শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৯ পি.এম
বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ : জাতিসংঘজলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধ এবং বাণিজ্যিক অস্থিরতার কারণে খাদ্যপণ্যের দাম বিশ্ববাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত আগস্ট মাসে খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক মূল্যসূচক ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রদান করেছে।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগস্টে এফএওর খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক ১৩৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। জুলাই মাসে সংশোধিত সূচকটি ছিল ১৩০ দশমিক ৮ পয়েন্ট। এর মানে হচ্ছে, এক মাসের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।ইউরোপে তীব্র দাবদাহ ও খরা, এশিয়ায় সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাব এবং ইউক্রেন ও ইরানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ ও বাণিজ্যিক অস্থিরতার কারণে কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব আন্তর্জাতিক খাদ্যবাজারে পড়েছে।এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো এক বিবৃতিতে বলেছেন, "খাদ্যপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি বাজারে ঝুঁকি ফিরে আসার সতর্কসংকেত।" জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্য ও পরিবহনব্যবস্থার বিঘ্ন ঘটার কারণে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।আগস্ট মাসে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, চিনি, মাংস এবং দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্যসূচক বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউরোপের প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ভুট্টা ও বিট থেকে চিনি উৎপাদন এবং গবাদিপশু পালনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাবে এশিয়ায় পাম তেল ও চিনি উৎপাদন নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে।এফএওর হিসাব অনুযায়ী, আগস্টে খাদ্যশস্যের মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সূচকটি ২০২৪ সালের মে মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।ভোজ্যতেলের মূল্যসূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০২২ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ।চিনির মূল্যসূচকও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগস্ট মাসে এটি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।এদিকে, পৃথক একটি প্রতিবেদনে এফএও জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্বে মোট শস্য উৎপাদনের পূর্বাভাস জুলাইয়ের হিসাবের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন কমিয়ে ২ দশমিক ৯৮০ বিলিয়ন টন করা হয়েছে। নতুন এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছরে বৈশ্বিক শস্য উৎপাদন ২ শতাংশ কমতে পারে।এফএও বলছে, এই পতন ২০১৮ সালের পর বার্ষিক উৎপাদনে সবচেয়ে বড় কমার ঘটনা হতে পারে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে শস্য সরবরাহে বিঘ্ন এবং ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে সারের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়া বৈশ্বিক খাদ্যবাজারের জন্য নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদীতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার সমিতির হাট লঞ্চঘাট থেকে বাঁশগাড়ী লঞ্চঘাট পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার নদীপথে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে ভিড় করেন স্থানীয় ও বিভিন্ন যায়গা থেকে আগত বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোররা। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।
প্রতিযোগিতায় পাঁচটি নৌকা অংশ নেয়। এর মধ্যে তালুকদার গ্রুপের বাদল তালুকদারের নৌকা প্রথম স্থান অর্জন করে। খাঁ যুবসমাজ ও লিটন সরদারের নৌকা যথাক্রমে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। সুমন শিকদারের নৌকা তৃতীয় হয়। এছাড়া একটি ডিঙি নৌকাও প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি ফ্রিজ দেওয়া হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সব প্রতিযোগীকে ৩২ ইঞ্চি স্মার্ট টেলিভিশন পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রবাসী মিরাজ হাওলাদার ও ইলিয়াস তালুকদার প্রতিযোগিতার পুরস্কারগুলো দেয়া হয়।
নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন বাদল তালুকদার, ইয়ামিন তালুকদারসহ স্থানীয় আরও অনেকে।
স্থানীয়রা বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়, এটি আবহমান বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যেতে বসা নৌকা বাইচের ঐতিহ্য আরও পরিচিত ও জনপ্রিয় হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভালো কাজ ও ইতিবাচক উদ্যোগের সমালোচনাকারীরা উন্নত মানসিকতার পরিচয় দিতে পারেন না বলে মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদারীপুর সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ‘আব্দুল করিম খান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খোকন তালুকদার বলেন, ভালো কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে তার সমালোচনা বা নিন্দা হবেই। তবে এসব সমালোচনায় ভালো কাজ থেমে থাকে না। দেশের মানুষ সচেতন এবং তারা ভালো কাজ ও উন্নয়নের পক্ষে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে এবং গণমানুষের ভালোবাসায় তারেক রহমান আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মানুষের সেবা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিদিন দীর্ঘ সময় কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই প্রচেষ্টায় অংশীদার হয়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তরুণ ও শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংসদ সদস্য বলেন, খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় নানা নামে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঠমুখী করতে এ ধরনের আয়োজন আরও বাড়াতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠানে মাদারীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জাফর আলী মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মুরাদ, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফারুক বেপারী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহাদাত হোসেন হাওলাদার, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান জাকির, সদস্যসচিব কামরুল হাসানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে অতিথিরা ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, একটি বিশেষ গোষ্ঠী দীর্ঘকাল ধরে রাজনৈতিক স্বার্থে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে।আজ শুক্রবার রাজধানীর স্বামীবাগে অবস্থিত ইসকন মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমী উৎসবে অংশগ্রহণ করে তিনি এসব কথা বলেন।বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ পৃথিবীতে আর কোথাও নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এই দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ দীর্ঘকাল ধরে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে বসবাস করে আসছেন। ধর্মীয় উৎসবগুলোতে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর যে সংস্কৃতি বাংলাদেশে বিদ্যমান, তা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরির যেকোনো অপচেষ্টাকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি পার্শ্ববর্তী একটি দেশের ক্রমাগত উসকানিতে বিভ্রান্ত না হয়ে দেশের শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে নতুন করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, স্যাটেলাইট এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হ্রদগুলো পর্যবেক্ষণ করে রাজ্যটির ৪০টি হিমবাহ হ্রদ মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি হ্রদকে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
হিমালয়ের উচ্চ অঞ্চলে তীব্র ঠান্ডার কারণে বরফ জমে বিশাল হিমবাহ ও হ্রদ তৈরি হয়। তবে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বরফ দ্রুত গলতে থাকায় এসব হ্রদে পানির পরিমাণ ও চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাহাড়ধস, ভূমিকম্প বা অতিরিক্ত পানির চাপের কারণে কোনো হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে গেলে আকস্মিকভাবে বিপুল পরিমাণ পানি নিচের দিকে নেমে আসতে পারে। এতে পাহাড়ি ঢল এবং আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
সিকিমের অতীত অভিজ্ঞতা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে একটি হিমবাহ হ্রদ ফেটে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল। ওই ঘটনায় অন্তত ৬০ জনের প্রাণহানি ঘটে এবং একটি বড় বাঁধ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। সম্প্রতি নেপাল সীমান্তে একই ধরনের বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে, যা হিমালয় অঞ্চলে নতুন করে সতর্কতা তৈরি করেছে।
সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সিকিম সরকার আগাম প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে। সবচেয়ে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত ‘শাকো ছা’ হ্রদ থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়ার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি লোনাক ও গুরুডংমার হ্রদের পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
হ্রদগুলোর বিপুল পরিমাণ পানি নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে বিজ্ঞানীরা কাজ করছেন। সম্ভাব্য পদ্ধতিগুলোর মধ্যে বড় পাইপের মাধ্যমে পানি পাম্প করে বের করে দেওয়া, সাইফন পদ্ধতি এবং সুরঙ্গ তৈরি করে পানির গতিপথ পরিবর্তনের বিষয়গুলোও বিবেচনা করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় নতুন ধরনের সেন্সর ও সাইরেন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে হ্রদের পরিস্থিতিতে আকস্মিক পরিবর্তন দেখা দিলে আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে নিচু এলাকার মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সূত্র : দ্য হিন্দু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ