ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

তেঁতুলিয়া থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সেরা সময় অক্টোবর-নভেম্বর


তেঁতুলিয়া থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সেরা সময় অক্টোবর-নভেম্বর

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে হিমালয়ের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। মেঘমুক্ত আকাশে দূরের বরফঢাকা এই পর্বতশৃঙ্গের দৃশ্য পর্যটকদের জন্য এক বিশেষ অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে। তবে বছরের সব সময় এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা স্পষ্ট দেখা যায় না। তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে জানা প্রয়োজন, কখন গেলে দেখা মিলতে পারে এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের এবং তেঁতুলিয়ার কোন জায়গাগুলো থেকে সবচেয়ে ভালোভাবে তা উপভোগ করা যায়।

কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সেরা সময়

তেঁতুলিয়া থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য সবচেয়ে ভালো সময় সাধারণত অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি। বর্ষা বিদায় নেওয়ার পর আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করে। এই সময় বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসে এবং মেঘের ঘনত্ব কম থাকলে দূরের পাহাড়গুলো স্পষ্ট দেখা যায়।

আরও পড়ুন: বন্যায় পোষ্য কুকুরের জীবন বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন দম্পতি

বিশেষ করে ভোর থেকে সকালবেলা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তন, কুয়াশা কিংবা মেঘের কারণে পাহাড়ের দৃশ্য আড়াল হয়ে যেতে পারে। তবে আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে দৃশ্যমানতার সময় ও পরিস্থিতি বদলাতে পারে। তাই নির্দিষ্ট কোনো দিনে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাবেই—এমন নিশ্চয়তা নেই।

তেঁতুলিয়ায় যেসব জায়গা থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা

তেঁতুলিয়ার কয়েকটি জায়গা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এর মধ্যে ঐতিহাসিক তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো অন্যতম পরিচিত স্থান। মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এই ডাকবাংলো ও আশপাশের পিকনিক স্পট থেকে পরিষ্কার আবহাওয়ায় পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।

এ ছাড়া রওশনপুর, বাংলাবান্ধা, তেঁতুলিয়া বাইপাস, ভজনপুরের করতোয়া সেতু এবং ভিতরগড় এলাকাও কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য পরিচিত। আবহাওয়া ও অবস্থানের ওপর নির্ভর করে এসব জায়গা থেকে পাহাড়ের দৃশ্যের স্পষ্টতা ভিন্ন হতে পারে।

আরও পড়ুন: বুধবার ১২ রাশির ভাগ্যে কী আছে, জেনে নিন রাশিফলে

কাঞ্চনজঙ্ঘা ছাড়াও দেখা মিলতে পারে যেসব পাহাড়ের

কাঞ্চনজঙ্ঘার পাশাপাশি অনুকূল আবহাওয়ায় হিমালয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি পর্বতশৃঙ্গ দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে পান্ডিম, কুম্ভকর্ণ ও সিনিওলচু। তবে এসব শৃঙ্গের দৃশ্যমানতাও আকাশের স্বচ্ছতা ও আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল।

বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত। এর বরফঢাকা চূড়া দূর থেকে দেখার সুযোগ বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে।

ভ্রমণের আগে যা মনে রাখবেন

আরও পড়ুন: জীবনে শান্তি পেতে আজ থেকেই বাদ দিন ১২টি অভ্যাস

কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার উদ্দেশ্যে তেঁতুলিয়া গেলে অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় বেছে নেওয়া যেতে পারে। তবে যাত্রার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নেওয়া ভালো। ভোরে নির্ধারিত দর্শনীয় স্থানে পৌঁছালে পাহাড় দেখার সুযোগ বাড়তে পারে। পাশাপাশি শীতের সময় ভোরে কুয়াশা ও ঠান্ডার বিষয়টিও মাথায় রাখা প্রয়োজন।

সঠিক সময় ও অনুকূল আবহাওয়া মিললে তেঁতুলিয়া থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য হয়ে উঠতে পারে ভ্রমণের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরায় মধুমতী নদীতে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


মাগুরায় মধুমতী নদীতে অজ্ঞাত তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের কাশিপুর এলাকায় মধুমতী নদীতে একটি অজ্ঞাত তরুণীর লাশ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে দশটার দিকে নদীর তীরে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি লাশ ভেসে থাকতে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ লাশটি উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, নিহত তরুণীর বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে পারে।

মহম্মদপুর থানার ওসি এম শামিম আহমেদ এ বিষয়ে জানান, খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে নৌ পুলিশ ও পিবিআইকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া এবং তদন্তের স্বার্থে থানা পুলিশ তাদের সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করবে।

নৌ পুলিশ ও পিবিআই টিম লাশ উদ্ধার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেছে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের বিকাশে সচেতনতা ও চিকিৎসার সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরলেন ডা. শাহাদাত হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


শিশুদের বিকাশে সচেতনতা ও চিকিৎসার সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরলেন ডা. শাহাদাত হোসেন

শিশুদের স্বাভাবিক শারীরিক, মানসিক ও বাক্বিকাশ নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবক, চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, শিশুদের কথা বলতে বিলম্ব বা স্পিচ ডিলে সমস্যার পেছনে শারীরিক, স্নায়বিক, শ্রবণজনিত, গঠনগত ও বিকাশগত বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। এসব সমস্যার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো সঠিক রোগ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে সাহিক চট্টগ্রাম অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ), চট্টগ্রাম শাখা এবং সাহিক চট্টগ্রাম সাব-সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্পিচ ডিলে ইন চিলড্রেন’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, শিশুদের জন্মকালীন জটিলতা ও মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে বিকাশগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রসবকালীন ব্যবস্থাপনায় আরো সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

সাহিক-এর কার্যক্রমের প্রশংসা করে প্রশাসক বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে শিশু, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন স্নায়বিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনসেবা দিয়ে আসছে। এ ধরনের সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে আরো সমৃদ্ধ করা এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির সুযোগ বাড়াতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিশু স্নায়ুরোগ ও বিকাশ বিশেষজ্ঞ ডা. আনজির আনোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন, চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন ধালী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিপিএ চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ এ চৌধুরী (আরজু)। সভাপতিত্ব করেন সাহিক চট্টগ্রাম সাব-সেন্টারের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল আলীম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিপিএ চট্টগ্রাম শাখার সদস্য ডা. বেলাল উদ্দিন।

সেমিনারে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের শিশু বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতির কাছে জাপান সফরের চুক্তি ও সম্পর্কের বিষয় তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


রাষ্ট্রপতির কাছে জাপান সফরের চুক্তি ও সম্পর্কের বিষয় তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার সাম্প্রতিক জাপান সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান।

পরে একান্ত বৈঠকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাপানের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার আলোচনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

এ সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক জাপান সফরের অন্যান্য দিক যেমন সফরকালে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় তারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রপতি এ সফরে দুদেশের মধ্যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে জাপানি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।

বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব, অতিরিক্ত প্রেস সচিব, একান্ত সচিব-২ সহ বঙ্গভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়ামতপুরে ২০ কোটি টাকার সংযোগ সড়কে বালুর বদলে মাটি, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


নিয়ামতপুরে ২০ কোটি টাকার সংযোগ সড়কে বালুর বদলে মাটি, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে বালুর পরিবর্তে মাটি ও ইটের টুকরো ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, রাতের আঁধারে এসব মালামাল দিয়ে সড়কের দুই পাশ ভরাটের চেষ্টা করা হয় এবং স্থানীয়দের বাধার মুখে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনায় উপজেলা প্রকৌশলীর বক্তব্যে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি দাবি করেছেন যে, ঠিকাদারকে আগেই ওই মালামাল ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও কীভাবে ওই মালামাল প্রকল্প এলাকায় এলো, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

‎

উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের বটতলী বাজার থেকে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বরিয়া জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়কটির দুই পাশে প্রশস্তকরণের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খাইরুল কবির রানা এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা।

‎

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ২৭ অক্টোবর গভীর রাতে সড়কের দুই পাশে বালুর পরিবর্তে মাটির সঙ্গে ইটের টুকরো মিশিয়ে ভরাটের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তাঁরা বাধা দেন। একপর্যায়ে মাটিবোঝাই কয়েকটি গাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয় এবং কাজটি বন্ধ হয়ে যায়।

‎

এ বিষয়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সড়কের অন্য পাশের ডব্লিউএমএম (WMM) কাজের নিচের অংশে মাটির পরিমাণ বেশি থাকায় তিনি ঠিকাদারকে ওই পাশের মালামাল গ্রহণ করতে নিষেধ করেছিলেন। এরপরও ঠিকাদার দুই গাড়ি মালামাল নিয়ে এসেছিলেন। পরে সেগুলো অপসারণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় তিনি নিজের মুঠোফোনে ধারণ করা একটি ভিডিও সাংবাদিকদের দেখান।

‎

তবে প্রকৌশলীর বক্তব্যের পরও প্রশ্ন উঠেছে, ঠিকাদারকে আগেই নিষেধ করা হয়ে থাকলে এরপরও কীভাবে ওই মালামাল প্রকল্প এলাকায় আনা হলো? নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মালামাল আনার ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? আর সড়কের দুই পাশে ইতোমধ্যে ব্যবহৃত উপকরণের গুণগত মান যাচাই করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।

‎

অন্যদিকে, কাজের অনিয়ম নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিনিধি সাংবাদিককে বালু না মাটি, তা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে দেখার কথা বলেন। পরে প্রতিষ্ঠানের আরেক প্রতিনিধি মুঠোফোনে সাংবাদিককে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও ও কল রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে।

‎

বরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মজিদুল অভিযোগ করে বলেন, সড়কের দুই পাশে বালুর পরিবর্তে কাদামাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

‎

একই গ্রামের বাসিন্দা রাজু আহম্মেদ বলেন, কাজের সময় নিয়মিত পানি দেওয়া হয়নি। যেখানে খোয়া দেওয়ার কথা, সেখানে ভাটার শক্ত মাটি ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি ভরাটের জন্য নর্দমা থেকে মাটি তুলে আনা হচ্ছে।

‎

প্রায় ২০ কোটি টাকার এই প্রকল্পে নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই, ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত এবং প্রকৌশল বিভাগের তদারকি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের প্রশ্ন, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী নিষেধ করার পরও যদি ঠিকাদার নিম্নমানের মালামাল নিয়ে আসেন, তাহলে প্রকল্পের কাজের সার্বিক মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%