প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘গ্রাভলিন্স’-এ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) একটি ঘটনা ঘটেছে যা সবদের নজর কেড়েছে। লাখ লাখ জেলিফিশ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেশিন ঠান্ডা করার পাম্পগুলোতে আটকে গেছে। এই কারণে বাধ্য হয়ে কেন্দ্রটির বেশ কয়েকটি চুল্লি বা রিঅ্যাক্টর বন্ধ করে দিতে হয়েছে, যার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়েছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কোম্পানি ‘ইডিএফ’ জানিয়েছে, তাদের ৬টি চুল্লির মধ্যে বর্তমানে মাত্র একটি পুরোপুরি চালু রয়েছে। তিনটি চুল্লি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে, একটি চুল্লির উৎপাদন অর্ধেকে কমানো হয়েছে এবং অপর একটি চুল্লি আগে থেকেই মেরামতের জন্য বন্ধ ছিল। অবাক করার বিষয় হলো, ঠিক এক বছর আগে একই কারণে দুই দিন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল।
কিন্তু কোম্পানিটি সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেছে, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই ঘটনার কারণে সেখানকার কর্মী, স্থাপনা বা পরিবেশের কোনো ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। কর্মীরা দ্রæত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।
জেলিফিশগুলো সরানোর জন্য দিনরাত কয়েকটি মাছ ধরার নৌকা কাজ করছে। তারা পাম্পের কাছ থেকে জেলিফিশগুলো ধরে আবার গভীর সমুদ্রে ছেড়ে দিচ্ছে এবং আটকে যাওয়া পাম্পগুলো পরিষ্কার করছে।
ফ্রান্সে এই বছর বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনা এটি প্রথম নয়। এর আগে প্রচণ্ড গরম ও খরার কারণে কয়েকটি চুল্লি বন্ধ রাখতে হয়েছে।
শুধু ফ্রান্সে নয়, জেলিফিশের কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার ঘটনা এর আগে ২০১৩ সালে সুইডেনে এবং ১৯৯৯ সালে জাপানে ঘটেছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রে অতিরিক্ত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের পানি গরম হচ্ছে, আর এই কারণেই জেলিফিশের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
সূত্র: এনডিটিভি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন