বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৩ পি.এম
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং মাধবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র শাহ মো. মুসলিমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে মাধবপুর পৌর এলাকার একটি আবাস থেকে তাকে আটক করা হয়। বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শাহ মো. মুসলিমের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সরাইল এবং ঢাকায় চেক ডিজঅনারের জন্য পৃথক তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এর মধ্যে দু’টি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন।
মাধবপুর থানার ওসি মো. সোহেল রানা জানিয়েছেন, শাহ মো. মুসলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার কারণে মঙ্গলবার রাতে পৌর এলাকার স্বপন মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। আজ দুপুরে তাকে হবিগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এখন পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতকে পরাজিত করতে এবার সকল শক্তি নিংড়ে দিতে চান জ্যোতিরা।
এটি যেন একটি অলিখিত নিয়ম! নারী এশিয়া কাপ হোক কিংবা এশিয়ান গেমস সেমিফাইনালে ভারত-বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়া। এবারের এশিয়া কাপেও এর ব্যতিক্রম ঘটছে না।
মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের ফাইনালে ওঠার ম্যাচে দুই দল মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এর আগে সর্বশেষ আসরেও ভারত-বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেলেছিল। ২০২৩ এশিয়ান গেমসের শেষ চারে দুই দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়েছিল। উভয় ম্যাচেই বাংলাদেশ পরাজিত হয়েছে।
২০১৮ এশিয়া কাপটি বাংলাদেশের জন্য ছিল বিশেষ। কারণ সেবার ভারতকে ফাইনালে পরাজিত করে নারী-পুরুষ উভয় বিভাগে প্রথমবারের মতো মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা জয় করেছিল বাংলাদেশ। সেই স্মৃতিগুলো ফিরিয়ে আনাই এবার নিগার সুলতানা জ্যোতির লক্ষ্য। দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগে অধিনায়ক এমন লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন।
সেই সুখকর স্মৃতি পুনরুদ্ধার করতে হলে আগামীকাল ভারতকে পরাজিত করতে হবে বাংলাদেশকে। জ্যোতি বিশ্বাস করেন, এটি সম্ভব। গতকাল হংকংকে পরাজিত করে সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ নিয়ে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার বলেছেন, ‘সুনির্দিষ্ট দিনটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তারা (ভারত) খুব ভালো দল এবং শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। অবশ্যই আমাদের সেরা পারফরম্যান্স দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে তুলতে চেষ্টা থাকবে।
যদি আমরা তা করতে পারি, তবে দিনশেষে ফল আমাদের পক্ষে আসবে। আমরা নিজেদের শতভাগ উজাড় করে দিতে চাই এবং মাঠে পারফরম্যান্স দেখতে চাই।’
অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১১ সেপ্টেম্বর। দুই সেমিফাইনালের জয়ী দল ফাইনালে খেলবে ১৩ সেপ্টেম্বর। শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইও হবে দুবাইয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুলাউড়ায় অটোরিকশা চার্জিং স্টেশনে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। অভিযানে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নের পাশাপাশি একটি মিটার ও ৯টি ব্যাটারি চার্জার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৩৮৪ টাকা সরকারি রাজস্ব ক্ষতির মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার আলালপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে বিদ্যুৎ বিভাগ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুলাউড়া বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার প্রামানিক জয়।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুলাউড়া বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন জানান, আলালপুর এলাকার মো. আলমাছ পারভেজ তালুকদারের অটোরিকশা চার্জিং স্টেশনে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের সন্ধান পাওয়া যায়।
এ সময় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়টি ধরা পড়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবহৃত মিটার ও ৯টি ব্যাটারি চার্জার জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় বিদ্যুৎ আইনে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও চুরির মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ ৪ লাখ ১৭ হাজার ৩৮৪ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযানে অংশ নেন উপসহকারী প্রকৌশলী ফুলমিয়া, আল-আমিন ও রিপন চন্দ্র রায় এবং লাইনম্যান মো. হেলাল মিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার নতুন দূরপাল্লার জেটচালিত ড্রোন প্রায় যাত্রীবাহী বিমানের সমান গতিতে উড়তে পারে এবং কয়েক কিলোমিটার উচ্চতায় চলাচল করতে সক্ষম। এই ড্রোন ইউক্রেনের দুর্বল হয়ে পড়া আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মস্কো কিয়েভকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় এসব ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। বিমান হামলার সতর্ক সংকেতের কারণে নগরজীবন অনেকটা অচল হয়ে পড়েছে।
রোববার, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত কয়েক দিনের আকাশ পরিস্থিতিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের নতুন কৌশল হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘গত কয়েক দিনে আকাশে যে ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে’— তার জবাব দেওয়া হবে।
রাশিয়ার ২০২২ সালের আগ্রাসনের পর ইউক্রেন দ্রুত গড়ে তোলা কার্যকর ও কম খরচের ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন এসব ড্রোনের কারণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।
ইউক্রেন বর্তমানে ড্রোন প্রতিরক্ষায় বিশ্বের অন্যতম অগ্রণী দেশ হয়ে উঠেছে। এ প্রযুক্তি ভাগাভাগির জন্য পশ্চিমা ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সঙ্গে দেশটি চুক্তি করেছে।
তবে ইউক্রেনের প্রশংসিত ড্রোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রচলিত ড্রোনের বেশিরভাগই ধ্বংস করতে সক্ষম হলেও, নতুন জেটচালিত ড্রোনগুলো ঠেকাতে তাদেরকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। প্রচলিত ড্রোন সাধারণত অভ্যন্তরীণ বা ইন্টারনাল কম্বাশন ইঞ্জিন ও প্রপেলার দিয়ে চালিত হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন ড্রোনগুলোতে চীনে তৈরি বিমানের মতো ছোট জেট ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলো পাঁচ কিলোমিটার উচ্চতায় ঘণ্টায় ৪০০ থেকে ৬০০ কিলোমিটার (২৫০ থেকে ৩৭০ মাইল) গতিতে উড়তে সক্ষম। ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনভিত্তিক আগের সংস্করণগুলোর তুলনায় এ গতি প্রায় তিন গুণ।
নতুন মডেলের ড্রোনে সর্বোচ্চ ৯০ কেজি বিস্ফোরক বহন করা সম্ভব, যা আগের সংস্করণগুলোর প্রায় দ্বিগুণ। এগুলো আকারেও অনেক বড়— দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ মিটার ও ডানার বিস্তার ৫.৫ মিটার।
ইউক্রেনের সামরিক বিশেষজ্ঞ সের্গি জাগুরেটস এএফপিকে বলেন, এসব ড্রোনের উচ্চতা ও গতি ইউক্রেনের বর্তমান ড্রোন প্রতিরোধ ব্যবস্থার নাগালের বাইরে। এর ফলে ড্রোন মোকাবিলায় আমরা যে অগ্রগতি অর্জন করেছিলাম, তা অনেকটাই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে।
আকাশ প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এসব ড্রোন প্রচলিত ড্রোনের তুলনায় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ধারণা করা হচ্ছে, আগস্টে রাশিয়া প্রায় ২ হাজার ৮০০টি জেটচালিত ড্রোন ছুড়েছে। জুলাইয়ে এই সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৫০০ এবং জুনে মাত্র কয়েক শ।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এসব ড্রোনের প্রায় ৬০ শতাংশ ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে। অন্যদিকে, ধীরগতির ও কম উচ্চতায় উড়া প্রচলিত ড্রোন ধ্বংসের হার ৯০ শতাংশের বেশি।
নতুন ধরনের ড্রোন হামলা এমন সময়ে শুরু হয়েছে, যখন গ্রীষ্মের শুরু থেকে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় কিয়েভ এমনিতেই চাপে রয়েছে। এসব হামলায় বেশ কয়েকজন মানুষ নিহত হয়েছে।
শুক্রবার একটি জেটচালিত ড্রোন কিয়েভের ঐতিহাসিক কেন্দ্রস্থলে ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থার সদর দপ্তরে আঘাত হানে। দিনের বেলায় চালানো এই হামলাকে অত্যন্ত প্রতীকী আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরুর চেষ্টা করতে মস্কো ও কিয়েভ সফরে থাকা মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সফর ব্যাহত করতেই রাশিয়া এই হামলা চালিয়েছে।
দফায় দফায় হামলার কারণে কিয়েভ প্রায় অচল হয়ে পড়ছে। প্রতিদিন এক ডজন পর্যন্ত বিমান হামলার সতর্ক সংকেত বেজে উঠছে।
সতর্ক সংকেত জারি হলে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। মেট্রোরেল চলাচলও সীমিত করা হয়। ফলে সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয় এবং মানুষ রাস্তায় জড়ো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে নোংরা ভাষায় টকশোতে কথা বলা অনুচিত ছিল। তিনি ভবিষ্যতে নিজেকে শুধরে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বক্তব্য প্রকাশ করেন।
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অতীতে জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী, কন্যা এবং মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদসহ বিএনপি সরকারের মন্ত্রী ও সিনিয়র নেতাদের নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। এর প্রেক্ষিতে কয়েক মাস আগে আমি অসাবধানতাবশত একটি উদাহরণস্বরূপ প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলাম, ‘রাস্তা দিয়ে যখন কোনো ... হেঁটে যায়, ওটাকে ... মানুষ মনে না করে ... ওটাই মনে করা উচিত! বর্তমান রাজনীতিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো কিছু ... লোক দেখা যাচ্ছে, যারা রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে নোংরা করছে!’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘যদি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ন্যূনতম পরিশীলিত রাজনীতি করতেন, তাহলে হয়তো আমার এমন উদাহরণ দিতে হতো না। এছাড়া, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আমাকে নিয়েও অশ্রাব্য ভাষায় অনেক কথা বলেছেন, যা ব্যক্তিগত সংক্ষুব্ধতা ও তিক্ততায় রূপ নিয়েছে। এ বিষয়ে একে-অপরের বিরুদ্ধে না বলার জন্য তিনি আমাকে কলও করেছিলেন, যা আমি আগেই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি ৫-৬ ঘণ্টা পর তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন।
রাশেদ খান লিখেছেন, ‘সর্বশেষ মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে আপনারা তার মন্তব্য লক্ষ্য করেছেন। তবুও, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো নোংরা ভাষার জবাব নোংরা ভাষায় দেওয়া আমার জন্য ঠিক হয়নি, এমনটাই মনে করেন দেশ বিদেশে অবস্থানরত আমার অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী! আমার প্রতিক্রিয়া ছিল 'টিট ফর ট্যাট' এর মতো। তবে ২০২৪ পরবর্তী রাজনীতির গতি পথে আমরা দেশ গঠন, মানবিক মর্যাদা এবং বৃহত্তর কল্যাণকে প্রাধান্য দিতে চাই। এ কারণে আমার পক্ষ থেকে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাষাগত ভুল হয়েছে, তা আমি প্রত্যাহার করছি এবং ভবিষ্যতে নিজেকে শুধরে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
আমাদের সবারই উচিত গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি সহনশীল ও পরিশীলিত রাজনীতির সুযোগ সৃষ্টি করা।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘২০১৮ সাল থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন, সংগ্রাম ও রাজনৈতিক অভিযাত্রায় আমি সবসময় সহনশীল ও ভাষার ব্যবহারে সতর্ক থাকার চেষ্টা করেছি। এই প্রচেষ্টা ও সতর্কতা সবসময় অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আমি মনে করি, ঘৃণা ছড়িয়ে আমরা কেউই লাভবান হতে পারবো না। এতে কেবল বিরাজনীতিকরণের উদ্দেশ্যে বসে থাকা গোষ্ঠী উপকৃত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ