বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ এম
ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘গ্রাভলিন্স’-এ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) একটি ঘটনা ঘটেছে যা সবদের নজর কেড়েছে। লাখ লাখ জেলিফিশ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেশিন ঠান্ডা করার পাম্পগুলোতে আটকে গেছে। এই কারণে বাধ্য হয়ে কেন্দ্রটির বেশ কয়েকটি চুল্লি বা রিঅ্যাক্টর বন্ধ করে দিতে হয়েছে, যার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়েছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কোম্পানি ‘ইডিএফ’ জানিয়েছে, তাদের ৬টি চুল্লির মধ্যে বর্তমানে মাত্র একটি পুরোপুরি চালু রয়েছে। তিনটি চুল্লি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে, একটি চুল্লির উৎপাদন অর্ধেকে কমানো হয়েছে এবং অপর একটি চুল্লি আগে থেকেই মেরামতের জন্য বন্ধ ছিল। অবাক করার বিষয় হলো, ঠিক এক বছর আগে একই কারণে দুই দিন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল।
কিন্তু কোম্পানিটি সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেছে, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই ঘটনার কারণে সেখানকার কর্মী, স্থাপনা বা পরিবেশের কোনো ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। কর্মীরা দ্রæত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।
জেলিফিশগুলো সরানোর জন্য দিনরাত কয়েকটি মাছ ধরার নৌকা কাজ করছে। তারা পাম্পের কাছ থেকে জেলিফিশগুলো ধরে আবার গভীর সমুদ্রে ছেড়ে দিচ্ছে এবং আটকে যাওয়া পাম্পগুলো পরিষ্কার করছে।
ফ্রান্সে এই বছর বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনা এটি প্রথম নয়। এর আগে প্রচণ্ড গরম ও খরার কারণে কয়েকটি চুল্লি বন্ধ রাখতে হয়েছে।
শুধু ফ্রান্সে নয়, জেলিফিশের কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনা এর আগে ২০১৩ সালে সুইডেনে এবং ১৯৯৯ সালে জাপানে ঘটেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রে অতিরিক্ত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের পানি গরম হচ্ছে, আর এই কারণেই জেলিফিশের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
সূত্র: এনডিটিভি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। ফাইল ছবি
ইসরাইলের নেতানিয়াহু সরকার ফিলিস্তিন ইস্যুকে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।
তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে এরদোগান এই কড়া সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, নেতানিয়াহু সরকারের মূল লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলে নতুন নতুন সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তার ফায়দা নেওয়া এবং মানবজাতির সাধারণ এজেন্ডা বা বিশ্বমঞ্চ থেকে ফিলিস্তিনকে মুছে ফেলা।
তবে ইসরাইল তাদের এই ষড়যন্ত্রে কখনোই সফল হবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও বলেন, তারা যতই ফিলিস্তিনকে ধ্বংস করার চেষ্টা করুক না কেন, মানুষের হৃদয়ে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও অধিকার আদায়ের দাবি আরও বৃদ্ধি পাবে। এ সময় স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তুরস্ক সবসময় পাশে থাকবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
এর আগে, গতকাল ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে আঙ্কারায় পৌঁছান। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন কূটনৈতিক উপদেষ্টা মাজদি খালিদি, গোয়েন্দা প্রধান মাজেদ ফারাজ এবং ফিলিস্তিনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জিয়াদ আবু আমর।
আজ তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে এই অঞ্চলের সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরিস্থিতি ও সংকট নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাস তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সাথে তার এই আলোচনাকে 'অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ' বলে বর্ণনা করেছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইয়ালোভায় প্রশিক্ষণ ফ্লাইট চলাকালীন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। খবর রয়টার্সের।.
তবে দেশটির কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, এই দুর্ঘটনায় পাইলট প্যারাসুটের সাহায্যে নিরাপদভাবে বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ইয়ালোভায় প্রশিক্ষণ উড্ডয়নের সময় তাদের বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৬ বিমান বিধ্বস্ত হয়। পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করে বের হয়ে এসেছেন এবং তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণের জন্য একটি বিস্তারিত তদন্ত শুরু করার কথাও উল্লেখ রয়েছে ওই বিবৃতিতে।
জানা গেছে, ইয়ালোভা এয়ারফিল্ড কমান্ডে যখন প্রশিক্ষণ চলছিল, তখন এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সামরিক বিমানটি মূলত ইয়ালোভার চিফলিককয় জেলার তাসকোপ্রু শহরের ১৮তম মেইন জেট ঘাঁটির কাছাকাছি একটি স্থানে বিধ্বস্ত হয়।
পাইলট প্যারাসুটের মাধ্যমে প্রাণে বেঁচে যাওয়ার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থলে মেডিকেল ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়। উদ্ধারের পরে চিকিৎসার জন্য পাইলটকে ইয়ালোভা ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিধ্বস্ত হওয়া এফ-১৬ যুদ্ধবিমানটি তুরস্কের এসকিসেহির ১ম মেইন জেট ঘাঁটির ‘চেলান স্কোয়াড্রন’-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বলেও জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সালাত বা নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম একটি স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য নামাজ পড়া ফরজ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব গ্রহণ করা হবে নামাজের জন্য। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, নামাজের ওয়াক্ত অনুযায়ী ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরজ হলো সময়মতো নামাজ পড়া। এজন্য এই প্রয়োজনীয় বিষয় হলো, নামাজের সময়সূচি জানা।
আজকের নামাজের সময় সূচি শুরু হচ্ছে-
ফজর- ০৪: ১৩ মিনিট
যোহর- ১২: ০৭ মিনিট
আসর- ০৪: ৩৯ মিনিট
মাগরিব- ০৬: ৩৮ মিনিট
এশা- ০৭: ৫৬ মিনিট
নামাজ আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গৃহীত হয়। এটি আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, আত্মাকেও পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্যারোলিন লেভিট হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন, এই সিদ্ধান্তটি তিনি পরিবার এবং ছোট সন্তানদের আরও বেশি সময় দেওয়ার লক্ষ্যে নিয়েছেন। তিনি আগামী আগস্ট মাসের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বর্তমান দায়িত্ব থেকে বিদায় নেবেন। এই তথ্যটি সংবাদ প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’র।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ বুধবার (১২ আগস্ট) ক্যারোলিনের পদত্যাগের খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
গত মে মাসে, ২৭ বছর বয়সি ক্যারোলিন লেভিট ভিভিয়ানা নামের দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের মা হন। মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে, গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে তিনি হোয়াইট হাউসের কাজে ফিরেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি এক বিবৃতিতে জানান যে, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ এবং ব্যস্ত পদে কাজ করার ফলে, তিনি তার দুই ছোট সন্তানকে তাদের প্রাপ্য সময় দিতে পারছিলেন না। সন্তানদের প্রতি এই মাতৃসুলভ দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
তবে পদ ছাড়লেও ক্যারোলিন রাজনীতি থেকে পুরোপুরি সরে যাচ্ছেন না। তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অন্যতম শীর্ষ উপদেষ্টা হিসেবে বাইরে থেকে কাজ চালিয়ে যাবেন। সেইসাথে রিপাবলিকান পার্টি এবং ‘মাগা’ (MAGA) আন্দোলনের একজন প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর হিসেবেও তিনি তার রাজনৈতিক ভূমিকা রাখবেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্যারোলিনের এই পারিবারিক সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে বলেছেন, তিনি হোয়াইট হাউসে একজন সত্যিকারের নেতার মতো কাজ করেছেন। ট্রাম্প তাকে হোয়াইট হাউসের ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রেস সেক্রেটারি হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ