ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হালান্ডের ট্রান্সফার নিয়ে সিটির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুললেন মার্শ


হালান্ডের ট্রান্সফার নিয়ে সিটির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুললেন মার্শ

ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়মের শাস্তি নিয়ে কানাডার জাতীয় দলের কোচ জেসি মার্শ কঠোর মন্তব্য করেছেন। তিনি ২০২২ সালে মাত্র ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডে (প্রায় ৬৬ মিলিয়ন ডলার) এরলিং হলান্ডকে দলে ভেড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করে সিটির আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, সাবেক লিডস ইউনাইটেড কোচ হিসেবে।

সিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের যে তদন্তে ক্লাবটি বড় ধরনের আর্থিক বিধিভঙ্গের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল, সেটি ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের সময়কালকে ঘিরে। তবে মার্শের দাবি, সিটির অনিয়ম নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে অনেক কিছুই আগে থেকেই ‘সবার জানা’ ছিল এবং তিনি মনে করেন যে তা পরবর্তী সময়েও চলেছে।

দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্শ বলেন, “আমার মনে হয়, ম্যানচেস্টার সিটির কঠোর শাস্তি পাওয়া উচিত। আমার মনে হয়, তাদের নিচের বিভাগে নামিয়ে দেওয়া উচিত। আর হ্যাঁ, সবাই এটা জানত। সবাই জানত।”

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডও হারল পাকিস্তানের কাছে

২০২২ সালের গ্রীষ্মের কথা উল্লেখ করে মার্শ বলেন, তখন লিডস ও সিটি ছিল এমন দল, যারা খেলোয়াড় বিক্রি করে অর্থ আয় করেছিল। লিডস রাফিনহা ও কালভিন ফিলিপসকে বিক্রি করে বড় অঙ্কের অর্থ পেয়েছিল। সেই তুলনায় সিটির হলান্ড কেনার মূল্য তাঁর কাছে অবাক করার মতো মনে হয়েছিল।

মার্শ বলেন, “যখন তারা বলল, তারা এরলিং হলান্ডকে ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডে পেয়েছে, তখন আমি ভাবলাম—হ্যাঁ, ঠিক আছে! এটা যেন একটা রসিকতা। আমি বুঝতে পারছিলাম, হিসাবের মধ্যে অসঙ্গতি আছে। কিন্তু আপনি কীই-বা করতে পারেন? হাত তুলে বলতে হয়, ‘এটাই ফুটবল।’”

২০২২ সালে বিশ্বের অন্যতম সেরা তরুণ স্ট্রাইকার ছিলেন হলান্ড। ২১ বছর বয়সী এই নরওয়েজিয়ানকে নিয়ে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। সেই সময় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অ্যান্টনিকে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ডে এবং লিভারপুল দারউইন নুনিয়েজকে প্রায় একই অঙ্কে দলে নেয়। নিউক্যাসল ইউনাইটেড রিয়াল সোসিয়েদাদ থেকে আলেক্সান্ডার ইসাককে কিনেছিল প্রায় ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে।

এর তুলনায় হলান্ডের জন্য সিটির ৫২ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করাটা তাই বেশ কম মনে হয়েছিল।

আরও পড়ুন: বার্সেলোনার উড়তে থাকা জয়রথ থামাল পিএসজি, ৪-২ ব্যবধানে জয়

তবে এর পেছনে ছিল হলান্ডের চুক্তিতে থাকা রিলিজ ক্লজ। ২০২২ সালের গ্রীষ্মে সেই ধারা কার্যকর হলে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হাতে খেলোয়াড়কে ধরে রাখার সুযোগ কার্যত ছিল না। সিটি দ্রুত সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে হলান্ডকে দলে ভেড়ায়।

ডর্টমুন্ডের সাবেক নির্বাহী হান্স-ইয়োয়াখিম ভাটস্কে জানিয়েছিলেন, হলান্ডের চুক্তিতে রিলিজ ক্লজ না রাখলে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে চলে যেতে পারতেন।

এর এক বছর আগেই হলান্ডকে দলে ভেড়াতে চেয়েছিল চেলসি। জার্মান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তখন বলা হয়েছিল, চেলসি খেলোয়াড় অদলবদলের প্রস্তাবও দিয়েছিল। এমনকি হলান্ডের জন্য প্রায় ১৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত খরচ করতে প্রস্তুত ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।

তবে সিটির দেওয়া ৫২ মিলিয়ন পাউন্ডই হলান্ডকে দলে ভেড়ানোর সম্পূর্ণ খরচ ছিল না। ক্লাবটির ঘোষণার পর জানা যায়, এজেন্ট ফি, সাইনিং বোনাসসহ বিভিন্ন খরচ মিলিয়ে পুরো চুক্তির ব্যয় প্রায় ৮৫.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছাতে পারে।

আরও পড়ুন: আরাফাত মিনহাসের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের সহজ জয়

তবে এসব অতিরিক্ত অর্থ ট্রান্সফার বাজারে অস্বাভাবিক কিছু নয়। সাধারণত খেলোয়াড়ের ট্রান্সফার ফি হিসেবে যে অঙ্কটি প্রকাশ করা হয়, সেখানে এজেন্ট ফি বা সাইনিং বোনাসের মতো খরচ ধরা হয় না।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হালান্ডকে দলে ভেড়ানোর ক্ষেত্রে সিটির কোনো অনিয়মের অভিযোগ বা প্রমাণ প্রতিবেদনে নেই। তাঁর তুলনামূলক কম ট্রান্সফার ফি মূলত চুক্তিতে থাকা রিলিজ ক্লজের ফল।

ইংল্যান্ডে পা রাখার পর অবশ্য সেই অর্থের যথার্থতা মাঠেই প্রমাণ করেছেন হলান্ড। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে তিনি নিজেকে প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম ভয়ংকর গোলস্কোরার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং ২০২২ সালের দলবদলকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল ‘বাজি’ হিসেবেই দেখা হয়।

আরও পড়ুন: র‍্যাঙ্কিংয়ে এগোলেন শারমিন ২৫তম ও স্বর্ণা ৮৬তম স্থানে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেয়েশিশুকে পেটানোর ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে জানা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০২ পি.এম


মেয়েশিশুকে পেটানোর ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে জানা গেল

সম্প্রতি একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে একটি মেয়েশিশুকে কোমরের বেল্ট দিয়ে পেটাতে দেখা যাচ্ছে। ১৫ সেকেন্ডের ওই দৃশ্যের ঘটনাস্থল ঢাকা মিরপুর বলে জানা গেছে। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং শিশুটিকে মারধরের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার মিরপুর ১ নম্বরের শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের সামনে এই ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে পেটানোর সাথে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার নাম মো. রিপন মণ্ডল (৩৬), যিনি মিরপুর শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মী। বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, মার্কেটের সামনে মানুষের ভিড়ের মধ্যে নেভি ব্লু শার্ট ও কালো ফুলপ্যান্ট পরা একজন ব্যক্তি শিশুটির একটি হাত ধরে রেখেছেন। অন্য হাতে থাকা বেল্ট দিয়ে তিনি শিশুটিকে নির্দয়ভাবে পেটাচ্ছেন।

আজ সোমবার দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দুলাল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ভিডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, ঘটনাটি শনিবার বিকেলে ঘটেছে। শিশুটিকে পেটানো ব্যক্তি রিপন মণ্ডল বর্তমানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ সেখানে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে রিপন মণ্ডল পুলিশ কর্মকর্তাদের জানান, শিশুটি মার্কেটের একটি দোকান থেকে মোবাইল ফোন চুরি করেছে। এই কারণে তিনি তাকে পিটিয়েছেন। রবিবার বিকেলে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।

ওসি দুলাল হোসেন জানিয়েছেন, রিপন মণ্ডল সুস্থ হয়ে উঠলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিশুটির সন্ধানও করছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনআইডি জালিয়াতির মূল হোতা আটক, ১৯টি ভুয়া সিল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ পি.এম


এনআইডি জালিয়াতির মূল হোতা আটক, ১৯টি ভুয়া সিল জব্দ

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির ফাঁদে পড়েছিলেন সিফাদ আহম্মেদ (১৯) পাসপোর্ট করতে গিয়ে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিশাল একটি জালিয়াত চক্রের সন্ধান পান।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউএনও ফাতেমা জান্নাতের নেতৃত্বে পরিচালিত এক ঝটিকা অভিযানে ‘মামুন কম্পিউটার’ নামের দোকান থেকে জালিয়াতি চক্রের মূল হোতা রফিকুল ইসলাম বাদল (৫০) আটক হন। এ সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ১৯টি ভুয়া সিল এবং ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যয়নপত্র উদ্ধার করা হয়।

ভুক্তভোগী সিফাদ আহম্মেদকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করে দেওয়ার কথা বলে ৫ হাজার টাকা নেন কম্পিউটার দোকানি বাদল। পরবর্তীতে সিফাদ উচ্চশিক্ষার্থে বা জীবিকার তাগিদে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন।

পাসপোর্ট অফিস জানায়, অনলাইনে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের কোনো অস্তিত্ব বা রেকর্ড নেই। ভুয়া এনআইডি নিয়ে বিভ্রান্তি ও বিড়ম্বনার শিকার হয়ে সিফাদ আহম্মেদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে ইউএনও ফাতেমা জান্নাত অভিযুক্ত বাদলের ‘মামুন কম্পিউটার’ দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালীন দোকানটিতে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের মোট ১৯টি জাল সিল উদ্ধার হয়। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)-এর সিল রয়েছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ ইউনিয়ন পরিষদের ভুয়া প্রত্যয়নপত্র পাওয়া যায়, যা ব্যবহার করে বাদল দীর্ঘদিন ধরে নানা অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত বলেন, "আমরা মূলত সিফাদ আহম্মেদের জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির ঘটনাটি তদন্ত করতে বাদলের দোকানে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে তল্লাশি করতেই যেন ‘কেঁচো খুঁড়তে সাপ’ বেরিয়ে আসে। এনআইডি জালিয়াতির পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের জাল সিল ব্যবহার করে এত বড় জালিয়াতির ঘটনা সত্যিই বিরল।"

তিনি আরও জানান, জালিয়াতির অপরাধে অভিযুক্ত বাদলকে হাতেনাতে আটক করে থানায় পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি চলছে। এই চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নান্দাইল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহে ব্যর্থ পাকিস্তান, এফএওর সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৩ পি.এম


স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহে ব্যর্থ পাকিস্তান, এফএওর সতর্কতা

পাকিস্তান জনগণের জন্য স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহে ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে পুষ্টির সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সম্প্রতি একটি মূল্যায়নে উল্লেখ করেছে যে, পাকিস্তানের খাদ্য ব্যবস্থার জরুরি পুনর্গঠন প্রয়োজন। দেশের ৬০ শতাংশের বেশি জনগণ স্বাস্থ্যকর খাবার ক্রয়ের সামর্থ্য হারিয়েছে। পুষ্টিকর খাবারের অভাবের পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফএওয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের সুস্থ থাকার জন্য যে পরিমাণ পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন, পাকিস্তানে সেই তুলনায় সঠিক খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি পুষ্টি নির্দেশিকায় উল্লেখিত খাবারের প্রয়োজনীয়তা এবং দেশের বর্তমান খাদ্য ব্যবস্থার মধ্যে বড় ধরনের অমিল বিদ্যমান।

জাতিসংঘের সংস্থাটি জানিয়েছে, পাকিস্তানে পুষ্টিকর খাবারের অভাবে মানুষ অপুষ্টিতে ভুগছে, এবং অতিরিক্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের কারণে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের মতো মারাত্মক রোগের সংখ্যা বাড়ছে।

এফএও সরকারকে পুষ্টিকর খাবার জনগণের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে বিশেষ কিছু নিয়ম চালু করার পরামর্শ দিয়েছে। এর মধ্যে দেশের পুষ্টি নির্দেশিকা নতুন করে তৈরি করা, এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে শিক্ষা ও প্রচারণা বাড়ানো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সংস্থাটি কোক-ফ্যান্টার মতো মিষ্টি পানীয় এবং অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও ক্ষতিকর চর্বিযুক্ত খাবারের ওপর বাড়তি কর (ট্যাক্স) আরোপের সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্যাকেটে পুষ্টির তথ্য বা সতর্ক লেবেল লাগানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে ক্রেতারা খাবারের গুণাগুণ সহজে বুঝতে পারেন।

অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিপণনের ওপর, বিশেষ করে শিশুদের জন্য তৈরি পণ্যের ওপর, আরো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। পুষ্টিকর স্কুল খাবার কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলোকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে দুর্বল জনগণ স্বাস্থ্যকর খাবার ক্রয় করতে সক্ষম হয়।

এফএও খাবার পচে নষ্ট হওয়া রোধ করতে এবং বাজারে ক্রেতাদের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করতে ফল-মূল ও শাকসবজি সংরক্ষণে হিমাগারের ব্যবস্থা, আধুনিক বাজার অবকাঠামো গড়ে তোলার সুপারিশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শপিং মল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:০৪ পি.এম


শপিং মল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকান আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে এসব প্রতিষ্ঠান সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখার উপসচিব সোনিয়া বিনতে তাবিব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও দোকানসমূহ সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

তবে ২৩ অক্টোবর থেকে এসব প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে পূর্বের সময়সূচি কার্যকর হবে। অর্থাৎ, সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিং মল, মার্কেট ও দোকান খোলা থাকবে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে দেশে শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%