ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাসিরনগর-মাধবপুর সড়ক যেন ‘মৃত্যুফাঁদ’


নাসিরনগর-মাধবপুর সড়ক যেন ‘মৃত্যুফাঁদ’

নাসিরনগর-মাধবপুর সড়ক যেন ‘মৃত্যুফাঁদ’

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম

 

আরও পড়ুন: মধুপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর-মাধবপুর সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ জনগণের মধ্যে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। খানাখন্দে ভরা এই সড়ক দিয়ে চলাচল এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনেক স্থানে পায়ে হেঁটে চলাচল করা পর্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি গর্তে জমে থাকার কারণে দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ার কারণে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। চলতি বছরের ১৯ মার্চ "২৬ দৈনিক ইত্তেফাকে" সংবাদ প্রকাশের পর সড়ক মেরামতের কাজ শুরু হলেও তা আবার আকস্মিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে জনদুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এই অচলাবস্থার মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষ করে নাসিরনগর থেকে মাধবপুর পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক সড়কটি এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করলেও বছরের পর বছর সংস্কারের অভাবে এর অবস্থা চরমভাবে অবনতি হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন এই সড়কে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তে পানি জমে যায়, ফলে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে। সড়কে গর্তে চাকা পড়লে যানবাহন উল্টে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন দুই উপজেলার অসংখ্য মানুষ।

আরও পড়ুন: হোসেনপুরের ‘হেরার আলো ইসলামী ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস, প্রেশার ও ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি

সরেজমিনে দেখা গেছে, নুরপুর, চৈয়ারকুড়ি, শ্যামপুর, বেলুয়া, নরহা, হরিণবেড় ও হরিপুরসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কটির বেশিরভাগ অংশ ভেঙে খানা-খন্দে পরিণত হয়েছে। সড়কের কার্পেটিং ছাড়াও পাথর, অনেক জায়গায় খোয়া ও বালি পর্যন্ত উঠে গেছে। বড় বড় গর্তের কারণে একদিন বৃষ্টি হলেই প্রায় এক সপ্তাহ পানি জমে থাকে। তখন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটতে থাকে। স্থানীয়দের কেউ কেউ রসিকতা করে এই সড়কের নাম দিয়েছেন ‘কোমড়ভাঙা রোড’।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল মোমেন জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, ঠিকাদারের ব্যর্থতার কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও তিনি কোনো কর্ণপাত করছেন না। দ্রুতই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাছাড়া মাননীয় সংসদ সদস্যও এই রাস্তার সমস্যা নিয়ে মহান জাতীয় সংসদে কথা বলেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটে আইএমইআই পরিবর্তন করা ৫৯ চোরাই মোবাইল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৫ পি.এম


বাগেরহাটে আইএমইআই পরিবর্তন করা ৫৯ চোরাই মোবাইল উদ্ধার

বাগেরহাট, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ফকিরহাটে একটি মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান চালিয়ে আইএমইআই পরিবর্তন করা ৫৯টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, চোরাই মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে সেগুলো বিক্রি করা হতো। সোমবার  রাত ১০টার দিকে ফকিরহাট উপজেলা বাজারে রেজাউর রহমান পলাশের ‘পুষ্প টেলিকম’ নামের মোবাইল ফোনের দোকানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আজ মঙ্গলবার সকালে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিং এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার হাসান মো. নাছের রিকাবদার।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, ফকিরহাট উপজেলার পাগলা শ্যামনগর এলাকার শেখ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে রেজাউর রহমান পলাশ (৩৪), আতাইকাঠি এলাকার আক্কেল আলী শেখের ছেলে মো. অহিদুল ইসলাম (২৬), খুলনার রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ এলাকার চৈতন্য সাহার ছেলে চন্দন সাহা (৩০) এবং বাগেরহাটের ভট্ট বালিয়াঘাটা এলাকার জাহাঙ্গীর খানের ছেলে মো. হুছাইন খান (২২)।

পুলিশ সুপার জানান, অভিযানের সময় আরও তিনজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তারা হলেন ফকিরহাটের পাগলা শ্যামনগর এলাকার শেখ সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মো. শিমুল শেখ (২৫), আট্টাকী এলাকার কাদের ফকিরের ছেলে মো. শফিকুল ফকির (২২) এবং খুলনার রূপসা উপজেলার নারকেলী চাদপুর এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে তৌফিকুর রহমান (৩৪)। অভিযানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫৯টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন, যে তারা পুষ্প টেলিকমে চোরাই মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে সেগুলো বিক্রি করতো। তাদের মধ্যে রেজাউর রহমান পলাশের বিরুদ্ধে আগে একটি চুরির মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

এ ঘটনায় ফকিরহাট মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার করা ৫৯টি মোবাইল ফোন মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নজরুলকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


নজরুলকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

মঙ্গলবার নজরুল বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত "আমি হব সকাল বেলার পাখি" শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক বরেণ্য কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন।

বর্তমান সময়ের মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, নজরুলের গান-কবিতা শিশুদের বেশি বেশি চর্চা করাতে হবে। তাহলে বর্তমান প্রজন্ম মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে থাকতে পারবে। 

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান কার্যক্রমের প্রশংসা করে প্রতিটি অনুষ্ঠানেই শিশু-কিশোরদের সুযোগ করে দেওয়ার অনুরোধ জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। 

সভাপতির বক্তৃতায় একাডেমির মহাপরিচালক বরেণ্য কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে শিশুদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা এমন দেশ গড়ে তুলব যেখানে নির্ভয়ে আমাদের বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারবে ও স্কুল থেকে ঘরে ফিরবে। নজরুলের ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েই আমাদের শিশুরা একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ে তুলবে। 

আলোচনা পরবর্তী সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই ৫০ জন শিশু-কিশোর শিল্পী দলীয়ভাবে গেয়ে শোনায় "দাও শৌর্য দাও ধৈর্য হে উদার নাথ দাও দাও প্রাণ"। এরপর ৫০জন শিল্পীর অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় সমবেত গান "শুকনো পাতার নূপুর পায়ে নাচিছে ঘূর্ণিবায়"। 

"বনের হরিণ আয়" গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুশিল্পীরা। 

"এই রাঙামাটির পথে লো মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি", গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নৃত্যশিল্পীদের নাচের দল তপস্যা। "পরি' জাফরানি ঘাগরি চলে শিরাজের পরী ইরানি কিশোরী হেসে' হেসে" গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে নাচের দল স্পন্দন। "রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ রুম্ ঝুম্ ঝুম্ খেজুর পাতার নূপুর বাজায়ে কে যায়", গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে রিদম ড্যান্স সেন্টার। "আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে", গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির নৃত্য শিল্পীরা। আবৃত্তি পর্বে কবির "মানুষ" কবিতাটি আবৃত্তি করে মাহদিয়া রহমান মারিসা, "খোকার সাধ" আবৃত্তি করে রাফিদ জাহিন প্রাচ্য, "লিচু চোর" আবৃত্তি করে অদিতি বাইন।

"মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ জবা অশোকে" গানটির সঙ্গে ৫০ জন শিশু-কিশোর শিল্পীর সমবেত নাচের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুর কারণ থেকে যৌন নির্যাতন, ফরেনসিক প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


মৃত্যুর কারণ থেকে যৌন নির্যাতন, ফরেনসিক প্রতিবেদনে মিলল যেসব তথ্য

রংপুর নগরীতে নিজ বাড়িতে খুন হওয়া শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তাদের দুই সন্তানের মরদেহের মরদেহের ফরেনসিক রিপোর্ট প্রস্তুত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং মরদেহগুলোর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মরদেহগুলো উদ্ধারের পর অনেক দেরিতে তাদের কাছে আসায় সেগুলোতে পচনের পর্যায়ে গিয়েছিল। চারজনেরই মৃত্যু শ্বাসরোধে হয়েছে বলে তারা ধারণা করছি।

ডা. বাবলু কিশোর বলেন, ‘মরদেহগুলোতে বিভিন্ন ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। চারটি মরদেহের গলায় দাগ ছিল। কোনো কোনো লাশের বুকে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে এসব আঘাত মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট নয়।’

গলার আঘাতের বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মেডিকেল প্রতিবেদন সম্পর্কে তিনি জনান, মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে ফরেনসিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে দিয়েছেন। পরীক্ষায় যা পাওয়া গেছে, প্রতিবেদনে তা-ই উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাইলে সেটি নিয়ে যেতে পারবেন।

ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা আসলে কোনো সেক্সুয়াল অ্যাসল্টের সাইন পাইনি। এমনকি ল্যাব টেস্টে আমরা যে স্যাম্পলগুলো পাঠিয়েছিলাম, সেগুলোতেও তেমন কোনো এভিডেন্স পাওয়া যায়নি।’

আসামিদের শরীরে আঁচড়ের দাগ কিংবা নিহতদের নখে কোনো আলামত পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এগুলো আসলে সিআইডি টিম আগেই নিয়ে যায়। আমদের পরীক্ষা করার আগেই তারা স্যাম্পল যোগাড় করে নেয়।’

মরদেহের মুখ কালো হয়ে যাওয়া কেমিক্যাল দিয়ে ঝলসানোর নয় বলে জানান এই চিকিৎসক। তিনি বলেন, ‘এটা হচ্ছে পচন প্রক্রিয়ারই একটা অংশ। যে অংশটা এক্সপোজড থাকে, সাধারণত সে অংশটা আস্তে আস্তে কালো হয়ে যায় এবং পুরো বডি আস্তে আস্তে পচনের প্রক্রিয়াতেই কালো হয়ে যায়। এটার মধ্যে কোনো অ্যাসিড ঝলসানোর কোনো কিছু নাই।’

মৃত্যুর সময় সম্পর্কে বাবলু কিশোর বিশ্বাস বলেন, ‘ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণত নির্দিষ্ট ঘণ্টা বা মিনিট উল্লেখ করে মৃত্যুর সময় বলা সম্ভব নয়। আনুমানিক একটি সময়সীমা বা রেঞ্জ উল্লেখ করতে হয়।’

চারজনের মধ্যে কে আগে বা কে পরে মারা গেছেন, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

এর আগে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের এক ডোমের বক্তব্য একটি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ওই বক্তব্যের বিষয়ে ডা. বাবলু কিশোর বলেন, ‘ভ্যাজাইনাল সোয়াব নেওয়ার সময় তার মনে হয়ে থাকতে পারে যে পরীক্ষায় রেজাল্ট আসতে পারে। হয়তো সে কারণেই সে এমন কথা বলেছে। কিন্তু পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।’

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে নগরীর মাছুয়া পাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজন সদস্যের উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুই প্রতিবেশী যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুজন হত্যায় নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদায় হজের ভাষণ আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক : রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


বিদায় হজের ভাষণ আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর বিদায় হজ্বের ভাষণ আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। 

তিনি বলেন, রাসুল (সা.) এর বিদায় হজের ভাষণে মানব মর্যাদা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক অধিকারের যে মহান শিক্ষা উচ্চারিত হয়েছিল, তা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। 

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী ঈদে-মিলাদুন্নবী (সা.)-১৪৪৮ হিজরি-এর উদ্যাপন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের রাষ্ট্রপতি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, আজকের বিশ্বে হিংসা, সংঘাত, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য, উগ্রতা, মিথ্যা ও নৈতিক অবক্ষয়ের যে বিস্তার ঘটছে, তা থেকে উত্তরণের জন্য মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোন জাতিকে শক্তিশালী করে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর কখনও ফিরে না আসে, সেজন্য রাসূল (সা.)-কে অনুসরণ করে এবং ধর্মের শান্তি, ন্যায় ও সম্প্রীতির মর্মবাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি আরো বলেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ বিশ্ব মানবতার জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ। তাঁর চরিত্রে সত্যবাদিতা, ন্যায়পরায়ণতা, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা, মানবিকতা ও পরম মমত্ববোধের অনন্য সমন্বয় ঘটেছিল। দরিদ্র, এতিম, অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের প্রতি তিনি ছিলেন মমতাশীল। 

এসময় তিনি রাসূল (সা.) এর জীবনী থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থান নিশ্চিতের লক্ষ্যে তিনি মহানবী (সা.) অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের সমন্বয়ে যে সমাজব্যবস্থা, পারস্পরিক অধিকার ও শান্তিপূর্ণ অবস্থানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা আমাদের জাতীয় জীবনে অনুসরণীয় বলে উল্লেখ করেন। 

তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির হেদায়েত, মুক্তি ও কল্যাণের জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। তাঁর আগমন ছিল মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য ও অবিস্মরণীয় ঘটনা। তিনি ছিলেন সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমতস্বরূপ। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন, সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপন করবেন এবং ন্যায়বিচার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য হবে রাষ্ট্র ও সমাজের ভিত্তি। 

এসময় তিনি বাংলাদেশের ইসলমী সংস্কৃতি উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অবদান উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা বৃদ্ধি, তাঁদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।  

ইতোমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম সাহেবদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে সেবাদানকারীদেরও সম্মানী ভাতা প্রদানের কাজ শুরু হয়েছে। 

তিনি বলেন, আমি আশা করি, ২০৩০ সালের আগে প্রতিশ্রুতি অনুসারে দেশের সব মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় মাসিক সম্মানী ভাতার আওতায় আসবে।
 
এসময় তিনি সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, গুজব, হিংসা, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং অসহিষ্ণুতা দূর করতে আলেম-ওলামাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। 

ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও নবী করিম (সা.)-এর জীবনাদর্শ তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে আলেম ওলামারা অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিশেষে ঈদে-মিলাদুন্নবী (স:)-১৪৪৮ হিজরী উদ্যাপন উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেন, আমি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি এবং সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করছি। 

বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতি ঈদে-মিলাদুন্নবী-১৪৪৮ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত সিরাত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। 

পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে আল কুরআনুল করিম এনসাইক্লোপিডিয়া এর একটি সেট উপহার দেন। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। 

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার এবং সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক স্বাগত বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%