাধভুক্তভোগী জরিপের তথ্য উল্লেখ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে সহিংস অপরাধ ২০২৪ সালের তুলনায় কমেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) হোয়াইট হাউস এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি অনুযায়ী, জরিপের ইতিহাসে এক বছরে সহিংস অপরাধের এই হ্রাস সবচেয়ে বড় ঘটনা। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্পের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নীতি, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার এবং মাদক পাচারবিরোধী পদক্ষেপের কারণে এই অপরাধের হার কমেছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রাণহানিহীন সহিংস অপরাধ ২৫ শতাংশ কমেছে। গুরুতর হামলার হার ৩১ শতাংশ, ছিনতাই ২৭ শতাংশ, বাড়িতে চুরি ও অনধিকার প্রবেশ ২৫ শতাংশ এবং মোটরযান চুরি ৩০ শতাংশ কমেছে। এছাড়া সম্পত্তিসংক্রান্ত অপরাধের হার ১৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি, এই পরিসংখ্যানগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের অপরাধ দমনের নীতির প্রভাবকে তুলে ধরে। একই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তিতে বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের জামিননীতি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অভিবাসনসংক্রান্ত নীতির সমালোচনা করা হয়েছে।

তবে, এই তথ্য হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা দাবি। অপরাধ কমার পেছনে বিভিন্ন নীতি ও অন্যান্য কারণের পৃথক প্রভাব সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রদান করা হয়নি।

সূত্র: হোয়াইট হাউস

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


গোপালগঞ্জে শিশু তালহা হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

গোপালগঞ্জে ১২ বছরের শিশু মো. তালহা ওরফে মুহিন হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে এবং একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু নির্যাতন ও সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোরশেদ আলম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মো. আমিন উদ্দিন এবং মো. শিহাব মোল্লা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। অপরদিকে, শাওন মোল্লাকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। একই সাথে, প্রত্যেক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় লিয়াকত আলী মোল্লা নামের অপর আসামিকে আদালত খালাস দিয়েছে। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শিশু তালহা তার মা আলেয়া বেগমের সাথে দোকানে বিস্কুট ও কেক কিনতে যায়। এরপর খালের পাড়ে মাছ ধরা দেখতে গিয়ে সে আর বাড়ি ফেরেনি। শিশুটির সন্ধান না পেয়ে মা আলেয়া বেগম গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়িতে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে বাড়ির ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। আমিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার ঘরের ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশু তালহার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা মো. মানজুরুল ইসলাম বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় প্রদান করে। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চবির শাটলে সিট ধরা নিয়ে অপসংস্কৃতি, আগে উঠেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


চবির শাটলে সিট ধরা নিয়ে অপসংস্কৃতি, আগে উঠেও দাঁড়িয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের জন্য শহর থেকে ক্যাম্পাসে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো শাটল ট্রেন। প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী এই ট্রেনে চলাচল করেন। তবে শাটলে আসন দখল করে রাখার প্রবণতা অনেকের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক শিক্ষার্থী ট্রেনে উঠার পর নিজের পাশাপাশি অন্যদের জন্য একাধিক আসন ধরে রাখেন। ফলে, আগে ট্রেনে উঠেও অনেক শিক্ষার্থীকে বসার জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা এই প্রবণতাকে ভুক্তভোগীরা অপসংস্কৃতি হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

গত ২৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার ক্যাম্পাসগামী শাটলে সরেজমিনে দেখা যায়, নগরের বটতলী স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠা কিছু শিক্ষার্থী নিজেদের জন্য একাধিক আসন ধরে রেখেছেন। কিছু আসনে ব্যাগ রাখা হয়েছে, কোথাও ছাতা, আবার কোথাও অন্য জিনিসপত্র। অথচ, এসব আসনে যাঁদের জন্য জায়গা রাখা হয়েছে, তাঁদের অনেকেই পরবর্তী স্টেশন ষোলশহর থেকে উঠছেন। বটতলী থেকে ষোলশহর পর্যন্ত পথটুকুতে আসনগুলো খালি থাকলেও অন্য শিক্ষার্থীরা সেখানে বসতে পারছেন না।

এ নিয়ে প্রায়ই শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। আসন ধরে রাখার পক্ষে কেউ কেউ একে প্রচলিত নিয়ম বলে দাবি করেন। তাঁদের যুক্তি হলো, আগে ট্রেনে উঠলে নিজের ইচ্ছামতো অন্যের জন্য আসন রাখা যায়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানাচ্ছে, শাটলে এ ধরনের আসন ধরে রাখার কোনো নিয়ম নেই। ফলে অলিখিত নিয়মের দোহাই দিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

শাটলে নিয়মিত যাতায়াতকারী শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান বলেন, “শাটলে অনেক সময় খালি সিট থাকলেও বসতে পারি না। বলা হয়, সিটটা অন্য একজনের জন্য ধরে রেখেছেন। এটা কেমন সংস্কৃতি? আবার বলা হয়, এটা নাকি নিয়ম। এই সংস্কৃতি দূর হওয়া উচিত।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, “শাটলে সিট ধরার কোনো নিয়ম নেই। যে আগে উঠবে, সে আগে বসবে। কোনো শিক্ষার্থী বাড়াবাড়ি করলে আমাকে অবহিত করলে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।”

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বাহনে আসন নিয়ে অনিয়ম ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে সচেতনতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শাটলে আগে ওঠা শিক্ষার্থীর আসন পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা গেলে এ নিয়ে বিরোধ ও ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবরাং ইউনিয়নে শোডাউন দিয়ে প্রচারণায় বিএনপির প্রার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


সাবরাং ইউনিয়নে শোডাউন দিয়ে প্রচারণায় বিএনপির প্রার্থীরা

নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন।

দেশের পূর্ব প্রান্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নে এই প্রার্থীদের প্রচারণার দৃশ্য দেখা গেছে। মাদক পাচারের কারণে আলোচনায় থাকা এই ইউনিয়নটি নাফনদ ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ইতোমধ্যে, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে শোডাউনের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে, জেলার অন্যান্য ইউনিয়নে প্রচারণার তেমন খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কেবল ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরাই প্রচারণায় নেমেছেন। টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে বিএনপির পাঁচজন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকেও চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণার কথা স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, কিন্তু দলীয় কোনো নেতা এখনো প্রচারণায় অংশ নেননি।

এদিকে, টেকনাফ পৌরসভায় আসন্ন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় নেমেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতা মোহাম্মদ ইসমাঈল।

মিয়ানমার থেকে ইয়াবা, অস্ত্র, সোনা এবং মাদকের চালান পাচারের কারণে এই ইউনিয়নটি আলোচনায় রয়েছে। একইভাবে, বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে নিত্যপণ্য পাচারের সীমান্ত পথের কারণে সাবরাং ইউনিয়নের দিকে সবার নজরও রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যেও পাচারকারীর নাম আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার তালিকায় রয়েছে।

সপ্তাহখানেক ধরে, টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা পাড়ায় পাড়ায় ভোটারদের সঙ্গে কোলাকুলি এবং সালাম জানিয়ে দোয়া চাচ্ছেন। ইতোমধ্যে, বিএনপির স্থানীয় নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য এম এ হাশেম সিআইপি, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান আহমদ, ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান ও নুরুল আলম এবং সাবেক চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছেন।

সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এম এ হাশেম সম্প্রতি শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেছেন। অপরদিকে, সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান আহমদও সমর্থকদের নিয়ে সড়ক প্রদক্ষিণের মাধ্যমে শোডাউন করেছেন। অন্য প্রার্থীরাও ইউনিয়নের হাট-বাজার, চা দোকান এবং বিভিন্ন পাড়ায় গিয়ে সমর্থন প্রার্থনা করছেন।

গত ১২ অক্টোবর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করে কমিশন। ওই সময়সূচি অনুযায়ী আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপ শুরু হবে ২১ জানুয়ারি এবং শেষ ধাপ ২৭ মে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচারকের ছেলের গাড়িচাপায় স্কুটিচালকের মৃত্যু, পুলিশপ্রধান বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


বিচারকের ছেলের গাড়িচাপায় স্কুটিচালকের মৃত্যু, পুলিশপ্রধান বরখাস্ত

ভারতের কেরালা রাজ্যের কোচিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে শহরের পুলিশপ্রধানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশপ্রধান কালিরাজ মহেশের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আর নিশান্থিনি। এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় অভিযুক্ত অতিরিক্ত জেলা বিচারকের ১৭ বছর বয়সী ছেলেকে ঘিরে বিতর্কের কারণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিচারকের ছেলে মার্সিডিজ-বেঞ্জ চালানোর সময় একটি স্কুটিতে ধাক্কা দেয়, যার ফলে স্কুটিচালক জয়বালকৃষ্ণনের (৫৫) মৃত্যু ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর ভিডিও তৈরির উদ্দেশ্যে ওই কিশোর গভীর রাতে গাড়িটি নিয়ে বের হয়েছিল।

বিচারক তার ছেলের ফোন থেকে ওই ভিডিও মুছে ফেলেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে তদন্তকারীরা দুর্ঘটনার পূর্বে গাড়িটি দ্রুতগতিতে চলার একটি ভিডিও উদ্ধার করেছেন। মার্সিডিজ ও সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত স্কুটির অবস্থা দেখে গাড়ির গতি অনেক বেশি ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে যে মামলাটি দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাদের দাবি, প্রভাবশালী বিচারক বাবার কারণে তদন্ত বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় পরিবারটি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এবং তদন্তের দায়িত্ব অপরাধ তদন্ত বিভাগকে দেওয়া হয়েছে।

প্রথমে ওই কিশোরের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগে মামলা করা হয়েছিল। পরে তাকে থানার জামিনে ছেড়ে দেওয়া হলে ব্যাপক সমালোচনা ও বিক্ষোভ শুরু হয়। পরবর্তীতে মামলাটি জোরদার করা হয় এবং গাড়ির মালিক কিশোরের বাবাকেও আসামি করা হয়।

রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা বিধানসভায় জানিয়েছেন, দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%