ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাতে কোন ৩ খাবার গ্যাস্ট্রিক বাড়াতে পারে?


রাতে কোন ৩ খাবার গ্যাস্ট্রিক বাড়াতে পারে?

রাতে খাওয়ার কিছু অভ্যাসের কারণে অনেকের বুকজ্বালা, টক ঢেকুর, পেট ফাঁপা কিংবা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। বিশেষত রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লে এই সমস্যাগুলি আরও বাড়তে পারে। তবে সকলের জন্য একই খাবার একই সমস্যা সৃষ্টি করে না।

১. অতিরিক্ত ঝাল ও তেলযুক্ত খাবার

ঝাল তরকারি, তেলে ভাজা খাবার, পরোটা এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস কিছু মানুষের বুকজ্বালা ও অ্যাসিড রিফ্লাক্সের উপসর্গকে বাড়াতে পারে। রাতে এসব খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

আরও পড়ুন: বন্যায় পোষ্য কুকুরের জীবন বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন দম্পতি

২. চকলেট

চকোলেট কিছু মানুষের খাদ্যনালির নিচের পেশির কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এসে বুকজ্বালা বা টক ঢেকুরের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৩. কফি ও ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়

কফি, শক্ত চা এবং কিছু ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় সংবেদনশীল ব্যক্তিদের বুকজ্বালা বাড়াতে পারে। রাতে এগুলি পান করলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন: বুধবার ১২ রাশির ভাগ্যে কী আছে, জেনে নিন রাশিফলে

রাতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমানোর জন্য যা করবেন:

১. ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন।

২. একবারে অনেক খাবার না খেয়ে পরিমিত খাবার খান।

৩. খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না।

আরও পড়ুন: জীবনে শান্তি পেতে আজ থেকেই বাদ দিন ১২টি অভ্যাস

৪. কোন খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে, তা খেয়াল করুন এবং সেই খাবার কমিয়ে দিন।

সাধারণভাবে যাকে আমরা ‘গ্যাস্ট্রিক’ বলি, তা কখনো অ্যাসিড রিফ্লাক্স, কখনো বদহজম বা অন্য পেটের সমস্যাকে বোঝায়। সব খাবার সবার সমস্যা বাড়ায় না। বারবার বুকজ্বালা, তীব্র পেটব্যথা, গিলতে অসুবিধা, রক্তবমি বা কালো পায়খানা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের মরদেহ রুমেই পড়েছিল, তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ালে উদ্ধার করে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ এম


মায়ের মরদেহ রুমেই পড়েছিল, তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ালে উদ্ধার করে পুলিশ

গোপালগঞ্জ শহরের তেঘোরিয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে শেফালী বেগম (৪০) নামের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় বদ্ধ ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরের বাথরুম থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তেঘোরিয়া এলাকার মিলন খানের বাড়িতে ছেলে শাহিন মিয়া (সিয়াম), তার স্ত্রী সানজিদা বেগম এবং মা শেফালী বেগম ভাড়া থাকতেন। শনিবার বিকেলে ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে ছেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি পুলিশে জানান। পরে সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে ভেতর থেকে আটকানো দরজা ভেঙে বাথরুম থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের ছেলে সিয়াম জানিয়েছেন, গত ২৯ মে বাবা-মায়ের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ (ডিভোর্স) হওয়ার পর থেকেই তার মা শেফালী বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। এরপর প্রায় পাঁচ মাস আগে মাকে নিয়ে তারা এই বাসায় ভাড়া ওঠেন। সেখানে তার মা একটি আলাদা কক্ষে বসবাস করতেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি কক্ষটির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে রাখতেন এবং বের হতেন না।

এদিকে ছেলে সিয়ামের স্ত্রী সানজিদা বেগম জানিয়েছেন, তিন-চার দিন আগে তারা সপরিবারে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। শনিবার বাসায় ফিরে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ এবং তীব্র দুর্গন্ধ পান। বাইরে থেকে অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তারা স্থানীয় পুলিশে খবর দেন।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ দাবি করেছেন, ছেলে ও পুত্রবধূর অবহেলা এবং অযত্নের কারণেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। বাথরুমের ভেতর বেশ কয়েকদিন ধরে শেফালী বেগমের মরদেহ পড়ে থাকলেও পরিবারের লোকজনের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া সন্দেহজনক।

গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাঈম হায়দার জানিয়েছেন, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিবোর্ডের ‘পজ-ব্রেক’ বাটনের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


কিবোর্ডের ‘পজ-ব্রেক’ বাটনের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা

ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের কিবোর্ড সাধারণত লেখালেখি এবং অন্যান্য কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু কিবোর্ডে থাকা কিছু বোতামের কার্যকারিতা বা আসল কাজ সম্পর্কে অনেকেরই সঠিক ধারণা নেই। এর মধ্যে একটি রহস্যময় বোতাম হলো ‘পজ-ব্রেক’ (Pause/Break)।

এই বোতামটি সাধারণত কিবোর্ডের ওপরের ডান পাশে ‘প্রিন্ট স্ক্রিন’ (Print Screen) এবং ‘স্ক্রল লক’ (Scroll Lock) বোতামের পাশে অবস্থান করে। তবে আধুনিক ল্যাপটপ এবং ছোট আকারের কিবোর্ডগুলোতে আলাদাভাবে এই বোতামটি আর দেখা যায় না।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে— এই বোতামের কাজ কি? এটি কি কম্পিউটার বন্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়, নাকি চলমান কোনো কাজ থামিয়ে দিতে পারে? আসলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘পজ-ব্রেক’ বোতামটির ব্যবহারের ধরন অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। পুরোনো দিনের কম্পিউটারে এর কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি থাকলেও বর্তমানে এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু বিশেষ কাজেই ব্যবহৃত হয়।

‘পজ-ব্রেক’ কী এবং অতীতে এর কাজ কী ছিল?

অতীতে যখন 'ডস' (DOS)-এর মতো কমান্ডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হতো, তখন মনিটরের পর্দায় তথ্য দ্রুত ভেসে উঠত। এত দ্রুত তথ্য উঠে যাওয়ার কারণে ব্যবহারকারীদের পক্ষে তা পড়া কঠিন হয়ে পড়ত। তখন ‘পজ’ বোতাম চাপলে পর্দায় তথ্যের গতি সাময়িকভাবে থেমে যেত, ফলে ব্যবহারকারী প্রয়োজনীয় লেখা বা কোড পড়ার সময় পেতেন।

অন্যদিকে, ‘ব্রেক’ বোতামটি মূলত নির্দিষ্ট কিছু কম্পিউটার পরিবেশে চলমান নির্দেশ বা প্রক্রিয়াকে মাঝপথে থামিয়ে দিতে ব্যবহৃত হতো। বিশেষ করে প্রোগ্রামিং শেখা ও কমান্ড লাইন ইনপুট নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে এই বোতামের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।

তবে মনে রাখতে হবে, এই বোতামটি কম্পিউটারের সব ধরনের কাজ হুট করে থামিয়ে দিতে পারে না। এর কার্যকারিতা মূলত ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম, নির্দিষ্ট সফটওয়্যার এবং কিবোর্ডের ধরনের ওপর নির্ভর করে।

বর্তমান কম্পিউটারে কি এই বোতামের কোনো কাজ আছে?

আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমের যুগে এই বোতামের প্রয়োজনীয়তা প্রায় শেষ বললেই চলে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ—যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট তৈরি কিংবা ভিডিও দেখার মতো কাজে এই বোতাম চেপে ধরে রাখার বা ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন পড়ে না।

তবে বিভিন্ন কমান্ড-লাইন প্রোগ্রাম, সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও বিশেষ কিছু ডেবাগিং সফটওয়্যারে এটি এখনো কার্যকর। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ‘Ctrl + Break’ বোতাম দুটি একসাথে চাপলে চলমান কোনো কমান্ডের প্রক্রিয়া ভেঙে দেওয়া বা বাধা দেওয়া যায়। তবে সব সফটওয়্যারে এই শর্টকাট একইভাবে কাজ করবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

এ কারণে বছরের পর বছর কিবোর্ডে থাকা সত্ত্বেও বেশিরভাগ সাধারণ ব্যবহারকারী কখনো এই বোতামটি স্পর্শও করেন না।

নতুন ল্যাপটপে কেন আর এই বোতাম দেখা যায় না?

কম্প্যাক্ট ও আকর্ষণীয় লুক দেওয়ার জন্য নতুন ল্যাপটপগুলোর কিবোর্ডের আকার ছোট করা হয়। জায়গা বাঁচাতে ল্যাপটপ নির্মাতারা স্বাভাবিকভাবেই কম ব্যবহৃত বা প্রায় অপ্রয়োজনীয় বোতামগুলো বাদ দিয়ে থাকেন। ফলে আধুনিক ল্যাপটপের বেশিরভাগ মডেলেই ‘পজ-ব্রেক’ বোতাম আলাদা করে রাখা হয় না।

তবে প্রয়োজন পড়লে কিছু ল্যাপটপে ‘Fn’ (ফাংশন) বোতামের সাথে অন্য কোনো নির্দিষ্ট বোতাম একসাথে চেপে এই কাজ করা যায়। কোন বোতামের সমন্বয়ে কাজটি হবে, তা ল্যাপটপের ব্র্যান্ড ও নির্দিষ্ট মডেলের ওপর নির্ভর করে। তাই এমন প্রয়োজনে ল্যাপটপের ব্যবহারকারী নির্দেশিকা (User Manual) দেখে নেওয়া যেতে পারে।

‘পজ-ব্রেক’ চাপলে কি কম্পিউটার বন্ধ বা হ্যাং ঠিক হয়ে যায়?

একেবারেই না! এই বোতাম চাপলে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যায়—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। সাধারণ উইন্ডোজ ডেস্কটপে শুধু এই বোতামটি চাপলে তাৎক্ষণিকভাবে চোখে পড়ার মতো কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না।

একইভাবে, কোনো কারণে কম্পিউটার হ্যাং হলে বা কোনো প্রোগ্রাম আটকে গেলে এই বোতাম চেপে তা ঠিক করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করে অথবা সফটওয়্যারটির নিজস্ব ক্লোজ অপশন থেকেই অ্যাপটি বন্ধ করতে হয়।

বোতামটি কি তাহলে শতভাগ অপ্রয়োজনীয়?

উত্তর হলো— সবার জন্য অপ্রয়োজনীয় নয়। যারা প্রতিদিন কমান্ড-লাইন নিয়ে কাজ করেন, পুরোনো প্রোগ্রামিং কোড বা পুরোনো সফটওয়্যার চালনা করেন কিংবা বিশেষ কিছু আইটি টেকনিক্যাল কাজের সাথে যুক্ত— তাদের জন্য ‘পজ-ব্রেক’ বোতামটি আজও প্রয়োজনীয়।

তবে একজন সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর জন্য প্রতিদিনের কাজকর্মে এটি কোনো ভূমিকা রাখে না। প্রযুক্তির বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কাজ কমে আসায় আধুনিক অনেক কিবোর্ড ও ল্যাপটপ থেকেই বোতামটি চিরতরে বিদায় নিচ্ছে।

কিবোর্ডে থাকা ‘পজ-ব্রেক’ মূলত কম্পিউটিং জগতের পুরোনো স্মৃতির এক ঐতিহাসিক প্রতীক। এটি কোনো জাদুকরী বা রহস্যময় বোতাম নয়, বরং কম্পিউটার প্রযুক্তির ধীরে ধীরে বদলে যাওয়ারই এক উজ্জ্বল অংশ।

সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তিবিষয়ক অনুষ্ঠান মাইক্রোসফট ইগনাইট-এ ‘Query about Pause/Break key on the Keyboard’ শীর্ষক প্রশ্নের সংগৃহীত উত্তর থেকে অনুদিত ও সম্পাদিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাম্বল ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া ফাইলের কাজ এগোয় না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০১ এম


চাম্বল ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া ফাইলের কাজ এগোয় না

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, সেবা নিতে আসা মানুষদের হয়রানির শিকার হওয়ার কথাও জানা গেছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অফিস সহায়ক বাসু দাশ।

অভিযোগকারী ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, টাকা প্রদান না করলে ফাইলের কাজ অগ্রসর হয় না।

ভুক্তভোগীরা জানান, ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণের সময় অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে বাধ্য হন। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবা পেতে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।

অফিস সহায়ক বাসু দাশ অভিযোগের বিষয়ে বলেন, "আমি ঘুষ নিতে চাই না। আমাকে জোর করে টাকা দেওয়া হয়, তাই নিয়েছি।"

অন্যদিকে, চাম্বল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সেলিম উদ্দীন মন্তব্য করেন, যদি বাসু দাশ নিয়ম ভঙ্গ করে থাকেন, তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি ভূমি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ লেনদেনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে যাবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওয়াশিংটনে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে সাগ্নিক সেনের বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০১ এম


ওয়াশিংটনে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে সাগ্নিক সেনের বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান

বাংলা ও হিন্দি গানের কালজয়ী সুরসাধক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে (হেমন্ত কুমার) শ্রদ্ধা জানাতে একটি বিশেষ সংগীতসন্ধ্যা ‘সুরের আকাশে শুকতারা হেমন্ত’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।

এই অনুষ্ঠানটি আগামী ১ নভেম্বর স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হবে হলিডে ইন এক্সপ্রেস ওয়াশিংটন ডিসি এসডব্লিউ স্প্রিংফিল্ড বাই আইএইচজি’তে।

আমিত আঢ্য এবং মোহাম্মদ নকিবউদ্দিনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সংগীত অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করবেন আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত কণ্ঠশিল্পী সাগ্নিক সেন।

বর্তমানে সাগ্নিক সেনকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সুরের সার্থক ও শীর্ষস্থানীয় উত্তরসূরি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। রবীন্দ্র সঙ্গীতের মেলোডি থেকে শুরু করে হেমন্তের কালজয়ী সব ধ্রুপদী গান অত্যন্ত নিখুঁত ও নিজস্ব ভঙ্গিতে পরিবেশনের জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।

উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়ার বিভিন্ন খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারফর্ম করে সাগ্নিক সেন বিশ্বব্যাপী সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয় জয় করেছেন।

সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য সাগ্নিক সেন একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলিউড থেকে প্রাপ্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘দি অ্যাকাডেমিয়া মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’।

সঙ্গীতপ্রেমীদের জন্য ‘সুরের আকাশে শুকতারা হেমন্ত’ হতে যাচ্ছে এক অনন্য ও নস্টালজিক অভিজ্ঞতা। এখানে সাগ্নিক সেনের সুললিত কণ্ঠে জীবন্ত হয়ে উঠবে অমর শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের চিরসবুজ সুরমালা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%