ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘সংশোধন ছাড়া সাইবার সুরক্ষা আইন হলে দেশ বৃহৎ কারাগারে পরিণত হবে’


‘সংশোধন ছাড়া সাইবার সুরক্ষা আইন হলে দেশ বৃহৎ কারাগারে পরিণত হবে’

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হলে বাংলাদেশ একটি বৃহৎ কারাগারে পরিণত হবে, এমন মন্তব্য করেছেন দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া নিয়ে গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। মতিউর রহমান চৌধুরী উল্লেখ করেন, "সংশোধন ছাড়া যদি এই আইন পাস হয়, তাহলে বাংলাদেশ একটি বৃহৎ কারাগারে পরিণত হবে।"

এর আগে ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম বলেন, গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি মনে করেন, আইনটি এভাবে পাস হলে গণমাধ্যমের ওপর বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

তিনি আরও বলেন, সরকার আইনটি নিয়ে আরও আলোচনার সুযোগ দেওয়ায় তারা আনন্দিত। সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ গ্রুপ এবং গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে একটি গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এসব গ্রুপের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়া হবে।

মাহফুজ আনাম বলেন, বর্তমান প্রযুক্তির কারণে সবাই সাইবার জগতের অংশ। গণমাধ্যমের অনলাইন, মাল্টিমিডিয়া ও ডিজিটাল কার্যক্রম রয়েছে। তাই সাইবার অপরাধীদের শাস্তি দিতে গিয়ে এমন কোনো আইন করা উচিত নয়, যাতে শেষ পর্যন্ত গণমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রস্তাবিত আইনে বেশ কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলোর সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার মতে, সংজ্ঞা না থাকলে এসব বিধান বিভিন্নভাবে প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এছাড়া কয়েকটি অপরাধের ক্ষেত্রে দুই বছর, পাঁচ বছর ও ১০ বছর পর্যন্ত শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

মোবাইল কোর্টের বিধান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মাহফুজ আনাম। তিনি বলেন, একজন প্রতিবেদক যদি কোনো প্রতিবেদন করার পর মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সাজা পান, তাহলে সেটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় প্রশ্ন তৈরি করবে।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

তিনি বলেন, "একটা রিপোর্টার ধরেন, সে একটা রিপোর্ট করতেছে, সেই রিপোর্টার কি মোবাইল কোর্টের জাজমেন্ট হইতে পারে? আমাদের ধারণা এবং আমাদের যে বিষয়, মোবাইল কোর্টের প্রভিশনটা ছিল সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত।"

মাহফুজ আনাম আরও বলেন, সাইবার সুরক্ষা ও গণমাধ্যমকে নিয়ে এ ধরনের মোবাইল কোর্টের বিধান কীভাবে প্রস্তাবিত আইনে এলো, সেটি বড় প্রশ্ন। খসড়াটি কারা এবং কী চিন্তা থেকে তৈরি করেছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার গণমাধ্যমকে প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যম এবং সাইবার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এমন প্রস্তাব দেওয়া হবে, যাতে গণমাধ্যমের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত হয় এবং সাংবাদিকরা আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন।

এদিকে একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান ও সিইও আব্দুস সালাম বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় কোনো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন কারও পছন্দ না হলে বা কেউ মনে করলে তার মানহানি হয়েছে, সেই অভিযোগে সাংবাদিককে গ্রেফতার বা কারাগারে পাঠানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়।

আরও পড়ুন: লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

তিনি বলেন, "সাইবার সুরক্ষা আইন দরকার আছে। সেটা হচ্ছে যারা সাইবার জগতে বিভিন্ন ধরনের ক্রাইম করে তাদের জন্য। এখন যদি সেটা মিডিয়ার ওপরে পড়ে, ধরেন আপনার একটা রিপোর্ট করতেছেন বা কেউ ক্ষুব্ধ হইলো, সে এখন আপনার ওপর মামলা করে দিলো, মালিকসহ মামলা করে দিলো, সে অ্যারেস্ট হইলো বা মোবাইল কোর্ট যদি থাকে, আপনার সাথে সাথে ধরেন আপনি রিপোর্ট করলেন, আপনি রাস্তায় যাচ্ছেন, আপনাকে ধরে নিয়ে গেলো। তো এটা তো হইতে পারে না।"

আব্দুস সালাম আরও বলেন, এভাবে সাংবাদিকদের ওপর আইন প্রয়োগ হলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হবে। সাইবার অপরাধ দমনে আইন প্রয়োজন হলেও মূলধারার গণমাধ্যম, ডিজিটাল মিডিয়া এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, "মিডিয়ার ফ্রিডম থাকতে হবে এবং আমাদের সুরক্ষাও থাকতে হবে, প্রোটেকশনও থাকতে হবে।" এ বিষয়ে আরও কিছু প্রস্তাব দেওয়া হবে এবং সরকার সেগুলো বিবেচনা করবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে এই প্রথম, এসসিও’র বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ ভারত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বিটিএসের টানে’ দেশ ছাড়ছিলেন তারা, এসআইয়ের স্ত্রীর বুদ্ধিতে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


‘বিটিএসের টানে’ দেশ ছাড়ছিলেন তারা, এসআইয়ের স্ত্রীর বুদ্ধিতে উদ্ধার

একই বিদ্যালয়ের তিন কিশোরী পাবনা থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কুড়িগ্রামে পৌঁছায়, বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত পেরিয়ে কোথাও চলে যাওয়া। তবে কুড়িগ্রামে গিয়ে অপরিচিত এলাকায় পথ হারিয়ে ফেলায় শেষ পর্যন্ত এক পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এই ঘটনা ঘটে। তিন কিশোরীর মধ্যে একজন অষ্টম শ্রেণির এবং অপর দুজন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা একই এলাকার বাসিন্দা এবং তাদের মধ্যে দুজন পরস্পরের আত্মীয়।

তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা সাধারণ বলে জানা গেছে। কিছু অভিভাবক ফার্নিচারের কাজ করেন, আবার কেউ ওয়ার্কশপে কাজ করেন।

তথ্য অনুযায়ী, তিনজনের একজন একপর্যায়ে বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার চিন্তা করতে শুরু করে। দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতদল বিটিএসের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে বিভিন্ন ভিডিও ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দেখার মাধ্যমে। পরবর্তীতে ওই কিশোরী সীমান্ত এলাকা দিয়ে দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা তার দুই সহপাঠীকে জানায় এবং তারা তার সঙ্গে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী রবিবার সকাল ১০টার দিকে তিনজন স্কুলে এসে একত্রিত হয়। তবে তারা ক্লাসে না গিয়ে অটোরিকশাযোগে পাবনা বাস টার্মিনালে পৌঁছে বাসে করে নাটোরে যায়। নাটোর থেকে বাসে রংপুর এবং রংপুর থেকে কুড়িগ্রামে পৌঁছায় তারা। সন্ধ্যার আগে কুড়িগ্রাম বাস টার্মিনালে পৌঁছানোর পর রাত কাটানোর জন্য থাকার জায়গা খুঁজতে থাকে। পরে একটি অপরিচিত মহল্লায় ঢুকে পড়ে তারা।

কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই তাজ ওই মহল্লায় বসবাস করেন। তার স্ত্রী অপরিচিত তিন কিশোরীকে দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কথাবার্তা ও চলাফেরায় সন্দেহ হলে তিনি তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে আশ্রয় দেন। খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং বিশ্রামের সুযোগ দেন। পরে বিষয়টি স্বামী এসআই তাজকে জানান। এসআই তাজ ও তার স্ত্রী কৌশলে তিন কিশোরীর কাছ থেকে তাদের পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের অবস্থানের কথা জানান। একই সঙ্গে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পুলিশকে অবহিত করা হয়।

এদিকে, তিন কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে পাবনা সদর থানায় পৃথকভাবে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি শিশু-কিশোরদের মানসিক অবস্থা, পরিবারের আচরণ এবং অনলাইনভিত্তিক নানা কনটেন্টের প্রভাব নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে।

পাবনা সদর থানার ওসি তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিন কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি করার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের একপর্যায়ে কুড়িগ্রাম সদর থানার একজন এসআইয়ের মাধ্যমে তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে কুড়িগ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় তিন কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে স্ত্রী হ-ত্যা-র দায়ে স্বামী ও শাশুড়ির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


ফরিদপুরে স্ত্রী হ-ত্যা-র দায়ে স্বামী ও শাশুড়ির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্ত্রী সুমি (গিরিনা) হত্যা মামলায় স্বামী ও শাশুড়িকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় সুমির স্বামী পলাতক ছিলেন, তবে শাশুড়ি ও খালাসপ্রাপ্ত শ্বশুর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র ও নথিপত্রের ভিত্তিতে জানা যায়, মৃত সুমি (গিরিনা) ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলার কেশরাইল গ্রামের আতিয়ার রহমান তালুকদারের স্ত্রী। ২০১০ সালে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সুমিকে স্বর্ণালংকার ও টাকা-পয়সা দেওয়া হয়েছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বাদী, নিহতের ভাই মো. সরোয়ার মোল্যা (৪৫), এজাহারে অভিযোগ করেন যে, বিয়ের পর সুমি অন্তঃসত্ত্বা হলে তার স্বামী আতিয়ার রহমান তাকে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান। এরপর থেকেই স্বামী, শাশুড়ি ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে সুমিকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, সুমি ও তার স্বামীকে পারিবারিকভাবে বুঝিয়ে-শুনিয়ে একপর্যায়ে কেশরাইলের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পরও সুমিকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার ভাই।

২০১১ সালের ১১ মে সকালে কেশরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. আবুজার মোল্যা মোবাইল ফোনে সুমির মৃত্যুর খবর তার ভাইকে জানান। খবর পেয়ে স্বজনরা কেশরাইল গ্রামে গিয়ে আতিয়ার রহমান তালুকদারের বাড়ির একটি ঘরের মধ্যে পালংকের ওপর সুমির মরদেহ দেখতে পান।

মামলার নথিতে বাদী অভিযোগ করেন, সুমিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঘরের মধ্যে রেখে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি বোয়ালমারী থানায় মামলা করেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে স্বামী আতিয়ার রহমান তালুকদার (২৮) এবং তার মা মোছা. রাহেলা বেগম (৫০) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এ মামলার অপর আসামি বাবা খলিলুর রহমান তালুকদার (৫৫) কে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি চৌধুরী জাহিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আতিয়ার রহমান তালুকদার ও তার মা মোছা. রাহেলা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৫ বছর পর আদালতের এই রায় ঘোষণা হলো। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকদের পে স্কেল প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে নতুন তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


শিক্ষকদের পে স্কেল প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে নতুন তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর সুবিধা প্রদান করা হবে। তবে, তাদের জন্য একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন। শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে, জানতে চাইলে মন্ত্রী জানান, অর্থ মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তিনি উল্লেখ করেন, "আরেকটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।"

গত ১ সেপ্টেম্বর, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে উল্লেখ করেছিলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে।’

বর্তমানে দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রায় ৪ লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে ২ লাখের মতো এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় বেশি, তারা এমপিওর বাইরেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের টাকা দেয়। কিন্তু বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেই সক্ষমতা থাকে না।

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে স্কেলের আওতায় আসার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এটি কার্যকর করার জন্য পৃথক গেজেট জারি করতে হবে। ফলে, প্রায় ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এই বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদলের বৈঠক, কৌশলগত অংশীদারি জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


ভারতের প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদলের বৈঠক, কৌশলগত অংশীদারি জোরদার

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এই প্রতিনিধিদলটি, যা মার্কিন হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ব্রায়ান মাস্ট-এর নেতৃত্বে ভারত সফর করছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘ভারত-মার্কিন ব্যাপক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারি’কে আরো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছে।

বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে পারস্পরিক অংশীদারি এবং উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

রাজস্থানে ভারত ও মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। এই মহড়া দুই দেশের সামরিক বাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা এবং ইন্টারঅপারেবিলিটি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অভিন্ন লক্ষ্যগুলো পুনর্ব্যক্ত করা হয়, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকারকে আরো শক্তিশালী করবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা দুই দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%