শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫২ পি.এম
খালেদা জিয়ার যোগ্য সহযোদ্ধা ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার’বক্তারা বলেছেন, ‘নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনে বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য সহযোদ্ধা ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার। তিনি সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বক্তারা এ কথা তুলে ধরেন। জামালপুর সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে ‘সালাম তালুকদার : নেতা ও মানুষ’ শিরোনামে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে জামালপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম উপস্থিত ছিলেন।প্রধান আলোচক ছিলেন সমিতির মহাসচিব ও ক্যান্সার প্রতিরোধ আন্দোলনের পথিকৃৎ অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।প্রধান আলোচক তাঁর বক্তব্যে বলেন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনে বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য সহযোদ্ধা ছিলেন আবদুস সালাম তালুকদার। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়া যখন বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন স্বৈরাচারী এরশাদের নানা প্রলোভনে দলের বড় নেতারা তাকে ছেড়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারকে মহাসচিবের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছিল, যিনি ছিলেন সবচেয়ে যোগ্য ও আস্থাভাজন।তিনি এই আস্থার মর্যাদা রেখেছেন। তাঁর গভীর দেশপ্রেম, প্রশ্নাতীত সততা, উন্নত শিক্ষা ও মননশীলতা, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ তাঁকে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে জনমনে বিশেষ অবস্থানে অধিষ্ঠিত করেছে।ডা. রাসকিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন, কিভাবে তিনি নিজের চিকিৎসক হওয়ার পাশাপাশি অর্থবিত্তের পেছনে না ছুটে ক্যান্সার প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন এবং ঢাকা ও দিনাজপুরে অলাভজনক সেবামূলক ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ে তোলার উদ্যোগে শামিল হয়েছেন।সভায় মাহমুদুর রহমান মান্না মন্তব্য করেন, রাজনীতিতে ক্ষমতার দাপট দেখানোর জন্য মানুষের অভাব নেই, কিন্তু নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো প্রজ্ঞাবান মানুষের বড় অভাব রয়েছে। ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদার ছিলেন এমনই একজন বিরল রাজনীতিবিদ, যিনি ক্ষমতার ভেতরে থেকেও বিনয়ী থাকতে জানতেন এবং দলের সংগঠনকে সুসংগঠিত রাখতে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন।নব্বইয়ের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ও প্রতিপক্ষের প্রতি সৌজন্যবোধ আজকের রাজনীতিতে একটি বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম বলেন, ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদার কেবল জামালপুর বা বিএনপির নেতা ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন এ দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের অভিভাবক। ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কাছে তিনি এক বটবৃক্ষের মতো ছিলেন, যার ছায়াতলে থেকে দেশপ্রেম ও রাজনীতির আসল পাঠ গ্রহণ করেছেন। তিনি দেখিয়ে গেছেন, ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে থেকেও কিভাবে মাটির কাছাকাছি থাকা যায় এবং মানুষের মন জয় করা যায়। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করেই তিনি নিজেকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত করতে চান।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহসভাপতি আফজাল খান, সহসভাপতি ও সাবেক মহাসচিব মো. নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. মুজিবুর রহমান, আবু বকর সিদ্দিক, হাসিনুর রহমান চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. হাসানুজ্জাম শিবলী, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুর রব ও ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম। সভাটি সঞ্চালনা করেন সমিতির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবীর আকন্দ। সভার শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা ও সুস্থ ধারার রাজনীতিতে কোনো বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান একজন অসাধারণ ও অনন্য ব্যক্তিত্বসম্পন্ন রাজনীতিক। স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিটি প্রতিকূল ও ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে দেশকে উদ্ধারের জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়া জনগণকে টেকসই উন্নয়ন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছেন। একইভাবে, তারেক রহমানও ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপের বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা পরিষদ মাঠে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালী পূর্ব বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশে বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্র এবং টেকসই উন্নয়ন সবই বিএনপির অর্জন। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমান একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ দেশ গঠনে কাজ করছেন। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে তাঁর ডায়নামিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ হবে- 'বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল'।
বর্ষীয়ান নেতা ড. মোশাররফ উল্লেখ করেন, সামাজিক অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেছে। দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সূচিত সুস্থ ধারার রাজনীতিকে জনগণ বিপুল সমর্থন জানাচ্ছে। তিনি জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান যে, প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রীর নতুন ধারার উন্নয়নের রাজনীতিতে সামিল হতে হবে।
মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. রমিজউদ্দিন লন্ডনীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন, বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভুঁইয়া এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হাশেম। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন, আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব এস.এম সালাহউদ্দিন সরকার।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালে প্রথম জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ড. খন্দকার মোশাররফ স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিকশিত করার জন্য বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ছিলো তাঁর অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অভিশপ্ত একদলীয় 'বাকশাল' প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল। শহীদ জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক দলগুলোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন। আজকের এই গৌরবময় দিনে আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্বাস উদ্দিন কমান্ডার, ওসমান গণি ভূঁইয়া ও তৌহিদুল ইসলাম বাবু, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূঁইয়া, মেঘনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মেজবাহ উদ্দিন বায়েজিদ, মেঘনা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন, ডা. আবদুল কাইউম, আবদুল গাফফার, মো. সলিমউল্লাহ, দিলারা শিরীন ও আবু ইউসুব নয়ন, মেঘনা যুবদলের আহবায়ক আতাউর রহমান ও সদস্য সচিব আবদুল হান্নান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার মিরপুর বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ১৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
মিরপুর বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী এই অভিযানটি সম্পন্ন হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মিরপুর থানায় ২৫ জন, শাহ আলী থানায় ১৪ জন, পল্লবী থানায় ৩২ জন, কাফরুল থানায় ৩৪ জন, দারুস সালাম থানায় ২৫ জন এবং ভাষানটেক থানায় ৬ জন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘজলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধ এবং বাণিজ্যিক অস্থিরতার কারণে খাদ্যপণ্যের দাম বিশ্ববাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত আগস্ট মাসে খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক মূল্যসূচক ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রদান করেছে।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগস্টে এফএওর খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক ১৩৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। জুলাই মাসে সংশোধিত সূচকটি ছিল ১৩০ দশমিক ৮ পয়েন্ট। এর মানে হচ্ছে, এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।ইউরোপে তীব্র দাবদাহ ও খরা, এশিয়ায় সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাব এবং ইউক্রেন ও ইরানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ ও বাণিজ্যিক অস্থিরতার কারণে কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব আন্তর্জাতিক খাদ্যবাজারে পড়েছে।এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো এক বিবৃতিতে বলেছেন, "খাদ্যপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি বাজারে ঝুঁকি ফিরে আসার সতর্কসংকেত।" জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্য ও পরিবহনব্যবস্থার বিঘ্ন ঘটার কারণে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।আগস্ট মাসে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, চিনি, মাংস এবং দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্যসূচক বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউরোপের প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ভুট্টা ও বিট থেকে চিনি উৎপাদন এবং গবাদিপশু পালনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাবে এশিয়ায় পাম তেল ও চিনি উৎপাদন নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে।এফএওর হিসাব অনুযায়ী, আগস্টে খাদ্যশস্যের মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সূচকটি ২০২৪ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।ভোজ্যতেলের মূল্যসূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০২২ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ।চিনির মূল্যসূচকও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগস্ট মাসে এটি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।এদিকে, পৃথক একটি প্রতিবেদনে এফএও জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্বে মোট শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস জুলাইয়ের হিসাবের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন কমিয়ে ২ দশমিক ৯৮০ বিলিয়ন টন করা হয়েছে। নতুন এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছরে বৈশ্বিক শস্য উৎপাদন ২ শতাংশ কমতে পারে।এফএও বলছে, এই পতন ২০১৮ সালের পর বার্ষিক উৎপাদনে সবচেয়ে বড় কমার ঘটনা হতে পারে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে শস্য সরবরাহে বিঘ্ন এবং ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে সারের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়া বৈশ্বিক খাদ্যবাজারের জন্য নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদীতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার সমিতির হাট লঞ্চঘাট থেকে বাঁশগাড়ী লঞ্চঘাট পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার নদীপথে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন স্থানীয় ও বিভিন্ন যায়গা থেকে আগত বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোররা। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।
প্রতিযোগিতায় পাঁচটি নৌকা অংশ নেয়। এর মধ্যে তালুকদার গ্রুপের বাদল তালুকদারের নৌকা প্রথম স্থান অর্জন করে। খাঁ যুবসমাজ ও লিটন সরদারের নৌকা যথাক্রমে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। সুমন শিকদারের নৌকা তৃতীয় হয়। এছাড়া একটি ডিঙি নৌকাও প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি ফ্রিজ দেওয়া হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সব প্রতিযোগীকে ৩২ ইঞ্চি স্মার্ট টেলিভিশন পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রবাসী মিরাজ হাওলাদার ও ইলিয়াস তালুকদার প্রতিযোগিতার পুরস্কারগুলো দেয়া হয়।
নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন বাদল তালুকদার, ইয়ামিন তালুকদারসহ স্থানীয় আরও অনেকে।
স্থানীয়রা বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়, এটি আবহমান বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যেতে বসা নৌকা বাইচের ঐতিহ্য আরও পরিচিত ও জনপ্রিয় হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ