প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে নোংরা ভাষায় টকশোতে কথা বলা অনুচিত ছিল। তিনি ভবিষ্যতে নিজেকে শুধরে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বক্তব্য প্রকাশ করেন।
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অতীতে জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী, কন্যা এবং মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদসহ বিএনপি সরকারের মন্ত্রী ও সিনিয়র নেতাদের নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। এর প্রেক্ষিতে কয়েক মাস আগে আমি অসাবধানতাবশত একটি উদাহরণস্বরূপ প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলাম, ‘রাস্তা দিয়ে যখন কোনো ... হেঁটে যায়, ওটাকে ... মানুষ মনে না করে ... ওটাই মনে করা উচিত! বর্তমান রাজনীতিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো কিছু ... লোক দেখা যাচ্ছে, যারা রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে নোংরা করছে!’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘যদি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ন্যূনতম পরিশীলিত রাজনীতি করতেন, তাহলে হয়তো আমার এমন উদাহরণ দিতে হতো না। এছাড়া, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আমাকে নিয়েও অশ্রাব্য ভাষায় অনেক কথা বলেছেন, যা ব্যক্তিগত সংক্ষুব্ধতা ও তিক্ততায় রূপ নিয়েছে। এ বিষয়ে একে-অপরের বিরুদ্ধে না বলার জন্য তিনি আমাকে কলও করেছিলেন, যা আমি আগেই জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি ৫-৬ ঘণ্টা পর তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন।
রাশেদ খান লিখেছেন, ‘সর্বশেষ মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে আপনারা তার মন্তব্য লক্ষ্য করেছেন। তবুও, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতো নোংরা ভাষার জবাব নোংরা ভাষায় দেওয়া আমার জন্য ঠিক হয়নি, এমনটাই মনে করেন দেশ বিদেশে অবস্থানরত আমার অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী! আমার প্রতিক্রিয়া ছিল 'টিট ফর ট্যাট' এর মতো। তবে ২০২৪ পরবর্তী রাজনীতির গতি পথে আমরা দেশ গঠন, মানবিক মর্যাদা এবং বৃহত্তর কল্যাণকে প্রাধান্য দিতে চাই। এ কারণে আমার পক্ষ থেকে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাষাগত ভুল হয়েছে, তা আমি প্রত্যাহার করছি এবং ভবিষ্যতে নিজেকে শুধরে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
আমাদের সবারই উচিত গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি সহনশীল ও পরিশীলিত রাজনীতির সুযোগ সৃষ্টি করা।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘২০১৮ সাল থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন, সংগ্রাম ও রাজনৈতিক অভিযাত্রায় আমি সবসময় সহনশীল ও ভাষার ব্যবহারে সতর্ক থাকার চেষ্টা করেছি। এই প্রচেষ্টা ও সতর্কতা সবসময় অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আমি মনে করি, ঘৃণা ছড়িয়ে আমরা কেউই লাভবান হতে পারবো না। এতে কেবল বিরাজনীতিকরণের উদ্দেশ্যে বসে থাকা গোষ্ঠী উপকৃত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন