মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৩ এম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকার মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারবেন।
সোমবার সাভারের তেঁতুলঝোড়া ও ভাকুর্তা ইউনিয়নে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তেঁতুলঝোড়ায় আমান হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা শোনেন এবং সেগুলোর সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উক্তি ‘ধর্ম যার যার, কিন্তু রাষ্ট্র সবার’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসুন আমরা সবাই রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও কল্যাণে একত্রিত হই। দেশের উন্নয়নের জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তিনি বেশ কয়েকজন দরিদ্র শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে লেখাপড়ার দায়িত্ব গ্রহণের পাশাপাশি স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য বাদ্যযন্ত্র সরবরাহের আশ্বাসও দেন।
এ সময় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজি মহিউদ্দিন আহমেদ, বিএনপি নেতা রেজাউল করিম জুয়েল এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা ননী গোপালসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ ২০ অক্টোবর পালিত হচ্ছে। ১৯৫৪ সালের এই দিনে প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে এটি একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছে। বরাবরের মতো, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজকের সমাপনী দিনে কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সূচনা হবে।
অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে আলোকচিত্র প্রদর্শনী, নৈশভোজ, আকর্ষণীয় র্যাফল ড্র এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রেস ক্লাব ভবনসহ পুরো এলাকা আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, এমপি এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
গত ৭ অক্টোবর প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে বিশেষ সভা ও শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুরু হয়। ১৬ ও ১৭ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী ক্লাবের সদস্য শিশুদের জন্য শিশু আনন্দমেলা ও বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে মিনি ম্যারাথনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের ফলস্বরূপ একটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সময় বাধা দিতে গিয়ে দুলাল (৪৫) নামের একজন ব্যক্তি ছুরিকাঘাতে আহত হন।
গত রোববার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুর মধ্যপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সোমবার ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হোসেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে মোজাম্মেল উল্লেখ করেন যে, আবদুল্লাহপুর মধ্যপাড়ার সৈয়দ আলী ও রবিউলদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা ঘটনার রাতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া, ঘরের আলমারিতে রাখা নগদ ৬০ হাজার টাকা ও প্রায় তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগও করেন তিনি।
অভিযোগে আরো বলা হয়, মালামাল নিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির লোকজনের চিৎকার শুনে মোজাম্মেলের ফুপাতো ভাই দুলাল ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় তাকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। দুলালকে রক্ষায় এগিয়ে এলে অন্যান্যদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে সৈয়দ আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানান, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে তাদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এই ঘটনায় তারা মোজাম্মেলদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। সৈয়দ আলী বলেন, তারা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর হোসেন জানান, এই ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে কাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মোহাম্মদ হাবিব (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু নাঈম হোসেন ও সাজ্জাদুল ইসলাম, যাঁরা গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ওচমানপুর ইউনিয়নের সাহেবপুর এলাকায় জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্ট সড়কে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত হাবিব ওচমানপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাহেবপুর এলাকার আমির আলী সওদাগর বাড়ির কাদেরুল ইসলামের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মাছ পরিবহনের কাজে হাবিব তাঁর দুই বন্ধুকে নিয়ে বারইয়ারহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে একটি অটোরিকশায় কয়েকজন পূজার্থী পূজামণ্ডপ থেকে ফিরছিলেন। সাহেবপুর এলাকায় পৌঁছালে সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলের তিন আরোহী সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন আহত তিনজনকে উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হাবিবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত নাঈম ও সাজ্জাদুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাকিব হাসান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে হাবিবকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। অন্য দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও দুজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলটি থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬-এর মহাঅষ্টমী উপলক্ষে বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্। পূজামণ্ডপে আগত ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ও তদারকি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) মহাঅষ্টমীর দিনে বিএমপি কমিশনার নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজামণ্ডপে আগত ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে। উৎসবকে কেন্দ্র করে নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুলিশি কার্যক্রম তদারকি করেন বিএমপি কমিশনার।
পরিদর্শনকালে তিনি পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্য এবং ডিউটি তদারকি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের পরিবেশ বজায় রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক থাকার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।
একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। উৎসব চলাকালে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দায়িত্ব পালনে পেশাদারত্ব ও আন্তরিকতা বজায় রাখার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
শারদীয় দুর্গাপূজা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। এ কারণে পূজামণ্ডপগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা ও নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকির মাধ্যমে নগরবাসী এবং পূজায় অংশগ্রহণকারী ভক্তদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি),উপ–পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) মোঃ আব্দুল হান্নান, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে উৎসবের পরিবেশ স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ রাখতে বিএমপির এই তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ