সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫১ পি.এম
ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণায় তৈরি অরুধ্রা রাডার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের মতো কম রাডার-দৃশ্যমান লক্ষ্য শনাক্ত ও ট্র্যাক করতে সক্ষম হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে, এই সক্ষমতা যাচাইয়ের পরীক্ষা হয়েছে কম্পিউটারভিত্তিক সিমুলেশনে। বাস্তব কোনো স্টিলথ যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে রাডারটির কার্যকারিতা পরীক্ষার তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়।
অরুধ্রা একটি মধ্যম পাল্লার ৪ডি অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (এইএসএ) রাডার। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) অধীন ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড রাডার ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট (এলআরডিই) দ্বারা নকশা করা হয়েছে। উৎপাদনের দায়িত্বে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড (বিইএল)।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাডারটির ইন্সট্রুমেন্টেড রেঞ্জ প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। দুই বর্গমিটার রাডার ক্রস সেকশনবিশিষ্ট লক্ষ্য প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূর থেকে শনাক্ত করার সক্ষমতা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি এস-ব্যান্ডে কাজ করে এবং ইলেকট্রনিক বিম-স্টিয়ারিং প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত একাধিক লক্ষ্য শনাক্ত ও অনুসরণ করতে পারে। রাডারটির কার্যকর উচ্চতার পরিসর ১০০ মিটার থেকে ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
সিমুলেশনের বিবরণে বলা হয়েছে, অরুধ্রা এফ-৩৫এ-সদৃশ একটি কম দৃশ্যমান লক্ষ্য শনাক্ত করার পর সেই তথ্য ভারতীয় বিমানবাহিনীর ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের (আইএসিসিএস) সঙ্গে সমন্বয় করে। বিভিন্ন সেন্সর থেকে পাওয়া তথ্য একত্র করে আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করে এই নেটওয়ার্ক। সিমুলেশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুর গতিপথ অনুসরণ, ট্র্যাকের নির্ভরযোগ্যতা এবং সম্ভাব্য প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের বিকল্পও বিশ্লেষণ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
স্টিলথ যুদ্ধবিমান শনাক্তের ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো রাডারে প্রতিফলিত সংকেতের পরিমাণ কমিয়ে আনা। বিশেষ নকশা ও উপকরণ ব্যবহারের কারণে এ ধরনের বিমান প্রচলিত রাডারে তুলনামূলকভাবে কম দৃশ্যমান থাকে। অরুধ্রার ফেজড অ্যারে প্রযুক্তি এবং সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের সক্ষমতা এ ধরনের লক্ষ্য শনাক্তের প্রচেষ্টায় সহায়ক হতে পারে। তবে সিমুলেশনে পাওয়া ফলাফলকে বাস্তব পরিস্থিতিতে কার্যকর শনাক্তকরণের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
বাস্তব পরিবেশে রাডারের কার্যকারিতা নির্ভর করে লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব, উচ্চতা, রাডার ক্রস সেকশন, আবহাওয়া, ভূপ্রকৃতি এবং প্রতিপক্ষের ইলেকট্রনিক যুদ্ধকৌশলসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। ফলে এফ-৩৫ বা সমমানের স্টিলথ বিমানের বিরুদ্ধে অরুধ্রার কার্যকারিতা নির্ধারণে বাস্তব পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ হবে।
ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অরুধ্রা রাডার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পুরোনো নজরদারি ব্যবস্থার পরিবর্তে উন্নত লক্ষ্য শনাক্তকরণ ও ট্র্যাকিং সক্ষমতা গড়ে তোলাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। স্থলভিত্তিক ব্যবহারের পাশাপাশি নৌবাহিনীর প্রয়োজন অনুযায়ী রাডারটির একটি সংস্করণ নিয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
২০২৩ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিইএল-এর সঙ্গে অরুধ্রাসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য বড় অঙ্কের চুক্তি করে। ডিআরডিও ও বিইএলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই রাডার যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মতো আকাশপথের লক্ষ্য শনাক্ত এবং শ্রেণিবিন্যাসে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের মধ্যেও অরুধ্রা গুরুত্বপূর্ণ। তবে স্টিলথ লক্ষ্য শনাক্তে এর প্রকৃত সক্ষমতা কতটা, তা নির্ধারণে সিমুলেশনের ফলাফলের পাশাপাশি পরীক্ষিত প্রযুক্তিগত তথ্য ও বাস্তব পরিস্থিতিতে কার্যকারিতার প্রমাণ প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের কারণে শূন্য হয়ে যাওয়া আসনে উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টা পর্যন্ত জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আজই দলের মনোনীত প্রার্থী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের বাছাই হবে ২৭ অক্টোবর। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৮ অক্টোবর। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৯ অক্টোবর।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ নভেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২ নভেম্বর। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ নভেম্বর।
সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের একটি ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির নাম আলোচনায় আসে। এই ঘটনার পর বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। তার পদত্যাগের পর সংসদ সচিবালয় আসনটিকে শূন্য ঘোষণা করে এবং নির্বাচন কমিশন এই উপনির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে সামুদ্রিক মাছ আহরণের পরিমাণ কমে যাচ্ছে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত পাঁচ বছরে সামুদ্রিক মাছ আহরণ কমেছে ১৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ। পরিবেশগত পরিবর্তন এবং দূষণও সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে।
ডেইলি স্টার-এর প্রতিবেদনে মৎস্য অধিদপ্তরের সামুদ্রিক শাখার উপপ্রধান মো. মোখলেছুর রহমানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত মাছ আহরণের ফলে সামুদ্রিক মাছের মজুতের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণের আধুনিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামের অভাব রয়েছে।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ক্ষুদ্র ও প্রথাগত নৌযানে সামুদ্রিক মাছ আহরণ হয়েছিল ৫ লাখ ১৩ হাজার ৮১৯ টন। পরবর্তী অর্থবছরে এই পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫১ হাজার ৬৬১ টনে। অন্যদিকে, শিল্পভিত্তিক ট্রলারে আহরণ বেড়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮০৪ টন থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৫১ টনে পৌঁছেছে।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক পার্থ প্রতিম বর্মণ মন্তব্য করেন, শিল্পভিত্তিক ট্রলারগুলো নির্ধারিত গভীর সমুদ্রের পরিবর্তে অগভীর পানিতে মাছ ধরছে। এর ফলে ছোট নৌযান ও বড় ট্রলারের মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। টেকসই আহরণ নিশ্চিত করতে মাছ ধরার স্থান ও পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, প্রজাতিভিত্তিক মাছের মজুতের সঠিক হিসাব না থাকার কারণে নিরাপদ আহরণের পরিমাণ নির্ধারণ এবং টুনার মতো গভীর সমুদ্রের মাছের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা মূল্যায়ন কঠিন হয়ে পড়ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কে এম আজম চৌধুরী বলেন, মাছ আহরণ ও অবতরণ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। দূষণ, অবৈধ মাছ আহরণ এবং পরিত্যক্ত জালে সামুদ্রিক প্রাণী আটকে পড়া মৎস্যসম্পদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, দেশের মোট মাছ উৎপাদনে সামুদ্রিক মাছের অবদানও কমছে। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরে মোট মাছ উৎপাদনের ২১ দশমিক ৮৮ শতাংশ সমুদ্র থেকে আসত। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা নেমে এসেছে ১১ দশমিক ১২ শতাংশে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজান ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এটি প্রতিদিন ফরজ নামাজ আদায়ের জন্য প্রদান করা হয়। যিনি আজান প্রদান করেন, তাকে মুয়াজ্জিন বলা হয়। নামাজের গুরুত্ব যেমন অপরিসীম, তেমনি আজানেরও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব।
ইসলামের প্রাথমিক যুগে পবিত্র নগরী মক্কায় আজান ছাড়া নামাজ পড়া হত। যখন প্রিয়নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় হিজরত করে মসজিদ নির্মাণ করেন, তখন মুসলমানদের নামাজে অংশগ্রহণের জন্য একত্রিত করতে একটি সুনির্দিষ্ট সংকেত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন এবং সাহাবাদের পরামর্শ নিতে চান।
সাহাবাগণ নামাজে অংশগ্রহণের জন্য সংকেত ঠিক করতে একটি পরামর্শ সভায় মিলিত হন। সভায় চারটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
এক. ঝান্ডা উড়ানো।
দুই. আগুন প্রজ্বলন।
তিন. শিঙা বাজানো।
চার. ঢোল বাজানো।
পরামর্শ সভার চারটি প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যাত হয়। কারণ ঝান্ডা উড়ালে সব মানুষ তা বাড়ি বা দূর থেকে দেখতে পাবে না। দ্বিতীয়ত, আগুন প্রজ্বলন অগ্নি উপাসকদের কাজ। তৃতীয়ত, শিঙা বাজানো খ্রিস্টানদের কাজ এবং চতুর্থত, ঢোল বাজানো ইয়াহুদিদের কাজ। এই কারণে সেদিন সমাধান ছাড়াই পরামর্শ সভা মুলতবি করা হয়।
আবদুল্লাহ ইবনে জায়িদ (রা.) বিষয়টি নিয়ে রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চিন্তার কথা মাথায় রেখে ফিরে যান। এরপর (আল্লাহর পক্ষ থেকে) স্বপ্নে তাকে আজান শিখিয়ে দেয়া হয়। পরদিন ভোরে তিনি রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানিয়ে বলেন, "হে আল্লাহর রসুল! আমি কিছুটা তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলাম। এমন সময় এক আগন্তুক এসে আমাকে আজান শিক্ষা দিলেন।"
একইভাবে ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.)ও ২০ দিন আগে স্বপ্নযোগে আজান শিখেছিলেন। কিন্তু তিনি তা গোপন রেখেছিলেন। এরপর আবদুল্লাহ ইবনে জায়িদ (রা.) স্বপ্নের বৃত্তান্ত বলার পর তিনিও তার স্বপ্নের কথা নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানান।
নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "তুমি আগে বললে না কেন?" ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) বলেন, "আবদুল্লাহ ইবনে জায়িদ এ নিয়ে আগেই বলে দিয়েছেন। এ জন্য আমি লজ্জিত।" রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "বিলাল, ওঠো। আবদুল্লাহ ইবনে জায়িদ তোমাকে যেভাবে নির্দেশ দেয়, তুমি তা-ই করো।" এরপর বিলাল (রা.) আজান দেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৯৮)
আজান ও ইকামত
আজানের প্রথম অংশে আল্লাহু আকবার, ‘আল্লাহ মহান’ (চারবার) বলা হয়, অতঃপর আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই’ (দুবার), তারপর আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসুলুল্লাহ, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সা. আল্লাহর রসুল’ (দুবার), এরপর হাইয়া আলাস সালাহ, ‘নামাজের জন্য আসো’ (দুবার) ও হাইয়া আলাল ফালাহ, ‘কল্যাণের জন্য আসো’ (দুবার); পরিশেষে আল্লাহু আকবার, ‘আল্লাহ মহান’ (দুবার) ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই’ (একবার)।
ফজরের নামাজের আজানে পঞ্চম বাক্যের (হাইয়া আলাল ফালাহ) পর বলতে হয়, আস সালাতু খায়রুম মিনান নাওম, ‘ঘুম অপেক্ষা নামাজ উত্তম’ (দুবার) এবং ইকামতে এই স্থানে বলতে হয় ‘কদ কমাতিস সালাহ’, ‘জামাত প্রস্তুত’ (দুবার)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডি থ্রি ট্রফির নিলামের মধ্যেই বিগ ব্যাশে দল পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। রিশাদের পর এবার তাকেও দেখা যাবে এই টুর্নামেন্টে। মেলবোর্ন রেনেগেডসের জার্সিতে বিগ ব্যাশ মাতাবেন এই কাটার মাস্টার।
গতকাল অস্ট্রেলিয়ার এই ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) চেয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আসন্ন বিগ ব্যাশের পুরো মৌসুমে মেলবোর্নের হয়ে খেলতে দেখা যাবে এই পেসারকে। বিসিবিও তাকে ছাড়পত্র দিচ্ছে বলে জানা গেছে। এই কারণে বিসিবির নতুন টুর্নামেন্টের টি-টোয়েন্টি সংস্করণে তাকে দেখা যাবে না।
এছাড়া বিগ ব্যাশের পুরো মৌসুম খেলবেন রিশাদও। আসন্ন আসরে তিনি আবারও হোবার্ট হ্যারিকেন্সের হয়ে খেলবেন। পুরো আসর খেলার কারণে ডি থ্রির টি-টোয়েন্টি সংস্করণে রিশাদের খেলা হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ