মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৪ পি.এম
শক্তিশালী মার্কিন ডলারের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) মুদ্রানীতিবিষয়ক বৈঠকের দিকে নজর রেখেছিলেন। তারা সুদের হার নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার পাশাপাশি আগামীতে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা সম্পর্কেও ইঙ্গিত পেতে চাইছিলেন। তবে চলতি সপ্তাহের বৈঠকে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টা ৪২ মিনিটে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০.৪ শতাংশ কমে ৪ হাজার ০.৫২ ডলারে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার মূল্যও ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪.৪০ ডলারে দাঁড়ায়।
এদিকে, প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে মার্কিন ডলারের সূচক ০.৩ শতাংশ বেড়ে প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে। ডলারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে নির্ধারিত স্বর্ণের দাম তুলনামূলক বেশি হয়ে ওঠে, যা মূল্যবান এই ধাতুর চাহিদায় চাপ সৃষ্টি করে।
অ্যাকটিভট্রেডসের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা মন্তব্য করেন, উচ্চ তেলের দামের কারণে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। ফলে ফেড কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখবে—এমন প্রত্যাশা জোরালো হচ্ছে। একইসাথে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের উচ্চ মুনাফার হার ও শক্তিশালী ডলারের চাপেও স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী রয়েছে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ ঝুঁকি নতুন করে সামনে এসেছে সৌদি আরবে হুথিদের হামলার পর। এদিন ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৬ ডলারের কাছাকাছি ছিল।
ফেডের নীতিনির্ধারকেরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে সুদের হার বাড়ানো হবে না। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীদের ধারণা, এই বিরতি দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে।
সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বাড়তে পারে—এমন সম্ভাবনা ৮২ শতাংশ ধরে নিয়ে লেনদেন করছেন বাজারের অংশগ্রহণকারীরা।
বিশ্বের অন্যান্য প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতিও এ সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে। ফেডের পর বৈঠকে বসবে জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের মতো মুনাফা বা সুদ দেয় না—এমন সম্পদ ধরে রাখার সুযোগব্যয় বেড়ে যায়। ফলে উচ্চ সুদের প্রত্যাশা সাধারণত স্বর্ণের দামের ওপর চাপ তৈরি করে।
বিনিয়োগকারীরা বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ব্যক্তিগত ভোগব্যয় (পিসিই) মূল্যসূচকের তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। মূল্যস্ফীতি পরিমাপের এই সূচকটি ফেডের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটির মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ২ শতাংশ।
রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা বলেন, ফেডের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত কিংবা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি পিসিই মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশিত হলে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে দাম ৩ হাজার ৯০০ ডলারের দিকেও যেতে পারে।
এদিকে, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। মঙ্গলবার স্পট মার্কেটে রুপার দাম ১.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৩.২৩ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ১.৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫০১.৩০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২.৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ১৯.৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ সম্পর্কে মন্তব্যকে সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইজিপি অসতর্কভাবে এমন মন্তব্য করেছেন, যা ‘ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’
সোমবার, রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেছেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। তিনি আরও বলেন, পুলিশ যদি বলপ্রয়োগ করে, তখন এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে এবং যদি নিষ্ক্রিয় থাকে, তবে দুর্বল বলে অভিযুক্ত করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘উনি (আইজিপি) সহজসরল মানুষ। আইন প্রয়োগের কঠোরতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অসতর্কভাবে মন্তব্য করেছেন। এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে জানান, সরকার ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স। সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- হতে দেবে না এবং এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-, কাস্টডিয়াল ডেথ (পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু) সহ্য করা হবে না।
তিনি বলেন, আইনের শাসন সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। এ পর্যন্ত ক্রসফায়ারে মৃত্যু এবং হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে অপরাধ দমন এবং আইনের যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার যা কিছু দরকার, সব করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হুতি গোষ্ঠীর একজন কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন যে, সৌদি আরবকে সমর্থন করার জন্য মিশরীয় পার্লামেন্টের সিদ্ধান্ত ইয়েমেনের বিরুদ্ধে একটি ‘যুদ্ধ ঘোষণার’ শামিল। তিনি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এই মন্তব্য করেন।
মিশরের পার্লামেন্ট, যা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে, সোমবার সৌদি আরবকে রক্ষায় সহায়তা করার জন্য মিশরীয় সামরিক বাহিনীকে অনুমোদন দিয়েছে। সৌদি আরব কায়রোর একটি প্রধান আর্থিক ও রাজনৈতিক অংশীদার হিসেবে পরিচিত।
সংবাদ সংস্থা এএফপি-এর বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হুতিদের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আলী আল-হুতি টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেছেন।
প্রতিবেদন অনুসারে, টেলিগ্রামে দেওয়া পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, “এটি সত্যিই বিস্ময়কর যে, যখন এই ব্যক্তিরা তথাকথিত 'আঞ্চলিক শান্তি' নিয়ে আলোচনার জন্য যাচ্ছেন, ঠিক তখনই মিশর ও তাদের পার্লামেন্ট সৌদি আরবকে সুরক্ষার নামে সমর্থন ঘোষণা করছে, আর এর মাধ্যমে তারা ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছে।”
সোমবার তেহরানে ‘মক্কা জোট’-ভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধি এবং ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর মোহাম্মদ আলী আল-হুতি এই মন্তব্য করেন। আলোচনায় ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজায়ির সঙ্গে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন অংশগ্রহণ করেন।
সূত্র: টাইমস নাউ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের "সরকার চাইলে ক্রসফায়ারে প্রস্তুত পুলিশ" মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। আইজিপির বক্তব্যে প্রতিফলিত হচ্ছে যে, দেশে আবারও গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। ক্রসফায়ার কখনোই আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের বিকল্প হতে পারে না; যেকোনো অপরাধীর ন্যায়বিচার আদালতের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্রসফায়ারের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যার অনুমোদন দেওয়ার অধিকার রাষ্ট্রের নেই। আইজিপিকে অবিলম্বে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
হাবিবুল্লাহ মিয়াজী আরও উল্লেখ করেন, গুম, খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটেছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অন্যায় আদেশ পালন করতে গিয়ে অতীতে অনেক নিরপরাধ পুলিশ সদস্যও হতাহতের শিকার হয়েছেন। বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আবার সেদিকে নিয়ে যাচ্ছে কি না, এ বিষয়ে জনগণ প্রশ্ন তুলেছে।
আইজিপির এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ক্রসফায়ার হলো বিরোধী মতের লোকজনকে নিশ্চিহ্ন করার একটি হাতিয়ার। অতীতের গুম-খুনের সংস্কৃতি থেকে শিক্ষা নিতে হবে। বাংলাদেশে আর নতুন করে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের মতো কাউকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না। সরকারকে অবিলম্বে জাতির কাছে আইজিপির বক্তব্যের পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং এর আগ পর্যন্ত তাঁকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি দাবি করেছে যে, তারা সউদী আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, এই হামলার দাবি সউদী নেতৃত্বাধীন জোট ও হুথি বাহিনীর মধ্যে সংঘাতকে নতুনভাবে তীব্র করে তুলেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অঞ্চলে হুথি এবং সউদী বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সউদী কর্তৃপক্ষ পূর্বে জানিয়েছিল যে, তারা সউদীর বিভিন্ন অঞ্চলে নিক্ষিপ্ত একাধিক হুথি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত (ইন্টারসেপ্ট) করেছে। তবে, যদি সউদীর মূল প্রশাসনিক ও সামরিক কেন্দ্রস্থল রিয়াদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে হামলার এই দাবি সত্যি হয়, তাহলে এটি মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আকাশসীমা ব্যবস্থাপনায় একটি ভয়াবহ সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, রিয়াদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় লক্ষ্য করে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি সউদীর আকাশসীমা নিরাপত্তার ওপর নতুন করে একটি বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, সউদী কর্তৃপক্ষ তাদের আকাশসীমা সুরক্ষায় নতুন এবং কঠোর নিরাপত্তা পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করতে পারে। অন্যদিকে, হুথি বাহিনীর এডেন বন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেলেও, বাজার ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো দখলাভিযানের আশঙ্কা করছেন না।
সামগ্রিকভাবে, এই হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক কৌশলগত পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে, সউদী আরব তাদের আন্তর্জাতিক আকাশসীমা পুনঃনিয়ন্ত্রণ এবং হুথি প্রতিরোধে নতুন প্রতিরক্ষা কৌশল গ্রহণের চিন্তাভাবনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ