প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ছবি যুক্ত করে কংগ্রেস-ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া (এনএসইউআই) রাবণের কুশপুত্তলিকা পুড়িয়েছে। মঙ্গলবার নয়াদিল্লির রাইসিনা রোডে সংগঠনটির সদর দপ্তরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে অনিয়ম, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বেকারত্বের প্রতিবাদে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উৎসবের আবহকে প্রতিবাদের ভাষায় তুলে ধরেছে সংগঠনটি।
‘উঙ্গলি তো উঠেগি—রাবণ দহন’ শীর্ষক ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এনএসইউআই অভিযোগ করেছে যে, যুবসমাজের সমস্যা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংকট মোকাবিলায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
রাবণের কুশপুত্তলিকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি, অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি শিল্পপতি গৌতম আদানি ও মুকেশ আম্বানি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, বিজেপি নেতা দুষ্মন্ত গৌতম ও রাজনাথ সিংয়ের মুখাবয়বও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
প্রতীকী এই কর্মসূচির মাধ্যমে সংগঠনটি কথিত ‘ভোট চুরি’, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, জাতীয় সম্পদের অপব্যবহার, সাম্প্রদায়িকতা এবং ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকির মতো বিষয়গুলো তুলে ধরতে চেয়েছে। এনএসইউআই যৌন সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষা দেওয়ার অভিযোগও তুলেছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলমান এনএসইউআইয়ের প্রতিবাদ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। সংগঠনটি নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করে আসছে। এর ফলে তারা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছে।
এনএসইউআইয়ের জাতীয় গণমাধ্যমবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত রবি পাণ্ডে বলেন, ‘বিজয়া দশমী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক। আজকের রাবণ দহনের মাধ্যমে এনএসইউআই ‘ভোট চুরি’, প্রশ্নপত্র ফাঁস, বেকারত্ব, সম্পদের শোষণ, সাম্প্রদায়িকতা এবং নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষা দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংবিধান, গণতন্ত্র ও ভারতের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।’
সূত্র: দ্য ট্রিবিউন
আরএ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন