শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫১ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সরকারি কর্মচারীরা বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে নাসিরনগর উপজেলা কল্যান ফেডারেশন শাখার উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
তাদের দাবিগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল- অনুপাতে ১২ গ্রেডভিত্তিক নতুন পে-স্কেল নির্ধারণ করে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা, দ্রুততম সময়ে পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর করা। এ ছাড়া, তারা জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এলজিইডি অফিসের হিসাবরক্ষক মোঃ ফরিদুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অফিসের হিসাবরক্ষক মীর মোশারফ হোসেন, উপজেলা পরিষদের সিএ মোঃ রাশিদুল হাসান, উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির মোঃ রমজান মিয়া, উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী শরিফা আক্তার, পরিবার পরিকল্পনা অফিসের পরিদর্শিকা রাজিয়া সুলতানা এবং উপজেলা কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীরা অবিলম্বে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান। তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দ্রুত দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মোঃ ফরিদুল হক বলেন, "বাংলাদেশে কোন বৈষম্য যেন না থাকে, এই জন্য আপনাকে সবাই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের যত কর্মচারী আছে, কর্মকর্তা আছে, বিভিন্ন পর্যায়ে যারা আছেন তাদের কথা চিন্তা করে আপনি আমাদের এই পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করবেন বলে আমরা আশা করি। যদি এটা বাস্তবায়ন করেন, সকল বাংলাদেশের যারা এই পে-স্কেলের সুবিধা পাবে, আজীবন তারা মনে রাখবে। শুধু তারাই না, তাদের ফ্যামিলি যারা থাকবে প্রত্যেকেই আজীবন আপনার এই পে-স্কেলের কথা তারা স্মরণ রাখবে।"
উপজেলা পরিষদের সিএ মোঃ রাশিদুল হাসান বলেন, "কর্মচারীরা একত্রে একাত্মা ঘোষণা করে যোগ দেন। আমাদের আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি নবম পে স্কেলের দাবী বাস্তবায়নের কর্মসূচিতে সকল কর্মচারীর অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর জেলায় প্রশাসন কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জেলার মোট ৭০৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪২২টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সোমবার কুমিল্লা সেনানিবাসের কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা চাঁদপুর সফর করেন। সফরের সময় তিনি চাঁদপুর সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং জেলা প্রশাসনসহ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এবারের নির্বাচনে চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৭০৬টি ভোটকেন্দ্র ও ৪ হাজার ২৭৬টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
উপজেলা ভিত্তিতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা হলো- ফরিদগঞ্জে ১১৮টি, মতলব দক্ষিণে ৫৭টি, মতলব উত্তরে ৯৮টি, কচুয়ায় ১১০টি, চাঁদপুর সদরে ১৩৩টি, হাজীগঞ্জে ৯০টি, হাইমচরে ৩২টি এবং শাহরাস্তিতে ৬৮টি। নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার আটটি উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২১ বীর ব্যাটালিয়ন ও ১৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের প্রায় ১ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে।
এছাড়া, প্রতিটি উপজেলায় দুইটি করে বিজিবি প্লাটুন দায়িত্ব পালন করবে, যেখানে প্রতি প্লাটুনে ১৮ থেকে ২০ জন সদস্য থাকবেন। ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে ৮ হাজার ৫২০ জন পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি সদস্য এবং ১ হাজার ৪১২ জন গ্রাম পুলিশ দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সার্বক্ষণিকভাবে ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় টহলে নিয়োজিত থাকবেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও মোবাইল টিমের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। ভোটগ্রহণে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসন হলো- চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসন নং-২৬০, চাঁদপুর-২ (মতলব দক্ষিণ-উত্তর) আসন নং-২৬১, চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসন নং-২৬২, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসন নং-২৬৩ এবং চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ- শাহরাস্তি) আসন নং-২৬৪।
জেলা নির্বাচন অফিসের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর জেলার পাঁচটি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৩ লাখ ৩১ হাজার ২৩৫ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১১ লাখ ২৯ হাজার ৮৭৪ জন, পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ১ হাজার ৬৪৪ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১১ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, প্রতিটি কক্ষে একজন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও দুইজন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। সে অনুযায়ী জেলায় মোট ৭০৬ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও ৪ হাজার ২৬০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োজিত থাকবেন। নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) লুৎফুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, "ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।" পুলিশের সদস্যদের শরীরে বডি অন ক্যামেরা থাকবে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ এর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চাঁদপুর জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেছেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কুমিল্লা এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ নাজিম-উদ-দৌলা, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি, পিএইচডি।
সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুর সফরের অংশ হিসেবে তিনি জেলা প্রশাসন ও সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। দুপুরে জিওসি চাঁদপুর পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান এবং এলাকার বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদান করেন ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান।
এরপর সার্কিট হাউজে আসলে জিওসিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার। পরে চাঁদপুর সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় মেজর জেনারেল নাজিম-উদ-দৌলা বলেন, “একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে সামরিক ও অসামরিক প্রশাসনকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা এবং ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করবে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না।”
উক্ত সভায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র্যাব (জঅই), বিজিবি (ইএই), এনএসআই (ঘঝও) এবং আনসার ও ভিডিপিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি এবং সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের বিষয়ে বিশদ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
পরবর্তীতে জিওসি নিয়াজ চাঁদপুর সেনা ক্যাম্পে মোতায়েন করা সেনাসদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের শৃঙ্খলা ও আন্তঃবাহিনীর মধ্যে শক্তিশালী যোগাযোগ বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, উচ্চপদস্থ এই সামরিক কর্মকর্তার সরাসরি তদারকি ও সমন্বিত উদ্যোগ আসন্ন নির্বাচনে জেলায় একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
চাঁদপুর জেলা পরিদর্শনকালে সম্মানিত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া এর সফরসঙ্গী হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন, বিএএম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল হাসান, এসজিপি, এনডিসি, পিএসসি সহ ডিভিশন সদর দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার কর্তৃক গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশকৃত বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদে কর্মরত সকল স্তরের কর্মচারীরা অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছেন। বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী দাবী আদায় ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত নির্দেশনার আলোকে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।
১ ফেব্রুয়ারী থেকে ৩ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত তিন দিন ব্যাপী সকাল ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে উপজেলা চত্বরে এই কর্মসূচী পালিত হয়। উপজেলা কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান, সহ সভাপতি আহম্মদ হোসাইন ও রুবেল কান্তি দাশ, সাধারণ সম্পাদক মো.
জাহিদ হাসান, অর্থ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক পিন্টু কুমার মল্লিক, রাব্বি মো. শাহাদাত চৌধুরী, ফরিদুল আলম, মো.
জোবায়ের, মো. আমান উল্লাহ, নোবেল দাশ, মো.
বদর উদ্দীন, মনোজ ক্মুার, মো. বিল্লাল হোসেন, মো.
জিয়া, সাচিং, মফিজুর রহমান চৌধুরী, প্রদীপ কুমার, আশীষ বড়ুয়া, সুজন দাশ ও মো. ইমরান উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই দরবার শরীফের পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম উল্লেখ করেছেন, যদি ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা সংসদে প্রবেশ করতে সক্ষম হন, তাহলে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ একটি স্বর্ণের দেশে রূপান্তরিত হবে। তিনি বলেন, যারা ইসলামের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তারা এই পৃথিবীতে শান্তি এবং পরকালে মুক্তি অর্জন করবেন।
সোমবার রাতে কুমিল্লার হোমনা উপজেলা বাসস্ট্যান্ড বালুর মাঠে কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। পীর সাহেব চরমোনাই কুমিল্লা-২ আসনের ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলমকে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন, "ইসলামের পক্ষে এই ভালো মানুষটাকে যদি আপনারা ভোট দিতে পারেন, আমি পরিষ্কারভাবে বলছি, আপনাদের মুখে আল্লাহ হাসি ফোটাবেন -এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নাই।"
তিনি আরও বলেন, "গত ৫৪ বছরে আমরা বহু নেতার শাসন ও নীতি দেখেছি। তারা দেশ পরিচালনা করে কী দিয়েছে, তা জনগণ জানে। একবার নয়, বারবার দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে। এখন তারা আবার ক্ষমতায় যেতে চায়। যারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন, তাদের বলবো- চিন্তার পরিবর্তন না হলে আল্লাহ ভাগ্যের পরিবর্তন করবেন না।" ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পশ্চিম জেলা সভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা মাওলানা রেজাউল করিম আবরার, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের তিতাস উপজেলা সভাপতি ডা. আব্দুল হান্নান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ