ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে বাংলাদেশ গ্রুপে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান


অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে বাংলাদেশ গ্রুপে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান

গত অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বাংলাদেশ দল হোঁচট খায়। পাকিস্তানের কাছে পরাজিত হয়ে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়ে জাওয়াদ আবরার, আজিজুল হাকিম, ইকবাল হোসেন ইমনরা। গত আসরের দুঃখ ভুলে আবারো এশিয়ার সেরা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে যুবারা ওমানে যাবেন।

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ১৩তম আসর শুরু হবে ৫ নভেম্বর। ৫০ ওভারের এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৪ নভেম্বর। ৮টি দলকে দুইটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানের সঙ্গে রয়েছে ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নেপাল।

‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও মালয়েশিয়াকে। যুব এশিয়া কাপের পর্দা উঠবে শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়ার ম্যাচ দিয়ে। একই দিনে মাঠে নামবে বাংলাদেশ, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান।

আরও পড়ুন: সালাহকে ছুঁয়ে ইতোর রেকর্ডের কাছে পৌঁছালেন আশরাফ হাকিমি

বাংলাদেশের যুবাদের দ্বিতীয় ম্যাচ হবে ৭ নভেম্বর, প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে, যা অনুষ্ঠিত হবে ৯ নভেম্বর।

প্রতিটি গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের সেরা দুইটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে। সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১২ নভেম্বর।

প্রথম সেমিফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলবে ‘বি’ গ্রুপের রানার্স আপের সঙ্গে। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরা খেলবে ‘এ’ গ্রুপের রানার্স আপের বিপক্ষে।

সেমিফাইনাল জেতা দুই দল ১৪ নভেম্বর শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে।

আরও পড়ুন: বেটিং কেলেঙ্কারিতে তুরস্কে ১৪৭ ক্লাব কর্মকর্তা নিষিদ্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নানা পাটেকারের মৃত্যুতে চিকিৎসা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


নানা পাটেকারের মৃত্যুতে চিকিৎসা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সৃষ্টি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকারের মৃত্যুতে একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত আইনি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে গোয়ায় তার নিজস্ব বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তিনি মারা যান। মৃত্যুর সঠিক কারণ ও পেছনের পরিস্থিতি যাচাই করার জন্য ইতিমধ্যে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিনেতার দেহের ময়নাতদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে নানার বুকে ব্যথা শুরু হলে দ্রুত চিকিৎসকদের খবর দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের একটি দল বাড়িতে পৌঁছে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়। সংবাদ সংস্থা এএনআই এর সূত্রে জানা গেছে, গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নেওয়ার আগে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাকে বাঁচানোর জন্য সিপিআর দেওয়া হয়। তবে সকাল সাড়ে ৫টা ২০ মিনিটে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুর পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তদন্ত এগোচ্ছে। অন্যদিকে, এই প্রভাবশালী অভিনেতার আকস্মিক প্রয়াণে বলিউডে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অক্ষয় কুমার, রাম গোপাল বর্মা, কঙ্গনা রনৌত ও প্রমোদ সওয়ন্তসহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নানা পাটেকার ৫০ থেকে ৮০ কোটি টাকার সম্পদ রেখে গেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


নানা পাটেকার ৫০ থেকে ৮০ কোটি টাকার সম্পদ রেখে গেলেন

পর্দায় সহজাত অভিনয় এবং বাস্তবে সাদামাটা জীবনযাপন করার জন্য নানা পাটেকার সবসময়ই আলাদা ছিলেন। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার এই বর্ষীয়ান অভিনেতা পাঁচ দশকের অভিনয়ের ক্যারিয়ারে বিপুল জনপ্রিয়তার সঙ্গে উল্লেখযোগ্য সম্পদও গড়ে তুলেছিলেন।

ভারতের গোয়া রাজ্যের ডোনা পাওলায় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নানা পাটেকার মারা যান। তার বয়স ছিল ৭৫ বছর। মৃত্যুর পর এখন আলোচনা চলছে তার রেখে যাওয়া সম্পদের পরিমাণ নিয়ে।

নানা পাটেকারের সম্পদের পরিমাণ কত এবং কারা সেই সম্পদ পাবেন, তা নিয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা যাক।

মানি কন্ট্রোল, দ্য ইকোনমিক টাইমস এবং আউটলুক-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নানা পাটেকারের মোট সম্পদ ৫০ থেকে ৮০ কোটি রুপি হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৩ কোটি থেকে ১০১ কোটি টাকার সমান। তবে এটি কোনো সরকারি সম্পদ বিবরণী নয়। সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এবং সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য ধরে এই হিসাব করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের আন্ধেরিতে নানা পাটেকারের প্রায় ৭৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া গোয়ায় একটি বাড়ি এবং পুনের কাছে খড়কবাসলায় প্রায় ২৭ একরের একটি খামারবাড়ি রয়েছে।

বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও বিলাসী জীবনযাপন করেননি নানা পাটেকার। তার পরিবারে স্ত্রী নীলকান্তি পাটেকার এবং ছেলে মালহার আছেন। উত্তরাধিকার হিসেবে নানা পাটেকারের সম্পদ তাদেরই পাওয়ার কথা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননের ‘মডেল টাউন’ ঘিরে ই-স-রা-য়ে-লি সেনা, চলছে ড্রোন-বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


লেবাননের ‘মডেল টাউন’ ঘিরে ই-স-রা-য়ে-লি সেনা, চলছে ড্রোন-বিস্ফোরণ

দক্ষিণ লেবাননে মারিয়াম আল-ইয়াগি নিজের বাড়ির মেঝেতে ছড়িয়ে থাকা ভাঙা কাচ এড়িয়ে বারান্দায় বের হলেন। তিনি দূরে আঙুল তুলে দেখালেন। কয়েক শ মিটার দূরে এমন একটি দৃশ্য দেখা যাচ্ছিল, যা ৬৭ বছর বয়সী এই নারীর জন্য পরিচিত হয়ে গেছে। পাশের লেবানিজ গ্রামে সামরিক যান চলাচল করছে। গ্রামটি এখনো ইসরায়েলি সেনাদের দখলে রয়েছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, রাতে ইসরায়েলি সেনারা ইয়াগির পশ্চিম জাওতার এলাকার বাড়ির এত কাছ দিয়ে টহল দেয় যে তিনি তাদের কথা শুনতে পান। দিনের বেলায় বাগানে কাজ করার সময়ও প্রায়ই একটি ছোট ইসরায়েলি নজরদারি ড্রোন তাকে অনুসরণ করে।

সকালজুড়ে আশপাশের দখল করা শহরগুলোতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইসরায়েলি সেনারা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ও বুলডোজার ব্যবহার করে সেখানকার বাড়িঘর ধ্বংস করছে।

ইয়াগি রয়টার্সকে বলেন, “ওই টালির ছাদওয়ালা বাড়িটা থেকে আমরা সব সময় তাদের শব্দ শুনতে পাই। তারা চিৎকার করে কথা বলে, ট্যাংক এদিক-ওদিক চলাচল করে। আমরা সবই শুনতে পাই। তারা আমাদের খুব কাছেই আছে। কিন্তু আমরা এখানে বসে আছি, আমরা ভয় পাই না। কখনোই না।”

জুলাইয়ে ইসরায়েলি সেনারা পশ্চিম জাওতার থেকে সরে যায়। দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েল ধাপে ধাপে সেনা সরিয়ে নেবে—যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে নেওয়া এমন একটি পরিকল্পনার প্রথম পরীক্ষা ছিল এটি। এর বিনিময়ে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার কথা রয়েছে।

তবে এর দুই মাস পরেও আর কোনো ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চল’ নিয়ে চুক্তি হয়নি। পশ্চিম জাওতারের বাসিন্দারাও বলছেন, তাদের গ্রামকে কোনো আদর্শ উদাহরণ হিসেবে দেখা যায় না। রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, হিজবুল্লাহর অস্ত্রের হুমকি পুরোপুরি দূর করার কাজ এখনো শেষ হয়নি। হুমকি শনাক্ত করতে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে বিধিনিষেধও সেনাদের নিরাপত্তার জন্য দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, লেবানন ও ইসরায়েল—দুই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পরীক্ষামূলক অঞ্চল তৈরির প্রক্রিয়াই ‘একমাত্র কার্যকর পথ’।

লেবাননের সেনাবাহিনী প্রাথমিক ওই অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে হুমকি দূর করার পর অঞ্চলটি আরো বড় করা হবে। আর হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা ‘এই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ’।

সাত মাস আগে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পাশাপাশি লেবাননে বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে। এর পর হিজবুল্লাহ তেহরানের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালায়। সেই সময় ১০ লাখের বেশি লেবানিজ মানুষ নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যান।

লেবানন যুদ্ধের অবসান ঘটানো ছিল যেকোনো শান্তিচুক্তির জন্য ইরানের অন্যতম শর্ত। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রও একটি চুক্তির জন্য চাপ দিতে থাকে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে কয়েক মাস ধরে আলোচনা এবং জুনে যুদ্ধবিরতি হলেও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইসরায়েলি সেনারা এখনো নিজেদের ঘোষিত একটি নিরাপত্তা অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ওই অঞ্চলের মধ্যে লেবাননের কয়েক ডজন গ্রাম রয়েছে। এসব গ্রামের অনেকগুলোই ইসরায়েলি সেনারা ধ্বংস করে দিয়েছে। পশ্চিম জাওতারের বাসিন্দারা বলেন, জুলাইয়ে বাড়িতে ফিরে আসার অনুভূতি ছিল মিশ্র। বাড়িতে ফিরতে পেরে তারা খুশি ছিলেন। কিন্তু ফিরে এসে দেখেন, অনেক বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। আর ইসরায়েলি সেনারাও খুব কাছেই অবস্থান করছে।

ইয়াগির বাড়ির ওপরের তলায় একটি ট্যাংকের গোলা আঘাত করেছিল। এতে বাড়ির সব জানালা ভেঙে যায়। আরেকটি গোলা তার পানির ট্যাংকের ছাদ ভেদ করে। এতে ট্যাংকের পানি রক্তের মতো লাল হয়ে যায়। বাড়ি মেরামতে অনেক টাকা লাগবে। তাই আপাতত মেরামতের কাজ পিছিয়ে দিয়েছেন ইয়াগি।

তিনি বলেন, “কাচ নেই বলে আমরা কার্ডবোর্ড আর এ ধরনের জিনিস দিয়ে জানালা ঢেকেছি। আমার আরেক ছেলের বাড়িরও সব কাচসহ সবকিছু নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখানেই আছি। যত দিন না তারা এখান থেকে পুরোপুরি চলে যায়।” এ সময় পাশের গ্রামে থাকা ইসরায়েলি সেনাদের দিকে ইঙ্গিত করেন তিনি।

ইয়াগির প্রতিবেশীদের খুব কমসংখ্যকই এখন পর্যন্ত বাড়িতে ফিরেছেন। কারণ তাদের বাড়িঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ইয়াগির বাগানের ভেতর দিয়ে ট্যাংকের চাকার দাগ দেখা যাচ্ছিল। কয়েক দশক ধরে যত্ন করে বড় করা জলপাই গাছগুলো উপড়ে পড়ে আছে। এখন জলপাই সংগ্রহের মৌসুম শুরু হয়েছে। বাগানে যা কিছু বাকি আছে, সেগুলো সংগ্রহ করতে পেরে ইয়াগি উচ্ছ্বসিত।

ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থানের কাছে যেসব জলপাই বাগান রয়েছে, সেসব বাগানের মালিকেরা বলেছেন, গাছের কাছে যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এ জন্য লেবানন ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে থাকা সমন্বয় ব্যবস্থার মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে। কেউ কেউ জলপাই সংগ্রহ করতে ওয়াশিংটনের কাছে অনুমতি চাইতে হওয়াকে হাস্যকর বলে ঠাট্টা করেছেন। আবার কেউ আশঙ্কা করছেন, অনুমতি আসতে আসতে জলপাই সংগ্রহের সময় শেষ হয়ে যাবে।

পশ্চিম জাওতার থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে এর পাশের গ্রাম পূর্ব জাওতার। গ্রামটি এখনো ইসরায়েলি সেনাদের দখলে। তারা সেখানে নিয়মিতভাবে বাড়িঘর ধ্বংস করছে। পূর্ব জাওতার থেকে বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা পশ্চিম জাওতারে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। গ্রামের প্রধান চত্বরে সাদা প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে তারা নিজেদের বাড়িঘরের দিকে তাকিয়ে থাকেন। মাঝখানে রয়েছে জলপাই বাগান ও কৃষিজমি দিয়ে ঘেরা একটি ছোট উপত্যকা। সেখান থেকে নিজেদের গ্রামের ধ্বংসযজ্ঞ তারা খুব কাছ থেকে দেখতে পাচ্ছেন।

এক ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, গত তিন সপ্তাহ ধরে তিনি নিজের বাড়িতে আলো জ্বলতে দেখেছেন। তার ধারণা, ইসরায়েলি সেনারা বাড়িটি ধ্বংস করার জন্য সেখানে বিস্ফোরক বসাচ্ছে।

পশ্চিম জাওতারের মেয়র আবেদ এজেদ্দিন রয়টার্সকে বলেন, “পরীক্ষামূলক অঞ্চল” কর্মসূচি সফল হয়নি। এর প্রধান কারণ হলো বিদ্যুৎ ও পানির মতো প্রয়োজনীয় সরকারি সেবাগুলো এখনো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চালু হয়নি। এজেদ্দিন বলেন, “নীতিগতভাবে আমি বলতে পারি, না, এটি সফল হয়নি। আমাদের যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা হলো পশ্চিম জাওতার একটি পরীক্ষামূলক অঞ্চল হিসেবে আদর্শ গ্রাম হবে।”

প্রায় ৭০টি পরিবার পশ্চিম জাওতারে ফিরে এসেছে। তাদের বেশির ভাগই বাড়ির যেসব অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, সেখানেই বসবাস করছে। অনেকের কাছে অন্য জায়গায় ভাড়া দিয়ে থাকা বা বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার চেয়ে এটিই ভালো বিকল্প। লেবানন সরকারের দক্ষিণাঞ্চল বিষয়ক পরিষদ এমন ১৬টি তৈরি করা ঘর দিয়েছে, যেসব পরিবারের বাড়িতে বসবাস করা সম্ভব নয়।

তবে এসব তৈরি করা ঘরের বেশির ভাগই এখনো খালি পড়ে আছে। কারণ সেখানে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা নেই। সরকারি কর্মীরা বিদ্যুতের লাইন বাড়ানোর কাজ শুরু করেছেন। তবে তাদের নতুন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত লাইন নিতে হচ্ছে। কারণ গ্রামের পুরোনো বিদ্যুৎ সংযোগটি পূর্ব জাওতারের ভেতর দিয়ে গেছে।

এজেদ্দিন বলেন, “কিছুক্ষণের মধ্যেই ড্রোনটি হয়তো গ্রামের প্রধান চত্বরে থাকা মানুষের ওপর দিয়ে উড়বে। এটি কাউকেই একা থাকতে দিচ্ছে না।” কথা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই একটি ছোট নজরদারি ড্রোন এজেদ্দিন ও রয়টার্সের সাংবাদিক দলের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ধীরে ধীরে নিচে নেমে সেটি মাটি থেকে মাত্র কয়েক মিটার ওপরে চলে আসে। কয়েক মিনিট সেটি সেখানে ভেসে থাকে। এরপর পাশের দখল করা গ্রামের দিকে উড়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার নির্মাণের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার নির্মাণের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে সারদার মতো একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রোহিঙ্গা সমস্যা এবং চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে একটি পুলিশ একাডেমি এবং পাশাপাশি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার নির্মাণ করা হবে। সলিমপুরের সন্ত্রাসীদের হটিয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে মাদক কারবারি এবং মানবপাচারের ঘটনা রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে। এই কারণে রঙ্গিখালী এবং নোয়াখালী পাড়ায় দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মন্ত্রী মন্তব্য করেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব। জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় তাদের প্রত্যাবসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%