১২:০৯ পি.এম
চলতি সপ্তাহে মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম আরও এক দফা বেড়ে গেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে প্রতি কেজি মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে পাঙাশের কেজি ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল ও পোয়া মাছের দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে।
বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ওজন ভেদে রুই মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং টেংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে।
আরও পড়ুন: কাতারএনার্জি আগামী বছর ৪০ কার্গোর ২৬টি সরবরাহ করবে
মাছের পাশাপাশি ডিমের দামেও বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকায়। গরুর মাংসের দাম স্থির থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। আর খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।
অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার করতে আসা খন্দকার সাজ্জাদ হোসেন নামে এক ক্রেতা বলছেন, নিত্যপণ্যের দাম আগেই বেশি ছিল। এখন বৃষ্টি ও বন্যার কারণে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম আরো বেড়ে গেছে। সীমিত আয়ে সংসার চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা এবং সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নিলে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন: শেয়ারের নামে অনিয়ন্ত্রিত আবাসন ব্যবসা বন্ধ হোক : রিহ্যাবের দাবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন