শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২২ পি.এম
রাজধানীর সায়দাবাদ জনপদ মোড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৭ বছর বয়সী যুবক আরিয়ান। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে তার স্বজনরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বেয়াই সোহাগ মিয়া জানান, আরিয়ান গুলিস্তানের ফুটপাতে জুতা বিক্রি করতেন এবং প্রতিদিন রাত ১১টার দিকে বাসায় ফিরতেন। বৃহস্পতিবার রাত ৩টা পেরিয়ে গেলেও তার বাসায় না ফেরায় সোহাগ তাকে খুঁজতে গুলিস্তানে যান। সেখানে না পেয়ে ফেরার পথে সায়দাবাদ জনপদ মোড়ে মালঞ্চ কমিউনিটি সেন্টারের সামনে মানুষের জটলা দেখতে পান। কাছে গিয়ে তিনি আরিয়ানকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহাগ মিয়ার ধারণা, অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও জানান, আরিয়ানের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার রামগড় গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল কাদের ভূঁইয়া। বর্তমানে তিনি যাত্রাবাড়ীর মীর হাজিরবাগ এলাকায় বসবাস করতেন। এক বছর আগে বিয়ে করেন আরিয়ান। তার স্ত্রী মিম চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো হ্যাটট্রিকের সংখ্যায় লিওনেল মেসিকে আরও পিছনে ফেলেছেন। ২৯ অক্টোবর আল-খুলুদের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তিনি তিন গোল করে ক্যারিয়ারের ৬৭তম হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন। এটির মাধ্যমে তাঁর ১১তম ‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিক’ও পূর্ণ হলো। বর্তমানে হ্যাটট্রিকে রোনালদো ৬৭-৬২ ব্যবধানে এগিয়ে আছেন, আর পারফেক্ট হ্যাটট্রিকে ব্যবধান ১১-০।
পারফেক্ট হ্যাটট্রিক বলতে বোঝায় একই ম্যাচে ডান পা, বাঁ পা এবং মাথা দিয়ে একটি করে গোল করা। আল-খুলুদের বিপক্ষে রোনালদোর তিনটি গোলও এই তিন পদ্ধতিতে এসেছে। তিনি ৬৬ মিনিটে ডান পায়ে, ৭২ মিনিটে বাঁ পায়ে এবং ৮১ মিনিটে মাথায় গোল করে ৬৭তম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ২০২৪ সালের ৪ মে আল-ওয়াহদার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর ৯০৮ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটে তাঁর।
অন্যদিকে, মেসির ক্যারিয়ারে হ্যাটট্রিকের সংখ্যা ৬২। এর মধ্যে ক্লাবের হয়ে ৫১টি এবং আর্জেন্টিনার হয়ে ১১টি। রোনালদোর ক্লাব হ্যাটট্রিক ৫৭টি, আর পর্তুগালের হয়ে ১০টি। আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিকে মেসি ১১-১০ ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে দুজনের হ্যাটট্রিক সমান ৮টি করে।
মেসির ৬২ হ্যাটট্রিকের মধ্যে ২৭টিতে তাঁর দুর্বল পায়ের গোল রয়েছে এবং মাত্র ৩টিতে হেডের গোল এসেছে। প্রচলিত সংজ্ঞা অনুযায়ী, তাই তাঁর কোনো পারফেক্ট হ্যাটট্রিক নেই। বিপরীতে, রোনালদোর ৬৭ হ্যাটট্রিকের মধ্যে ৩০টিতে হেডের গোল এবং ৩৪টিতে দুর্বল পায়ের গোল রয়েছে। এ কারণে পারফেক্ট হ্যাটট্রিকে রোনালদোর আধিপত্য স্পষ্ট।
যদিও হ্যাটট্রিকের সংখ্যায় রোনালদো এগিয়ে আছেন, প্রতি ম্যাচে হ্যাটট্রিকের হিসাব অনুযায়ী মেসি সামান্য এগিয়ে। বর্তমানে মেসি প্রায় প্রতি ১৯.১ ম্যাচে একটি হ্যাটট্রিক করেছেন, যেখানে রোনালদোর হার প্রায় প্রতি ২০ ম্যাচে একটি। মেসির চার গোলের ম্যাচ ৭টি এবং পাঁচ গোলের ম্যাচ ২টি। রোনালদোর চার গোলের ম্যাচ ৯টি এবং পাঁচ গোলের ম্যাচ ২টি।
মেসির প্রথম হ্যাটট্রিক এসেছিল ২০০৭ সালের ১০ মার্চ রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে। সর্বশেষ তালিকাভুক্ত হ্যাটট্রিক ২০২৬ সালের ২৯ আগস্ট মন্ট্রিয়ালের বিরুদ্ধে চার গোলের পারফরম্যান্স। অন্যদিকে, আল-খুলুদের বিপক্ষে রোনালদোর হ্যাটট্রিকই তাঁর সর্বশেষ এবং ৬৭তম।
দুজনের হ্যাটট্রিকের ধরনেও রয়েছে বেশ কিছু ব্যতিক্রম। মেসি ২০১৪ সালে আপোয়েলের বিপক্ষে একই ম্যাচে তিনটি গোলই ডান পায়ে করেছিলেন। ২০১৯ সালে সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে তাঁর একটি হ্যাটট্রিকে ছিল দুটি সরাসরি ফ্রি-কিক ও একটি পেনাল্টি। রোনালদো আবার ইংল্যান্ড, স্পেন, ইতালি, সৌদি আরব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে হ্যাটট্রিক করেছেন।
সব মিলিয়ে ৩০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হিসাব বলছে, মোট হ্যাটট্রিকে রোনালদো ৬৭-৬২ ব্যবধানে এগিয়ে। পারফেক্ট হ্যাটট্রিকে তাঁর সামনে ১১টি, মেসির শূন্য। তবে আন্তর্জাতিক হ্যাটট্রিক এবং ম্যাচপ্রতি হ্যাটট্রিকের কার্যকারিতায় মেসিরও রয়েছে এগিয়ে থাকার জায়গা। ফলে দুই মহাতারকার হ্যাটট্রিকের লড়াইয়ে সংখ্যার পাশাপাশি গোল করার ধরনও তৈরি করেছে আলাদা এক পরিসংখ্যানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ টঙ্গীর হাজীর মাজার বস্তি থেকে একটি নম্বরপ্লেট বিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে, যা বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেনেন্ট কে এম তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় দেড় মাইল দূরে অবস্থিত। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরের পরিদর্শক সাজ্জাদুর রহমান।
তিনি উল্লেখ করেন, আটক তাহসিফের বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা পিবিআইয়ের একটি দল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ওই এলাকা থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে।
যেহেতু মোটরসাইকেলটির নম্বরপ্লেট নেই, তাই এটি তাহসিফ সাউরির কি না তা বিআরটিএতে নিয়ে অধিকতর যাচাইবাছাই করে দেখা হবে।
এর আগে গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় দ্বীপের সঙ্গে তাহসিফ সাউরি মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়। পরবর্তীতে ২৮ অক্টোবর বিকেলে টঙ্গী নৌ-পুলিশ ঢাকার উত্তরখান থানা এলাকার রাজাবাড়ী নৌঘাট থেকে তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর পিবিআই সাউরির বন্ধু দ্বীপকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে ভারতীয় সমর্থিত গোষ্ঠী ফিতনা আল-হিন্দুস্তানের হামলার চেষ্টা নিরাপত্তা বাহিনী নস্যাৎ করেছে। পাকিস্তানি বাহিনী লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর পূর্বেই পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। শুক্রবার এ তথ্য জানায় জিও নিউজ, যা নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, খারান জেলার আলবাত এলাকায় অবস্থিত একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা ড্রোনগুলো পাঠায়। তবে নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই পাঁচটি ড্রোন ধ্বংস করে দেয়। এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
গত মাসে আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ড্রোনও পাকিস্তানি বাহিনী ভূপাতিত করেছিল। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সময়মতো ড্রোনগুলোর উপস্থিতি শনাক্ত করে সেগুলো প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তজুড়ে মোতায়েন দেশটির বিমানবাহিনী পরিচালিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সার্বক্ষণিক সচল রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত।
সূত্র: জিও নিউজ
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতালিয়ান ফুটবলে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে এসি মিলান ও ইন্টার মিলান। নতুন স্টেডিয়ামের নাম ‘জেনেরালি স্টেডিয়াম’ রাখা হয়েছে, যা দুই ক্লাবের যৌথ ব্যবহারের জন্য নির্মিত হতে যাচ্ছে। এর ফলে কিংবদন্তি সান সিরোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে মিলানের দুই জায়ান্ট।
ইতালির ক্রীড়া দৈনিক লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্তের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর মিলানের কাস্তেল্লো স্ফোরজেস্কোতে একটি অনুষ্ঠানে নতুন স্টেডিয়ামের নাম ঘোষণা করা হয়। স্টেডিয়ামটিতে একসঙ্গে ৭১ হাজার ৫০০ দর্শক খেলা উপভোগ করতে পারবেন। নকশা হবে ডিম্বাকৃতি ও বাটির মতো, যেখানে থাকবে দুটি স্তরের গ্যালারি। মাঠের কাছাকাছি দর্শকদের নিয়ে আসা নকশার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
নতুন স্টেডিয়ামের অন্যতম আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দুই গোলপোস্টের পেছনের গ্যালারি। এই অংশের ঢাল প্রায় ৩৭ ডিগ্রি হবে, যা জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিখ্যাত ‘ইয়েলো ওয়াল’-এর আদলে তৈরি করা হবে। খাড়া গ্যালারির কারণে দর্শকদের মাঠের আরও কাছে থাকার অনুভূতি সৃষ্টি হবে এবং ম্যাচের সময় আরও তীব্র পরিবেশ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্টেডিয়ামের নকশার দায়িত্বে রয়েছে ফস্টার + পার্টনার্স ও ম্যানিকা। শুধু ফুটবল মাঠ নয়, পুরো এলাকা আধুনিক বিনোদনকেন্দ্রে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। স্টেডিয়ামের আশপাশে বাণিজ্যিক স্থাপনা, রেস্তোরাঁ ও বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থা থাকবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালে নির্মাণকাজ শুরু হতে পারে এবং ২০৩১-৩২ মৌসুমে নতুন স্টেডিয়ামটি চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। ইউরো ২০৩২-এর আগেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যও রয়েছে মিলান ও ইন্টারের। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক জিউসেপ্পে মেয়াজ্জা স্টেডিয়ামের আংশিক ধ্বংসের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে ইতালিয়ান ফুটবলের অন্যতম ঐতিহাসিক ভেন্যু সান সিরোর পরিচিত অধ্যায় ধীরে ধীরে শেষের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ