০১:৪১ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নতুন প্রেস সেক্রেটারি নিয়োগের প্রক্রিয়ায় তার প্রথম প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, কেটি জাকারিয়ার স্থলাভিষিক্ত কাউকে নিয়োগের সময় বাহ্যিক চেহারার পরিবর্তে যোগ্যতার দিকে নজর দেওয়া উচিত।
গত ১৬ অক্টোবর, দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কেটি জাকারিয়াকে সরিয়ে দেন। প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তার অপেশাদারিত্ব এবং যোগ্যতা নিয়ে বিতর্কের কারণে গণমাধ্যমের প্রশ্নের মুখে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
জাকারিয়া এর আগে ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ জ্যেষ্ঠ যোগাযোগ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। ক্যারোলিন লেভিটের স্থলাভিষিক্ত হয়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। লেভিট আগস্টের শেষে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য পদত্যাগ করেন।
আরও পড়ুন: এবার প্রকাশ্য সমাবেশে র্যাপারের শরীর নিয়ে ট্রাম্পের আপত্তিকর মন্তব্য
স্পাইসার বলেন, ট্রাম্পের উচিত, কোনো ব্যক্তির নীতির প্রতি সমর্থন রয়েছে কি না তা না দেখে, ওই পদের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতার দিকে নজর দেওয়া।
অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম ‘নিউজ২৪’-এর সাংবাদিক অ্যান্ড্রু বোল্ট স্পাইসারের কাছে জানতে চান, ট্রাম্প কি কাজের ক্ষেত্রে যোগ্যদের পরিবর্তে এমন কাউকে বেছে নিচ্ছেন, যারা দেখতে সুন্দর এবং তার মতাদর্শের সঙ্গে একমত পোষণ করেন?
জাকারিয়ার পক্ষে সাফাই গেয়ে স্পাইসার বলেন, তিনি (জাকারিয়া) ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ এজেন্ডার পক্ষে লড়াই করার ক্ষেত্রে দারুণ কাজ করছেন। তবে তিনি এও উল্লেখ করেন, বাহ্যিক রূপ ও আনুগত্য—এই বিষয়গুলো কাজের মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ।
তিনি বলেন, ‘আমি হোয়াইট হাউসকে, বিশেষ করে প্রেসিডেন্টকে সতর্ক করতে চাই, যেন দায়িত্বের জন্য শুধু এই দিকটির ওপরই নজর না রাখেন।’
আরও পড়ুন: দিল্লিতে সংসদ ভবনের নর্থ ব্লকে আগুন লাগার ঘটনা
একইসঙ্গে প্রেস সেক্রেটারির অন্যান্য দায়িত্বের কথাও বলেন স্পাইসার। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের সাথে কাজ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যবস্থাপনাগত বিষয় সামলানো প্রয়োজন। কোনো দায়িত্ব গ্রহণের আগে প্রার্থীদের বোঝা উচিত যে সেই কাজের জন্য কী প্রয়োজন। তাদের নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কেও সচেতন থাকা উচিত।
ক্যারোলিন লেভিটের স্থলাভিষিক্ত হয়ে কেটি জাকারিয়া ১২ অক্টোবর কাজ শুরু করেন। তার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি খুবই নার্ভাস ছিলেন। তিনি নোটবুক দেখে কথা বলছিলেন এবং সাংবাদিকদের মধ্যে থেকে মাত্র তিনজনের প্রশ্নের উত্তর দেন। এমনকি বক্তব্য দেয়ার এক পর্যায়ে তিনি ভুলবশত নিজের স্বামীকে ‘প্রেসিডেন্ট’ বলে সম্বোধন করেন।
২০১৭ সালের জুলাই মাসে ছয় মাস প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর স্পাইসার পদত্যাগ করেন। গত আগস্ট মাসে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সামরিক বাহিনীতে ২৭ বছর কাটালেও, প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে ছয় মাস দায়িত্ব পালনই তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ ছিল।
সূত্র: এনডিটিভি
আরও পড়ুন: প্রযুক্তি খাতের আয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তকে ঘিরে এশিয়ার শেয়ারবাজারে দরপতন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন