০২:৪৭ পি.এম
শরীয়তপুরের জাজিরা থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নাজিমের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অভিযোগকারী মো. রবিন মাদবর (২৩) জাজিরা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি গ্রামের সেলিম মাদবরের ছেলে। রবিন জানান, সম্প্রতি তিনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য অনলাইনে আবেদন করেন। আবেদনের তদন্তের দায়িত্ব পান জাজিরা থানার এএসআই নাজিম। পরবর্তীতে ওই পুলিশ কর্মকর্তা মোবাইল ফোনে কল করে তাকে থানায় যেতে বলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিওতে রবিন ও এএসআই নাজিমের মধ্যে টাকা নিয়ে কথোপকথন শোনা যায়। অডিওতে রবিনকে টাকার পরিমাণ কমানোর অনুরোধ করতে শোনা যায়। তিনি নিজেকে রাজমিস্ত্রি পরিচয় দিয়ে বলেন, দুই হাজার টাকা দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। একপর্যায়ে অডিওতে এএসআই নাজিমকে এক হাজার টাকা দাবি করতে শোনা যায়।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎখাতে লুটপাটের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছিল আওয়ামী সরকার: রিজভী
এ সময় রবিন বলেন, তিনি শুনেছেন ৫০০ টাকায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করা যায়। নাজিমের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া শোনা যায় জবাবে। অডিওর পরবর্তী অংশে রবিনকে বলতে শোনা যায়, স্যার, আপনার ফাইলের নিচে টাকা রাখলাম।
তবে এএসআই নাজিম টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, রবিনের বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিদ্যুৎ বিলের কাগজপত্র ছিল না। তিনি সেসব কাগজ জমা দিতে বলেছিলেন। পরে রবিন সেগুলো জমা দিয়েছেন। টাকা চাওয়া কিংবা ফাইলের নিচে টাকা রাখার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, বিষয়টি আমার নজরে আসেনি। যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন