ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিবিএস দেশের শিল্প-ব্যবসার জন্য নতুন তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে


বিবিএস দেশের শিল্প-ব্যবসার জন্য নতুন তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে

দেশের কোথায় কোন শিল্প-কারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অবস্থিত, কোন এলাকায় কোন খাতের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি এবং কোন প্রতিষ্ঠান চালু বা বন্ধ রয়েছে—এসব তথ্য একত্রিতভাবে পাওয়া যাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নতুন তথ্যভাণ্ডারে। একই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর অধীনে কতগুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সেগুলো কোন কোন খাতে কাজ করছে, সেই তথ্যও জানা যাবে। এই লক্ষ্যে স্থায়ী স্ট্যাটিস্টিক্যাল বিজনেস রেজিস্টার (এসবিআর) তৈরি করছে সংস্থাটি।

অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ প্রকল্পের আওতায় এই তথ্যভাণ্ডারটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এর অধিকাংশ তথ্য একীভূত করার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তথ্য প্রদর্শনের জন্য ড্যাশবোর্ড তৈরির কাজ চলছে। আগামী নভেম্বরের মধ্যে এর কার্যকর সংস্করণ চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর এসবিআর কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: মাছের বাজার চড়া, সবজিতে স্বস্তি

বিবিএসের অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর যুগ্ম সচিব (সংযুক্ত) ও প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. দীপঙ্কর রায় বলেন, "প্রচলিত অর্থনৈতিক শুমারির মতো নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন করে এই নিবন্ধন তৈরি করতে হবে না। এটি স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে পরিচালিত হবে এবং নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। অর্থনৈতিক শুমারি প্রকল্প শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিবিএস উইংয়ের কাছে এর দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।"

২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশে অর্থনৈতিক এককের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ২ হাজার ৭৯২টি। ২০১৩ সালের শুমারিতে এ সংখ্যা ছিল ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫টি। অর্থাৎ এক দশকে অর্থনৈতিক এককের সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

তবে এসব অর্থনৈতিক এককের একটি বড় অংশ এখনো প্রাতিষ্ঠানিক নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে। নতুন তথ্যভাণ্ডারের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিচ্ছিন্ন তথ্য একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক শুমারিতে শনাক্ত বড় ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরবর্তী সময়ে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র, কুটির ও অনানুষ্ঠানিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও এই তথ্যভাণ্ডারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: জাহাজভাড়া বাড়ল ৭০০ টাকা, দিতে হবে নতুন ‘পরিবেশ ফি’

নিবন্ধনে প্রতিষ্ঠানের নাম ও অবস্থানের পাশাপাশি সেটি চালু, সাময়িকভাবে বন্ধ নাকি পুরোপুরি বন্ধ—সেই তথ্যও থাকবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন), বাণিজ্যিক লাইসেন্স, ভ্যাট বা ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন), ব্যবসায়ী সংগঠন, চেম্বার কিংবা সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদসহ বিভিন্ন তথ্য যুক্ত করা হবে।

এই তথ্যভাণ্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হবে ভৌগোলিক বিশ্লেষণ। নির্দিষ্ট শিল্প খাত নির্বাচন করলে দেশের কোন জেলা বা অঞ্চলে ওই খাতের কতগুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে, কোথায় শিল্পের ঘনত্ব বেশি এবং কোথায় কম—তা মানচিত্রের মাধ্যমে দেখা যাবে। স্থানীয় পর্যায়েও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ধরনের তথ্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ পরিকল্পনায় কাজে লাগতে পারে। কোনো এলাকায় শিল্পের ঘনত্ব বেশি হলে সেখানে সড়ক, পরিবহন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পরিকল্পনায় এসব তথ্য ব্যবহার করা যাবে। একইভাবে যেসব অঞ্চলে শিল্পের উপস্থিতি কম, সেসব এলাকায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক বৈষম্য চিহ্নিত করতেও তথ্যভাণ্ডারটি সহায়ক হতে পারে।

এসবিআরের মাধ্যমে ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলোর সামগ্রিক চিত্রও পাওয়া যাবে। একই গোষ্ঠীর অধীনে থাকা একাধিক প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে গোষ্ঠীটির মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং সেগুলো কোন কোন খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা জানা সম্ভব হবে। এতে কোনো শিল্পোদ্যোক্তা বা ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর ব্যবসার বিস্তৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: দুই অর্থবছরে রেলপথে কনটেইনার পরিবহন ৩২ শতাংশ কমেছে

ভবিষ্যতে একটি ইউনিক বিজনেস আইডি চালুর বিষয়েও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে বিবিএস। এটি চালু হলে একই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন সরকারি তথ্যভাণ্ডারে একই পরিচয়ে শনাক্ত করা সহজ হবে। এর মাধ্যমে আর্থিক, কর ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমসংক্রান্ত তথ্যের মধ্যে সংযোগ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এ ছাড়া বড় তথ্যভাণ্ডার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্তমান তথ্যের সঙ্গে পুরোনো তথ্য মিলিয়ে দেখার পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া বিচ্ছিন্ন বা স্বঘোষিত তথ্য যাচাই এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বাস্তবে চালু আছে কি না, তা নির্ধারণের সক্ষমতা বাড়তে পারে। সরকারি সহায়তা বা আর্থিক সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা যাচাইয়ে এসব তথ্য কাজে লাগতে পারে।

প্রতিষ্ঠানের ধরন, জনবল, অর্থ ও তথ্যের উৎসের ওপর নির্ভর করে হালনাগাদের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। বড় প্রতিষ্ঠানের তথ্য ছয় মাস বা এক বছর পরপর পর্যালোচনা করা হতে পারে। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য প্রয়োজন ও সক্ষমতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিরতিতে হালনাগাদ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (ডিজেএফবি) সভাপতি আরিফুর রহমান বলেন, বিবিএসের তথ্য ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক সম্পর্কে অনেক নতুন সাংবাদিকের কারিগরি ধারণা সীমিত। ফলে জটিল তথ্যের ব্যাখ্যায় ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আরও পড়ুন: স্কলাস্টিকার নামে ৭২৭ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ, স্থানান্তর ৪২৫ কোটি

তিনি জিডিপি, ভোক্তা মূল্যসূচকসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক এবং তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পদ্ধতি নিয়ে সাংবাদিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের আয়োজনের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, বিবিএস নিয়মিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও জরিপ প্রকাশ করে। এসব তথ্যের কারিগরি দিক সাংবাদিকদের কাছে পরিষ্কার না হলে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল ব্যাখ্যা পৌঁছাতে পারে এবং বিবিএসের তথ্যের ওপর মানুষের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাংবাদিকদের ধারণা বাড়ানো প্রয়োজন।

সব ধরনের জরিপ বিবিএসের মাধ্যমে পরিচালনা করা প্রয়োজন কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আলোচনা হওয়া দরকার বলে মত দেন তিনি। তাঁর মতে, যে প্রতিষ্ঠানের যে বিষয়ে বিশেষায়িত সক্ষমতা রয়েছে, সেই অনুযায়ী জরিপ ও তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব ভাগ করা হলে তথ্যের মান ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়তে পারে।

এর আগে সকালে সাংবাদিকদের একটি দল মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের ওয়ান্ডারল্যান্ডে এসবিআরের মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম, কর্মীর সংখ্যা, বার্ষিক লেনদেন, টিআইএন এবং নিয়মিত সরকারকে কর পরিশোধ করে কি না—এ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করতে দেখা যায়।

পরিদর্শনে ডিজেএফবির সাংগঠনিক সম্পাদক এম আর মাসফি, অর্থ সম্পাদক আলতাফ হোসাইন, দপ্তর সম্পাদক আরমান হোসাইন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জহির রায়হানসহ সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ প্রকল্পের উপপরিচালক মিজানুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন।

আরও পড়ুন: মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির প্রবণতা, বছরে হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম ইয়াবাসহ গ্রেফতার, ৭০ হাজার টাকা জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


চাঁদপুরে বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম ইয়াবাসহ গ্রেফতার, ৭০ হাজার টাকা জব্দ

চাঁদপুরে যৌথ টাস্কফোর্সের একটি ব্লক-রেইড অভিযানে মোঃ আব্দুর রহিম (৪৬) নামের এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ৭০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। আব্দুল রহিম চাঁদপুর পৌর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে পৌনে ৬টা পর্যন্ত চাঁদপুর সদর মডেল থানাধীন বড় স্টেশন রেল কলোনি এলাকায় অভিযানটি পরিচালিত হয়। এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মু: মিজানুর রহমান। অভিযানে জেলা পুলিশ এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।

ডিএনসি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড় স্টেশন রেল কলোনিতে আব্দুল রহিমের বসতঘরে যৌথ বাহিনীর টিম অভিযান চালায়। তল্লাশি চালানোর সময় ২,৫০০ পিস ইয়াবা, ৭০ হাজার টাকা, ২টি মোবাইল হ্যান্ডসেট এবং ৪টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় আব্দুল রহিমকে গ্রেফতার করা হলেও তার দুই সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পলাতক আসামিরা হলেন- রেলওয়ে কলোনি এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে মোঃ ফারহান রানা (৩২) এবং যমুনা রোড (টিলাবাড়ি) এলাকার জলিল বেপারির ছেলে মোঃ জয় ইসলাম (২৬)। আব্দুল রহিম চাঁদপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ৫ নম্বর ঘাট এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন এবং বর্তমানে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বড় স্টেশন লোক কলোনিতে বসবাস করছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার বাদী ও ডিএনসি চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক মোঃ সোহেল রানা জানান, অভিযানের সংগৃহীত আলামতের ভিত্তিতে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, মাদকসহ গ্রেফতার হওয়ার খবর জানার পর রহিমকে তাৎক্ষণিকভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীর সেনবাগে পুকুরে ডুবে ৫ বছরের শিশুর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


নোয়াখালীর সেনবাগে পুকুরে ডুবে ৫ বছরের শিশুর মৃত্যু

নোয়াখালীর সেনবাগে পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু ঘটেছে হুমায়ারা বেগম (৫) নামে এক শিশুর। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার সময় উপজেলার ৬ নম্বর কাবিলপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাবিলপুর গ্রামের মিঝি বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত হুমায়ারা ওই বাড়ির লিটনের কন্যা।

হুমায়ারা পরিবারের সদস্যদের অগোচরে পুকুরপাড়ে খেলছিল এবং এ সময় সে পানিতে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাকে না দেখে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পরে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেনবাগ থানার ওসি মো.

হযরত আলী মিলন জানিয়েছেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ অবহিত করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুর জেলা পরিষদ পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার পরিচালক মনোয়ারা বেগম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ পি.এম


চাঁদপুর জেলা পরিষদ পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার পরিচালক মনোয়ারা বেগম

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মনোয়ারা বেগম চাঁদপুর জেলা পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) তিনি কার্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম. সলিম উল্যা সেলিম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.

কবির হোসেন সরদার ফুল দিয়ে অতিথিকে স্বাগত জানান। এ সময় জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

শুভেচ্ছা জ্ঞাপন শেষে, বিভাগীয় পরিচালক মহোদয় জেলা পরিষদের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগসমূহ পর্যবেক্ষণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনা রেস্তোরাঁ মালিক কর্মীদের বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ পি.এম


চীনা রেস্তোরাঁ মালিক কর্মীদের বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দিলেন

প্রতিদিন স্কুটারে করে কর্মস্থলে আসতেন কর্মীরা। ঠাণ্ডা, বৃষ্টি কিংবা ঝড়, কোনো কিছুই তাদের যাতায়াত থামাতে পারত না। এবার চীনের এক রেস্তোরাঁ মালিক কর্মীদের কয়েকজনের হাতে একেবারে নতুন বিএমডব্লিউর চাবি তুলে দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। এই ব্যতিক্রমী উপহারের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি প্রশংসিত হচ্ছেন।

মধ্য চীনের হেনান প্রদেশের জিয়াওজুও শহরে বিফ হটপটের একটি চেইন রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন মা ইয়ানলি। তিনি লক্ষ্য করেন, তার অনেক কর্মী প্রতিদিন ইলেকট্রিক স্কুটারে করে কর্মস্থলে আসেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের এভাবেই যাতায়াত করতে হয়, যা তাকে ভাবিয়ে তোলে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর মা কয়েকজন কর্মীকে একটি বিএমডব্লিউ ডিলারশিপে নিয়ে যান। কর্মীদের জানানো হয়েছিল, সেখানে একটি মিটিং রয়েছে। কিন্তু ডিলারশিপে পৌঁছানোর পর তারা জানতে পারেন, তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক বড় চমক।

মা তাদের মধ্যে কয়েকজনকে একেবারে নতুন বিএমডব্লিউ গাড়ি উপহার দেন। প্রতিটি গাড়ির দাম প্রায় ৩ লাখ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৩ লাখ টাকা। আরও চমকপ্রদ বিষয় হলো, গাড়ির চাবি কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়ার আগেই তিনি গাড়িগুলোর পুরো দাম পরিশোধ করে রেখেছিলেন।

ফলে নির্বাচিত কর্মীদের গাড়ির জন্য কোনো টাকা খরচ করতে হয়নি। স্কুটারে করে বৃষ্টি-ঝড় পেরিয়ে কাজে আসা কর্মীদের জন্য এবার যাতায়াতের সঙ্গী হলো বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ।

মা ইয়ানলি বলেন, ‘প্রতিকূল আবহাওয়ায় কর্মীদের কষ্টের কথা তিনি বুঝতে পারেন। তাদের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতেই তিনি এই উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ ভাগ্যবান কর্মীদের একজন লি জিয়ে বলেন, ‘আমি খুবই রোমাঞ্চিত! আগে এটা নিয়ে ভাবার সাহসও করিনি।’

মা ব্যাখ্যা করেন, একজন কর্মীকে তীব্র ঠাণ্ডার মধ্যে যাতায়াত করে স্পষ্টতই লাল মুখ নিয়ে ফিরতে দেখে তিনি বিশেষভাবে আবেগাপ্লুত হয়েছিলেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন তিনি নিজে আরামে যাতায়াত করতে পারেন, তখন তার কর্মীদের কেন এমন পরিস্থিতি সহ্য করতে হবে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মা ইয়ানলি মনে করেন, তার কর্মীদের সম্মিলিত পরিশ্রমেই ব্যবসা আজ এই অবস্থানে পৌঁছেছে। তাই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের সুফলে কর্মীদেরও সরাসরি অংশীদার করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

কর্মীদের জন্য এমন ব্যতিক্রমী উপহারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই কর্মীদের প্রতি মায়ের উদারতা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে, পরিশ্রমী কর্মীদের কিভাবে স্বীকৃতি ও পুরস্কৃত করা যায়, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%