ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জমি বিরোধে স্কুল মাঠে তারকাঁটার বেড়া, ব্যাহত খেলাধুলা


জমি বিরোধে স্কুল মাঠে তারকাঁটার বেড়া, ব্যাহত খেলাধুলা

জমি বিরোধের কারণে লক্ষ্ণীপুরের ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের একটি অংশ তারকাঁটার বেড়া দ্বারা ঘিরে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতির ফলে মাঠের আয়তন কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মাঠের ভেতরে তারকাঁটার বেড়া থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয়রা। বিদ্যালয়ের মাঠটি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও শারীরিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান হওয়ায় স্থানীয়রা দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করে মাঠটি তারকাঁটামুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের একটি অংশ তারকাঁটার বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। এর ফলে মাঠের স্বাভাবিক ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ২০০১ সালে ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় স্থানীয় আব্দুল আলীর কাছ থেকে এওয়াজ-বদলের মাধ্যমে ১২ শতাংশ জমি নেওয়ার কথা ছিল। তিনি বিদ্যালয়ের নামে আরও ৫ শতাংশ জমি দান করার সম্মতি দেন। এর বিনিময়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্থানীয় আইনজীবী মনোরঞ্জন পালের কাছ থেকে আব্দুল আলীর বাড়ির পাশে ১২ শতাংশ জমি কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক দূষণ রোধে আলোচনা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই জমিটি বিদ্যালয়ের নামে রেজিস্ট্রি না করে তৎকালীন বিদ্যালয় সভাপতি আমিন হাওলাদার ও প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেনের নামে রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। ফলে আব্দুল আলী তার মালিকানাধীন জমির অংশে তারকাঁটার বেড়া দিয়ে ঘিরে দেন, কারণ তিনি প্রতিশ্রুত জমি পাননি। এই কারণে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের আয়তন কমে গেছে। শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও শারীরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং মাঠের ভেতরে তারকাঁটার বেড়া থাকায় অসাবধানতাবশত শিক্ষার্থীরা আহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ধর্মপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেন মন্তব্য করেন, “বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই একটি মীমাংসা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আশা করছি, বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যাটির সমাধান হবে।” অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। লক্ষ্ণীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াই প্রূ মারমা বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

আরও পড়ুন: কাউখালীতে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগর-মাধবপুর সড়ক যেন ‘মৃত্যুফাঁদ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৩ পি.এম


নাসিরনগর-মাধবপুর সড়ক যেন ‘মৃত্যুফাঁদ’

নাসিরনগর-মাধবপুর সড়ক যেন ‘মৃত্যুফাঁদ’

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর-মাধবপুর সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ জনগণের মধ্যে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। খানাখন্দে ভরা এই সড়ক দিয়ে চলাচল এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনেক স্থানে পায়ে হেঁটে চলাচল করা পর্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি গর্তে জমে থাকার কারণে দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ার কারণে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। চলতি বছরের ১৯ মার্চ "২৬ দৈনিক ইত্তেফাকে" সংবাদ প্রকাশের পর সড়ক মেরামতের কাজ শুরু হলেও তা আবার আকস্মিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে জনদুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এই অচলাবস্থার মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষ করে নাসিরনগর থেকে মাধবপুর পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক সড়কটি এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করলেও বছরের পর বছর সংস্কারের অভাবে এর অবস্থা চরমভাবে অবনতি হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই সড়কে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তে পানি জমে যায়, ফলে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। সড়কে গর্তে চাকা পড়লে যানবাহন উল্টে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন দুই উপজেলার অসংখ্য মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নুরপুর, চৈয়ারকুড়ি, শ্যামপুর, বেলুয়া, নরহা, হরিণবেড় ও হরিপুরসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কটির বেশিরভাগ অংশ ভেঙে খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে। সড়কের কার্পেটিং ছাড়াও পাথর, অনেক জায়গায় খোয়া ও বালি পর্যন্ত উঠে গেছে। বড় বড় গর্তের কারণে একদিন বৃষ্টি হলেই প্রায় এক সপ্তাহ পানি জমে থাকে। তখন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটতে থাকে। স্থানীয়দের কেউ কেউ রসিকতা করে এই সড়কের নাম দিয়েছেন ‘কোমড়ভাঙা রোড’।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল মোমেন জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, ঠিকাদারের ব্যর্থতার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও তিনি কোনো কর্ণপাত করছেন না। দ্রুতই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাছাড়া মাননীয় সংসদ সদস্যও এই রাস্তার সমস্যা নিয়ে মহান জাতীয় সংসদে কথা বলেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে আইএমইআই পরিবর্তন করা ৫৯ চোরাই মোবাইল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৫ পি.এম


বাগেরহাটে আইএমইআই পরিবর্তন করা ৫৯ চোরাই মোবাইল উদ্ধার

বাগেরহাট, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ফকিরহাটে একটি মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান চালিয়ে আইএমইআই পরিবর্তন করা ৫৯টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, চোরাই মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে সেগুলো বিক্রি করা হতো। সোমবার  রাত ১০টার দিকে ফকিরহাট উপজেলা বাজারে রেজাউর রহমান পলাশের ‘পুষ্প টেলিকম’ নামের মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আজ মঙ্গলবার সকালে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিং এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার হাসান মো. নাছের রিকাবদার।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, ফকিরহাট উপজেলার পাগলা শ্যামনগর এলাকার শেখ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে রেজাউর রহমান পলাশ (৩৪), আতাইকাঠি এলাকার আক্কেল আলী শেখের ছেলে মো. অহিদুল ইসলাম (২৬), খুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ এলাকার চৈতন্য সাহার ছেলে চন্দন সাহা (৩০) এবং বাগেরহাটের ভট্ট বালিয়াঘাটা এলাকার জাহাঙ্গীর খানের ছেলে মো. হুছাইন খান (২২)।

পুলিশ সুপার জানান, অভিযানের সময় আরও তিনজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তারা হলেন ফকিরহাটের পাগলা শ্যামনগর এলাকার শেখ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. শিমুল শেখ (২৫), আট্টাকী এলাকার কাদের ফকিরের ছেলে মো. শফিকুল ফকির (২২) এবং খুলনার রূপসা উপজেলার নারকেলী চাদপুর এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে তৌফিকুর রহমান (৩৪)। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫৯টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন, যে তারা পুষ্প টেলিকমে চোরাই মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে সেগুলো বিক্রি করতো। তাদের মধ্যে রেজাউর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে আগে একটি চুরির মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

এ ঘটনায় ফকিরহাট মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার করা ৫৯টি মোবাইল ফোন মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নজরুলকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


নজরুলকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

মঙ্গলবার নজরুল বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত "আমি হব সকাল বেলার পাখি" শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক বরেণ্য কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন।

বর্তমান সময়ের মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নজরুলের গান-কবিতা শিশুদের বেশি বেশি চর্চা করাতে হবে। তাহলে বর্তমান প্রজন্ম মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে থাকতে পারবে। 

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান কার্যক্রমের প্রশংসা করে প্রতিটি অনুষ্ঠানেই শিশু-কিশোরদের সুযোগ করে দেওয়ার অনুরোধ জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। 

সভাপতির বক্তৃতায় একাডেমির মহাপরিচালক বরেণ্য কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে শিশুদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা এমন দেশ গড়ে তুলব যেখানে নির্ভয়ে আমাদের বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারবে ও স্কুল থেকে ঘরে ফিরবে। নজরুলের ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েই আমাদের শিশুরা একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলবে। 

আলোচনা পরবর্তী সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই ৫০ জন শিশু-কিশোর শিল্পী দলীয়ভাবে গেয়ে শোনায় "দাও শৌর্য দাও ধৈর্য হে উদার নাথ দাও দাও প্রাণ"। এরপর ৫০জন শিল্পীর অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় সমবেত গান "শুকনো পাতার নূপুর পায়ে নাচিছে ঘূর্ণিবায়"। 

"বনের হরিণ আয়" গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুশিল্পীরা। 

"এই রাঙামাটির পথে লো মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি", গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নৃত্যশিল্পীদের নাচের দল তপস্যা। "পরি' জাফরানি ঘাগরি চলে শিরাজের পরী ইরানি কিশোরী হেসে' হেসে" গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে নাচের দল স্পন্দন। "রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ রুম্ ঝুম্ ঝুম্ খেজুর পাতার নূপুর বাজায়ে কে যায়", গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে রিদম ড্যান্স সেন্টার। "আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে", গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির নৃত্য শিল্পীরা। আবৃত্তি পর্বে কবির "মানুষ" কবিতাটি আবৃত্তি করে মাহদিয়া রহমান মারিসা, "খোকার সাধ" আবৃত্তি করে রাফিদ জাহিন প্রাচ্য, "লিচু চোর" আবৃত্তি করে অদিতি বাইন।

"মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ জবা অশোকে" গানটির সঙ্গে ৫০ জন শিশু-কিশোর শিল্পীর সমবেত নাচের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুর কারণ থেকে যৌন নির্যাতন, ফরেনসিক প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


মৃত্যুর কারণ থেকে যৌন নির্যাতন, ফরেনসিক প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য

রংপুর নগরীতে নিজ বাড়িতে খুন হওয়া শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তাদের দুই সন্তানের মরদেহের মরদেহের ফরেনসিক রিপোর্ট প্রস্তুত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং মরদেহগুলোর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মরদেহগুলো উদ্ধারের পর অনেক দেরিতে তাদের কাছে আসায় সেগুলোতে পচনের পর্যায়ে গিয়েছিল। চারজনেরই মৃত্যু শ্বাসরোধে হয়েছে বলে তারা ধারণা করছি।

ডা. বাবলু কিশোর বলেন, ‘মরদেহগুলোতে বিভিন্ন ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। চারটি মরদেহের গলায় দাগ ছিল। কোনো কোনো লাশের বুকে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে এসব আঘাত মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট নয়।’

গলার আঘাতের বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মেডিকেল প্রতিবেদন সম্পর্কে তিনি জনান, মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে ফরেনসিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে দিয়েছেন। পরীক্ষায় যা পাওয়া গেছে, প্রতিবেদনে তা-ই উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাইলে সেটি নিয়ে যেতে পারবেন।

ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা আসলে কোনো সেক্সুয়াল অ্যাসল্টের সাইন পাইনি। এমনকি ল্যাব টেস্টে আমরা যে স্যাম্পলগুলো পাঠিয়েছিলাম, সেগুলোতেও তেমন কোনো এভিডেন্স পাওয়া যায়নি।’

আসামিদের শরীরে আঁচড়ের দাগ কিংবা নিহতদের নখে কোনো আলামত পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এগুলো আসলে সিআইডি টিম আগেই নিয়ে যায়। আমদের পরীক্ষা করার আগেই তারা স্যাম্পল যোগাড় করে নেয়।’

মরদেহের মুখ কালো হয়ে যাওয়া কেমিক্যাল দিয়ে ঝলসানোর নয় বলে জানান এই চিকিৎসক। তিনি বলেন, ‘এটা হচ্ছে পচন প্রক্রিয়ারই একটা অংশ। যে অংশটা এক্সপোজড থাকে, সাধারণত সে অংশটা আস্তে আস্তে কালো হয়ে যায় এবং পুরো বডি আস্তে আস্তে পচনের প্রক্রিয়াতেই কালো হয়ে যায়। এটার মধ্যে কোনো অ্যাসিড ঝলসানোর কোনো কিছু নাই।’

মৃত্যুর সময় সম্পর্কে বাবলু কিশোর বিশ্বাস বলেন, ‘ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণত নির্দিষ্ট ঘণ্টা বা মিনিট উল্লেখ করে মৃত্যুর সময় বলা সম্ভব নয়। আনুমানিক একটি সময়সীমা বা রেঞ্জ উল্লেখ করতে হয়।’

চারজনের মধ্যে কে আগে বা কে পরে মারা গেছেন, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

এর আগে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের এক ডোমের বক্তব্য একটি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ওই বক্তব্যের বিষয়ে ডা. বাবলু কিশোর বলেন, ‘ভ্যাজাইনাল সোয়াব নেওয়ার সময় তার মনে হয়ে থাকতে পারে যে পরীক্ষায় রেজাল্ট আসতে পারে। হয়তো সে কারণেই সে এমন কথা বলেছে। কিন্তু পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।’

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে নগরীর মাছুয়া পাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজন সদস্যের উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুই প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুজন হত্যায় নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%