ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের জুলাই শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের বাদ দিয়ে জুলাই জাতীয় সম্মেলন


দেশের জুলাই শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের বাদ দিয়ে জুলাই জাতীয় সম্মেলন

ঢাকায় জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। এছাড়া সরকারের মন্ত্রী, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, চিকিৎসক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ করেন বলে জানা যায়।

আয়োজকদের তথ্যমতে, জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি ও জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এর যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল ২০২৪শে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাদের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন।

আরও পড়ুন: আগুনে পুড়েছে পুঁজি, মাথায় ১০ লাখ টাকার ঋণ, দিশাহারা যুবদল নেতা ইমরুল

তবে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানের জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সমালোচনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জুলাই জাতীয় সম্মেলন হিসেবে প্রচার করা হলেও দেশের বহু জুলাই শহীদ পরিবার, আন্দোলনে আহত প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বরং সীমিত তথাকথিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়েই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

সমালোচকদের দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের অর্জন নয়; এটি ছিল দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত একটি গণআন্দোলন। তাই জাতীয় পর্যায়ের এমন কর্মসূচিতে জুলাই শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের বাদ দেওয়া হলে তার গ্রহণযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানো তাদের আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের পরিপন্থী। একইভাবে আন্দোলনে আহত এবং সরাসরি অংশ নেওয়া দেশের অনেক জুলাই যোদ্ধাও অনুষ্ঠানে স্থান পাননি বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সরকারের গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধারা।

দেশের জুলাই যোদ্ধারা বলেন, যাদের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই আয়োজন সম্ভব হয়েছে, তাদেরই যদি আমন্ত্রণ জানানো না হয়, তাহলে এমন সম্মেলনের নৈতিক ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে গভীর রাতে সড়কে দাঁড়িয়ে যাত্রীরা, লরি চাপায় নিহত ৫

সমালোচকদের মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল সাম্য, বৈষম্যহীন সমাজ, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। তাই রাষ্ট্রীয় বা জাতীয় পর্যায়ের যেকোনো কর্মসূচিতে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের যথাযথ মর্যাদা ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিলো।

এ বিষয়ে আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে সমালোচকরা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে আয়োজন এবং দেশের সব শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকার আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে ৩ একর জমি চূড়ান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকার আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে ৩ একর জমি চূড়ান্ত

মাদারীপুর শহরের দীর্ঘদিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংকট নিরসনে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট (ডাম্পিং স্টেশন) নির্মাণের জন্য সদর উপজেলার চর ব্রাহ্মমদী মৌজায় প্রায় ৩ একর জমি চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার উপস্থিতিতে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন, জমি পরিমাপ এবং প্রকল্পের সীমানা চিহ্নিতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো মাদারীপুর পৌরসভার নিজস্ব কোনো ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে ও খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেলা হতো। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল।

এই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে সরকারি খাসজমিতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পৌরসভা। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন প্রায় সাড়ে ৫ একর সরকারি জমি পৌরসভার অনুকূলে হস্তান্তর করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৩ একর জমিতে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ কোটি টাকা।

শনিবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় সার্ভেয়াররা জমি পরিমাপ করেন এবং সীমানা নির্ধারণের জন্য লাল নিশানা স্থাপন করেন। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ কমবে এবং স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, "ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের কাজ শেষ হলে চর ব্রাহ্মমদীর আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে একটি দৃষ্টিনন্দন ইকোপার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে একদিকে যেমন মানুষ বিনোদনের সুযোগ পাবে, অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।"

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর পৌরসভার প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহম্মদ ফিরোজ ইলিয়াস, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার জানাজানির পর অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোররাতে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজার এলাকায় একটি কনফেকশনারি দোকানের সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে শনিবার (৪ জুলাই) সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভোর ৪টা ৮ মিনিটের দিকে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক মাঝবয়সী নারীর কাছে সাদা শার্ট ও লুঙ্গি পরিহিত এক ব্যক্তি এসে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে। কিছুক্ষণ পর বাজারের এক পাহারাদার ঘটনাস্থলে এসে ওই নারীকে দেখতে পান।

পুলিশ জানায়, ভিডিও বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত হিসেবে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারসংলগ্ন দুর্গাপুর এলাকার দুলা মিয়ার ছেলে খোকনকে (৫০) শনাক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, খোকন এলাকায় জুয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত এবং একজন চিহ্নিত জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সূত্র ধরেই পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।’

এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ‘ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পরপরই অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার পরিচয় শনাক্ত, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান ইরানের রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার বার্তা দিচ্ছে: বিশ্লেষকদের মত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান ইরানের রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার বার্তা দিচ্ছে: বিশ্লেষকদের মত

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শোক প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং, এর মাধ্যমে দেশের নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রীয় নীতির ধারাবাহিকতা বিশ্বকে প্রবাহিত করছে তেহরান। এমন মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ফেলো মোহাম্মদ এসলামি। আজ শনিবার (৪ জুলাই) আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসলামি বলেন, ইরানের ইতিহাসে খামেনি এমন এক leaders শ্রেণীর মধ্যে আছেন, যিনি যুদ্ধ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন। তার ভাষায়, ‘খামেনি এমন নেতা ছিলেন না, যিনি শুধু নির্দেশ দিতেন। তিনি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সামনের সারিতে ছিলেন। তাই তার মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।’ এসলামি বলেন, শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানি সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই বার্তা দিতে চায় যে, খামেনির আঞ্চলিক নীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার পথ মৃতের পরও অব্যাহত থাকবে। খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ছেলে এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মুজতবা খামেনির প্রকাশ্যে অনুপস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন এই গবেষক। তার মতে, গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এটি মূলত একটি নিরাপত্তাজনিত সিদ্ধান্ত। এসলামি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নতুন নেতৃত্বকে নিরাপদ রাখা এবং রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বকে স্থিতিশীল করা। এই সংকটময় সময়ে মুজতবা খামেনির প্রধান দায়িত্ব হলো তার নেতৃত্বকে সুসংহত করা।’ তিনি আরও বলেন, ইরানের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নতুন নেতৃত্বের অধীনে রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকে দৃঢ়ভাবে পরিচালনা করা। এসলামি আরও বলেছেন, খামেনির শেষকৃত্যের সময়টি শিয়া মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। তিনি বলেন, ‘খামেনির শেষকৃত্য এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন মহররম মাসের প্রথম ১০ দিন শেষ হয়েছে। এই সময় শিয়ারা তৃতীয় ইমাম ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাত স্মরণ করেন।’ এসলামি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় না ইরানিরা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস নিয়ে ভাবছে। বরং তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা নিজেদের অনুসারীদের উদ্দেশে এই বার্তা দিতে চায় যে, আলি খামেনির শাহাদাৎ ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাতের ধারাবাহিকতারই অংশ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ইউনেস্কোর 'বিপন্ন' তালিকা থেকে রক্ষা পেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ইউনেস্কোর

অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বড় পর্যটন আকর্ষণ গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ আপাতত জাতিসংঘের ‘ঝুঁকিপূর্ণ তালিকার’ অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। তবে ইউনেস্কো প্রবাল প্রাচীরের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং প্রচুর প্রবাল ব্লিচিং নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

খবরটি এনেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূল বরাবর বিস্তৃত এই প্রবালপ্রাচীরটি ২,৩০০ কিলোমিটার (১,৪২৬ মাইল) দীর্ঘ। বিলাসবহুল এই প্রবালপ্রাচীরের বিশ্ব ঐতিহ্য মর্যাদা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে ইউনেস্কো-র খসড়া সিদ্ধান্তকে শনিবার ক্যানবেরা স্বাগত জানিয়েছে।

২০২১ সাল থেকে ইউনেস্কো প্রতিবছর এই প্রবাল প্রাচীরকে পর্যবেক্ষণ করছে। ওই বছর তারা সতর্ক করেছিল যে এটি ভবিষ্যতে ‘ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। জাতিসংঘের সংস্থাটি শুক্রবার প্যারিসে প্রকাশিত খসড়া প্রতিবেদনে জানায়, অস্ট্রেলিয়া জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পানির গুণমান উন্নয়ন, টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা এবং ভূমি পরিষ্কার নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

তবে, ২০২৪-২৫ সালে প্রবাল প্রাচীর জুড়ে শক্ত প্রবালের আচ্ছাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। উচ্চ সমুদ্র তাপমাত্রার কারণে ২০১৬ সালের পর এটি ষষ্ঠ বড় প্রবাল ব্লিচিং ঘটনার শিকার হয়েছে। এছাড়া, চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়া, দূষিত পানির প্রবাহ, উপকূলীয় উন্নয়ন এবং ‘ক্রাউন-অফ-থর্নস’ নামের স্টারফিশের আক্রমণও প্রবাল প্রাচীরের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।

ইউনেস্কো বলেছে, ‘প্রবাল প্রাচীরের সহনশীলতা এখনো দৃশ্যমান, তবে এ অবস্থান থেকে পুনরুদ্ধার ও টিকে থাকার সক্ষমতা ক্রমশ কমে যাচ্ছে এবং এটি গভীর উদ্বেগের বিষয়।’ অস্ট্রেলিয়া গত বছর পরিবেশ আইনকে কঠোর করে প্রবাল অঞ্চলে বনভূমি উজাড় নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে। তবে ইউনেস্কো আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছে, বিশেষ করে ড্রেজিং এবং অতিরিক্ত মাছ ধরার ক্ষেত্রে।

অস্ট্রেলিয়ান মেরিন কনজারভেশন সোসাইটির ক্যাম্পেইন ম্যানেজার লিসা শিন্ডলার বলেছেন, এখনো বড় ঘাটতি রয়ে গেছে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি প্রতি বছর অর্থনীতিতে ৯ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৬.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) অবদান রাখে এবং প্রায় ৭৭,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। এটি রক্ষা করার জন্য আমাদের আরও কিছু করতে হবে। তাই, এটি রক্ষায় ইউনেস্কো না বললেও আরও পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’ অস্ট্রেলিয়াকে ২০২৮ সালে আবারও অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%