বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৩৩ পি.এম
নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের কারণে নদীর তীর থেকে পাহাড়ের দিকে দৌড়াচ্ছেন মানুষ। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই তাদের স্বজনদের পানির স্রোতে ভেসে যেতে দেখেছেন। সেই ভীতিকর মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, প্রবল বেগে নদীর পানি স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসছে। আতঙ্কিত মানুষজন প্রাণ বাঁচাতে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে ওপরে উঠতে শুরু করেন। দলে ছিলেন শিশু, তরুণ-তরুণী এবং বয়স্করাও।
পানির স্রোত দ্রুত এগিয়ে আসায় অনেকেই নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যে কয়েকজনকে স্রোতে ভেসে যেতে দেখা যায়। কাছের মানুষদের চোখের সামনে ভেসে যেতে দেখে কেউ কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে প্রাণ বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত অন্যদেরও পাহাড়ের দিকে ছুটতে দেখা যায়।
নেপালে বুধবার সকালে এই ভয়াবহ হড়পা বান আঘাত হানে। চীন ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত লেন্দে নদীর তীর থেকে বিপুল পরিমাণ কাদা ও ধ্বংসস্তূপ নেমে আসার ফলে ভয়াবহ এই বন্যার সৃষ্টি হয়। তীব্র স্রোত ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন গ্রাম ও শহরে আছড়ে পড়ে। এ ঘটনায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৬৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া দুর্যোগের পর থেকে নেপাল ও চীনের তিব্বত মিলিয়ে অন্তত দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৮০০ জনেরও বেশি বিদেশি পর্যটক ও পুণ্যার্থী রয়েছেন।
হড়পা বানে নেপাল ও তিব্বতের হিমালয়-সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি, সড়ক ও অন্যান্য স্থাপনা পানির তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বা নিশ্চিহ্ন হয়েছে। দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, নদীর পাশের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যাচ্ছেন মানুষ। একটি বাড়ির উঠানে এক তরুণীকে বসে কাঁদতে দেখা যায়। তাঁর সামনে দিয়ে ভয়াবহ স্রোতে পানি বয়ে যেতে দেখা যায়।
’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে প্রথম ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং লাখো মানুষ তা দেখেছেন। অনেকেই নেপালের দুর্গত মানুষ ও নিখোঁজ পর্যটকদের জন্য প্রার্থনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশনটি শুরু হয়।
এর আগে, গত ১৫ জুলাই চলতি সংসদের বাজেট অধিবেশন শেষ হয়েছিল। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসারে, ৬০ দিনের মধ্যে অধিবেশন বসানোর প্রয়োজন রয়েছে। সেই অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি ইতোমধ্যে অধিবেশন আহ্বান করেছেন।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, অধিবেশনটি ৫, ৭ বা ১০ দিনের সংক্ষিপ্ত হতে পারে। তবে প্রয়োজন হলে মেয়াদ বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কোর অব মিলিটারি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, আজ কোর অব মিলিটারি পুলিশ বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ এবং রিমাউন্ট ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফার্ম (আরভিঅ্যান্ডএফ) কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ সাভারের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) এবং রিমাউন্ট ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফার্ম (আরভিঅ্যান্ডএফ) ডিপোতে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উভয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান।
আইএসপিআর জানায়, কোর অব মিলিটারি পুলিশের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত অধিনায়কগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় কোর অব মিলিটারি পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এ কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
পরবর্তীতে, আরভিঅ্যান্ডএফ কোরের ৪র্থ বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত অধিনায়কগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি আরভিঅ্যান্ডএফ কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশের সেবায় এ কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। সেনাবাহিনীর পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ কোরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে তিনি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং ফার্মসমূহের উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানসমূহে মিলিটারি পুলিশের কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও কমান্ড্যান্ট, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, কর্নেল কমান্ড্যান্ট, আরভিঅ্যান্ডএফসি ও কমান্ড্যান্ট, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া, সেনাসদর ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট কোরসমূহের অধিনায়ক ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাই সদর এলাকায় একটি মোবাইল দোকানে সাংবাদিককে জিম্মি করে জোরপূর্বক অর্থ ছিনতাই, মুক্তিপণ দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ভিডিও রেকর্ড করানোর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে মিরসরাই থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিককে উদ্ধার করেছে।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, (২৫ আগষ্ট) মিরসরাই সদরের ‘অপু টেলিকম’ দোকানে অবস্থানকালে চিহ্নিত সন্ত্রাসী নজরুল ইসলাম মামুন, মহিলা দলের নাসরিন সুলতানা ও তার মেয়ে লামিয়া আফরোজের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ক্যাডার বাহিনী মাইটিভির মীরসরাই প্রতিনিধি ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে এবং জিম্মি অবস্থায় তার কাছে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। এছাড়া তার ব্যবহৃত ‘মাইটিভি’র অফিসিয়াল প্রেস কার্ড ছিনিয়ে নিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সন্ত্রাসীরা ভুক্তভোগীকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সামাজিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক তাদের শিখিয়ে দেওয়া বক্তব্য ভিডিও রেকর্ড করায়। এসময় তার কাছে মোটা অঙ্কের (৫ লাখ টাকা) চাঁদা দাবি করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনার খবর পেয়ে মিরসরাই থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ঘটনার পরপরই ‘Mirsarai News Desk’ নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে সন্ত্রাসীদের ধারণ করা ভিডিওটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হয়। ভিডিওর উৎস ও সময় বিবেচনায় উক্ত ফেসবুক পেজ/আইডি পরিচালনাভিত্তিক চক্রের সাথে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের প্রত্যক্ষ যোগাযোগের স্পষ্ট প্রমাণ মেলে।
সশস্ত্র এই চক্রটির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসায় মিরসরাই থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ