মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:০৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের একটি কারাগার থেকে পালিয়েছেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক খুনি। পালানোর পর তার বিরুদ্ধে একটি মালবাহী ট্রাক চুরির অভিযোগও উঠেছে। কর্তৃপক্ষ পলাতক ওই বন্দিকে ধরতে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে।
পলাতক বন্দির নাম জ্যাকব অ্যালেন মরলি, যার বয়স ২৮ বছর। সোমবার (২৬ অক্টোবর) কর্তৃপক্ষ জানায়, রোববার (২৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে কারাগারে পাওয়া যাচ্ছিল না। নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করার পর দেখা যায়, তিনি কারাগারের সীমানাপ্রাচীরের বেড়া পার হয়ে পালিয়ে গেছেন। পালানোর সময় তার পরনে ছিল কারা বিভাগের পোশাক।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ১টার মধ্যে টেনেসির টিপটনভিল শহর থেকে একটি সাদা রঙের ফোর্ড এফ-৩৫০ মালবাহী ট্রাক চুরি করেছেন মরলি। প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের বসবাসের শহরটি মেমফিসের প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এবং শহরটি মিসিসিপি নদী ও মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সীমান্তের কাছাকাছি।
টেনেসি অঙ্গরাজ্যের তদন্ত ব্যুরো মরলিকে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হচ্ছে—এমন অপরাধীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ির নিরাপত্তা ক্যামেরা, দরজার সামনে থাকা ক্যামেরা এবং বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণের ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে মরলি বা চুরি হওয়া ট্রাকের কোনো সন্ধান পাওয়া যায় কি না, তা জানানোর জন্য কর্তৃপক্ষ অনুরোধ করেছে।
নিরাপত্তা ক্যামেরার একটি ফুটেজে দেখা যায়, মাথায় টুপি পরা এক ব্যক্তি ট্রাকটির পেছন দিক ঘুরে চালকের দরজার কাছে যান। এরপর ট্রাকটির সামনের কাচ পরিষ্কারের যন্ত্র চলতে দেখা যায় এবং কিছুক্ষণ পর সেটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মরলির উচ্চতা প্রায় ১৮০ সেন্টিমিটার এবং ওজন প্রায় ১০৯ কেজি। তাকে ধরতে সহায়তা করে এমন তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। তাঁকে কোথাও দেখা গেলে অবিলম্বে জরুরি সেবা নম্বর ৯১১ অথবা তদন্ত ব্যুরোর ১-৮০০-৮২৪-৩৪৬৩ নম্বরে ফোন করতে বলা হয়েছে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালে মরলি নিজের সহকর্মী ৩৪ বছর বয়সী কোডি বার্চফিল্ডকে মাথার পেছনে গুলি করে হত্যা করেন। পরে তার বাড়ির নিচে রাখা একটি বড় ধাতব বাক্সের ভেতর থেকে বার্চফিল্ডের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন মরলি। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া মরদেহের প্রতি অবমাননা, অপরাধের প্রমাণ নষ্ট করা এবং গুরুতর চুরির অভিযোগেও দোষী সাব্যস্ত হন তিনি। আদালতের নথি অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তির সরঞ্জাম চুরির ঘটনাটি গুরুতর চুরির অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
বিচার চলাকালে মরলিকে একাকী স্বভাবের ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তিনি আত্মরক্ষার দাবি করেছিলেন এবং দ্বিমেরু মানসিক সমস্যাসহ বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্যগত জটিলতার কথাও জানিয়েছিলেন।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ন্যায়বিচার করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দেশে ফিরে আসলে শেখ হাসিনাকে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে ডা. জাহেদ বলেন, তিনি দেশে ফিরলে বিচারের মুখোমুখি হবেন। উল্লেখ্য, তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর আইনি প্রক্রিয়ায় যা ঘটবে, তা-ই ঘটবে।
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আলোচনা ও জল্পনা চলছে। তিনি ডিসেম্বরের পর জুনে আসার কথা বলছেন, আবার জুনের পর ডিসেম্বরের কথাও বলতে পারেন। এভাবে আলোচনা চলতে থাকবে। তবে, তিনি দেশে ফিরলে সরকার খুশি হবে এবং তখন তাকে আর বেঁধে আনতে হবে না।
ডা. জাহেদ আরও মন্তব্য করেন যে, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। এরশাদের পতনের পরও তিনি দেশে ছিলেন, কারাবরণ করেছেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। তখনও পুলিশ থানায় দায়িত্ব পালন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই ফসলের ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও দমনের জন্য আলোক ফাঁদ ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতি এড়ানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
কৃষকেরা জানান, ফসলের জমিতে সন্ধ্যার পর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালানো হয়। এই বাল্বের নিচে পানিতে সামান্য কেরোসিন, ডিটারজেন্ট বা সাবানের গুঁড়া মেশানো একটি পাত্র রাখা হয়। আলোতে আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় ওই পাত্রে পড়ে আটকা পড়ে। ফসলের জমির পাশে পোকার আক্রমণ বেশি এমন স্থানে এই আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।
এ পদ্ধতির মাধ্যমে জমিতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে পোকার ধরন ও সংখ্যা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়। এতে অপ্রয়োজনীয় রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমে এবং মাটি ও পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস পায়।
কৃষি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, আলোক ফাঁদ তৈরি ও ব্যবহার করা খুব সহজ। অল্প খরচে ফসলের ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি শনাক্ত করা সম্ভব হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ফলে ফসলের সুরক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শর্মিলা শারমিন বলেন, ফসলের ক্ষতিকর পোকা আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ফাঁদে আটকা পড়ে। তাই নিয়মিত আলোক ফাঁদ পর্যবেক্ষণ করে পোকার উপস্থিতি শনাক্ত করা গেলে শুরুতেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাজ্জাদ হোসেন সোহেল বলেন, এ উপজেলায় ২৭টি ব্লক রয়েছে। প্রতিটি ব্লকে সপ্তাহে এক দিন একযোগে আলোক ফাঁদ স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন।
কৃষি বিভাগের এই উদ্যোগের ফলে পলাশবাড়ীর কৃষকদের কাছে আলোক ফাঁদ শুধু পোকা শনাক্তের কৌশল নয়, বরং এটি ফসলের সুরক্ষায় সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব একটি পদ্ধতি হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের সামনে যে তথ্য এসেছে, তাতে রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে এসেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের পরিণতি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভোগ করতে হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘একজন মানুষ মারা গেলে তাঁর অধিকার রয়েছে মর্যাদার সঙ্গে দাফন হওয়ার। তাঁর বিচার পরবর্তীতে সৃষ্টিকর্তার কাছে হবে। যারা এ ধরনের কাজ করেন, তাঁরা শেষ পর্যন্ত সমাজের সমর্থন পান না। সমাজে তাঁরা নিন্দিত হন।’
মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান, ‘আগেও এ ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। যখন কিছু মানুষের বিচার হয়েছে, তখন তাঁদের লাশ কিংবা কবরের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছিল। যারা ওই বিচারগুলোর পক্ষেও ছিলেন, তাঁরাও লাশের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ পছন্দ করেননি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের কার্যক্রমে বিশ্বের জরুরি সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মনে করেন লানা নুসাইবেহ। তিনি সংস্থাটির মহাসচিব পদপ্রার্থী এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কূটনীতিক। নুসাইবেহ মনে করেন, জাতিসংঘের কার্যক্রমে গতি আনতে নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সম্পদ বণ্টনকে সমস্যার কাছাকাছি নিয়ে যেতে হবে।
লানা নুসাইবেহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী। তিনি ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে দেশটির স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঐ পদে তিনিই প্রথম নারী ছিলেন। এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান তাঁকে মহাসচিব পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। নির্বাচিত হলে তিনি জাতিসংঘের প্রথম নারী মহাসচিব হবেন।
গত সপ্তাহে তাঁর মনোনয়ন ঘোষণার পর সমর্থন ও সমালোচনা, দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নুসাইবেহ বলেছেন, "নারী হওয়ার কারণে আমি এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি না। বরং জাতিসংঘের কার্যকারিতা বাড়ানোর বিষয়ে আমি ‘একগুঁয়েভাবে আশাবাদী’।"
তিনি জাতিসংঘের কর্মীদের মনোবল ফিরিয়ে আনা এবং সংস্থাটির কাজের বাস্তব ফল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, যেসব ক্ষেত্রে জাতিসংঘ সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আনতে পারে, সেসব জায়গায় মনোযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সম্পদ ব্যবহারের প্রক্রিয়াকে মাঠপর্যায়ের সমস্যার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ করতে হবে, যাতে সংস্থাটির সচিবালয় দ্রুত ও কার্যকরভাবে সাড়া দিতে পারে।
নুসাইবেহর প্রচারাভিযানে সংস্কারের তিনটি মূল ক্ষেত্র তুলে ধরা হয়েছে: মানবাধিকার, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন। তাঁর মতে, জাতিসংঘের সনদ প্রয়োগের ক্ষেত্রে দ্বৈত মানদণ্ড এড়িয়ে চলার ওপরই সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে। তবে প্রচারাভিযানের নথিতে নির্দিষ্ট কোনো বাজেট কাটছাঁট কিংবা সনদ প্রয়োগে দ্বৈত মানদণ্ডের উদাহরণ উল্লেখ করা হয়নি।
মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রথমে জাতিসংঘের ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে অন্তত নয়টি ভোট পেতে হবে। পাশাপাশি পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো দেশের ভেটো দেওয়া চলবে না। এরপর সাধারণ পরিষদে নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইউই জানিয়েছেন, পরিষদের সদস্য সউদী আরব, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান ও কাতার নুসাইবেহর প্রার্থিতার পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যও তাঁর প্রার্থিতাকে সমর্থন করার দিকে ঝুঁকছে। এর পেছনে যুক্তরাজ্য সরকার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক সহজ করার বিষয়টি কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সমর্থনের ঘোষণা নিশ্চিত নয়।
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের আব্রাহাম চুক্তিতে নুসাইবেহর সমর্থন তাঁর পক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। ট্রাম্প জাতিসংঘের আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর সমালোচনা করে আসছেন এবং সংস্থাটির বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন। পলিটিকো চলতি মাসের শুরুতে জানিয়েছিল, ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নন এমন প্রার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে। তবে এখনো কোনো প্রার্থীর প্রতি ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণা করা হয়নি।
অন্যদিকে, সুদানের গৃহযুদ্ধে আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কথিত সমর্থনের কারণে মানবাধিকারকর্মীদের একাংশ নুসাইবেহর প্রার্থিতার বিরোধিতা করছেন। নুসাইবেহ তাঁর সরকারের অর্থায়নের অভিযোগ অস্বীকার করে এগুলোকে ‘ভিত্তিহীন, প্রমাণহীন এবং বিশ্বাসযোগ্য তথ্যবিহীন’ বলে অভিহিত করেছেন। তবে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষকদের প্রতিবেদনে আরএসএফকে আমিরাতের সামরিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগকে বিশ্বাসযোগ্য বলা হয়েছে। সুদানের জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি আম্মার মোহাম্মদ মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নুসাইবেহর মনোনয়নের সমালোচনা করেছেন এবং একই অভিযোগ পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ