বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিহাইর এলাকায় একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এ সময় অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেওয়ার দায়ে আটজন ব্যক্তিকে মোট এক লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে।
এ অভিযানটি বুধবার (১৯ আগস্ট) বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া এরিয়া বিতরণ কার্যালয়ের আওতাধীন বিহাইর এলাকায় পরিচালিত হয়।
অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিডিসিএল) কুমিল্লা কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এই অভিযানে ৩৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ ও নিষ্ক্রিয় করা হলেও, এ সময় ৮টি গ্যাস রেগুলেটর উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও ৩/৪ ইঞ্চি এমএস পাইপ ৪০৫ মিটার অপসারণ করা হয়েছে।
অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযানকালে প্রায় ৯০০ মিটার অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্কও নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। অবৈধ গ্যাস সংযোগ গ্রহণের দায়ে ৮জন ব্যক্তিকে মোট এক লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতিচারণ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি উল্লেখ করেছেন ‘দ্বীন, দেশ ও জাতির কল্যাণে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রাহি.)-এর মতো প্রজ্ঞাবান, সাহসী ও নিষ্ঠাবান আলেমে দ্বীনের আজ বড়ই প্রয়োজন।’
বর্তমানে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রাহি.) ২০২১ সালের ১৯ আগস্ট মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি দ্বীনের খেদমতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একজন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও ইসলামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার অবদান এবং ইসলামী শিক্ষা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সংগ্রাম আমাদের স্মরণীয় করে রাখবে। বর্তমান সময়ে দেশ ও জাতির সঠিক দিকনির্দেশনার জন্য তার মতো প্রজ্ঞাবান, সাহসী ও নিষ্ঠাবান আলেমে দ্বীনের খুবই প্রয়োজন।
ডা. শফিকুর রহমান আরো লিখেছেন, মহান আল্লাহ তাআলা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রাহি.)-এর সকল খেদমত কবুল করুন, তার ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদাউসে উচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং তার রেখে যাওয়া দ্বীনি দায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালনের তাওফিক আমাদের সবাইকে দান করুন। আমীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার সম্প্রতি ইসরাইল সফর করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
গাজায় যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। হামাস এই শান্তি পরিকল্পনায় সম্মতি জানালেও নেতানিয়াহু তা সরাসরি নাকচ করে দেন। মার্কিন প্রতিনিধির এই সফরের পরও অচলাবস্থা কাটেনি, বরং যুদ্ধবিরতির আলোচনা আবারও থমকে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই অনড় অবস্থানের পেছনে রয়েছে নিজস্ব রাজনৈতিক সমীকরণ। শান্তিচুক্তিতে পৌঁছালে রাজনৈতিকভাবে তার লাভ নেই বললেই চলে। গাজা, লেবানন কিংবা অন্যান্য ফ্রন্টে সংঘাত জিইয়ে রেখে তিনি দেশের মানুষের সামনে নিজেকে একমাত্র যোগ্য ‘নিরাপত্তা অভিভাবক’ হিসেবে তুলে ধরছেন।
ইসরাইলের বড় একটি অংশের জনমতও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে থাকায় তিনি সেই কট্টর মনোভাবকেই কাজে লাগাচ্ছেন। এমনকি মার্কিন চাপের মুখে দাঁড়িয়ে ওয়াশিংটনকে ‘না’ বলে তিনি সমর্থকদের কাছে নিজের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করছেন।
যুদ্ধ অব্যাহত রাখা নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত আইনি সুরক্ষার জন্যও সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে। চলমান দুর্নীতির মামলায় আদালতের কার্যক্রম পেছাতে তিনি যুদ্ধকালীন জরুরি পরিস্থিতি, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বৈঠক বা সফরের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছেন।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে দেশটির প্রতিরক্ষা বাণিজ্য চাঙা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ওইসিডি ইতোমধ্যেই সতর্ক করেছে যে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে ইসরাইলের অর্থনীতি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
তবে আন্তর্জাতিক সতর্কতা কিংবা হোয়াইট হাউসের জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা—কোনো কিছুই আপাতত নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান থেকে নেতানিয়াহুকে টলাতে পারছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নকলা উপজেলার দুই কৃতি সন্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছে। তাঁরা হলেন, উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের বানেশ্বরদী কান্দাপাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামানের ছেলে রাফিকুজ্জামান (রায়হান) ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের ছেলে এ.কে.এম আবদুল্লাহ-বিন-রশিদ (শিপন)। তাঁরা বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৩১তম ব্যাচের কর্মকর্তা।
১৭ আগস্ট সোমবার সারা দেশের ২৭৭ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়ে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে ১৯ আগস্ট বুধবার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উপসচিব পদে পদোন্নতি প্রাপ্তদের মধ্যে ১১২ জনকে বিভিন্ন দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন মোতাবেক জানা গেছে, রাফিকুজ্জামান (রায়হান)-কে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
তথ্য মতে, রাফিকুজ্জামান (রায়হান) ১৯৯৯ সালে নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। তাঁর বাবা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান (বদ্দি স্যার) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বান্ধব সর্বজন গৃহীত একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
এছাড়া, এ.কে.এম আবদুল্লাহ-বিন-রশিদ (শিপন) বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সন্তান। সে জামালপুর জেলা প্রশাসন’র অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা পাঁচ ভাই-বোন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে।
নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিজেকে দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন এমনটাই প্রত্যাশা উপসচিব পদে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্তদের পরিবার-পরিজন, শিক্ষক ও বন্ধু-বান্ধসহ শুভাকাঙ্খিদের। তাঁদের সততা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে নকলার সুনাম দেশব্যপি ছড়িয়ে পড়বে বলে উপজেলাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস। এমন বিশ্বাসের জায়গা থেকেই অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের জন্য দোয়া ও শুভ কামনাসহ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মেধা, সততা, বিচক্ষণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার অপূর্ব সংমিশ্রণে নিজের কর্মস্থল তথা তাদের উপর অর্পিত সরকারি দায়িত্ব ন্যায়-নিষ্ঠার সাথে পালনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য যেন কল্যাণকর হয়; এরজন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন তাদের পরিবারের লোকজন, শিক্ষক ও বন্ধু-বান্ধবসহ শুভাকাঙ্খিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই বিপ্লবের পর এই প্রথমবারের মতো সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় রাজপথে মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ। সম্প্রতি মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো জেলাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রাধানগর পয়েন্ট এলাকায় নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি থাকে। এছাড়া বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চালবন পয়েন্টে পুলিশের একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মিছিল চলাকালীন ঠিক পাশ দিয়েই পুলিশের একটি সিএনজি অটোরিকশা অতিক্রম করছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো থানা বা চেকপোস্টের পুলিশ সদস্য মিছিলকারীদের গ্রেপ্তারের কোনো উদ্যোগ নেননি।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ চিরুনি অভিযান শুরু করলেও প্রশাসনের এমন ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। তাদের মনে প্রশ্ন জেগেছে— ছাত্রলীগের ওপর এই ধরপাকড়ের সুযোগ নিয়ে কোনো পক্ষ আবার মামলা বাণিজ্যের প্রস্তুতি নিচ্ছে কি না? পাশাপাশি প্রশাসনের এই ধরণের উদাসীনতা জুলাই বিপ্লবে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য বড় কোনো হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা চলছে।
জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের এভাবে হঠাৎ রাজপথে মহড়া ও প্রকাশ্য উপস্থিতি ঘিরে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার সচেতন নাগরিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ