ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক রাতে হারালেন হাজার কোটি টাকার সম্পদ: রবার্তো কার্লোস


এক রাতে হারালেন হাজার কোটি টাকার সম্পদ: রবার্তো কার্লোস

ফুটবল মাঠে সাফল্যের দিক থেকে কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস। ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জয় থেকে শুরু করে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে একের পর এক শিরোপা—ক্যারিয়ারে অর্জনের অভাব ছিল না তার। তবে মাঠের বাইরের জীবনে ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে সাবেক এই তারকাকে। তিনি জানিয়েছেন, নিজের ক্যারিয়ারে উপার্জিত সম্পদের প্রায় পুরোটাই হারিয়ে ফেলেছেন।

লিসবনে আয়োজিত ‘পর্তুগাল ফুটবল সামিটে’ নিজের জীবনের কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেন ৫৩ বছর বয়সী কার্লোস। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারে উপার্জন করা অর্থের ৯৯ শতাংশ একপর্যায়ে তার হাতছাড়া হয়ে যায়।

ইন্টার মিলান, রিয়াল মাদ্রিদ ও ফেনারবাচের মতো ক্লাবে খেলে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছিলেন কার্লোস। কিন্তু পরবর্তীতে ভুল মানুষের ওপর আস্থা রাখাই তার জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যাদের প্রতি তিনি বিশ্বাস রেখেছিলেন, তাদের কারণেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ সঞ্চিত সম্পদের বড় অংশ হারাতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: আরাফাত মিনহাসের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের সহজ জয়

নিজের সেই দুঃসময়ের কথা বলতে গিয়ে কার্লোস জানান, এক রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পর পরদিন সকালে উঠে তিনি এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, যার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলেন না। তার ভাষায়, "বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঘুমাতে যাওয়ার পর শুক্রবার সকালে উঠে সামনে দেখতে পান নথিপত্রের বিশাল স্তূপ।" সেগুলোর বিষয়ে তিনি আগে কিছুই জানতেন না। তখনই বুঝতে পারেন, অতীতে কষ্ট করে উপার্জন করা সম্পদের প্রায় সবটাই হারিয়ে ফেলেছেন।

এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদেরও সতর্ক করেছেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকা। তার মতে, একজন খেলোয়াড়ের উচিত শুধু মাঠের ক্যারিয়ার নিয়েই না ভেবে অবসর-পরবর্তী জীবন নিয়েও আগেভাগে পরিকল্পনা করা।

কার্লোস আরও বলেন, খেলোয়াড় হিসেবে নিজের আলাদা পরিচয় ও ভাবমূর্তি তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নিজেও ফুটবল ছাড়ার আগেই স্পোর্টিং ডিরেক্টরের লাইসেন্স নিয়েছিলেন এবং কয়েকটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ শুরু করেছিলেন। ফলে বিপুল সম্পদ হারানোর পরও সেই দূরদর্শী সিদ্ধান্তগুলো তাকে পরবর্তী জীবনে কাজে দিয়েছে।

ক্যারিয়ারে ঠিক কত অর্থ আয় করেছিলেন কার্লোস, সেটিও কম বিস্ময়কর নয়। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর তথ্য অনুযায়ী, পুরো পেশাদার ক্যারিয়ারে তার আয় ছিল আনুমানিক ১৬ কোটি ইউরো। তবে খেলোয়াড়দের এজেন্টদের সঙ্গে বিভিন্ন আর্থিক বিষয় নিয়েই তার বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: র‍্যাঙ্কিংয়ে এগোলেন শারমিন ২৫তম ও স্বর্ণা ৮৬তম স্থানে

ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন কার্লোস। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও চারটি লা লিগা শিরোপাও জিতেছেন তিনি। বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদের বয়সভিত্তিক দলের কোচের পাশাপাশি ক্লাবটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও কাজ করছেন এই কিংবদন্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে শাহজাদপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর, সোমবার দুপুর ১২:০০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-৩-এর অডিটোরিয়ামে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার। মতবিনিময় সভায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সোবাহান এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও মতবিনিময় সভায় শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন, শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, শাহজাদপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক নওশাদ ও শাহজাদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী আইয়ুব আলী, শাহজাদপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মিজানুর রহমান ও উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক এবং পৌর জামাতের আমির আমিনুল ইসলাম, শাহজাদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আলামিন হোসেন, শাহজাদপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রাজিব আহমেদ রাসেল, শাহজাদপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হাজী তামিম এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার বলেন, "স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে একটি কার্যকর ও ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।" স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিক সমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্প্রতি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া কিছু অপ্রীতিকর ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উপাচার্য মহোদয় বলেন, "রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আপনাদেরই সন্তান। তাদের শাসন করার পাশাপাশি ভালোবাসা ও সহযোগিতা করার দায়িত্বও আপনাদের, আমাদের সবার।" শিক্ষার্থীরা যেন স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, সে বিষয়ে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সাম্প্রতিক ঘটনায় শাহজাদপুরের পুলিশ ও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার বলেন, "রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডগুলো সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে সাংবাদিক সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।" বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড, শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও ইতিবাচক যোগাযোগ আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সবাই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং শিক্ষা ও গবেষণার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাংবাদিক সমাজ, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ভবিষ্যতে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত সবাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে পরিবহন শ্রমিককে মারধর, কনটেইনার ডেলিভারি বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরে পরিবহন শ্রমিককে মারধর, কনটেইনার ডেলিভারি বন্ধ

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশের জন্য নির্ধারিত ফি থেকে বেশি টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ জানানোয় নিরাপত্তা কর্মীদের দ্বারা পণ্যবাহী ট্রেইলরের এক কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম বন্দরের পাঁচ নম্বর গেটে এই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা কনটেইনার ডেলিভারি বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি পণ্যবাহী কাভার্ডভ্যানের চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়। সন্ধ্যা ৭টায় রিপোর্ট লেখা অবধি বন্দরের ডেলিভারি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উভয়পক্ষকে নিয়ে আলোচনা শুরু করে। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তথ্য অনুসন্ধান করে জানা গেছে, পরিবহন শ্রমিককে মারধরের পর বিকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের চার নম্বর গেটে বিক্ষোভ শুরু হয়। এই কারণে বন্দরের ভেতরে ও বাহিরে কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারেনি। শ্রমিকদের বিক্ষোভের ফলে বন্দরের সড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এ সময় সাধারণ যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকে।

প্রাইম মুভারস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে গেট পাসের ফি ৫৭ টাকার পরিবর্তে ৮০-১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোকতার হোসেনের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ জানালে গেট থেকে এসে বন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে মারধর করেন।

পাঁচ নম্বর গেটে ঘটনার পর বন্দরের কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বস্ত করে এবং মীমাংসার প্রস্তাব দেয়। এরপর আমরা চার নম্বর গেটে গেলে সেখানে আরেকদল আমাদের দিকে তেড়ে আসে। এরপর থেকে আমরা পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দিই।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম যুগান্তরকে বলেছেন, ‘বন্দরের নিরাপত্তা কর্মী ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে একটি ভুল বোঝাবুঝির কারণে পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে আলোচনা চলছে। আশা করছি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডেলিভারি চালু হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু বাড়ছে, ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান চসিক মেয়রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


ডেঙ্গু বাড়ছে, ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান চসিক মেয়রের

চট্টগ্রাম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চট্টগ্রাম নগরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকা সমূহে মশক নিধন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। একই সঙ্গে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য নগরবাসীকে তাদের নিজ নিজ ঘর-আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শনকালে তিনি এই আহ্বান জানান।

ডা. শাহাদাত হোসেন উল্লেখ করেন, নগরবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে যেন ঘর-আঙিনা ও আশপাশে কোথাও পানি জমে না থাকে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতল, নির্মাণাধীন ভবনসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে। তাই, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে সিটি কর্পোরেশনের ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়। প্রত্যেক নাগরিককে তাদের বাসাবাড়ি ও কর্মস্থলের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।

তিনি আরও জানান, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে জোরদার করা হয়েছে। যেসব এলাকায় মশার ঘনত্ব বেশি, সেসব এলাকায় বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রামও পরিচালনা করা হচ্ছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঘর-আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, জমে থাকা পানি অপসারণ করুন এবং ডেঙ্গু থেকে নিজেকে রক্ষা করুন, অন্যদেরও রক্ষা করুন। সম্মিলিত সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঙ্গল গ্রহে পানির প্রমাণ, নতুন গবেষণায় রহস্য উন্মোচন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


মঙ্গল গ্রহে পানির প্রমাণ, নতুন গবেষণায় রহস্য উন্মোচন

মঙ্গল গ্রহের ইতিহাস এবং সেখানে অতীতে পানির উপস্থিতির তথ্য জানার জন্য বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা চালিয়ে আসছেন। এসব গবেষণার ফলাফল মঙ্গল গ্রহের নতুন নতুন তথ্য প্রকাশ করছে।

সম্প্রতি ‘কমিউনিকেশনস আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণা মঙ্গল গ্রহের জটিল জলবায়ু ইতিহাসকে উন্মোচন করেছে। নাসার পারসিভারেন্স রোভারের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, নাসার পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গল গ্রহের জেজেরো ক্রেটারে সুনির্দিষ্ট একটি লেক বা হ্রদের বাইরেও একাধিক পানিপ্রবাহের সন্ধান পেয়েছে। এর ফলে জেজেরো ক্রেটারের ভেতরের মার্জিন ইউনিট নামের অংশটি একটিমাত্র প্রাচীন হ্রদের স্রোতের কারণে তৈরি হয়নি।

বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল যে, জেজেরো ক্রেটারের ভেতরের মার্জিন ইউনিট নামের অংশে পাললিক শিলা থাকতে পারে। তবে রোভারটি দেখতে পেয়েছে, সেখানকার বেশির ভাগ শিলা মূলত ইগনিয়াস প্রকৃতির এবং অলিভিনে সমৃদ্ধ।

নতুন গবেষণার বিষয়ে পারডু ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ক্যান্ডিস বেডফোর্ড জানিয়েছেন, এসব শিলা মূলত মাটির অনেক গভীরে ম্যাগমা ঠান্ডা হয়ে তৈরি হয়েছিল এবং পরবর্তীকালে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ওপরে উঠেছে। এই শিলাগুলোর ভেতরের খনিজ স্ফটিক প্রমাণ করে যে, পরবর্তীকালে অন্তত তিনটি আলাদা ধাপে পানির সঙ্গে এই শিলাগুলোর বিক্রিয়া ঘটেছিল।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথম ধাপে কার্বন ডাই–অক্সাইডসমৃদ্ধ ভূগর্ভস্থ পানি অলিভাইনসমৃদ্ধ শিলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ফাটলগুলোতে কার্বনেট তৈরি করেছিল। দ্বিতীয় ধাপে জেজেরো ক্রেটারের প্রাচীন হ্রদের পানি বা পরিবর্তনশীল ভূগর্ভস্থ জলের প্রভাবে শিলাগুলোর রূপান্তর ঘটে এবং সেখানে সিলিকা জমা হয়।

হাওয়াই ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী এলেনি রাভানিস জানান, অলিভাইন রূপান্তরিত হয়ে কার্বনেট তৈরি হওয়ার সময় সিলিকা পেছনে ফেলে যায়। তৃতীয় ও শেষ ধাপে আগ্নেয় শিলার মধ্য দিয়ে উষ্ণ তরল বা হাইড্রোথার্মাল তরল প্রবাহিত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। ফলে ক্যালসিয়াম সালফেট ও ফ্লোরাইটের খনিজ শিরা তৈরি হয়েছে। ফ্লোরাইটের উপস্থিতি নিশ্চিত করে যে ওই অঞ্চলে একসময় উত্তপ্ত ভূগর্ভস্থ তরল বা হাইড্রোথার্মাল কার্যকলাপ সক্রিয় ছিল।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পারসিভারেন্স রোভারের মাস্তুলে থাকা সুপারক্যামের সাহায্যে মার্জিন ইউনিটের ১৮৫টির বেশি শিলার ওপর এই গবেষণা চালানো হয়েছে। নতুন এই তথ্য মঙ্গল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের সরাসরি প্রমাণ না দিলেও এটি এমন একটি ভূতাত্ত্বিক পরিবেশের সন্ধান দিয়েছে, যা অণুজীবের বেঁচে থাকার অনুকূল হতে পারত। বহুমুখী পানিপ্রবাহ মঙ্গলের প্রাচীন পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%