বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:২৯ এম
জহির রায়হানের নামে ছাত্রাবাস, জন্মদিনে নেই কোনো আয়োজন—কেন?
জন্মদিনে নেই আলোচনা সভা, সেমিনার বা চলচ্চিত্র প্রদর্শনী; শিক্ষার্থীদের পর্ব সমাপনী পরীক্ষা চলায় এবারও নেওয়া যায়নি উদ্যোগ
বাংলাদেশের সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা জহির রায়হান। ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনীর মজুপুরে জন্ম নেওয়া এই চলচ্চিত্রকারের উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে জীবন থেকে নেয়া ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র স্টপ জেনোসাইড।
তাঁর নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্মারক, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নামকরণ করা হয়েছে। রাজধানীর ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একটি ছাত্রাবাসও বহন করছে তাঁর নাম—জহির রায়হান ছাত্রাবাস। তবে প্রশ্ন উঠেছে, যে হলের নামকরণই করা হয়েছে একজন কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার ও লেখকের স্মৃতিকে ধারণ করে, সেখানে তাঁর জীবন, কর্ম ও ইতিহাস নিয়ে নিয়মিত স্মরণচর্চা কতটা হচ্ছে? একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের নামে ছাত্রাবাসের নামকরণ কি শুধু নামফলকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি তাঁর জীবন ও কর্মও শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে?
বিশেষ করে ১৯ আগস্ট তাঁর জন্মদিনে জহির রায়হান হলের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সেমিনার, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী কিংবা শিক্ষার্থীদের জন্য তাঁর সাহিত্য ও চলচ্চিত্র নিয়ে কোনো বিশেষ আয়োজন না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। এছাড়াও ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর একমাত্র সাংস্কৃতিক সংগঠন ডিপিআই কালচারাল ক্লাবের উদ্যোগেও কোন কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়নি।
প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছিল তাঁর চলচ্চিত্র
জহির রায়হান শুধু চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন না; তিনি ছিলেন লেখক ও সাংবাদিকও। মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্মিত স্টপ জেনোসাইড তাঁকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করে এবং যুদ্ধের ভয়াবহতা তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।
তাঁর চলচ্চিত্র ও সাহিত্যকর্মে সমাজ, রাজনীতি, বৈষম্য ও মানুষের জীবন উঠে এসেছে নানা মাত্রায়। ফলে তাঁর নামে পরিচালিত একটি ছাত্রাবাসে তাঁর কর্ম ও চিন্তাকে শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হলে তা শুধু স্মরণ অনুষ্ঠান নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চারও অংশ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্তর্ধান আজও আলোচনার বিষয়
১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি বড় ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে মিরপুরে নিখোঁজ হন জহির রায়হান। এরপর তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁর অন্তর্ধান বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও রহস্যাবৃত ঘটনাগুলোর একটি।
জহির রায়হানের শেষ দিনের ঘটনা ও মিরপুরে যাওয়ার কারণ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাঁর পরিবারের সদস্য ও গবেষকদের বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। এসব বিবরণে ঘটনাটির বিভিন্ন দিক উঠে এসেছে; তবে তাঁর অন্তর্ধানের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা নিয়ে এখনও নানা মত ও বিতর্ক রয়েছে।
এ কারণে জহির রায়হানের জীবন, মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ড এবং অন্তর্ধানের ইতিহাস নিয়ে তথ্যনির্ভর আলোচনা নতুন প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ইতিহাস ও সংস্কৃতিচর্চায় আগ্রহীরা।
এবারও উদ্যোগ নেওয়া যায়নি কেন?
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের চলমান পর্ব সমাপনী পরীক্ষা থাকায় জহির রায়হানের জন্মদিন উপলক্ষে বড় কোনো আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে তেমন কোনো কার্যক্রমও নেওয়া যায়নি।
তবে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ মনে করছে, পরীক্ষা চললেও পরবর্তী সময়ে হল প্রশাসনের উদ্যোগে একটি স্মরণসভা বা সেমিনার আয়োজন করা সম্ভব। এতে একদিকে জহির রায়হানের প্রতি সম্মান জানানো হবে, অন্যদিকে তাঁর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জানার সুযোগ তৈরি হবে।
শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা
জহির রায়হান হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাষ্য, নামে যাঁকে স্মরণ করা হয়েছে, তাঁর সম্পর্কে জানার সুযোগও তৈরি করা উচিত। শুধু আবাসিক সুবিধা প্রদান নয়, ছাত্রাবাসগুলো শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে।
তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে জহির রায়হান হল প্রশাসন ও ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে তাঁর জন্মদিন ও অন্তর্ধান দিবস উপলক্ষে নিয়মিত কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
কারণ, একজন ব্যক্তিত্বের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তাঁর আদর্শ, কর্ম ও ইতিহাসও পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রতিবছর তাঁর জন্মদিন, অন্তর্ধান দিবস কিংবা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে আলোচনা সভা, সেমিনার, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, বই পাঠ বা রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীরা তাঁর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানার সুযোগ পেতে পারে।
বিশেষ করে স্টপ জেনোসাইড বা তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ, চলচ্চিত্র ও সাংবাদিকতার ইতিহাসকে শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব।
জহির রায়হানের জন্মদিন ১৯ আগস্ট এই দিনটি তাই শুধু একটি জন্মতারিখ নয়; ঢাকা পলিটেকনিকের জহির রায়হান হলের জন্য এটি হতে পারে তাঁর জীবন, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা ও অন্তর্ধানের ইতিহাস নতুন করে জানার একটি উপলক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দাবি করছে, পাকিস্তান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা নস্যাত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, ২০০ জনের বেশি সন্দেহভাজন ‘সন্ত্রাসীকে’ গ্রেফতার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সোমবার এক পোস্টে অমিত শাহ জানান, গত ১২ আগস্ট ভারতের ১৪টি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। স্বাধীনতা দিবসের মাত্র তিন দিন আগে পরিচালিত এই অভিযানকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
অমিত শাহ দাবি করেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারের অধীনে নিরাপত্তা বাহিনী পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-সমর্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক’ ধ্বংস করেছে। একই সঙ্গে স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ওই গোষ্ঠীর নাশকতামূলক হামলার পরিকল্পনাও নস্যাৎ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে পিস্তল, গুলি, পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির চিহ্নযুক্ত গ্রেনেড এবং দেশীয়ভাবে তৈরি বোমা।
এদিকে, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দাবির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তান। তারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, নয়াদিল্লির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকট থেকে দৃষ্টি সরানোর জন্য এটি একটি ‘বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণার’ অংশ।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি এক বিবৃতিতে বলেন, পাকিস্তান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছে। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থে ভারত পাকিস্তানবিরোধী প্রচারণা চালানোর জন্য ভারতকে অভিযুক্ত করছে। আন্দ্রাবি জানান, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানকে ভারতের কিছু গ্রেফতারের সঙ্গে যুক্ত করার যে অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তান তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিহাইর এলাকায় একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এ সময় অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেওয়ার দায়ে আটজন ব্যক্তিকে মোট এক লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে।
এ অভিযানটি বুধবার (১৯ আগস্ট) বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া এরিয়া বিতরণ কার্যালয়ের আওতাধীন বিহাইর এলাকায় পরিচালিত হয়।
অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিডিসিএল) কুমিল্লা কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এই অভিযানে ৩৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ ও নিষ্ক্রিয় করা হলেও, এ সময় ৮টি গ্যাস রেগুলেটর উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও ৩/৪ ইঞ্চি এমএস পাইপ ৪০৫ মিটার অপসারণ করা হয়েছে।
অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযানকালে প্রায় ৯০০ মিটার অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্কও নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। অবৈধ গ্যাস সংযোগ গ্রহণের দায়ে ৮জন ব্যক্তিকে মোট এক লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতিচারণ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি উল্লেখ করেছেন ‘দ্বীন, দেশ ও জাতির কল্যাণে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রাহি.)-এর মতো প্রজ্ঞাবান, সাহসী ও নিষ্ঠাবান আলেমে দ্বীনের আজ বড়ই প্রয়োজন।’
বর্তমানে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রাহি.) ২০২১ সালের ১৯ আগস্ট মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি দ্বীনের খেদমতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একজন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও ইসলামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার অবদান এবং ইসলামী শিক্ষা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সংগ্রাম আমাদের স্মরণীয় করে রাখবে। বর্তমান সময়ে দেশ ও জাতির সঠিক দিকনির্দেশনার জন্য তার মতো প্রজ্ঞাবান, সাহসী ও নিষ্ঠাবান আলেমে দ্বীনের খুবই প্রয়োজন।
ডা. শফিকুর রহমান আরো লিখেছেন, মহান আল্লাহ তাআলা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রাহি.)-এর সকল খেদমত কবুল করুন, তার ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদাউসে উচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং তার রেখে যাওয়া দ্বীনি দায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালনের তাওফিক আমাদের সবাইকে দান করুন। আমীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি ইসরাইল সফর করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
গাজায় যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। হামাস এই শান্তি পরিকল্পনায় সম্মতি জানালেও নেতানিয়াহু তা সরাসরি নাকচ করে দেন। মার্কিন প্রতিনিধির এই সফরের পরও অচলাবস্থা কাটেনি, বরং যুদ্ধবিরতির আলোচনা আবারও থমকে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই অনড় অবস্থানের পেছনে রয়েছে নিজস্ব রাজনৈতিক সমীকরণ। শান্তিচুক্তিতে পৌঁছালে রাজনৈতিকভাবে তার লাভ নেই বললেই চলে। গাজা, লেবানন কিংবা অন্যান্য ফ্রন্টে সংঘাত জিইয়ে রেখে তিনি দেশের মানুষের সামনে নিজেকে একমাত্র যোগ্য ‘নিরাপত্তা অভিভাবক’ হিসেবে তুলে ধরছেন।
ইসরাইলের বড় একটি অংশের জনমতও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে থাকায় তিনি সেই কট্টর মনোভাবকেই কাজে লাগাচ্ছেন। এমনকি মার্কিন চাপের মুখে দাঁড়িয়ে ওয়াশিংটনকে ‘না’ বলে তিনি সমর্থকদের কাছে নিজের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করছেন।
যুদ্ধ অব্যাহত রাখা নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত আইনি সুরক্ষার জন্যও সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে। চলমান দুর্নীতির মামলায় আদালতের কার্যক্রম পেছাতে তিনি যুদ্ধকালীন জরুরি পরিস্থিতি, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বৈঠক বা সফরের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছেন।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে দেশটির প্রতিরক্ষা বাণিজ্য চাঙা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ওইসিডি ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে যে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে ইসরাইলের অর্থনীতি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
তবে আন্তর্জাতিক সতর্কতা কিংবা হোয়াইট হাউসের জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা—কোনো কিছুই আপাতত নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান থেকে নেতানিয়াহুকে টলাতে পারছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ