০৭:৫০ পি.এম
নাটোর, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার লালপুর উপজেলায় বিভিন্ন এতিমখানা এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খাদ্য, অর্থ এবং উপহারসামগ্রীসহ তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন।
নাটোর থেকে মন্ত্রিপরিষদের প্রথম সদস্য, বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনের বাবা ফজলুর রহমান পটলের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে আজ দিনব্যাপী এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী ছায়া প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটান। এসময় তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘ফজলুর রহমান পটল স্মৃতি বৃক্ষ’ রোপণ করেন।
আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক জিসান নিহত, আহত ৪
প্রতিমন্ত্রী উপজেলার ফুলবাড়ী শিশু সদন ও এতিমখানায় উপজেলার ২৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মাঝে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ক্যাপিটেশন গ্রান্টের মঞ্জুরি বাবদ ৭১ লাখ ৫২ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবির হোসেন, লালপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম, লালপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ পাপ্পু এবং সাবেক গোপালপুর পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী এবং এতিম শিশুরা এদেশের সূবর্ণ নাগরিক। তাদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যেতে চাই। আমরা এদেশকে মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাই বাবা ফজলুর রহমান পটলের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আজ আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।
এ উপলক্ষে তিনি উপজেলার অন্যান্য প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এবং এতিমখানাসমূহে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দুপুরের খাবার বিতরণ করেন।
আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম
এদিকে, আজ বিকেলে উপজেলার শ্রী সুন্দরী পাইলট হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত ফজলুর রহমান পটলের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন।
এরআগে মরহুম পটলের বাড়ি সংলগ্ন গৌরিপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বাদ জোহর মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, তুখোড় বক্তা ফজলুর রহমান পটল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তিনি নাটোর-১ আসন (লালপুর ও বাগাতিপাড়া) থেকে ৩ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৯১-৯৬ মেয়াদে তিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-২০০৬ মেয়াদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন